<?xml version='1.0' encoding='UTF-8'?><?xml-stylesheet href="http://www.blogger.com/styles/atom.css" type="text/css"?><feed xmlns='http://www.w3.org/2005/Atom' xmlns:openSearch='http://a9.com/-/spec/opensearchrss/1.0/' xmlns:georss='http://www.georss.org/georss' xmlns:gd='http://schemas.google.com/g/2005' xmlns:thr='http://purl.org/syndication/thread/1.0'><id>tag:blogger.com,1999:blog-6206436569761013193</id><updated>2012-02-13T22:13:57.834+06:00</updated><category term='২১শে ফেব্রুয়ারি'/><category term='Picture'/><category term='Swadhinota'/><category term='Golpo'/><category term='অসম'/><category term='বাংলা বানান'/><category term='শুভেচ্ছা'/><category term='অসমিয়া সাহিত্য'/><category term='Comments'/><category term='Guest post'/><category term='Greeting'/><category term='Adventure'/><category term='পূর্বোত্তর ভারত'/><category term='Life'/><category term='দেশ'/><category term='Songs'/><category term='Shipbuilding in Bangladesh'/><category term='কলকাতা'/><category term='মানবতা'/><category term='স্মৃতি কথা'/><category term='বাংলা সাহিত্য'/><category term='বাংলা'/><category term='Blog Barta'/><category term='Site list'/><category term='রহস্য'/><category term='Festival'/><category term='poems'/><title type='text'>স্মৃতি কণা                                                                    memory link</title><subtitle type='html'>নীল নীল সাগর তীরে এই মায়াবী রাতের আঁধার চুপি চুপি আমায় ডেকে নিয়ে যায়</subtitle><link rel='http://schemas.google.com/g/2005#feed' type='application/atom+xml' href='http://smritikona.blogspot.com/feeds/posts/default'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6206436569761013193/posts/default?max-results=100'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://smritikona.blogspot.com/'/><link rel='hub' href='http://pubsubhubbub.appspot.com/'/><author><name>Smritikona</name><uri>http://www.blogger.com/profile/06924676430610821189</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='30' height='32' src='http://3.bp.blogspot.com/_QBqxJNVAQsg/S4nDcZMyGtI/AAAAAAAAH5o/BcbLKNpvnQk/S220/Snow+self-2.jpg'/></author><generator version='7.00' uri='http://www.blogger.com'>Blogger</generator><openSearch:totalResults>59</openSearch:totalResults><openSearch:startIndex>1</openSearch:startIndex><openSearch:itemsPerPage>100</openSearch:itemsPerPage><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-6206436569761013193.post-6111406389772503981</id><published>2011-08-31T17:45:00.001+06:00</published><updated>2012-01-31T14:09:49.337+06:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='Shipbuilding in Bangladesh'/><title type='text'>জাহাজ শিল্প, উন্নয়নের নবদিগন্ত</title><content type='html'>&lt;div dir="ltr" style="text-align: left;" trbidi="on"&gt;&lt;div class="separator" style="clear: both; text-align: center;"&gt;&lt;a href="http://2.bp.blogspot.com/-mMRMluK6qhg/Tl4dmkBfWZI/AAAAAAAAIbY/ozQOCKf4Eeg/s1600/1.JPG" imageanchor="1" style="margin-left: 1em; margin-right: 1em;"&gt;&lt;img border="0" height="122" src="http://2.bp.blogspot.com/-mMRMluK6qhg/Tl4dmkBfWZI/AAAAAAAAIbY/ozQOCKf4Eeg/s320/1.JPG" width="320" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;div class="separator" style="clear: both; text-align: center;"&gt;&lt;a href="http://3.bp.blogspot.com/-dQiv8vKbnuQ/Tl4d4zBM-gI/AAAAAAAAIbc/Tm1GnfbAcm8/s1600/2.JPG" imageanchor="1" style="margin-left: 1em; margin-right: 1em;"&gt;&lt;img border="0" height="164" src="http://3.bp.blogspot.com/-dQiv8vKbnuQ/Tl4d4zBM-gI/AAAAAAAAIbc/Tm1GnfbAcm8/s320/2.JPG" width="320" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;div class="separator" style="clear: both; text-align: center;"&gt;&lt;a href="http://4.bp.blogspot.com/-e9R1EC28grQ/Tl4ecsE5mAI/AAAAAAAAIbk/KtLfd8AvllI/s1600/4.JPG" imageanchor="1" style="margin-left: 1em; margin-right: 1em;"&gt;&lt;img border="0" height="124" src="http://4.bp.blogspot.com/-e9R1EC28grQ/Tl4ecsE5mAI/AAAAAAAAIbk/KtLfd8AvllI/s320/4.JPG" width="320" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;div class="separator" style="clear: both; text-align: center;"&gt;&lt;a href="http://1.bp.blogspot.com/-0coATRTw2l4/Tl4eaSXtQiI/AAAAAAAAIbg/-eYLpK1Nnsc/s1600/3.JPG" imageanchor="1" style="margin-left: 1em; margin-right: 1em;"&gt;&lt;img border="0" height="173" src="http://1.bp.blogspot.com/-0coATRTw2l4/Tl4eaSXtQiI/AAAAAAAAIbg/-eYLpK1Nnsc/s320/3.JPG" width="320" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;১। নদীমাতৃক আমাদের এই সুজলা সুফলা শস্য শ্যামলা বাংলাদেশ। হাজার নদীর অববাহিকা মিলে তৈরী&amp;nbsp; হয়েছে একটি ব'দ্বীপ&amp;nbsp; যার নাম বাংলাদেশ। নদী নালা দিয়ে এ দেশের এ প্রান্ত থেকে ও প্রান্তে যে কোন প্রত্যন্ত এলাকায় যেতে কোন বাধা নেই। ভৌগলিক কারণেই এমনটি হয়েছে। এটা আমাদের জন্য এক সুবর্ণ সুযোগ। প্রাচীন কালে হয়তোবা কলা গাছের ভেলা কিংবা তাল গাছ চিরে দুই ফালি করে নৌকার মত করে কিংবা অগত্যা মাটির তৈরি চারিতে বসে নদী নালা খালবিল পাড়ি দিত আমাদের পূর্ব পুরুষেরা।&lt;br /&gt;&lt;a name='more'&gt;&lt;/a&gt;&lt;br /&gt;পরবর্তীতে বুদ্ধির তীক্ষ্ণতা যখন একটু বেশী হল তখন কাঠের তক্তা বানিয়ে জুড়ে দিয়ে ধীরে ধীরে একদিন রীতিমত নৌকা হয়ে গেল। এখন আর শুধু একা নিজে নয় পাড়া পড়শি&amp;nbsp; এবং মালামাল সহ ইচ্ছেমত বৈঠা বা লগি দিয়ে বেয়ে যেখানে খুশি সেখানে যেতে বাধা নেই।&lt;br /&gt;&lt;iframe align="left" frameborder="0" marginheight="0" marginwidth="0" scrolling="no" src="http://rcm.amazon.com/e/cm?t=kamas-20&amp;amp;o=1&amp;amp;p=8&amp;amp;l=bpl&amp;amp;asins=B004LAE556&amp;amp;fc1=000000&amp;amp;IS2=1&amp;amp;lt1=_blank&amp;amp;m=amazon&amp;amp;lc1=0000FF&amp;amp;bc1=000000&amp;amp;bg1=FFFFFF&amp;amp;f=ifr" style="align: left; height: 245px; padding-right: 10px; padding-top: 5px; width: 131px;"&gt;&lt;/iframe&gt;&lt;br /&gt;২। কিন্তু সম্ভাবনার এই দেশে এই ব্যবস্থা আর কদিন? এক সময় দেশ নানা জাতির অধীনে পরাধীন থেকে স্বাধীনতা পেল। নিজেদের জ্ঞান বিজ্ঞানের চর্চা কেন্দ্র প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে শুরু হল নানা বিষয়ে অধ্যায়ন এবং গবেষণা। তেমনি জাহাজ নির্মাণের জন্য যুক্ত হল “ন্যাভাল আর্কিটেক্ট এন্ড ম্যারিন ইঞ্জিনিয়ারিং” নামের উপযুক্ত একটি ঝাঁঝালো বিষয়। নৌ চলাচল ও নাবিক বিদ্যা শিক্ষার জন্য তৈরি হল ম্যারিন একাডেমী, ডেক পারসনাল ট্রেনিং সেন্টার এবং বাংলাদেশ ইন্সটিটিউট অফ ম্যরিন টেকনোলজি।&lt;br /&gt;শোনা যাছে দেশে প্রতিষ্ঠিত হচ্ছে সুইডেনের বিখ্যাত মালমো ম্যারিন বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুরূপ একটি ম্যারিন বিশ্ববিদ্যালয়। এক্ষেত্রে আমরা&amp;nbsp; আশা করব এখানে নৌ বিদ্যার পাশাপাশি নৌ নির্মান সংক্রান্ত একটি বিষয় থাকবে যেখানে ছাত্ররা পাবে উচ্চতর ডিগ্রি। যার তুলনা হবে বিশ্বমানের সাথে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;৩। এক সাথে কাজ করতে গিয়ে আমি দেখেছি এমন একটি বিষয় নিয়ে পড়াশুনা করে এগিয়ে এসেছেন তরুন ন্যাভাল আর্কিটেক্ট ও প্রকৌশলী মোঃ শামসুল আলম। চোখে উদ্দীপনাময় স্বপ্ন, দেশ গড়ার আগ্রহ এবং উন্নয়নের একাগ্রতা নিয়ে ম্যারিন হাউজ নামে একটি ডিজাইন এবং কনসাল্টিং হাউজ খুলেছেন&amp;nbsp; তার কয়েকজন সঙ্গী সাথী নিয়ে। নিজের শক্ত হাতে তুলে ধরেছেন এর হাল। আমি দেখছি তিনি দিনের মধ্যে প্রায় ১৮ ঘন্টা নিরলস ভাবে কাজ করে যাচ্ছেন সপ্তাহের প্রতিটি দিন। প্রায় ৩০/৪০ জন তরুণ ইঞ্জিনিয়ার নিয়ে সর্বক্ষণ তাদের মেধা এবং প্রতিভা প্রয়োগ করে চালিয়ে যাচ্ছেন&amp;nbsp; ডিজাইন তৈরি এবং গবেষণার কাজ। কিসে উন্নতি হবে, স্বল্প ব্যয়ে নির্মাণ করা সম্ভব হবে আভ্যন্তরীণ নৌপথে পরিবহনের জন্য ইঞ্জিন চালিত জাহাজ। অনবরত সংগ্রহ করে চলেছেন বিশ্বের অত্যাধুনিক প্রযুক্তি। তাদের ডিজাইন এবং তত্ত্বাবধান অনুযায়ী দেশের বেশ অনেকগুলি বড় শিল্প প্রতিষ্ঠান নিজেদের আভ্যন্তরীণ পরিবহন প্রয়োজন মেটাবার লক্ষে নির্মাণ করছে আভ্যন্তরীণ জাহাজ। যেমন-&lt;br /&gt;আবুল খায়ের গ্রুপ, মেঘনা গ্রুপ, বসুন্ধরা গ্রুপ সহ অনেকেই। আর এগুলির সার্বিক তত্ত্বাবধান করছে ম্যারিন হাউজের তরুণ ও দক্ষ প্রকৌশলীর আর একটি দল। কোথাও কোন ভুল ভ্রান্তি হচ্ছে কি না কিংবা ডিজাইনের সাথে কোন তারতম্য হচ্ছে কিনা এবং সর্বোপরি গুনগত মান নিশ্চিত করার কাজে এরা সর্বক্ষণ নিয়োজিত রয়েছে। এদের কাজকর্মের ধারা দেখে আমার মনে হচ্ছে কোন এক সময় উদীয়মান এই শিল্প বিকাশে বাংলাদেশের মূল পথিকৃত হয়ে থাকবে এই ম্যারিন হাউজ এবং এর কলা কুশলিবৃন্দ।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;উপরে এদের নির্মানাধীন কয়েকটি জাহাজের ছবিঃ এখানে নির্মিত হচ্ছে ২,৫০০ টন ধারন ক্ষমতার ৮ টি কোস্টাল জাহাজ যা বিশ্বের যে কোন সমুদ্রতীরবর্তী এলাকা দিয়েও চলাচলে সক্ষম।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;৪। এই দেশের জন গোষ্ঠীর চাহিদার যাবতীয় মালামাল বা পণ্যের সিংহ ভাগ পরিবহন করা হয় সড়ক বা রেল পথে যা অত্যন্ত ব্যয় বহুল এবং ঝুঁকিপূর্ণ।