Friday, 25 April 2014

আবদুলের রোজনামচা



ফরিদ সাহেব এখন অবসর জীবন যাপন করছেন। এতদিন সরকারি চাকরি করে ক্লান্ত হয়ে হাত পায়ে যখন নানা উপসর্গ যেমন গিরায় গিরায় ব্যথা, মাজায় ব্যথা দেখা দিচ্ছিল তখন একেবারে সময় মত এলপিআরের অফিস অর্ডার পেল। বাংলাদেশের একেবারে দক্ষিণে সাগর উপকূল ছাড়িয়ে সুন্দরবনের ধারে মংলায় সুন্দর মনোরম পরিবেশে জীবনের
অনেকগুলি বছর কাটিয়েছে। সকালে ঘুম থেকে উঠে দোতলার বারান্দায় বসে বাসার বাম দিকে মংলা নালা আর পশ্চিমে একটু দূরে পশুর নদী এবং সামনে একটু ডানে সুন্দরবনের অবারিত সবুজ সেই সাথে পাখপাখালির কিচিরমিচির শুনে শুনে সুখেই কাটিয়ে দিয়েছে দিনগুলি। অবসর পেয়ে পৈত্রিক বাড়ি ঢাকায় এসে ঢাকা শহরের অন্ধ গলির পাশে বন্ধ অন্ধকার বাড়িতে হাঁপিয়ে উঠছিল। এতদিন যখন ঊর্ধ্বতন কর্তার নানা রকমের হুকুম তামিল করা, সরকারি নানা ধরনের কাজকর্ম দেখাশুনা করা এবং অধস্তনদের নানা রকম সমস্যা নিয়ে তা নিরসনের জন্য জটিল ভাবনায় ব্যস্ত থাকত সেখানে এখন সারাদিন শুয়ে বসে শুধু শুধু গায়ে গতরের ওজন আর সর্বাঙ্গের ব্যথা বাড়ান ছাড়া আর কিছুই করার ছিল না। এমনি এক সময় মেঝ মেয়ে একদিন মা বাবা আর বোনদের ডেকে বেশ আনন্দের সাথে জানাল তার একটা চাকরি হয়েছে। ভাল পদ, ভাল বেতন তবে থাকতে হবে একেবারে প্রত্যন্ত এক উপজেলায়।
বাহ! বেশ ভাল কথা!

হ্যাঁ আব্বু আমিও এমনি একটা চাকরি খুজছিলাম। এখানে বছর দুয়েকের অভিজ্ঞতা নিয়ে এলে আমার পরের ডিগ্রিটা নেয়া হবে। ওতে প্র্যাকটিকাল এক্সপেরিয়ান্সের দরকার।
বেশ ভাল হয়েছে, তাহলে জয়েন করে ফেল। জয়েন করার লাস্ট ডেট কবে?
এইতো সামনের ১৭ তারিখ কিন্তু তোমরা আমার সাথে যাবে না?
তোমরা কারা?
মা আর তুমি!
হ্যাঁ যাব। আমরা গিয়ে তোমার থাকা রান্না খাবারের ব্যবস্থা করে দিয়ে আসবইতো
না শুধু দিয়ে আসলেই হবে না, আমার সাথে ওখানে থাকতে হবে
থাকতে হবে? বল কি! এই দুই বছর ওখানে থাকতে হবে?
এখানেই বা কি করবে? এখানে তোমার কি কাজ?
ফরিদ সাহেব ভেবে দেখল মন্দ কি? এখানে বসে বসে হাড়ে ঘাস গজাবার সময় হয়ে গেছে
কিন্তু বাবা তোমার মা না হয় তোমার রান্না বান্না নিয়ে ব্যস্ত থাকবে কিন্তু আমি কি করব? আমার সময় কি করে কাটবে ওই অজ গ্রামে?
তুমি চিন্তা করোনা আব্বু আমি তোমার জন্য একটা অ্যাপয়েন্টমেন্টের ব্যবস্থা করে দিব
কি ব্যবস্থা করবে, কোথায়?
আহা আগে চলইনা তখন দেখব কি করা যায়!
বেশ চল।