&amp;nbsp; এতে ক্রমবর্ধমান হারে বেড়েই চলেছে সড়ক পথে যানজট। যা এখন এক বিশাল জাতীয় সমস্যা। যার অত্যাচারে আজকাল দেশের মানুষের জীবন হয়ে পরেছে অতিষ্ঠ। মানুষের চলাচল বা দৈনন্দিন কাজ হচ্ছে বিঘ্নিত। প্রতি দিন এই জ্যামের কারণে দেশকে গুনতে হচ্ছে প্রায় সাড়ে সাত হাজার কোটি টাকার লোকসান, ফলে মাথাপিছু পরছে প্রায় ৫২/০০ টাকা। অথচ নৌপথে পরিবহন সম্ভব হলে&amp;nbsp; এমন হবার কোন সুযোগ নেই। এখানে ছোট্ট একটা উদাহরণ দিলে বিষয়টি সহজেই বোঝা সম্ভব, যেমনঃ&lt;br /&gt;স্বল্প গভীরতার (প্রায় চার বা সাড়ে চার ফুট) একটি জাহাজ সারা বছর ধরে যে কোন সময় দেশের রাজধানী ঢাকা বা বন্দর নগরী চট্টগ্রাম থেকে ২৫০০ টন পণ্য নিয়ে দেশের যে কোন প্রত্যন্ত অঞ্চলে যেতে আসতে (যেমন ময়মনসিংহের হালুয়া ঘাট এবং এমন প্রত্যন্ত এলাকা) ট্রাকের তুলনায় প্রায় চার ভাগের এক ভাগ তেল জ্বালিয়ে ৩০/৩৫ ঘণ্টার মধ্যে চলে আসতে পারে। কিন্তু সড়ক পথে ঐ পরিমাণ মাল বোঝাই নিতে ট্রাক প্রতি ১০ টন হিসেবে ২৫০ টি ট্রাকের প্রয়োজন। এখানে লক্ষ করলেই দেখা যায় এই ২৫০টি ট্রাক চলাচলে সড়কের উপর কেমন চাপ পরছে। এতে যানজট আবশ্যিক ভাবে বাড়ছে।&amp;nbsp; সড়কের উপর চাপ পরে সড়কের এবং তার ব্রিজগুলোর উপর অহেতুক চাপ পরছে। যা কিনা&amp;nbsp; নদীপথে বহন করলে এগুলির কিছুই হত না। এমনকি কাক পক্ষীতেও টের পেত না এই এত্ত মালামাল কি ভাবে ও কখন এসে পৌঁছেছে। দেশে উত্পাদিত কোন পণ্যই বিনষ্ট হবার কোন সম্ভাবনা থাকবে না। উত্পাদনের সাথে সাথে তা পৌছে যাবে যেখানে প্রয়োজন সেখানে।&lt;br /&gt;&lt;iframe align="left" frameborder="0" marginheight="0" marginwidth="0" scrolling="no" src="http://rcm.amazon.com/e/cm?t=kamas-20&amp;amp;o=1&amp;amp;p=8&amp;amp;l=bpl&amp;amp;asins=B000LMPM5U&amp;amp;fc1=000000&amp;amp;IS2=1&amp;amp;lt1=_blank&amp;amp;m=amazon&amp;amp;lc1=0000FF&amp;amp;bc1=000000&amp;amp;bg1=FFFFFF&amp;amp;f=ifr" style="align: left; height: 245px; padding-right: 10px; padding-top: 5px; width: 131px;"&gt;&lt;/iframe&gt;&lt;br /&gt;৫। তবে একথা ঠিক যে একটি ট্রাক সহজেই স্বল্প মূল্যে কেনা সম্ভব কিন্তু একটি জাহাজ তা নয়। এ ক্ষেত্রে অবশ্য আমি সরকারের তৎপরতা এবং ব্যাঙ্ক গুলি্র এগিয়ে আসাকে বাধ্যতা মূলক করতে হবে বলে ভাবছি। দেশের আপামর জনসাধারন, বিত্তশালী, দক্ষ প্রকৌশলী, নাবিক সবার কাছে আমার অনুরোধ থাকবে আপনারা নিজ নিজ ক্ষমতা অনুযায়ী সক্রিয় ভুমিকা নিয়ে এগিয়ে আসুন। নিজের উপার্জিত অর্থ, কৌশল, জ্ঞ্যান, অভিজ্ঞতা ও মেধা নিয়ে বসে থাকবেন না, দেশের ও দশের কাজে লাগতে দিন। একটি সুন্দর আগামী রেখে যান। আমাদের উত্তর পুরুষ যার ফল ভোগ করবে। যেমন আমরা ভোগ করছি আমাদের পূর্বপুরুষদের রেখে যাওয়া ফল।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;৬। এতে অবশ্যই দেশের স্বাভাবিক উন্নয়ন সহ বেকার সমস্যার অভিশাপ থেকে মুক্তি, তারুণ্যের সদ্ব্যবহার এবং নানাবিধ শিল্পায়ন অতি স্বাভাবিক গতিতে বৃদ্ধি পাবে বলে মনে করি। যেমন হয়েছে গার্মেন্টস শিল্পের সাথে তার আনুষঙ্গিক শিল্প সমূহ। একটা জাহাজ বলতে সাধারণত একটা ছোট শহর বোঝান যায়। কারণ একটা ছোট খাট শহরে যা যা প্রয়োজন হয় একটা সাধারণ মানের জাহাজেও তার প্রায় সবই প্রয়োজন হয়।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;৭। এ ধরনের পরিবহনের তাগিদে আমাদের নদীপথের নাব্যতা বজায় রাখতে হবে। যা আমাদের নিজ দেশে তৈরী ড্রেজার দিয়েই সম্ভব হবে। বিদেশ থেকে উচ্চ মূল্যে বৈদেশিক মুদ্রা ব্যয় করে ড্রেজার আনতে হবে না। এ ছাড়া নদীর নাব্যতা বজায় থাকলে অসময়ে বা অকাল বন্যা ধুয়ে মুছে নিয়ে যাবে না দেশের মাটি, ফসল এবং মানুষের সুখ, আনন্দ কিংবা সম্পদ। সয়ংক্রিয় ভাবে নির্মুল হবে নদী দূষণ। নদীর নাব্যতা সঠিক লেভেলে থাকলে নদী দূষিত হবার কোন উপায় থাকবে না।&lt;br /&gt;৮। এর সাথে আরো থাকছে জাহাজ সংশ্লিষ্ট শিল্প সমূহ যেমন, বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম, ছোট খাট ওয়ার্কশপের লেদ মেশিন, কাটিং মেশিন, ড্রিলিং মেশিন, গ্রাইন্ডিং মেশিন ইত্যাদি। এছাড়া থাকবে নানান নেভিগেশন সরঞ্জাম যা প্রাথমিক ভাবে বিদেশ থেকে আমদানি হবে কিন্তু পরবর্তিতে কোন দিন নিজেদের দেশেই তৈরী সম্ভব হতে পারে। এর পর রয়েছে নানা ধরনের জাহাজের অত্যাবশ্যকীয় জীবন রক্ষাকারী সামগ্রী, প্রপেলার, নোঙ্গর, শিকল এবং এগুলির সংশ্লিষ্ট অন্যান্য সামগ্রী। সর্বোপরি মেইন ইঞ্জিন সহ জেনারেটর ও নানা কাজের নানা ইঞ্জিন তো রয়েছেই। আরও আছে জাহাজের নাবিকদের ব্যবহারের জন্য তৈজসপত্র, বিছানাপত্র, আসবাব পত্র, স্যানিটারি সামগ্রী ইত্যাদি নানা কিছু। প্রয়োজন হয় প্রচুর পরিমাণের নানাবিধ রঙ। সবার উপরে রয়েছে জাহাজ তৈরির প্রধান উপকরণ লোহা। প্রাথমিক ভাবে বিদেশ থেকে ক্লাসিফায়েড লোহা না এনেও আভ্যন্তরীণ জাহাজ নির্মাণের জন্য স্থানীয় ভাবে স্ক্র্যাপ দিয়ে নির্মিত প্লেট বা এঙ্গেল কাজে লাগান যেতে পারে। এভাবে যখন এই শিল্পে দেশ পারদর্শিতা অর্জন করবে এবং নিজ দেশের প্রয়োজন মিটিয়ে রপ্তানি করে বিদেশের সাগর মহা সাগরে ভাসিয়ে দিবে বাংলাদেশের তৈরি জাহাজ তখন বৈদেশিক মুদ্রার ঝলকানিতে বিদেশ থেকে ক্লাসিফায়েড প্লেট, বিটগার্ডার বা অন্যান্য উপকরণ এনে আন্তর্জাতিক মানের জাহাজ নির্মান আর এমন কোন কঠিন ব্যাপার হবার কোন উপায় থাকবে না। যেমনটি করছে ওয়েস্টার্ন ম্যারিন, আনন্দ শিপইয়ার্ড, খান ব্রাদার্স এবং আরও।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;৯। আমাদের নৌবহরে থাকবে সাধারন কার্গো জাহাজ, তেলবাহী ও গ্যাস বাহী জাহাজ, মাছ ধরার ট্রলার, গাড়ি বাহী রো রো জাহাজ, পশু বাহী জাহাজ,&amp;nbsp; ফেরি, নদী খনন কাজের ড্রেজার, নদী পথের ব্রিজ নির্মানের জন্য বা ভিন্ন কোন কাজে ব্যাবহারের বার্জ, নদী পথের ঘাট বা জেটি হিসেবে ব্যবহারের জন্য পন্টুন, রো রো পন্টুন বা এমন অনেক কিছু থাকতে পারে যা আমাদের দেশ প্রচুর পরিমান বৈদেশীক মুদ্রা ব্যয় করে আমদানী করছে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;১০। কোন দেশ বা জাতির উন্নতির জন্য একবার উপযুক্ত ও সঠিক পথ বেছে নিতে পারলে আর পিছনে ফিরে তাকাবার প্রয়োজন হয় না। যেমন করেছিল জাপান, জার্মান, হল্যান্ড এবং কোরিয়া।&lt;br /&gt;আমাদের না আছে লোক বলের অভাব, না আছে টেকনোলজির অভাব, না আছে একাগ্রতা বা শৃঙ্খলার অভাব। তা হলে আমরা কেন আজই শুরু করতে পারছি না? বাংলাদেশকে পৃথিবীর অন্যতম শিপবিল্ডার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করা এমন কোন কঠিন বিষয় নয়। সে শুধু সময়ের ব্যাপার। আসুন আমরা সবাই সরকারের কাছে এই আবেদন জানাই যেন তিনি এ দিকে সক্রিয় মনযোগ দেন আর আল্লাহ তা’আলার কাছে জানাই আমাদের মনের আকুলতা যেন তিনি আমাদের সেই সামর্থ দান করেন।&lt;/div&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/6206436569761013193-6111406389772503981?l=smritikona.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://smritikona.blogspot.com/feeds/6111406389772503981/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://smritikona.blogspot.com/2011/08/blog-post_6704.html#comment-form' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6206436569761013193/posts/default/6111406389772503981'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6206436569761013193/posts/default/6111406389772503981'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://smritikona.blogspot.com/2011/08/blog-post_6704.html' title='জাহাজ শিল্প, উন্নয়নের নবদিগন্ত'/><author><name>Smritikona</name><uri>http://www.blogger.com/profile/06924676430610821189</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='30' height='32' src='http://3.bp.blogspot.com/_QBqxJNVAQsg/S4nDcZMyGtI/AAAAAAAAH5o/BcbLKNpvnQk/S220/Snow+self-2.jpg'/></author><media:thumbnail xmlns:media='http://search.yahoo.com/mrss/' url='http://2.bp.blogspot.com/-mMRMluK6qhg/Tl4dmkBfWZI/AAAAAAAAIbY/ozQOCKf4Eeg/s72-c/1.JPG' height='72' width='72'/><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-6206436569761013193.post-5896714798972149445</id><published>2011-08-14T20:29:00.002+06:00</published><updated>2012-01-31T14:10:31.124+06:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='মানবতা'/><title type='text'>আমরা কি সত্যিই ঈদে পরিপূর্ণ আনন্দ পাই?</title><content type='html'>&lt;div dir="ltr" style="text-align: left;" trbidi="on"&gt;ঈদ মানে আনন্দ বা খুশী। নানা ভাবে মানুষ আনন্দ পায়। শুধু মানুষ কেন প্রকৃতির যে কোন প্রাণীই আনন্দ, দুঃখ কষ্ট, ব্যথা বেদনা ইত্যাদি অনুভব করে। এর নির্দিষ্ট কোন সংজ্ঞা নেই। কে কিসে আনন্দ পাবে তা সে নিজেও সঠিক জানে না। স্থান, কাল, পাত্র, সমাজ, সামাজিক অবস্থান, পরিবেশ বা পরিস্থিতির এদিক ওদিকের কারণে নানা জনের আনন্দের সংজ্ঞা ভিন্নতা পেয়ে থাকে। কেউ আনন্দ পায় ভোগ করে কেউ পায় ত্যাগ করে। &lt;br /&gt;&lt;a name='more'&gt;&lt;/a&gt;কেউ আনন্দ পেতে চায় একা একা কেউ আবার সবাইকে সাথে নিয়ে। যদিও আনন্দ করতে হয় সবাইকে নিয়ে আর দুঃখ করতে হয় নীরবে বা একা একা। &lt;br /&gt;ঈদের আনন্দ মানে রমজানের শেষে সারা মাস সিয়াম সাধনা করে সবাই মিলে ভাল পোশাক পরে ভাল খাবার খেয়ে সুন্দর পরিবেশে সব শত্রুতা, মারামারি, হিংসা বিদ্বেষ ভুলে আনন্দ করা। আত্মীয় স্বজন, বন্ধু-বান্ধব বা পারা প্রতিবেশীর&amp;nbsp; সাথে কিছু সময় কাটানো থেকে কার বাড়িতে কি রান্না করেছে মজার সে সব খেয়ে এবং তার তারিফ করে। এই তারিফ করার মধ্যেও কিন্তু একটা মেকী ভাব অনেক সময় থেকে যায় যা আমরা অনেক সময় লক্ষ করিই না।&lt;br /&gt;ইদানীং দেখছি রমজানের শুরুতেই বা এর আগে থেকেই শুরু হয় কে কোন কোন ধরনের পোশাক বানাবে এবং কি কি রান্না করবে তার এক বিশাল ফর্দ তৈরি হয়ে যায়। কাকে নিয়ে কোথায় বেড়াতে যাবে, কি করবে এই সব নিয়েই ব্যস্ততা এবং অনেক সময় মান অভিমানের মহড়া চলতে থাকে। অনেকে আবার দেশের বাইরে কোথাও চলে যান বেড়াতে। যেখানে না হয় ঈদের নামাজ আদায় করা, না পাওয়া যায় নিজ দেশের ঈদের চিরাচরিত সনাতনী আবহ বা নিজের আত্মীয় স্বজন বন্ধু বান্ধব পাড়া প্রতিবেশীর দেখা। ঈদের অর্ধেক আনন্দতো এখানেই নেই হয়ে গেল, তা হলে কি আনন্দ করলাম বুঝি না। অথচ পত্রিকায় নানান ট্রাভেল এজেন্সির নানা রকম চমকদার বিজ্ঞাপন দেখি। সিঙ্গাপুর, নেপাল, থাইল্যান্ড ইত্যাদি নানা জায়গায় যাবার আমন্ত্রণ থাকে তাতে। অবশ্যই অনেকে এমন যেয়ে থাকেন বলেই এই সব বিজ্ঞাপন দেখা যায়। আবার এর বিপরীতে অনেকেই বিদেশ থেকেও তার প্রিয় জনের আসার অপেক্ষায় থাকে। বিদেশেও ওই সময় এয়ারলাইন্সের টিকেটের দাম বেড়ে যায়। &lt;br /&gt;অনেক অমুসলিম দেশে দেখেছি যারা উৎসব বলতে পান করে মাতাল হয়ে পরে থাকাকেই বোঝায়। আমি একবার জরিপ করে দেখেছি কে কতটা পান করেছে। তাতে শুনেছি এক জনে এক ক্রিস্টমাসে ৬৩ পাইন্ট (প্রায় ৩০ লিটার) বিয়ার পান করেছিল। ওদের দেশে এমনটাই হয়ে থাকে। সাধারণ সাপ্তাহিক ছুটির দিনে অর্থাৎ শুক্রবার ও শনিবার রাতে মাতাল হয়ে যখন অসুস্থ হয়ে পরে তখন সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা করাতে হয়। সমস্ত দায় যেন সরকারের। ওই দুই দিন পুলিশ এবং এম্বুলেন্সের ডিউটি বেড়ে যায়। ইদানীং এ ধরনের উল্লাস নিরুৎসাহিত করার জন্য আইন করে মাতালের চিকিৎসা বন্ধ করে দিয়েছে বলে শুনেছি। যাই হোক এরা যা ইচ্ছে তাই করুক আমরা যেহেতু ওই ধাঁচের নই কাজেই আমার বক্তব্য ওদের নিয়ে নয়।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;এই যে এত কিছু, এতে কি সত্যিকারে আনন্দ পাওয়া যায়? ভোগে নয় ত্যাগেই প্রকৃত সুখ। এই মহা বাক্য সামনে রেখে আমরা আনন্দ যাপনের, উৎসব উদযাপনের কোন ভিন্ন সংজ্ঞা রেখে যাতে পারি কি না সেই ভাবনাই ভাবছি। নানা ছল ছুতায় আমার জীবনের অধিকাংশ সময় কেটেছে দেশের বাইরে। এইতো প্রায় দশ বছর একটানা বিদেশে কাটিয়ে গত বছর দেশে ফিরেছি। আর ফেরার দুই এক মাস পরেই রমজানের ঈদ। দেশের অবস্থা দেখে, মানুষের ক্রয় ক্ষমতার সাথে বাজার দরের তারতম্য দেখে মনে একটু দ্বিধা নিয়ে নেহায়েত এত দিন পর নিজের সন্তানদের তাদের বাবার সাথে ঈদের আমেজ নষ্ট করতে না দিয়ে তাদের স্বাভাবিক চাহিদানুযায়ী ঈদের বাজার করতে বাজারে যেয়ে অনেক দিন আগের এক ঈদের কথা মনে পরে গেল। কেনাকাটা বন্ধ রেখে ওখানেই এক পাশে দাঁড়িয়ে সন্তানদের সেই দিনের গল্প বললাম-&lt;br /&gt;&lt;iframe align="left" frameborder="0" marginheight="0" marginwidth="0" scrolling="no" src="http://rcm.amazon.com/e/cm?t=kamas-20&amp;amp;o=1&amp;amp;p=8&amp;amp;l=bpl&amp;amp;asins=B004HO6I4M&amp;amp;fc1=000000&amp;amp;IS2=1&amp;amp;lt1=_blank&amp;amp;m=amazon&amp;amp;lc1=0000FF&amp;amp;bc1=000000&amp;amp;bg1=FFFFFF&amp;amp;f=ifr" style="align: left; height: 245px; padding-right: 10px; padding-top: 5px; width: 131px;"&gt;&lt;/iframe&gt;বেশ অনেক বছর আগে আমার এক দরিদ্র আত্মীয়ের বাড়িতে তাদের সাথে ঈদ করতে হয়েছিল এবং সেই ঈদে ও বাড়ির সবার তাদের নিজ পছন্দ মত কাপড় চোপর সহ ঈদের দিনের সব রান্নার বাজার আমি করেছিলাম। দুই দিন আগে ওদের নিয়ে ঢাকার এক মার্কেটে এসে ওদের পছন্দের কাপড় কিনেছিলাম। ওরা প্রথমত বুঝতে পারেনি কি হতে যাচ্ছে। ওদের যখন যার যার পোশাক বাছাই করতে বললাম ওরা বেছে বেছে কম দামের কাপড় বাছাই করছিল দেখে ধমক দিয়ে বলেছিলাম ওগুলি দেখছ কেন? তোমার যা ভাল লাগে, যা সুন্দর লাগে তাই দেখ। শুনে ওদের মধ্যে যে বড় সে একটু আমতা আমতা করে বলেছে, এত দাম! দাম তাতে তোমার কি? তোমাদের যার যা পছন্দ হয় তাই দেখ, টাকা আমি দিচ্ছি। মেয়েদের চুলের ফিতা, ক্লিপ, মেক আপ ইত্যাদি সহ জুতা স্যান্ডেল কিছু বাদ দিইনি। সেদিনের সেই ঈদে ওই বাড়ির ছেলে মেয়েদের আনন্দ মাখা চেহারা দেখে আমার মনে এক স্বর্গীয় অনুভূতি এসেছিল যা আমি আমার সারা জীবনে কোন কিছুতেই পাইনি। এই আনন্দ ওরা সমস্ত জীবনেও দেখেনি, ঈদে যে নতুন কাপড় পরতে হয় তা তারা এই প্রথম আবিষ্কার করেছিল এবং ঈদের দিন নিজ বাড়িতে মাংস পোলাও, বিরিয়ানি, সেমাই রান্না করা যায় তাও ওরা ওই প্রথম দেখেছে।&amp;nbsp; প্রায় ১৫/১৬ বছর আগের হলেও আজও সে কথা মনে এলে সেই অনুভূতি চোখ বেয়ে দু’ফোটা হিরের টুকরোর মত ঝরে পরে। আমার এই গল্প যদিও আমার সন্তানেরা জানে তবুও সময়ের ব্যবধানে সেদিন যেন আবার নতুন করে ওরা অনুভব করতে শিখল। দুই মেয়ে এক সাথেই বলে উঠল “আব্বু আমাদের জন্য কিছু লাগবে না। আমাদের অনেক আছে, তুমি ওদের জন্য কেন”। শুনে আমার চোখ বেয়ে আবার সেই&amp;nbsp; অনুভূতি ঝরছিল দেখে আমার ছোট মেয়ে ওড়নার আঁচল দিয়ে মুছিয়ে দিয়ে মার্কেটের ভিতরে নিয়ে সেই ওদের জন্য কেনাকাটা করেছিল। নিজ সন্তানদের উপযুক্ত শিক্ষা দিতে পেরেছি দেখে আমার প্রাণটা জুড়িয়ে গেল। &lt;br /&gt;আমাদের মধ্যে যাদের সঙ্গতি আছে সেই আমরা আমাদের জীবনে অন্তত একটিবার কি এমন করতে পারি না? কারো জীবনে যদি অন্তত একটি ঈদের আনন্দ পেতে হাত দুটি বাড়িয়ে দিতে পারি মন্দ কি?&lt;/div&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/6206436569761013193-5896714798972149445?l=smritikona.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://smritikona.blogspot.com/feeds/5896714798972149445/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://smritikona.blogspot.com/2011/08/blog-post.html#comment-form' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6206436569761013193/posts/default/5896714798972149445'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6206436569761013193/posts/default/5896714798972149445'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://smritikona.blogspot.com/2011/08/blog-post.html' title='আমরা কি সত্যিই ঈদে পরিপূর্ণ আনন্দ পাই?'/><author><name>Smritikona</name><uri>http://www.blogger.com/profile/06924676430610821189</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='30' height='32' src='http://3.bp.blogspot.com/_QBqxJNVAQsg/S4nDcZMyGtI/AAAAAAAAH5o/BcbLKNpvnQk/S220/Snow+self-2.jpg'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-6206436569761013193.post-1930833631050920784</id><published>2011-07-26T20:56:00.002+06:00</published><updated>2012-01-31T14:11:12.001+06:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='Adventure'/><title type='text'>নিয়তি কেন বাধ্যতে?</title><content type='html'>&lt;div dir="ltr" style="text-align: left;" trbidi="on"&gt;&lt;b&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;ট্যংকার&lt;/span&gt;&lt;/b&gt; ‘নেপচুন’ জাহাজটি ত্রৈমাসিক রুটিন মেইনটেনেন্সের জন্য নিজ কোম্পানি গ্রে ম্যাকেঞ্জির&amp;nbsp; রিজিওনাল হেড অফিস বাহরাইনের মোহাররেকে নিজস্ব স্লিপ ওয়েতে এসেছে। এটি ব্রিটিশ পতাকা বাহী এবং এর ধারণ ক্ষমতা বার হাজার টন। জাহাজটির পোর্ট অফ রেজিস্ট্রি লন্ডন হলে কি হবে এতে মোটামুটি চার পাঁচটা দেশের নাবিক কাজ করে। এদের সাথে রয়েছি বাংলাদেশের আমি এবং জসীম। আমরা এক সাথে লেখাপড়া করেছি এবং দেশ ছেড়ে দুই জনে এক সাথে রয়েছি বলে স্বাভাবিক ভাবে অন্তরঙ্গতা বা&lt;br /&gt;&lt;a name='more'&gt;&lt;/a&gt; ঘনিষ্ঠতা একটু বেশি। স্লিপ ওয়েতে সাধারণত ৪৮ থেকে ৭২ ঘণ্টার মধ্যেই জাহাজের বটম, প্রপেলার, রাডার চেক করা আর টুকি টাকি যা মেরামত কাজ থাকে সেগুলি সেরে পাশের সিতরা ট্যাংকার বার্থ থেকে লোড নিয়ে ভিন্ন কোন বন্দরে চলে যাই। &lt;br /&gt;&lt;br /&gt;এবার প্রথম যে দিন সকালে এখানে এসেছি সে দিন স্লিপ ওয়ের লোকজনেরা আমাদের ব্রিটিশ ক্যাপ্টেন বার্কির দেয়া লিস্ট অনুযায়ী জাহাজের মেরামত কাজ করছে। সারা দিন আমরা জাহাজের নাবিকেরা সবাই যার যার কাজ অনুযায়ী ওদের দেখিয়ে দিচ্ছি এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় সহযোগিতা দিচ্ছি। &lt;br /&gt;বিকেলে কাজকর্ম সেরে মানামা যেতেই হবে। ওখানে একটা দোকানে দারুণ সিঙ্গারা বানায়। এক শ ফিলসে একটা কাগজের প্লেটে চারটা সিঙ্গারা&amp;nbsp; আর তার সাথে যে চাটনি সেও দারুণ। তবে কোন পানি নেই, পানি খেতে হলে আলাদা সফট ড্রিঙ্কস কিনে নিতে হবে। জাহাজ যখনই এই ছোট্ট মুক্তা দ্বীপের দেশ বাহরাইন আসে তখনই আমাকে ঐ সিঙ্গারার লোভে মানামা যেতেই হবে। কখনো শোর লিভ না পেলেও ক্ষতি নেই। অন্য যেই যাক তাকেই বলে দিতাম আমার জন্য সিঙ্গারা নিয়ে এসো। এক বার এক এক করে পাঁচ প্লেট খেয়েছিলাম। আজও সে কথা মনে হলে হাসি পায়। জাহাজে শুধু মাত্র বাংলাদেশি রান্না বাদে নুন মরিচ মশলা ছাড়া পাঁচ মিশেলি যেমন কখনো ইংলিশ, কখনো&amp;nbsp; ইটালিয়ান কিংবা গ্রীক। এই সব রান্না খেয়ে কি আর বাঙ্গালির মন ভরে? তাই যখন এই উপ সাগরের পাড়ে যেখানে জাহাজ যায় খুঁজে বেড়াতাম কোথায় বাংলাদেশি বা ভারতীয় বা নিদেন পক্ষে পাকিস্তানি রেস্টুরেন্ট আছে। অবশ্য অনেক দিন যাতায়াত করতে করতে আমাদের জানা হয়ে গিয়েছিল কোথায় কি আছে। জাহাজ থেকে শোর লিভ পেলেই নুন মরিচের স্বাদের আশায় ছুটে যেতাম ওই সব রেস্টুরেন্টে।&lt;br /&gt;যাক, যা বলছিলাম। এবার প্রথম দিন বিকেলে বাইরে যাবার জন্য জসীমকে সঙ্গে নিয়ে জাহাজের গ্যাং ওয়েতে এসে নিচে নামার সিঁড়ির রেলিং ধরে দাঁড়িয়েছি এমন সময় ক্যাপ্টেন পিছন থেকে ডাকল। ফিরে দাঁড়ালাম। শোন, ওই যে ডেকের উপরের ব্রিজের নিচ দিয়ে যে পানির লাইনে লিক হয়েছিল তুমি ডেভকন দিয়ে মেরামত করেছিলে মনে আছে? হ্যাঁ থাকবে না কেন, এইতো সেদিনের কথা। তা হলে কাল ওয়ার্কশপের লোকজনেরা আসার আগে ওই ডেভকনের প্রলেপ সরিয়ে দিও যাতে ওটা ওয়েল্ডিং করে নেয়া যায়। আচ্ছা ঠিক আছে কাল সকালেই করে ফেলব। বলে নেমে গেলাম। যাবার পথে জসীমের সাথে নানা ধরনের গল্প। ওর ভয়েজ শেষ করে দেশে ফেরার সময় হয়ে গেছে কিন্তু ও চাইছে আরও কিছু দিন থেকে আরও কিছু ডলার সাথে নিয়ে যেতে। ওকে বোঝাবার চেষ্টা করছি দেরি করে কি হবে তার চেয়ে তুই এবার চলে যা, আবার না হয় তাড়াতাড়ি ফিরে আসবি! ওদিকে তোর বৌ অপেক্ষা করছে। না, ও কথা সে মানছে না। যাক, না মানলে আমি কি করব? আমার যেতে অন্তত আরও মাস খানিকের মত দেরি আছে। ও জানে কিন্তু তবুও আমাকে বলল তুই চলে যা। আরে আমি কি করে যাই? আমার আরও দেরী আছে না?&lt;br /&gt;সে দিন আগের মতই মানামা থেকে সিঙ্গারা খেয়ে অনেকক্ষণ ঘোরাঘুরি করে রাতে একটা ইন্ডিয়ান রেস্টুরেন্টে খেয়ে জাহাজে ফিরে এসে শুয়ে পরলাম। &lt;br /&gt;&lt;br /&gt;পর দিন সকালে একটু তাড়াতাড়ি রেডি হয়ে ডেকে গেলাম। শুকনো ডেভকনের আস্তর তোলার জন্য চিপিং হ্যামার এনে যেই প্রথম বারিটা দিলাম আর ওমনিই ডেভকনের একটা বিরাট টুকরো এসে আমার ডান চোখে আঘাত করল। সে কি যন্ত্রণা! মনে হচ্ছিল এই বুঝি জীবনের শেষ। সমস্ত পৃথিবী এক ঝলক করে নানা রঙ্গে রঙ্গিন হয়ে উঠল। রঙ গুলো আসছে যাচ্ছে। ভাবছি, আমি বুঝি মরে যাচ্ছি। শুধু একটা চিৎকার দিতে পেরেছিলাম। এই মনে আছে। আর কিছু মনে নেই। যখন জ্ঞান ফিরে পেলাম তখন দেখি আমার পাশে সাদা পোশাক পরা এক জন ইন্ডিয়ান নার্স দাঁড়িয়ে আমাকে দেখছে। ওকে দেখে মনে হচ্ছিল কবরের ভিতরে এই মানবী এলো কেমন করে?