সুনামগঞ্জের আগাম টিকেট করা হলো। সুনামগঞ্জে নেমে আবার পাশের এক উপজেলায় যেতে হবে। প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র যা যা সাথে নেয়া দরকার বা কোচে যেতে যা যা নেয়া যায় সেগুলি বাঁধাছাঁদা করে শুভক্ষণে শুভ লগ্নে রওয়ানা হলো। বিকেলে সুনামগঞ্জ পৌঁছে আবার একটা সিএনজি নিয়ে চাকরিস্থলে পৌঁছল। প্রথমেই  থাকার জন্য একটা হোটেলে আশ্রয় নিয়ে বের হলো খাবার সন্ধানে। আশেপাশে বেশ কয়েকটা রেস্টুরেন্ট দেখে একটায় ঢুকে পরল। খাবার পাট সেরে এলাকাটা ঘুরে ফিরে দেখার জন্য রিকশায় উঠে বসল। চারদিকে হাওরে থৈ থৈ পানি, দূরে ভারতের মেঘালয় পাহাড় ছায়া ছায়া দেখা যায়। বেশ সুন্দর এলাকা। ছোট্ট উপজেলা শহর ঘুরে আসতে বেশিক্ষণ লাগল না।

পরদিন কাগজপত্র নিয়ে জয়েন করার জন্য মাঝু অফিসে চলে গেল। জয়েন করে অফিসের বস আর কলিগদের সাথে আলাপ পরিচয় হলো। সবাই জানতে চাইল কোথায় উঠেছেন?
হোটেলের নাম বলতে সবাই চিনতে পারল। সাথে মা বাবা এসেছে জেনে সবাই অবাক হলো।
বলেন কি আপনি কি একই মেয়ে?
না না আমার বড় আর ছোট দুই বোন আছে ঢাকার বাড়িতে।
ও তাহলে আপনি বুঝি বাবা মার খুব প্রিয় মেয়ে?
তা একেবারে অস্বীকার করা যাবে না তবে বাবা রিটায়ার্ড মানুষ তাই মা বাবাকে নিয়েই এসেছি তাছাড়া বাবা মা আমাদের তিন বোনকেই খুব স্নেহ করেন।  কখনও কোথাও একা থাকিনি তাই একা আসতে দিতে রাজি হয়নি। ওনারা না এলে আমার এখানে জয়েন করা হতো না।
বেশ ভাল কথা। তাহলে এখন আপনার জন্য একটা ভাল বাসা খুঁজতে হয়।
বস সবাইকে ডেকে মেয়ের জন্য একটা বাসা দেখতে বলে দিল। একজন বলল
আপা কাছেই একটা সুন্দর বাসা আছে চলেন বিকেলে যেয়ে দেখবেন। কাছেই, আপনি হেটে অফিসে আসতে পারবেন।
হ্যাঁ যাব, সাথে আব্বু আম্মুকেও নিয়ে যাব।

বিকেলে অফিস সেরে মেয়ে তার এক কলিগকে সাথে নিয়ে হোটেলে উপস্থিত। পরিচয়ের পালা শেষ করে বলল
চল, আব্বু আম্মু দুইজনেই চল মনির ভাই একটা বাসা দেখাতে নিয়ে যাবে। কাছেই, হেটেই যেতে পারব।
চল।