সেও আবার আমার দেশের মেয়েদের মত চেহারা! দুনিয়ার কাজ কর্মের হিসেব নিবে না কি করবে বুঝে উঠতে পারছি না। অবাক হয়ে এক দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছি। কিছুই বুঝতে পারছি না। আমাকে ওই ভাবে তাকিয়ে থাকতে দেখে ভদ্র মহিলা ইংরেজিতে জিজ্ঞেস করল এখন কেমন লাগছে? এ কি!&amp;nbsp; এ দেখি আবার মানুষের মতই ইংরেজিতে কথা বলছে। ফেরেশতারা কি এমন হয়, ইংরেজিতে কথা বলে? কিন্তু দুনিয়াতে শুনেছি ফেরেশতারা আরবিতে কথা বলে। তাহলে? পাপ পুণ্যের কিছু জিজ্ঞেস করছে না কেন? তাহলে এ কি ফেরেশতা নয়? আবার জানতে চাইল, কেমন লাগছে? এ্য, এটা কোন জায়গা? এটা বাহরাইন জেনারেল হাসপাতাল। আমি এখানে কেন? তোমার&amp;nbsp; চোখে একটা এক্সিডেন্ট হয়েছে। শোনার সাথে সাথে অনুভব করলাম আমার ডান চোখে ব্যান্ডেজ। সম্ভবত কোন আঘাত পেয়ে তুমি সেন্স লেস হয়ে গিয়েছিলে। ডাক্তার এক্স রে করে তোমার ডান চোখ অপারেশন করে মণির ডান পাশ থেকে প্রায় তিন মিলিমিটার ডিপ থেকে লোহার মরিচার গুড়া বের করেছে। কি হয়েছিল? এই এতক্ষণে সব কিছু একটু একটু মনে পরছে। আমি ক্যাপ্টেনের নির্দেশে ডেকের উপর দিয়ে ফোর ক্যাসেলে যাতায়াতের পথের নিচের পানির লাইন থেকে ডেভকন তুলছিলাম। কি একটা যেন ছুটে এসে আমার চোখে আঘাত লাগল। এরপর আর কিছু মনে পরছে না। মনে করার চেষ্টা করছি কিন্তু কিছুই পারছি না। নার্স আবার জানতে চাইলে যা মনে পরেছে তাই বললাম। শুনে খুব আফসোস করল। সিথানের পাশে দাঁড়িয়ে আস্তে আস্তে মাথায় হাত বুলিয়ে দিচ্ছে আর সান্ত্বনার কথা বলছে। তোমার ভাগ্য ভাল বলতে হবে যে চোখের মণিতে লাগেনি। চোখটা রক্ষা পেয়েছে, কয়েক দিনেই ভাল হয়ে যাবে চিন্তা করো না এখন এই ওষুধটা খেয়ে নাও। সেই সকাল থেকে এমনি রয়েছ,&amp;nbsp; আমি তোমার খাবার নিয়ে আসছি। &lt;br /&gt;&lt;br /&gt;বিকেলে ক্যাপ্টেন ই বার্কি, জসীম এবং আরও কয়েক জন এলো। জসীম বলল আমি তোমার চিৎকার শুনেই দৌড়ে কাছে এসে দেখি তুমি ডেকে পরে রয়েছ পাশে চিপিং হ্যামার। তোমাকে তুলে দেখি পকেটে প্রায় চার ইঞ্চি সাইজের একটা পুরু ডেভকনের টুকরো। ওই দেখেই বুঝলাম ওটা তোমার চোখে লেগেছে। সেফটি গ্লাস পরে নাওনি কেন?যাই হোক তাড়াতাড়ি ক্যাপ্টেনকে জানালাম উনি সাথে সাথে ওয়ার্কশপের গাড়িতে করে তোমাকে নিয়ে এই হাসপাতালে এলো। সাথে আমি আর ড্যানি এসেছিলাম। ইমার্জেন্সীতে নিয়ে সাথে সাথে এক্স রে করে দেখে অপারেশন করে এখানে নিয়ে এলো। আমরা সবাই ছিলাম। তোমার জ্ঞান ফিরছে না বলে এই নার্স এখানেই ছিল। বেশ অনেকক্ষণ থেকে ওরা চলে গেল। এর পর থেকে পালা করে কয়েক জন নার্স ডিউটি করেছে। বেশ যত্ন করছিল সবাই। গোসল করা যাবে না বলে গরম পানিতে শরীর মুছে দেয়া থেকে সময় মত খাবার এবং ওষুধ খাওয়ানো সব কিছু। শুধু টিভি দেখতে বা কোন পত্রিকা পড়তে দেয়নি।&amp;nbsp; তারপর দিন বিকেলে আবার জাহাজ থেকে কয়েক জন এলো। ওদের সাথে আমাদের এই স্থানীয় অফিসের ক্রু সুপার ক্যাপ্টেন রামস বটম এলো। এ দেশে হাসপাতালে রুগীর জন্য বাইরে থেকে কোন খাবার দাবার বা ফুল বা কোন কিছুই সাথে করে নিয়ে আসার কোন নিয়ম নেই। সে দিন যাবার সময় ক্যাপ্টেন বার্কি বলল জাহাজের মেরামত হয়ে গেছে, আমরা কাল সকালে সিতরা থেকে লোড নিয়ে দোহা যাব। ক্যাপ্টেন রামস বটম বলল তুমি এখানেই থাকবে, সুস্থ হলে পরে তোমাকে হোটেলে পাঠিয়ে দিব। জাহাজ থেকে তোমার পাসপোর্ট আমি নিয়ে এসেছি। ইমিগ্রেশনে এন্ট্রি করিয়ে নিয়েছি। পরে তোমার জাহাজ কোথায় থাকে সেই অনুযায়ী জাহাজে যাবার ব্যবস্থা করা যাবে। আমার চিন্তিত মুখ দেখে বলল, ডোন্ট ওরি মাই বয় আই উইল বি হেয়ার। আমি প্রতি দিন এক বার এসে তোমাকে দেখে যাব। আমি বললাম আমার ভাল লাগছে না আমি বাড়ি যাব। আচ্ছা ঠিক আছে দেশে যাবে, তবে এমন শরীরে জার্নি করবে কি করে? একটু সুস্থ হয়ে নাও তখন যেও।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;চার পাঁচ দিনের মধ্যে সুস্থ হলে&amp;nbsp; আমার অফিসের গাড়ি এসে হোটেল মানামায় নিয়ে গেল। হোটেলে তিন চার দিন থাকার পর এক দিন সকালে অফিস টাইমে ফোন এলো। ওপাশ থেকে ইন্ডিয়ান মুর্থি কুশলাদি জিজ্ঞেস করে বলল তোমাকে আবুধাবি যেতে হবে, কাল তোমার ফ্লাইট। গাড়ি পাঠাচ্ছি অফিসে এসে তোমার টিকেট আর পাসপোর্ট নিয়ে যাও। অফিসে যেয়ে মুর্থির সাথে দেখা না করে সরাসরি রামস বটমের রুমে চলে গেলাম। আমি আবুধাবি যাব না, আমাকে দেশের টিকেট করে দাও। আচ্ছা ঠিক আছে তোমার কথা আমার মনে আছে। আপাতত তুমি ওখানে যাও, আমি চিটাগাং এ এজেন্টের কাছে তোমার রিলিভার এর জন্য টেলেক্স পাঠিয়েছি কেউ এক জন এলেই তোমাকে পাঠিয়ে দিব। আচ্ছা ঠিক আছে বলে ধন্যবাদ জানিয়ে রুম থেকে বের হয়ে এবার মুর্থির রুমে এলাম। কিছুক্ষণ কেমনে কি হল এসব নিয়ে আলাপ করে চা খাইয়ে টিকেট পাসপোর্টের খাম দিয়ে বলে দিল কাল বিকেলে ড্রাইভার তোমাকে এয়ারপোর্টে দিয়ে আসবে। আবুধাবিকেও বলে দিয়েছি তুমি ওখানে পৌঁছে অফিসে ফোন দিলেই ওরাও গাড়ি পাঠাবে। আচ্ছা গুডবাই বলে চলে এলাম।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আবুধাবি পৌঁছে এয়ারপোর্ট থেকে সরাসরি জাহাজে এসে দেখি ওরা তেল আনলোড করে জেটিতে আমার জন্য অপেক্ষা করছে। আমি ওঠার পরেই লোড নেয়ার জন্য সউদি আরবের রাস্তানুরাহ এর উদ্দেশ্যে ছেড়ে দিল। এই ভাবে কয়েকটা ট্রিপ পরেই এক দিন&amp;nbsp; দুবাই থেকে কুয়েত যাবার পথে ক্যাপ্টেন জানাল আগামী সপ্তাহে তোমার রিলিভার আসছে। খুশিতে লাফিয়ে উঠলাম। হাতের কাছে যা ছিল তাড়াতাড়ি গুছিয়ে নেয়ার ব্যস্ততা শুরু হল। আবুধাবি যাবার পর টিকেট পেতে দুই এক দিন সময় লাগবে তখন কিছু কেনা কাটা করে নিব। যদি দুবাই থেকে ফ্লাইট হয় তাহলে ভাল হবে। এখানে সব কিছুর দাম কম। কুয়েত থেকে লোড নিয়ে আবার আবুধাবি পৌঁছাতে এক সপ্তাহ লেগে গেল। আবুধাবি পৌছার দুই দিন আগেই জাকির এসে দুবাইর এক হোটেলে থাকছে। গ্রে আবুধাবি (আমাদের কোম্পানিকে রেডিওতে ডাকার নাম) জানিয়েছে। জুলাই মাসের ২২ তারিখ সকালে আবুধাবি পৌঁছে সরাসরি জেটিতে ভীরে দেখি জাকিরকে নিয়ে এজেন্ট অপেক্ষা করছে। আমি আগেই রেডি হয়ে ছিলাম। জাকির জাহাজে ওঠার পর আমার সাইন অফ করে আমার পাসপোর্ট দিয়ে দিল। সাথে চিটাগাং এর এজেন্টকে দেয়ার জন্য ক্যাপ্টেনের লেখা একটা চিঠি। জসীমের কাছে বিদায় নিয়ে ব্যাগ সুটকেস সহ নেমে এজেন্টের সাথে গাড়িতে উঠে বসলাম। পিছনে তাকিয়ে দেখি জসীম করুণ দৃষ্টিতে আমার দিকে তাকিয়ে আছে। মনটা কেন যেন একটু বিষণ্ণ হয়ে গেল। মনের অবচেতনা&amp;nbsp; থেকে একটা প্রশ্নের উদয় হল। জসীম, আবার কি দেখা হবে? নিজেকে ধমক দিলাম, কি সব ভাবছ? কেন দেখা হবে না? গাড়ি চলতে শুরু করেছে। একটু পরেই একটা বিশাল শেড এর আড়ালে চলে গেলাম। ওরা এখন জাহাজ ছেড়ে আবুধাবির অফ শোর মুরিং এ যেয়ে তেল আনলোড করবে। আর সেই তেল গিয়ে পৌঁছাবে অফ শোর থেকে প্রায় ১০ মাইল দূরে “আবুধাবি ন্যাশনাল ওয়েল কোম্পানি” বা এডনকের ট্যাঙ্কে। ঘণ্টা দেড়েকের মধ্যে দুবাই পৌঁছে জাকির যে হোটেলে ছিল ওখানেই আমাকে নামিয়ে দিল। যাবার সময় ড্রাইভার বলে গেল তোমার টিকেট হলে অফিস থেকে জানাবে, তখন এসে এয়ারপোর্ট নিয়ে যাব। ওকে ইব্রাহিম, বাই! &lt;br /&gt;ইব্রাহিম চলে যাবার পর হোটেলের কাউন্টারে গেলাম। আমাদের এই গ্রে মেকেঞ্জি ম্যারিন সার্ভিস কোম্পানির যত সিম্যান এই দুবাই দিয়ে আসা যাওয়া করে তার সবাই এই হোটেলেই থাকে। এখানকার সবই আমাদের চেনা। অফিস থেকে আগেই হোটেল ম্যানেজারকে জানিয়ে রেখেছিল। রিসিপশনের খাতায় নাম ধাম লিখে আমার হাতে ৬ তলার একটা রুমের চাবি দিয়ে বলে দিল “হ্যাভ এ নাইস টাইম হেয়ার”। &lt;br /&gt;দুপুরে খাবার পর বের হয়ে সোজা বার দুবাই মার্কেটে চলে গেলাম। দেশে যাচ্ছি বলে কিছু কেনা কাটা করব। হাতে যা ডলার ছিল সেগুলি সব ভাঙ্গিয়ে যা যা মনে ধরল কিনে নিলাম। কিনে দেখি এখনও বেশ কিছু দিরহাম পকেটে রয়ে গেছে। আচ্ছা ঠিক আছে কাল আবার আসব। কাল সকালে একবার দেরা তে অফিসে যাব দেখি টিকেটের কি করেছে জেনে আসব আর হিসেব নিকেশ করে কত ডলার বাকী আছে তা যদি দিয়ে দেয় তা হলে নিয়ে আসব। একটা ট্যাক্সি নিয়ে হোটেলে ফিরে এলাম। ট্যাক্সি থেকে নেমে হোটেলের ভিতরে ঢুকে লাউঞ্জ পার হয়ে রিসিপশনের পাশ দিয়ে লিফটে উঠবো বলে দরজার পাশে দাঁড়িয়েছি আর অমনি রিসিপশনের ইন্ডিয়ান জন একটু উত্তেজিত ভাবে ডাকল &lt;br /&gt;এই এদিকে আস, তোমার একটা জরুরী ম্যাসেজ আছে! &lt;br /&gt;&lt;br /&gt;এগিয়ে গেলাম। &lt;br /&gt;কি খবর জন? &lt;br /&gt;তুমি কি জান যে তোমাদের নেপচুনে আগুন লেগেছে? &lt;br /&gt;শুনেই বুকটা ধক করে উঠল। জসীম, জাকিরের চেহারা মনের পর্দায় ভেসে উঠল। &lt;br /&gt;কি বলছ জন?&lt;br /&gt;হ্যাঁ তুমি বেরিয়ে যাবার পর তোমাকে জানাবার জন্য তোমাদের অফিস থেকে ফোন করেছিল। &lt;br /&gt;বল কি? &lt;br /&gt;হ্যাঁ তুমি তোমার অফিসে ফোন করে জেনে দেখ। বলেই ফোনটা আমার দিকে এগিয়ে দিল। ওদের ফোন বুক বের করে আমাদের গ্রে মেকেঞ্জির ফোন নম্বর বের করে দিল। নম্বর ঘুরিয়ে রিসিভার কানে নিয়ে রিং টোন শুনছি আর বুক ঢিব ঢিব করছে ‘আল্লাহ জন যা বলছে তা যেন সত্যি না হয়!’ ওপাশ থেকে ইন্ডিয়ান স্টেনলির কণ্ঠ চিনতে পারলাম। &lt;br /&gt;হ্যালো স্টেনলি, নেপচুনের কি হয়েছে?&lt;br /&gt;আমি খুবই দুঃখের সাথে জানাচ্ছি যে নেপচুন ইজ ডেড এন্ড মস্ট অফ দি ক্রুজ আর ইন হসপিটাল এন্ড মোর ওভার সাম আর ডেড। &lt;br /&gt;কি করে হল? &lt;br /&gt;সংক্ষেপে সব বলল। সাথে যারা জীবিত আছে তারা আবুধাবির কোন হাসপাতেলে আছে বলে দিল। &lt;br /&gt;আমি কি এখন ওখানে যেতে পারি? &lt;br /&gt;না এখন পারবে না, কাল সকালে যেও। &lt;br /&gt;বলেই রিসিভার নামিয়ে রাখল। আমার হাত থেকে কখন রিসিভার নামিয়ে রেখেছি না কি জন নিয়ে রেখেছে বলতে পারছি না। মনে একটা প্রচণ্ড ঝড় বইছে। জসীম আর ওর নতুন বৌ মল্লিকার চেহারা মনে ভাসছে। আজ সকালেই মাত্র জাকির এসেছে। ওর হাসি খুশি চেহারা মনের পর্দায় ভেসে এলো। আমাকে দেখেই বলেছিল যান, আপনার জন্য ঢাকা শহর সহ পুরো বাংলাদেশ রেখে এসেছি। নিজেকে অসম্ভব অসহায় মনে হচ্ছে। এত তাড়াতাড়ি কেন শপিং করতে গেলাম&amp;nbsp; বলে নিজেকে অপরাধী মনে হচ্ছে। কি হল? জসীমের কি হয়েছে? ওকি বেচে আছে না কি? সেকেন্ডে কয়েক হাজার মাইল বেগে মনের আকাশে অসংখ্য প্রশ্নের ধারা বয়ে গেল। কিছু ভেবে পাচ্ছি না। এখন কি করব? দুবাই থেকে ট্যাক্সিতে আবুধাবি গেলেও দেড় ঘণ্টা লাগবে। কিন্তু এখন ওখানে যেয়েও কিছু হবে না। কাউকে দেখতে পাব না, কিছু জানতে পারব না। অনেকক্ষণ হতভম্বের মত দাঁড়িয়ে রইলাম। কোন বোধ নেই। জন ডেকে লাউঞ্জের একটা সোফা দেখিয়ে বলল ওখানে একটু বস। চিন্তা করে কিছু হবে না। কাল সকালে আবুধাবি গিয়ে দেখ।