বাসা দেখে খুবই ভাল লাগল। এত তাড়াতাড়ি এমন জায়গায় মেয়ের অফিসের এত কাছে এত সুন্দর বাসা পাবে ভাবতেই পারেনি। তিন রুম, বারান্দা, দুই টয়লেট তাতে আবার টাইলস বসান। উপজেলা শহরে এমন বাসা! চমৎকার! ঢাকার তুলনায় ভাড়া এত কম যে ভাবাই যায় না! তবে সমস্যা হলো এখানে রান্নার গ্যাস নেই। অবশ্য লাকড়ি দিয়ে রান্নার জন্য খুবই সুন্দর ব্যবস্থা রয়েছে। বেশ বড়সড় রান্না ঘর আর তার এক পাশে টেবিল সমান উঁচুতে দুইটা লাকড়ির চুলা, উপরে এক্সাস্ট ফ্যান আর লাইটের ব্যবস্থা রয়েছে, চুলার নিচে আবার বেশ কিছু লাকড়ি রাখা যায়। ওরা সবাই এমন ব্যবস্থা দেখে অবাক হলো। এর আগে কোথাও এমন ব্যবস্থা চোখে পড়েনি। বাসায় ঢুকতে রাস্তার মুখে পাশেই আবার এলপি গ্যাসের বোতলের দোকানও দেখেছে একটা। মনির সাহেব জানাল এখানে রান্নার লাকড়ির দাম বেশ সস্তা। লাকড়িতেই রান্না বান্না হবে তবে জরুরী কাজের জন্য একটা সিলিন্ডার রাখলেই হবে। ব্যাস আর কি! বাড়িওয়ালার সাথে ভাড়া ইত্যাদি নিয়ে আলাপ সেরে পাকা কথা হয়ে গেল। ঢাকার মত কোন অগ্রিম দেয়ার ঝামেলা নেই। আগামী কাল ধোয়া মুছা করে তার পরেরদিন বাসায় উঠবে এমন কথা হলো। যথা সময়ে হোটেল ছেড়ে বাসায় এসে উঠল। এবারে ছুটল হাড়ি পাতিল, রান্নার আয়োজন, বিছানাপত্র ইত্যাদি কেনাকাটা করতে। বাল্ব, ফ্যান, বাসন পেয়ালা, চামচ খুন্তি, রুটি বানাবার বেলন পিড়ি, দাও বটি, তোষক জাজিম বালিশ মশারি কম কিছুতো লাগে না! ছোট শহর বলে হাতের কাছেই সব পাওয়া যায়। একটা নিয়ে এসেই শুনে আর একটা আনতে হবে। আবার ছুটল। আবার ছুটল। আবার ছুটল। এবারে মোটামুটি থাকার মত একটু ব্যবস্থা হলো। মাঝুর মা ডাল, আলু ভর্তা ভাত রান্না করল। আস্তে আস্তে খাট, ডাইনিং টেবিল চেয়ার ফ্রিজ সহ আরও অনেক টুকি টাকি কেনা হচ্ছে একে একে। প্রায় প্রতিদিনই তিন চারবার করে মাঝুর বাবাকে বাজারে যেতে হচ্ছে। কাছে বলে হেঁটেই যায় আবার হেঁটেই আসে। তবে মাঝুর বাবা ফরিদ সাহেব মাছ কিনতে পারেননা বলে দেখে শুনে মাছ কেনার জন্য মাঝুর মা তার সাথে যায়। এখানে এসে এত সব কিছু সুবিধা হলে কি হবে হাউজ এসিস্ট্যান্ট বা কাজের মানুষ সখিনা কিংবা আবদুল কাওকে পাওয়া যাচ্ছে না মোটেই। 

এদিকে ফরিদ সাহেব এখানে আসার আগে যেমন করে ভেবেছিলেন ওখানে যেয়ে আমার সময় কাটাব কি করে! আসলে দেখা যাচ্ছে কোথা দিয়ে যে তার দিনগুলি কেটে যাচ্ছে তা টেরই পাচ্ছেন না। যেমন সকালে ঘুম থেকে ওঠার পরেই মাঝুর মা মধুর কণ্ঠে আবদার করেন: শোন আমিতো আটা মাখাচ্ছি তুমি একটু সিংকের বাসন পেয়ালা গুলি ধুয়ে দাও না!
বেশ ধুয়ে দিচ্ছি। এই নাও তোমার সিংক খালি করে দিলাম।
বাহ! বেশ কাজ করেছ এবার এক কাজ করতে পারবে?
কি কাজ?
যা গরম পরেছে রান্না ঘরে মোটেই টিকতে পারছি না ওদিকে মাঝুর অফিসে যাবার সময় হয়ে এলো তুমি রুটি গুলি বেলে দাও আমি সেকে নিচ্ছি।
আচ্ছা দাও আমিই বেলে দিচ্ছি
এই ভাবে কেউ রুটি বেলে! এতো বাংলাদেশের মানচিত্র বানিয়েছ! সারা জীবন ভরে কি শিখেছ? কিচ্ছু শিখলে না! রুটিও বেলতে পার না!
বাংলাদেশের মানচিত্র রুটি বেলা এবং সেকা হয়ে গেল। ফরিদ সাহেব এসে একটু বারান্দায় দাঁড়াল। বাইরে ডোবার পরে রাস্তা। রাস্তা দিয়ে বাস, লেগুনা সিলেট সুনামগঞ্জে যাচ্ছে আসছে তাই দেখছে। এর মধ্য এবার আর এক আবদার রেডি। রান্না ঘর থেকে মধুর ডাক ভেসে এলো, তুমি কোথায়? শুনছ এদিকে একটু আস না!
ওমনিই ফরিদ সাহেব এসে হাজির।
বল কি জন্য ডেকেছ
পেপে ভাজি করেছি এবার ডিম ভাজতে হবে, মাঝুতো পোচ খায় না ওর জন্যে একটা ডিম ভেজে দিই কি বল!
দাও, এজন্যে আবার আমাকে ডাকছ কেন?
একটু মিষ্টি হেসে, দুইটা পিয়াজ মরিচ কেটে দাওনা!
বেশ দিচ্ছি।
আহা করছ কি? এই এত মোটা করে কেউ মরিচ কুচি করে? আরও পাতলা করে কাট।
ডিমের পোচ এবং অমলেট হয়ে গেল, রুটিতো আগেই হয়ে গেছে। এবার মাঝু রেডি হয়ে টেবিলে এসে বসল। সবাই এক সাথে নাস্তা করছে।
শুনছ চা টা একটু ঢেলে আনতে পারবে? ওখানে দেখ চায়ের কাপ রেডি আছে
কথাটা শুনে মাঝু জিজ্ঞাসু দৃষ্টিতে মার মুখের দিকে তাকাল, আব্বুকে বলছ কেন, আমি আনতে পারি না?
থাক না তোমার আব্বু খুব ভাল চা বানাতে পারে।
সবার নাশতা এবং চা পর্ব শেষ হলো। মাঝু অফিসে চলে গেল।

তুমি আবার এগুলি ধোয়ার চেষ্টা করবে না সেই আজানের সময় উঠেছি আমি একটু গড়িয়ে নিয়ে আসছি।
মাঝুর মা বললে কি হবে মাঝুর বাবা রান্না ঘরে গিয়ে নাশতার বাসন পেয়ালা চায়ের কাপ সব কিছু ধুয়ে রেখে আসল। একটু পরে মাঝুর মা বলল বাজারে যেতে হবে। দেশী মুরগি পেলে আনবে আর সবজি, কাঁচামরিচ টমেটো আনবে আর চিংড়ি মাছ পেলে নিয়ে আসবে একটু ভর্তা বানাব।
মাঝুর বাবা আবার দুইটার বেশি সদাই হলে কোনোদিনই মনে রাখতে পারে না তাই স্লিপ প্যাড আর কলম নিয়ে লিখে নেয়ার জন্য আবার ডাইনিং টেবিলে বসল।
কি কি যেন বললে আবার বলনা!
আচ্ছা তুমি কি কাজের মানুষ নাকি যে তোমাকে লিখে নিতে হবে? যা যা পাবে যা ভাল লাগবে নিয়ে আসবে।
না মানে ভুলে গেলেতো আবার যেতে হবে তাই লিখে নিয়েই যাইনা কেন। তাছাড়া লিখতে পারি আর তা কাজে লাগাব না?
বাজারে থাকতেই মাঝুর বাবার পকেটে মোবাইল ফোন বেজে উঠল।
হ্যালো, কি ব্যাপার? আর কি লাগবে? 
শোন, দেখতো লাউ আছে নাকি বাজারে!
না লাউতো দেখলাম না
চিংড়ি মাছ পেয়েছ?
হ্যাঁ নিয়েছি
আচ্ছা চলে আস তাহলে, রিকশায় এসো হেটে আসবে না কিন্তু
আচ্ছা দেখি।