&lt;br /&gt;সোফায় বসলাম। জন রিসিপশন কাউন্টার থেকে বেরিয়ে এসে আমার পাশে বসে সান্ত্বনা দিচ্ছে। আসা যাওয়ার পথে দুবাই এলে এই হোটেলে থাকি বলে প্রায় সবার সাথে বেশ আলাপ আছে। ওর কথা কিছু কানে ঢুকছে অধিকাংশই ঢুকছে না। বুঝতে পারছি। জাকির যদি আর মাত্র কয়েকটা দিন পরে আসত কিংবা জসীম যদি আমার আগে চলে যেতে চাইত তা হলে আমি নিজেই ওই জাহাজে থাকতাম। “নেপচুন ইজ ডেড” বারবার স্টেনলির এই একটা কথাই শুধু মনের আকাশে কাল মেঘের মত ছেয়ে আছে। এ কথার মানে কি তা আর কেউ না জানলেও যারা নাবিক, সাগরে ভেসে যাদের জীবন কাটে তারা খুব ভাল করেই জানে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;মানুষ নিজেই জানে না তার নিজের একটা অসম্ভব সুন্দর এবং কার্যকর গুণ আছে। আর তা দিয়ে যত রকমের বিশাল বা ক্ষুদ্র মনের আঘাত এক সময় ভুলে যেতে পারে। মনের উপরে ভুলের একটা প্রলেপ দিয়ে দেয়। যেমন পারে নিজের সন্তানের অকাল মৃত্যু যন্ত্রণা, মায়ের সাধ না মিটিয়ে তাকে কবরে রেখে আসার ব্যথা&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;কিংবা প্রিয়তমর হঠাৎ করে এই পৃথিবী থেকে চিরতরে চলে যাওয়ার হাহাকার। তেমনি একটা গুণ বোধ হয় আমারও আছে আর তাই সম্ভবত এক সময় যে কোন ভাবেই হোক আমিও সোজা হয়ে দাঁড়িয়ে লিফটে করে উপরে চলে গেলাম।&lt;br /&gt;সারা রাতে ঘুম আসেনি। বারবার জসীম, জাকির, মাত্র গত ভয়েজের শেষে বিয়ে করা জসীমের নতুন বৌ মল্লিকা আর আমার অবস্থান নিয়ে একটি করুণ বিষাদে ভরা চলচ্চিত্র দেখেছি। যার পরিচালক নিয়তি স্বয়ং। অভিনয় করেছি আমরা এই কয়েক জন এবং আশে পাশে ছিল আরও কয়েক জন। তাদের এক জন হচ্ছে এমন এক জন যার সাথে এই ভয়েজের শেষে দেশে যাবার পরে আমার সাথে সারা জীবনের জন্য একটা মধুর সম্পর্ক হবার কথা গুরু জন মহলে ঠিকঠাক হয়ে আছে। &lt;br /&gt;কি হবে এই সম্পর্কে? এই তো জসীম কত গুলি বছর ধৈর্য ধরে কত অপেক্ষা করে কত বাধা বিপত্তি এড়িয়ে মল্লিকাকে নিয়ে এলো। আজ কোথায় মল্লিকা আর কোথায় জসীম? মল্লিকা কি জানতে পেরেছে? ওর এত প্রতীক্ষার জসীম এখন কোথায়? গ্রে ম্যেকেঞ্জি টেলেক্স পাঠাবে চিটাগাঙের এজেন্টকে। ওই টেলেক্স পেয়ে চিটাগাঙের এজেন্ট টেলিগ্রাম পাঠাবে জসীমের বৌ মল্লিকাকে। তাতে অন্তত তিন থেকে চার দিনের আগে মল্লিকার এ সংবাদ জানার কথা নয়। কিন্তু সত্যি কি তাই? মল্লিকা কি স্বপ্নে কিছুই দেখেনি? তার হাত থেকে কি কিছু ছুটে পরে যায়নি? হাটার পথে কি কোন হোঁচট খায়নি? কিংবা মল্লিকার বুকের ভিতরে লুকান জসীমের জন্য ভালবাসার যে স্বপ্ন সরোবর রয়েছে সেই সরোবরে কি উথাল পাথালি কোন ঢেউ ওঠেনি? নিশ্চয় টেলেক্স টেলিগ্রামের ধাঁধা ডিঙ্গিয়ে মল্লিকার লুকান সরোবরে এতক্ষণে উত্তাল প্রলয়ঙ্করী কোন ঢেউ&amp;nbsp; আছড়ে পরছে। মল্লিকা কি ধারনাও করতে পারছে এই ঢেউয়ের মানে কি?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;তা হলে আমি কেন এই কণ্টক&amp;nbsp; বিভীষিকা&amp;nbsp; এবং পায়ে পায়ে বিপদের হাতছানি জড়িত জীবনের সাথে তাকে জড়াব? তাকে কি জানাব জসীম মল্লিকা জাকিরের কথা? এ সব কথা জেনে সে কি আমাকে সহজেই বরণ করে নিবে? তার মনে কি দ্বিধা থাকবে না? তা হলে কি হবে, কি হবে ভেবে ভেবেই রাতটা যে কোথা দিয়ে কেমন করে চলে গেল কিছুই বুঝলাম না। ভোরের আজানের সুরে মনটা আরও খারাপ হয়ে গেল। বিছানা ছেড়ে উঠে জানালার পর্দা সরিয়ে পাশের দরজা খুলে বারান্দায় চেয়ারে বসলাম। অনেক দূরের মরু পাহাড়ের উপর দিয়ে সূর্যের লাল রশ্মি চিক চিক করে উপরে উঠে আসতে চাইছে কিন্তু কি জানি মল্লিকার কথা ভেবে হয়ত সাহসে কুলিয়ে উঠতে পারছে না। বেশ অনেক ক্ষণ তাকিয়ে থেকে এক সময় ভিতরে এসে সকালের কাজ কর্ম সেরে কাপর পরে নিচে এসে রিসিপশনে বলে হোটেল ছেড়ে এলাম। ভাগ্য ভাল, সাথে সাথেই একটা ট্যাক্সি পেয়ে সোজা আবুধাবির ওই হাসপাতালে চলে এলাম। &lt;br /&gt;রিসিপশনের লোকদের আমার পরিচয় জানালাম। সাথে আরও বললাম, ওখানে আমিও থাকতে পারতাম কিন্তু নিতান্ত নিয়তির অনিচ্ছা ছিল বলে থাকা হয়নি। শুনে ওরা আফসোস করল, ভেরি স্যাড! এক জন আমাকে ডান বাম ইত্যাদি বলে লিফট দেখিয়ে দিল। লিফট বেয়ে ওদের ডান বাম অনুযায়ী ৩২ ডি নম্বর রুমে ঢুকে দেখি জাকির শুয়ে আছে। সারা শরীরে ব্যান্ডেজ, গায়ে কোন কাপড় নেই, শুধু ব্যান্ডেজ। নার্সকে বললাম, পাশের টুল দেখিয়ে বসতে বলে ডাকতে নিষেধ করল। ঘুম ভাঙলে কথা বলতে বলল। অপেক্ষা করছি। রুমের বাইরে এসে নার্সকে জিজ্ঞেস করলাম অন্য যারা ছিল তারা কোথায়? নার্স রুম ছেড়ে পাশের রুম থেকে একটা টাইপ করা কাগজের ফটো কপি এনে হাতে দিল। পড়ে দেখলাম পাঁচ জন স্পট ডেড। তার মধ্যে জসীমের বিকৃত ডেড বডি পাওয়া গেছে বাকী কারো কোন চিহ্নই পায়নি। এডনকের যে পাইপ ফিটার ছিল তাকেও পাওয়া যায়নি। হয়তবা কোন হাঙর বা কোন সামুদ্রিক জীবের ক্ষুধার খাদ্য হয়েছে কি না কে জানে? এই হাসপাতালে বার জন চিকিৎসায় আছে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;প্রায় ঘণ্টা খানিক পরে জাকির চোখ মেলে তাকিয়েছে। দেখে পাশে দাঁড়ালাম।&amp;nbsp; আমার দিকে হাসি কান্না সব কিছু ভুলে কেমন যেন ফ্যাল ফ্যাল করে চেয়ে রইল। মনে হচ্ছে ওর কোন বোধ বিকার কিছুই নেই। আমাকে চেনার কোন লক্ষণ দেখছি না। কি হয়েছে বা ও কোথায় আছে কিছুই বুঝতে পারছে বলে মনে হচ্ছে না। ওর সাথে আমিও কিছুক্ষণ ওর&amp;nbsp; দিকে তাকিয়ে রইলাম। কিন্তু এ ভাবে কতক্ষণ? মিনিট দশেক পরে ডাকলাম, জাকির! কেমন আছ জাকির? মনে হল কিছুটা সম্বিত ফিরে পেয়েছে। ব্যথায় মুখটা বিকৃত হয়ে গেল, বুঝে আমার মনেও আঘাত লাগল। মাত্র এই, এই টুকু সময়ের মধ্যে কি থেকে কি হয়ে গেল। কাল সকালেই যাকে দেখেছি ফুরফুরে বাতাসের মত হাসছে।&amp;nbsp; আজ তার এ কি চেহারা! শুধু কাল সকালে কেন, বিগত ৭/৮ বছর ধরেই দেখছি যে জাকির কখনও মুখ ভার করে থাকেনি। আস্তে আস্তে ওর চোখ দুটি ভিজে আসছে। গায়ে মাথায় কোথাও হাত দেয়ার উপায় নেই। শুধু ব্যান্ডেজ। অনেকক্ষণ কাঁদল।&amp;nbsp; কিছু বলতে পারলাম না, কোন সান্ত্বনার ভাষা খুঁজে পেলাম না। শুধু চেয়ে চেয়ে দেখলাম। প্রায় আধা ঘণ্টা পর একটু ঠোট নড়ল দেখে বুঝলাম হয়ত কিছু বলতে চাইছে। ওর ঠোটের কাছে কান এগিয়ে আনলাম। নিস্তেজ কণ্ঠে জিজ্ঞেস করল ভাই, আপনি কি ভাবে জানলেন? এখানে এলেন কি ভাবে? বললাম সব কিছু। কি হয়েছিল জাকির? শুনেই আবার কান্না। কাঁদার সুযোগ দিলাম। কান্নার পানিতে যদি দুঃখ কষ্ট গুলি ধুয়ে ফেলতে পারে। কাঁদুক, ও যতক্ষণ পারে কাঁদুক। &lt;br /&gt;প্রায় আধা ঘণ্টা পর একটু শান্ত হলে আবার জিজ্ঞেস করলাম। তখন অতি নিচু কণ্ঠে যা বলল: &lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আমাকে নামিয়ে দেয়ার পর ওরা অফ শোর বয়াতে মুরিং করে সাগর তলা থেকে তেলের পাইপ তুলে মুখে লাগান ঢাকনা খুলে লাইনের তেল বের হয়ে যাবার অপেক্ষা করছে। সমস্ত জাহাজ পেট্রোলের গ্যাসে ভরে গেছে। জাকির, জসীম আর ইরানি জাবের জাহাজের পিছনের ডিসচার্জিং লাইন এডনকের যে লোকটা খুলছে তার পাশে দাঁড়িয়ে দেখছে এমন সময় পাকিস্তানি কুক হেলপার আরাফাত গ্যালিতে (কিচেন) ঢুকে গ্যাসের চুলা জ্বালাবার জন্য দিয়াশলাই জ্বালাবার সাথে সাথেই আগুনের শিখা মুহুর্তের মধ্যে সমস্ত জাহাজে ছেয়ে গেল। জসীম ভাই চিৎকার দিয়ে পরে গেল জাবেরও ওই ভাবে একটা চিৎকার দিয়ে কি হল জানি না আমি আর কোন উপায় না দেখে পাশের বয়াটা নিয়ে পানিতে ঝাপ দিলাম কিন্তু ঝাপ দেয়ার সময় লক্ষ্য করলাম এতক্ষণে এডনকের পাইপ দিয়ে যে তেল পরে পানিতে ভাসছিল তাতে আগুন ছড়িয়ে গেছে এবং আমি ওই আগুনের মধ্যেই নামছি। চট করে সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেললাম বয়া ধরে সাঁতরাতে পারব না। যতক্ষণ পারা যায় ডুব দিয়ে থেকে শ্বাস নেয়ার জন্য হাত দিয়ে উপরের পানি সরিয়ে মাথাটা কোন ভাবে উঠিয়ে শ্বাস নিয়ে আবার ডুবে থাকতে হবে। কিন্তু পানিতে পরার একটু পরেই আমার হাত থেকে বয়াটা ছুটে গেল। এর মধ্যে পানিতে নামার সাথে সাথেই সমস্ত শরীর পুরে গেছে বুঝতে পেরেছি, শরীরে জ্বালা করছে।&amp;nbsp; সাগরের নোনা পানির জন্য চোখ খুলে কিছু দেখতে পারছি না। হাত পুরে গেছে। সাঁতরাতে পারছি না। শেষ যখন হাতে বয়া ছিল তখন দেখেছিলাম যেখানে জাহাজ ছিল তার আশে পাশে আগুন আর আগুন। জাহাজের কিছুই দেখতে পাচ্ছিলাম না। শুধু আগুন। এডনকের পাইপ ফিটারদের যে বোট ছিল ওরা যে কখন বোট নিয়ে সরে পরেছিল জানি না। ওরাই ওয়ারলেস দিয়ে শোর অফিসে সংবাদ দিয়ে ওই আগুনের মধ্যেই কিছুক্ষণ ফায়ার এক্সটিঙ্গুইশার দিয়ে ফোম ছিটিয়ে ছিটিয়ে যাকে যাকে দেখেছে তাদের তুলে নিয়েছে। এর মধ্যে আবুধাবি হারবার থেকে ফায়ার ফাইটিং টাগ আসতে দেখেছি। এর পর আমার আর কিছু মনে নেই। &lt;br /&gt;আমাকে জিজ্ঞেস করল&lt;br /&gt;জসীম ভাই কোথায়? আমি কোন জবাব দিতে পারিনি। শুধু এটুক বলেছিলাম অন্য কেবিনে আছে।&lt;br /&gt;আপনার টিকেট হয়েছে?&lt;br /&gt;না এখনও অফিসে যাইনি। আজ সকালে যাব ভেবেছিলাম কিন্তু কাল রাতে তোমাদের এই সংবাদ জেনে আজ অফিসে না যেয়ে একটা ট্যাক্সি নিয়ে এখানে চলে এসেছি।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;এর দুই এক দিন পরেই আমার টিকেট হয়ে গেল। মনের মধ্যে একটা গভীর টান থাকা ষত্বেও বিদেশের নানা জটিলতার জন্য আর আবুধাবিতে&amp;nbsp; জাকিরকে দেখতে যেতে পারিনি। দুবাইতে অফিস, ইমিগ্রেশন ইত্যাদি নানা ঝামেলা সেরে বিষণ্ণ মনে যখন দুবাই এয়ারপোর্ট থেকে টেক অফ করার পর&amp;nbsp; সিট বেল্ট বাধছিলাম তখন সেই শ্লোকটি ভাবছিলাম, “নিয়তি কেন বাধ্যতে?”। একটু পরে ব্রিটিশ এয়ারলাইন্সের প্লেন দুবাইর মাটি ছেড়ে আকাশে উঠে যাচ্ছিল তখন জানালা দিয়ে ফেলে আসে জসীমের নিশ্চিনহ দেহ, জাকিরের করুণ দৃষ্টি আর কল্পিত মল্লিকার হাহাকারের কথা ভেবে কেমন যেন পাথরের মত বসে বসে দেখলাম।&lt;/div&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/6206436569761013193-1930833631050920784?l=smritikona.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://smritikona.blogspot.com/feeds/1930833631050920784/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://smritikona.blogspot.com/2011/07/blog-post_26.html#comment-form' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6206436569761013193/posts/default/1930833631050920784'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6206436569761013193/posts/default/1930833631050920784'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://smritikona.blogspot.com/2011/07/blog-post_26.html' title='নিয়তি কেন বাধ্যতে?'/><author><name>Smritikona</name><uri>http://www.blogger.com/profile/06924676430610821189</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='30' height='32' src='http://3.bp.blogspot.com/_QBqxJNVAQsg/S4nDcZMyGtI/AAAAAAAAH5o/BcbLKNpvnQk/S220/Snow+self-2.jpg'/></author><thr:total>0</thr:total><georss:featurename>Mirpur, Dhaka, Bangladesh</georss:featurename><georss:point>23.7926127 90.36071370000002</georss:point><georss:box>23.7753537 90.34055070000002 23.8098717 90.38087670000002</georss:box></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-6206436569761013193.post-1683451907516017177</id><published>2011-07-23T20:52:00.004+06:00</published><updated>2012-01-31T14:17:05.971+06:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='poems'/><title type='text'>সুন্দরী ধরা</title><content type='html'>&lt;div dir="ltr" style="text-align: left;" trbidi="on"&gt;&lt;br /&gt;পৃথিবীকে ঢেকে দেয় আধার আচলে&lt;br /&gt;নীলাকাশ সাজে প্রিয়তমার কাজলে।&lt;br /&gt;বিষণ্ণ মলিন জোনাকি নিভু নিভু ক্লান্ত&lt;br /&gt;শত কোটি নক্ষত্র উজ্জ্বল অনন্ত।&lt;br /&gt;&lt;a name='more'&gt;&lt;/a&gt;&lt;br /&gt;&lt;iframe align="left" frameborder="0" marginheight="0" marginwidth="0" scrolling="no" src="http://rcm.amazon.com/e/cm?t=kamas-20&amp;amp;o=1&amp;amp;p=8&amp;amp;l=bpl&amp;amp;asins=B004HFS6Z0&amp;amp;fc1=000000&amp;amp;IS2=1&amp;amp;lt1=_blank&amp;amp;m=amazon&amp;amp;lc1=0000FF&amp;amp;bc1=000000&amp;amp;bg1=FFFFFF&amp;amp;f=ifr" style="height: 245px; padding-right: 10px; padding-top: 5px; width: 131px;"&gt;&lt;/iframe&gt;দীপ জ্বালে তারা শত সহস্র&lt;br /&gt;নগরীর বুকে জ্বলে দীপ্তি শিখা অজস্র,&lt;br /&gt;ঝিলিমিলি রঙ ছড়িয়ে নিশি শ্রান্ত&lt;br /&gt;মধুর বিধুর চিত্রে জনতা দিক ভ্রান্ত।&lt;br /&gt;মায়াবী সাঁঝে কোলাহলে ভাসে মহাবিশ্ব&lt;br /&gt;আবেশে বিভোর থাকে ধূমকেতু শিস্য।&lt;br /&gt;মরীচিকা অনামিকা রূপসী হয় জীবন্ত&lt;br /&gt;কুহেলিকা রাজপথ মাড়িয়ে চলে পান্থ।&lt;/div&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/6206436569761013193-1683451907516017177?l=smritikona.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://smritikona.blogspot.com/feeds/1683451907516017177/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://smritikona.blogspot.com/2011/07/blog-post_23.html#comment-form' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6206436569761013193/posts/default/1683451907516017177'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6206436569761013193/posts/default/1683451907516017177'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://smritikona.blogspot.com/2011/07/blog-post_23.html' title='সুন্দরী ধরা'/><author><name>Smritikona</name><uri>http://www.blogger.com/profile/06924676430610821189</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='30' height='32' src='http://3.bp.blogspot.com/_QBqxJNVAQsg/S4nDcZMyGtI/AAAAAAAAH5o/BcbLKNpvnQk/S220/Snow+self-2.jpg'/></author><thr:total>0</thr:total><georss:featurename>Mirpur, Dhaka, Bangladesh</georss:featurename><georss:point>23.7926127 90.36071370000002</georss:point><georss:box>23.7753537 90.34055070000002 23.8098717 90.38087670000002</georss:box></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-6206436569761013193.post-1585103061918402309</id><published>2011-07-21T20:49:00.002+06:00</published><updated>2012-01-31T14:12:11.451+06:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='poems'/><title type='text'>শেষ পত্র</title><content type='html'>&lt;div dir="ltr" style="text-align: left;" trbidi="on"&gt;আলোর খাতায় আধার কালিতে&lt;br /&gt;জীবন কলমে লেখা শেষ পত্র&lt;br /&gt;লিখে যাই তোমাকে।&lt;br /&gt;খুঁজে দেখো পৃথিবীর খোলস ভেঙ্গে &lt;br /&gt;মানুষের লাশ জড়ানো কাফন&lt;br /&gt;কিংবা চিতার আগুন&lt;br /&gt;&lt;a name='more'&gt;&lt;/a&gt;&lt;br /&gt;নয়ত লাশের কংকালে ঢাকা।&lt;br /&gt;শিউরে উঠো না যেন ভয়ে&lt;br /&gt;একটু ফাকা হয়তো পাবে&lt;br /&gt;তোমারই কাফনে ভরবে সেই ফাঁক&lt;br /&gt;যার পাশে আমারই কংকালে ঢেকেছে&lt;br /&gt;খানিক পৃথিবীর খোলস।&lt;/div&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/6206436569761013193-1585103061918402309?l=smritikona.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://smritikona.blogspot.com/feeds/1585103061918402309/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://smritikona.blogspot.com/2011/07/blog-post_21.html#comment-form' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6206436569761013193/posts/default/1585103061918402309'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6206436569761013193/posts/default/1585103061918402309'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://smritikona.blogspot.com/2011/07/blog-post_21.html' title='শেষ পত্র'/><author><name>Smritikona</name><uri>http://www.blogger.com/profile/06924676430610821189</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='30' height='32' src='http://3.bp.blogspot.com/_QBqxJNVAQsg/S4nDcZMyGtI/AAAAAAAAH5o/BcbLKNpvnQk/S220/Snow+self-2.jpg'/></author><thr:total>0</thr:total><georss:featurename>Mirpur, Dhaka, Bangladesh</georss:featurename><georss:point>23.7926127 90.36071370000002</georss:point><georss:box>23.7753537 90.34055070000002 23.8098717 90.38087670000002</georss:box></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-6206436569761013193.post-87857470023995147</id><published>2011-07-19T20:45:00.005+06:00</published><updated>2011-07-19T20:45:01.136+06:00</updated><title type='text'>মহাকালের ঘড়ি</title><content type='html'>ঘড়ির কাটা ছুটে চলে বাজে না বারোটা&lt;br /&gt;ঘণ্টা মিনিট সেকেন্ড মেপে চলে অবিরাম&lt;br /&gt;অবসর নেই। আলো আধার ঝড় বৃষ্টি&lt;br /&gt;কাল মহাকাল ব্যাপী চলেছে চলবে।&lt;br /&gt;বসন্ত সন্ধ্যায় যদিও বা হয় পরিচয়&lt;br /&gt;মুছে যায় শীতের কঠিন বরফে&lt;br /&gt;কখনও বা ফিরে আসে পূর্ণিমা রাতে&lt;br /&gt;কখনও মরীচিকা হয়ে দূরে দূরে জ্বলবে।&lt;br /&gt;থামে না কাটা, হয় না সন্ধ্যা, বাজে না বারোটা।&lt;br /&gt;বারে বারে আসে জীবন, আসে মরণ।&lt;br /&gt;থামে না জীবন, থামে না মরণ, থামে না চলা&lt;br /&gt;এ ঘড়ি ঘুরেই চলে জানে না কখন থামবে।&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/6206436569761013193-87857470023995147?l=smritikona.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://smritikona.blogspot.com/feeds/87857470023995147/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://smritikona.blogspot.com/2011/07/blog-post_19.html#comment-form' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6206436569761013193/posts/default/87857470023995147'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6206436569761013193/posts/default/87857470023995147'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://smritikona.blogspot.com/2011/07/blog-post_19.html' title='মহাকালের ঘড়ি'/><author><name>Smritikona</name><uri>http://www.blogger.com/profile/06924676430610821189</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='30' height='32' src='http://3.bp.blogspot.com/_QBqxJNVAQsg/S4nDcZMyGtI/AAAAAAAAH5o/BcbLKNpvnQk/S220/Snow+self-2.jpg'/></author><thr:total>0</thr:total><georss:featurename>Dhaka, Bangladesh</georss:featurename><georss:point>23.7926127 90.36071370000002</georss:point><georss:box>23.6793717 90.26650120000002 23.905853699999998 90.45492620000002</georss:box></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-6206436569761013193.post-7965721991282775376</id><published>2011-07-17T20:45:00.000+06:00</published><updated>2011-07-17T20:45:32.566+06:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='poems'/><title type='text'>সেকাল-একাল</title><content type='html'>রাজমহলের সিংহাসনে শ্বেত সোপানে।&lt;br /&gt;অশ্রু ঝরে নীরবে অন্তঃপুরে নিশ্বাসে&lt;br /&gt;অলস রাজা বিলাস ঘরে গোপনে&lt;br /&gt;সাকী আর সরাব জোয়ারে ভাসে।&lt;br /&gt;&lt;iframe align="left" frameborder="0" marginheight="0" marginwidth="0" scrolling="no" src="http://rcm.amazon.com/e/cm?t=kamas-20&amp;amp;o=1&amp;amp;p=8&amp;amp;l=bpl&amp;amp;asins=B000KO0GY6&amp;amp;fc1=000000&amp;amp;IS2=1&amp;amp;lt1=_blank&amp;amp;m=amazon&amp;amp;lc1=0000FF&amp;amp;bc1=000000&amp;amp;bg1=FFFFFF&amp;amp;f=ifr" style="height: 245px; padding-right: 10px; padding-top: 5px; width: 131px;"&gt;&lt;/iframe&gt;মর্মর পাথরে ময়ূর মহলে জ্বলে ঝাড়বাতি&lt;br /&gt;মোম জ্বলে আতরদানি কস্তূরী গোলাব পাশে&lt;br /&gt;নেশায় মশগুল নূপুর বাজে ঘিরে&lt;br /&gt;গালিচা বিছানো জলসা ঘরে বসে।&lt;br /&gt;আতসবাজি বিহীন শূন্য বালা খানা&lt;br /&gt;শত বছর পরে চিলে কোঠায় কুমারী বসে&lt;br /&gt;গল্প গাথা সাজায় মনে মনে, আর&lt;br /&gt;মেঘের ভেলা ভাসায় আকাশে।&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/6206436569761013193-7965721991282775376?l=smritikona.