বাজার থেকে ফিরে এসে দেখে মাঝুর মা রান্না ঘরে রান্নার আয়োজন করছে।
এই যে দেখ তোমাকে তখন নিষেধ করলাম বাসন পেয়ালা ধুবে না কিন্তু দেখ কি করেছ!
কি করেছি?
এই যে দেখ ডিমের প্লেটে যেমন তেল ছিল ওমনিই রয়ে গেছে
ও তাই নাকি?
তোমার ধোয়া এমনই হয় মনে হয় সখিনারা ধুয়েছে, তোমাকে দিয়ে কোন কাজই হবে না কি করে যে চলেছ এতদিন!
আরে ঠিক আছে কেউতো আর দেখছে না! চালিয়ে দাও না! এত এমন করছ কেন? আমিতো তোমার একটু আয়েশের জন্যেই চেষ্টা করেছি!
থাক এমন আয়েশের দরকার নেই, এগুলি আমাকে আবার ধুতে হবে, বুঝেছ?

তখনকার ঝর মোটামুটি ওখানেই থেমে গেল। আবার দুপুরে বাথরুম থেকে ডাকাডাকি।
কি হলো?
শোন এই কাপর গুলি ভাল করে ঝেরে বারান্দায় শুকাতে দাও
আচ্ছা দিচ্ছি।
গোসল সেরে এসে মাঝুর মায়ের আর এক দফা সুবচন প্রক্ষেপণ শুরু হলো
তোমাকে বললাম ভাল করে ঝেরে শুকাতে দিতে আর একি করেছ? কাপড়গুলা ঝাড়তে পার না?
আহা ইস্ত্রি করে নিলেই হবে এতে এত অস্থির হবার কি আছে?

থাক আর সাফাই গাইতে হবে না এখন যাও মেয়ের লাঞ্চে আসার সময় হয়েছে রান্নাঘর থেকে ভাত তরকারি পেয়ালায় বেরে টেবিলে নিয়ে আস আমি নামাজ পড়ে আসছি।
আবার বিকেল বেলা। শুনছ! বারান্দা থেকে শুকানো কাপড়গুলা নিয়ে এসে খাটে রাখ ভাজ করতে যেও না আবার। আমি ভাজ করব। কাপড় আনা হলে জানালা গুলি বন্ধ করে মশার কয়েল জ্বালিয়ে ওঘর থেকে কয়েকটা ছোট শুকনা লাকড়ি রান্না ঘরে এনে রাখ দেখি রাতের জন্য ভাত রান্না করতে হবে।

রাতের খাবার হয়ে গেল।
শোন,  তরকারি গুলি বাটিতে নিয়ে ফ্রিজে রেখে দিতে পারবে?
হ্যাঁ তা আর পারব না? দাড়াও রাখছি।
বেশ রেখে আস।
ফরিদ সাহেবের অবস্থা এমনিই চলছে।
একদিন ফরিদ সাহেব মেয়েকে বলল বাবা তুমি না বলেছিলে আমাকে একটা অ্যাপয়েন্টমেন্টের ব্যবস্থা করে দিবে, মনে আছে?
থাকবেনা কেন?
তাহলে ব্যবস্থা করছ না কেন?
এ আবার নতুন করে কি করব! তুমি একটা জব করছ না?
সে আবার কি করছি?
কেন আম্মুর আবদুলের কাজটা করছ না?

No comments:

Post a Comment

Thank you very much for your comments.