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://smritikona.blogspot.com/feeds/7965721991282775376/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://smritikona.blogspot.com/2011/07/blog-post_17.html#comment-form' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6206436569761013193/posts/default/7965721991282775376'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6206436569761013193/posts/default/7965721991282775376'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://smritikona.blogspot.com/2011/07/blog-post_17.html' title='সেকাল-একাল'/><author><name>Smritikona</name><uri>http://www.blogger.com/profile/06924676430610821189</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='30' height='32' src='http://3.bp.blogspot.com/_QBqxJNVAQsg/S4nDcZMyGtI/AAAAAAAAH5o/BcbLKNpvnQk/S220/Snow+self-2.jpg'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-6206436569761013193.post-3328199032826572788</id><published>2011-07-04T21:17:00.000+06:00</published><updated>2011-07-04T21:17:39.662+06:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='poems'/><title type='text'>কি যে হলো শ্রাবণ বরিষণে</title><content type='html'>&lt;div dir="ltr" style="text-align: left;" trbidi="on"&gt;&lt;div class="titlewrap" style="text-align: center;"&gt;আজি মেঘ গরজিছে শ্রাবণ আকাশে&lt;/div&gt;&lt;div&gt;                             &lt;/div&gt;&lt;div id="fb_share_1" style="float: right; margin-left: 10px; text-align: center;"&gt;&lt;a href="http://www.facebook.com/sharer.php?u=http%3A%2F%2Fshoily.com%2F%3Fp%3D7964&amp;amp;t=%E0%A6%95%E0%A6%BF%20%E0%A6%AF%E0%A7%87%20%E0%A6%B9%E0%A6%B2%E0%A7%8B%20%E0%A6%B6%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%AC%E0%A6%A3%20%E0%A6%AC%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%B7%E0%A6%A3%E0%A7%87%20%C2%AB%20%E0%A6%B6%E0%A7%88%E0%A6%B2%E0%A7%80&amp;amp;src=sp" name="fb_share" style="text-decoration: none;" type="box_count"&gt;&lt;span class="fb_share_size_Small fb_share_count_wrapper"&gt;&lt;span&gt;&lt;/span&gt;&lt;span class="fb_share_count_nub_top fb_share_no_count"&gt;&lt;/span&gt;&lt;span class="fb_share_count fb_share_no_count fb_share_count_top"&gt;&lt;span class="fb_share_count_inner"&gt;&lt;/span&gt;&lt;/span&gt;&lt;span class="FBConnectButton FBConnectButton_Small" style="cursor: pointer;"&gt;&lt;span class="FBConnectButton_Text"&gt;&lt;/span&gt;&lt;/span&gt;&lt;/span&gt;&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: center;"&gt; গুরু গুরু ডাকে দেয়া সুবাসিত বাতাসে।।&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: center;"&gt; &lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: center;"&gt;ঘনঘটা বাজে শোন পিয়ালের বনে&lt;br /&gt;উথলে বিরহ জ্বালা প্রিয়ার মনে&lt;br /&gt;এ লগনে তারে বলা যায় কি আভাসে&lt;br /&gt;যদি না বাতাস বহে বকুল সুবাসে।।&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: center;"&gt; &lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: center;"&gt;ধীরে ধীরে বরষনে মন নিশীথে&lt;br /&gt;পুলকিত হরষে চায় তারে দেখিতে&lt;br /&gt;না দেখিয়া তারে ভাবি নিরলে বসে&lt;br /&gt;সেও বুঝি ডাকে মোরে এমন ফুল বাসে।&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: left;"&gt;&lt;iframe align="left" frameborder="0" marginheight="0" marginwidth="0" scrolling="no" src="http://rcm.amazon.com/e/cm?t=kamas-20&amp;amp;o=1&amp;amp;p=8&amp;amp;l=bpl&amp;amp;asins=B0026L7H20&amp;amp;fc1=000000&amp;amp;IS2=1&amp;amp;lt1=_blank&amp;amp;m=amazon&amp;amp;lc1=0000FF&amp;amp;bc1=000000&amp;amp;bg1=FFFFFF&amp;amp;f=ifr" style="height: 245px; padding-right: 10px; padding-top: 5px; width: 131px;"&gt;&lt;/iframe&gt;।&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/6206436569761013193-3328199032826572788?l=smritikona.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://smritikona.blogspot.com/feeds/3328199032826572788/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://smritikona.blogspot.com/2011/07/blog-post.html#comment-form' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6206436569761013193/posts/default/3328199032826572788'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6206436569761013193/posts/default/3328199032826572788'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://smritikona.blogspot.com/2011/07/blog-post.html' title='কি যে হলো শ্রাবণ বরিষণে'/><author><name>Smritikona</name><uri>http://www.blogger.com/profile/06924676430610821189</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='30' height='32' src='http://3.bp.blogspot.com/_QBqxJNVAQsg/S4nDcZMyGtI/AAAAAAAAH5o/BcbLKNpvnQk/S220/Snow+self-2.jpg'/></author><thr:total>0</thr:total><georss:featurename>Dhaka, Bangladesh</georss:featurename><georss:point>23.709921 90.40714300000002</georss:point><georss:box>23.596680000000003 90.31293050000002 23.823162 90.50135550000002</georss:box></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-6206436569761013193.post-1987353497257340773</id><published>2011-06-01T22:17:00.001+06:00</published><updated>2011-06-19T15:10:08.180+06:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='Adventure'/><title type='text'>সাগর তলে রূপনগর</title><content type='html'>&lt;div dir="ltr" style="text-align: left;" trbidi="on"&gt;&lt;br /&gt;বাহরাইন সিতরা ট্যাঙ্কার বার্থ থেকে বৃটিশ পতাকাবাহী ট্যাঙ্কার জাহাজ “কুইন অফ গালফ” এ ফুল লোড অর্থাৎ প্রায় ষোল হাজার টন হাই স্পিড ডিজেল নিয়ে ১৯৮২ সালের শেষ দিকে শীতের কোন এক সন্ধ্যা বেলায় আমরা ওমানের মাস্কাট বন্দরের দিকে সেইল করেছি। মাত্র দুই দিন এক রাতের পথ। জাহাজ স্বাভাবিক গতিতে আরব্য উপসাগর দিয়ে এগিয়ে চলছে। এই সময় সাধারনত এখানে সাগর উত্তাল থাকে তবে আজ সেইল করার সময় সাগর কিছুটা শান্ত ছিল বলা যায়। কিন্তু সেইল করার পর দিন ভোর থেকেই লক্ষ্য করছি আমরা যতই এগুচ্ছি ঢেউ এর উচ্চতা আস্তে আস্তে ততই বাড়ছে। সেই সাথে তাল মিলিয়ে জাহাজের রোলিংও বাড়ছে। জাহাজে চাকরি করার অনেক সুবিধা যেমনঃ নানা দেশ দেখা যায়, তার সাথে নানা জাতির মানুষের সাথে মেশা যায়। জানা যায় তাদের জীবন যাত্রার ব্যবস্থা। পাশাপাশি কিছু অসুবিধা বা এক কথায় বলা যায় একটা দুঃসহ যন্ত্রণা রয়েছে আর তা&amp;nbsp; হচ্ছে এই রোলিং। অনেকেই রোলিং মোটেই সহ্য করতে পারে না। কাউকে এমনও বলতে শুনেছি যে, এই ভয়েজ শেষ হলেই আর আসব না। দেশে ফিরে গিয়ে পানের দোকান দেব তবুও&amp;nbsp; এই রোলিং আর না। কিন্তু হলে কি হবে, সাগরের হাতছানির নেশায় যে একবার ডুবেছে তাকে যে আবার, বারবার সাগরের বুকে ফিরে আসতেই হবে। সাগরের যেন কেমন একটা মায়া রয়েছে। যে মায়াজালে সে সবাইকে আটকে ফেলে। সাগরের বুকে গাং চিলেদের নিঃশব্দে নীলাকাশে ওড়া, মাঝে মাঝে ডলফিনের ঝাকের জলকেলি, খোলা নীল আকাশ, নীল আকাশের নিচে নীল সাগরের নীল ঢেউ, ঢেউ এর চূড়ায় মুক্তার মত সাদা ফেনার লুকোচুরি মানুষের মনকে উদ্ভ্রান্ত করে কোথায় যেন নিয়ে যায়। কোথায় যে সে হারিয়ে যায় সে নিজে কিছুই বুঝে উঠতে পারে না। যখন নীল ঢেউ এসে জাহাজের গায়ে কিংবা সাগর পাড়ে আছড়ে পরে সে এক মায়াবী দৃশ্য। একটা মনকাড়া মোহ। এই মোহজাল কেউ ছিঁড়ে বের হতে পারে না। এই মায়ার টানেই আবার ফিরে আসে, আসতে হয়। &lt;br /&gt;সে দিন আস্তে আস্তে রোলিং বেড়েই চলেছে, সাথে বাড়ছে বাতাসের একটানা শো শো গর্জন। সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত এক নাগারে এমনি চলছে। স্টিয়ারিং করতে এসে ব্রীজে কেউ টিকতে পারছে না। এক এক করে তিন জন আউট। টিকবে কি করে? ওরা কেও ব্রীজে দাঁড়াতেই পারছে না। প্রতিটা ঢেউ এসে যখন জাহাজের গায়ে আছড়ে পরছে তখনই সমস্ত জাহাজটা থরথর করে কেঁপে উঠছে। কতক্ষণ আর এ ভাবে চলা যায়? চার্টে দেখছি আমরা উপসাগরের পূর্ব পাড়ের কাছে দিয়ে যাচ্ছি। আমাদের জাহাজ থেকে প্রায় একশ মাইল দূরে কিনারা। পিছনে দুবাই এবং ডান পাশে ওমানের সীমা রেখা। সামনেই লিটল কুইন এবং লার্জ কুইন নামে ওমানের সীমানার ভিতরে সাগরের মাঝে প্রায় মাইল দুয়েক জুড়ে মাত্র মাইল খানিক দূরত্বে দুটি পাহাড় সারি অনন্ত কাল ধরে দাঁড়িয়েই আছে। আবহাওয়া যখন ভাল থাকে তখন আমরা একটু মজা করার জন্য এই দুই পাহাড়ের মাঝ দিয়ে যাতায়াত করি। তবে এই মাইল দুয়েক পথে খুব সাবধানে স্টিয়ারিং করতে হয় কারন পাহাড়ের চৌম্বক ক্ষেত্রের কারনে ওখান দিয়ে যাতায়াতে জাহাজের কম্পাস কিছুটা এলোমেলো হয়ে যায় বলে জাহাজের কোর্স ঠিক রাখা বেশ কঠিন কাজ। মোটামুটি খুব ভাল স্টিয়ারিং না করলে পাহাড়ের গায়ে যে কোন সময় ধাক্কা লেগে যেতে পারে। আর তেমন কিছু হলে এখান থেকে উদ্ধার পাওয়া দুঃসাধ্য ব্যাপার। কিন্তু আজ এটা মোটেও সম্ভব নয়। কারো তেমন মানসিকতা নেই। সবাই রোলিং এর দাপটে অস্থির। বমি করতে করতে অসার। এই মধ্য সাগরে তো আর জাহাজ এমনি ছেড়ে দেয়া যায় না তাই যে কোন ভাবে সামনে এগিয়ে যেতে হচ্ছে। এমন আবহাওয়ায় ইঞ্জিন চালু রাখতেই হবে। ইচ্ছে করলেই পাড়ে এসে লগি গেড়ে বেঁধে রাখার উপায় নেই। সন্ধ্যার একটু আগে&amp;nbsp; আমাদের ক্যাপ্টেন ডেভিড ল্যাম্ব ব্রীজে এসে বলল কাসাব বে আর কত দূর? চার্ট দেখে হিসেব করে বললাম ওই ত লিটল কুইন তার পরেই কাসাব বে, তা এখান থেকে চল্লিশ নটিকাল মাইল হবে। যেতে হয়ত চার পাঁচ ঘণ্টা লেগে যাবে। লিটল কুইন ছাড়িয়ে একটু এগিয়ে ডান দিকে কাসাব বে হচ্ছে এমন একটা জায়গা যেখানে প্রায় চারদিকে ওমানের জন বসতি হীন মাইলের পর মাইল ধূ ধূ রুক্ষ পাথুরে পাহাড়ী এলাকা। শুধু সাগরের দিকে একটু খানি খোলা এবং ওই খোলা জায়গা দিয়ে ভিতরে ঢুকলেই প্রায় মাইল পাঁচেক এলাকা জুড়ে ত্রিশ মিটার গভীরতা নিয়ে একটা আশ্রয় নেওয়ার মত জায়গা। সামুদ্রিক চার্টে দেখান আছে। আমরা এর আগেও এখানে বেশ অনেকবার এসে নোঙ্গর করে থেকেছি। ক্যাপ্টেন চারদিকে দেখে বলল তাহলে ওখানে ঢুকে নোঙ্গর করে থাকি, দেখি আবহাওয়া একটু শান্ত হলে পরে যাওয়া যাবে। বললাম তাই ভাল হয়। সাথে সাথে আমাদের বাহরাইনের কোম্পানীর অফিসে কন্ট্রোল রুমের সাথে রেডিওতে যোগা যোগ করে জানিয়া দিলাম।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;রাত প্রায় এগারটা নাগাদ আমরা কাসাব বের ভিতরে ঢুকে নোঙ্গর করলাম। এই এতক্ষণে যেন সবাই স্বস্তির নিশ্বাস ফেলল। যারা রোলিং শুরু হবার পর থেকে এতক্ষণ না খেয়ে শুয়ে ছিল তারা উঠে সবাই গ্যালিতে (জাহাজের কিচেন) গিয়ে যে যা পাচ্ছে তাই খেয়ে একটু সুস্থ হলো। সে রাতে আর তেমন কিছু করায় কারো মন ছিল না। কেবল মাত্র ব্রিজ ওয়াচে দুই জন ডিউটি করছিল আর বাকী সবাই যার যার বিছানায়।&lt;br /&gt;&lt;iframe align="left" frameborder="0" marginheight="0" marginwidth="0" scrolling="no" src="http://rcm.amazon.com/e/cm?t=kamas-20&amp;amp;o=1&amp;amp;p=8&amp;amp;l=bpl&amp;amp;asins=B0032JTV6A&amp;amp;fc1=000000&amp;amp;IS2=1&amp;amp;lt1=_blank&amp;amp;m=amazon&amp;amp;lc1=0000FF&amp;amp;bc1=000000&amp;amp;bg1=FFFFFF&amp;amp;f=ifr" style="height: 245px; padding-right: 10px; padding-top: 5px; width: 131px;"&gt;&lt;/iframe&gt;পর দিন সকালে ঘুম ভেঙ্গে দেখি আবহাওয়ার তেমন কোন পরিবর্তন নেই। মনে মনে কটু খুশি হলাম যাক আজও হয়ত এখানেই থাকা যাবে। এখানে থাকার একটা বাড়তি সুবিধা আছে। বড়শী দিয়ে প্রচুর মাছ ধরা যায়। আর জায়গাটাও চমৎকার। চারদিকে বেশ উঁচু নিচু নানা সাইজের পাহাড়। কোথাও খাড়া হয়ে সমুদ্রের নিচে তলিয়ে গেছে আবার কোথাও ঢালু&amp;nbsp; বালুকা বেলার মত মাঝে মাঝে কিছু কিছু ছোট বড় নানা আকারের পাথরের টুকরো দিয়ে কে যেন সাজিয়ে রেখেছে এমন মনে হতো। কোথাও কোথাও আবার&amp;nbsp; এমন যে আকাশের মেঘেরা উড়ে এসে প্রায়ই এই সব কোন পাহাড়ের গায়ে হেলান দিয়ে একটু ঘুমিয়ে নেয় নয়তো ধাক্কা দিয়ে সাথে করে উড়িয়ে নিয়ে যেতে চায়। দেখতে দারুণ লাগে। এখানে এসে যখন থাকি তখন আমাদের জাহাজে&amp;nbsp; রাবারের একটা ইঞ্জিন চালিত ডিঙ্গি বোট আছে ওটায় পাম্প করে ফুলিয়ে প্রায়ই কয়েক জন মিলে জাহাজ ছেড়ে ওই সব কিনারায় চলে যেতাম। অহেতুক নিচু পাহাড়ের গা বেয়ে উপরে উঠে দেখার চেষ্টা করতাম। এখান থেকে উত্তরে এবং পশ্চিমে সাগর বা পিছনের পাহাড়ী তেপান্তর কেমন দেখায়। মনে হতো যেন মৌন পাহাড় গুলি আমাদের সাথে কত দিনের না বলা সঞ্চিত কথা বলে মনের আকুতি মেটাতে চাইছে। আমরাও নানা দেশের কয়েক জন পাহাড়ের সাথে চীৎকার করে নিজ ভাষায় কথা বলতাম। আবার কখন সাথে করে রঙের টিন আর ব্রাশ নিয়ে পাথরের গায়ে নিজেদের নাম লিখে রাখতাম। আজও হয়ত যারা ওখানে যায় তারা আমাদের নাম দেখতে পায়। মাইক, হ্যারি, কার্লো, অসীম, মহসীন, তিরু, গোল্ডি এমন আরো অনেক যা আজ এত দিনে স্মৃতির পাতা থেকে মুছে গেছে। &lt;br /&gt;সে দিন সকালে নাশতা করে বসে আছি এমন সময় ক্যাপ্টেন এসে বলল &lt;br /&gt;“দেখছ এখন ওয়েদার চেঞ্জ হয়নি, আজ আর যাব না গ্রে বাহরাইনকে ডেকে বলে দাও তারপরে চল মাছ ধরি”। &lt;br /&gt;ক্যাপটেন নিজে এ কথা বললে আর ঠেকায় কে? যেই বলা সেই কাজ। সাথে সাথে ব্রিজে যে ডিউটি করছিল ওকে সু সংবাদটা দিয়ে বলে এলাম তুমি গ্রে বাহরাইনকে কল দিয়ে বলে দাও খারাপ আবহাওয়ার জন্য আমরা আজ এখান থেকে বের হতে পারছি না। সাথে সাথেই হ্যারি রেডিওর রিসিভার হাতে নিয়ে ডাকা শুরু করল ‘গ্রে বাহরাইন গ্রে বাহরাইন দিস ইজ কুইন অফ গালফ কলিং’। ওপাশ থেকে জবাব এল &lt;br /&gt;‘ইয়েস কুইন ইউ আর লাউড এন্ড ক্লিয়ার’। &lt;br /&gt;হাই স্টেনলি গুড মর্নিং, ডিউ টু ব্যাড ওয়েদার উই আর নট সেইলিং ফ্রম কাসাব বে টু ডে। &lt;br /&gt;ওকে কুইন &lt;br /&gt;এবার ধন্যবাদ জানিয়ে এবং ওভার এনড আউট বলে রিসিভার নামিয়ে রাখল আর আমি নিচে নেমে এসে মার্কিকে বললাম &lt;br /&gt;চল আজ একটা নতুন এক্সপেরিয়ান্স নেয়ার চেষ্টা করি।&lt;br /&gt;নতুন আবার কি, এখানে যা করার তা সবইতো করা হয়ে গেছে!&lt;br /&gt;না, আজ ডাইভিং করব। দেখছ না আজ পাহাড়ের কত কাছে নোঙ্গর করা হয়েছে। এত কাছে কি সাধারণতঃ নোঙ্গর করে?এই সুযোগ কি বারবার আসে?&lt;br /&gt;ইয়া, ডাইভিং! বল কি?&lt;br /&gt;হ্যা তুমি যাবে না কি অন্য কাওকে বলব?&lt;br /&gt;এদিকে আমাদের জাহাজে ডাইভিং সেট আছে মাত্র দুটা কাজেই এক সাথে দুই জনের বেশি যেতে পারব না।&lt;br /&gt;না না আমি যাব। কখন নামবে?&lt;br /&gt;যদি যাও তাহলে এখনি।&lt;br /&gt;বেশ, চল। ডিঙ্গি রেডি করে ডাইভিং সেট রেডি করতে করতে আরো কয়েক জনের নজরে এলো যে আমরা আজ এখানে ডাইভ দিচ্ছি।&lt;br /&gt;সবার এক কথা আমাকে বললে না কেন?&lt;br /&gt;আরে এইতো বললাম। আমরা ফিরে আসি তোমরা এক এক করে সবাই যেও। কাওকেতো উপরে থাকতেই হবে। তোমরা আমাদের দেখবে ফিরে এসে আমরা তোমাদের দেখব, তাই না?&lt;br /&gt;হ্যাঁ ঠিক আছে।&lt;br /&gt;বেশ। আমি আর মার্কি ডাইভিং স্যুট পরে ক্রেন দিয়ে নিচে ডিঙ্গি নামিয়ে দিলাম। &lt;br /&gt;এখানে পানির গভীরতা প্রায় ত্রিশ চল্লিশ মিটার হলে কি হবে জাহাজের ডেকে দাঁড়িয়ে একেবারে সমুদ্রের তলা পর্যন্ত দেখা যায়। স্বচ্ছ কাচের মত পরিস্কার টলটলে পানি। কত রকমের কত কি পানির তলে দেখা যায় তা কাছে থেকে দেখার লোভ ছিল অনেক দিন থেকেই। আজ তা হতে যাচ্ছে বলে মনে এক ধরনের চমক বোধ করছিলাম। সিঁড়ি বেয়ে&amp;nbsp; ডিঙ্গিতে নেমে এলাম। দুই জনের কোমরে রশি বেঁধে রশির এক প্রান্ত ধরে উপরে পাহারায় থাকবে দুই জন। ওদের সাথে যোগাযোগ রাখার জন্য প্রথা অনুযায়ী রশির টানের মানে নিয়ে একটু আলাপ করে নিয়েছি। &lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ডিঙ্গিতে নেমে পিঠের অক্সিজেনের টিউব, পায়ের ফিনস, হাতের গ্লোভস, ডাইভার্স নাইফ, পানি রোধক চশমা সব কিছু ঠিক আছে কি না দেখে ডিঙ্গির পাশে বসে পিছনে তাকিয়ে ইশারা দিয়ে ঝুপ করে নেমে গেলাম। নিচে সাগর তলে এগিয়ে যাচ্ছি। সাঁতরে সাঁতরে পাহাড়ের দিকে এগিয়ে যাচ্ছি আর নিচে নামছি। কত রকমের মাছ আশেপাশে দিয়ে আসছে যাচ্ছে। কেউ একটু কৌতূহল নিয়ে এগিয়ে আসতে চাইছে। এরা আবার কারা এলো আমাদের এই স্বর্গ রাজ্যে? এমন একটা ভাব। একটু কাছে এসে ভাল করে দেখে সুরুত করে দিক বদলে চলে যাচ্ছে। নিচে নেমে এসেছি। এবার আর সাঁতার নয় হাঁটছি। পানিতে সাঁতরানো যত সহজ হাঁটা ততটাই কঠিন। হাঁটছি আর দেখছি। ফিনস পরা পায়ের নীচে পাথুরে তল বলে হাঁটা যাচ্ছে না লাফিয়ে সাঁতারের মত করে এগুচ্ছি।&amp;nbsp; ভয় ভয় লাগছে কিন্তু দুর্বার কৌতূহলের কাছে এই ভয় কিছুই নয়। &lt;br /&gt;&lt;br /&gt;কত রকমের প্রবাল, মাছ, নানা রকম সামুদ্রিক উদ্ভিদ, বিভিন্ন প্রাণী এর কিছুই আগে দেখিনি। একটা ঝোপের মত মনে হচ্ছে প্রায় মানুষের সমান উঁচু। প্রবাল ঝোপ হবে নিশ্চয়! মার্কিকে খোঁচা দিয়ে ইশারা করলাম চিনেছ? ও তেমনি হাত নেড়ে নিষেধ করল। কি এটা? দেখতে হবে। কাছে গেলাম। নিচে থেকে ঝাঁক ঝাঁক ছোট ছোট সার্ডিন মাছ বের হয়ে গেল। আরো কত কি মাটি ঘেঁষে বসে ছিল তারা সবাই সুরুত সুরুত করে এদিক ওদিক চলে গেল। অবাক হয়ে দেখছি। কত রকমের রঙ্গিন মাছ। অদ্ভুত সব কারুকাজ তাদের গায়ে। লাল, কাল, ধবধবে সাদা, লাল কাল ডোরা কাটা, হলুদের মাঝে সাদা বা কালো ডোরা। কত যে রঙের বাহার তা আমাদের দেশের কাটাবনের একুরিয়ামের মাছের বাজারেও নেই। বিশাল ফিনস, গায়ের চেয়ে ফিনস বড়, বিশাল। কাকচি মাছের চেয়েও ছোট এক রকম মাছের ঝাঁক। সবাই মনের আনন্দে নির্ভয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছে। মনে হচ্ছে এখানে হাঙ্গর বা ছোট ছোট মাছ খেয়ে ফেলে এমন কেউ নেই তাই এরা এত স্বাধীন। এক রকম ছোট্ট মাছ দেখলাম ঝাকে ঝাকে সাঁতরে বেড়াচ্ছে যাদের শরীরের এ পাশ থেকে ও পাশ ভেদ করে পানি দেখা যাচ্ছে, কোন রঙ নেই। গায়ের ভিতরে শুধু লাল কিছু রক্তের সরু অস্তিত্ব দেখা যাচ্ছে। সাগর তলের বিছানায় কত রকমের স্টার ফিশ সহ আরো কত নাম না জানা প্রানী নিশ্চিন্তে শুয়ে আছে। আমাদের সারা পেয়ে ঝট পট এদিক ওদিক নিরাপদ দুরত্বে চলে গেল। একটা&amp;nbsp; প্রবাল ধরে তুলে দেখলাম আমদের কক্সবাজারের দোকানে যেমন দেখা যায় তেমন নয় মোটেই। বিশ্রী শেওলা জড়ান। পানির হালকা স্রোতে শেওলা গুলি একটা ছন্দ তুলে দুলছে। নানা রকম নানা রঙের লতা পাতা স্রোতে দুলছে। এ যেন স্বর্গ রাজ্যের রূপনগর। পানির নিচে এত সুন্দর সে তো শুধু এত দিন টেলিভিশনের পর্দায় দেখেছি কিন্তু আজ নিজে চোখে দেখেও বিশ্বাস হতে চাইছে না। অথচ নিজের চোখকে কি করেইবা অবিশ্বাস করি? আস্তে আস্তে কিনারার দিকে অর্থাৎ পাহাড়ের নিচে যেতে চাইছি এমন সময়&amp;nbsp; মার্কির পায়ের ছোঁয়া লেগে ঝোপের বেশ খানিকটা ভেঙ্গে গেল। পিছনে ঘুড়ে উঠিয়ে হাতে নিলাম। আরে এত প্রবাল! প্রবালের এত বড় ঝোপ? সারি সারি অনেক। হাতে নিয়ে শেওলা সরিয়ে দেখি এগুলি সাদা নয় ভিন্ন রঙ, একটু লালচে ধরনের। দেখতে দেখতে নানা ঝোপঝার পার হয়ে একটু দূরে লক্ষ্য করলাম অন্ধকার মনে হচ্ছে। থমকে দাঁড়ালাম। মার্কি ইশারা করল। কি হয়েছে? ওকে ওই অন্ধকার দেখিয়ে বোঝালাম। ইশারায় বলল ওটা পাহাড়ের নিচের দিক।&lt;br /&gt;তাই নাকি?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আরো একটু ভয় ভয় নিয়ে আবার এগিয়ে যাচ্ছি। দুই জনের কোমরে দুইটা আলাদা রশি বাধা। রশির আরেক মাথা ধরে জাহাজের ডেকে দুই জনে সজাগ রয়েছে কোন রকম একটু সিগন্যাল পেলেই টেনে জাহাজের দিকে নিয়ে যাবে। আবার এদিকে দুই জনের সাথে আলাদা যে রশি দুই জনকে বেধে রেখেছে যেন দুই জন একে অপরের থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে না যায়। স্রোত বা অন্য কোন উপায়ে&amp;nbsp; বিচ্ছিন্ন না হতে পারে। এগিয়ে যাচ্ছি আর এই রূপনগরের রূপ দেখে বিস্মিত হচ্ছি। মাটির পৃথিবী এবং সাগর তলের পৃথিবীর মধ্যে যে কত তফাত তা আজ এখানে না এলে কোন দিন জানা হত না। পানির নিচেও বাগান, বন জঙ্গল, নানা জাতের নানা ধরনের প্রাণী রয়েছে। অবশ্য সব প্রাণী যে নিরীহ বা হিংস্র নয় তা আমরা জানি। এখানেও ভয়ঙ্কর, হিংস্র বা বিষাক্ত বিভিন্ন প্রানীও বাস করে। এ নিয়ে তেমন আনন্দিত বা দু;খিত হবার কিছু নেই। &lt;br /&gt;&lt;br /&gt;পাহাড়ের যতই কাছে যাচ্ছি ততই কেমন যেন গা ছম ছম করা একটা ভাব হচ্ছিল। ভয়ের মাত্রা বেড়েই যাচ্ছিল, কিছুতেই সামাল দেয়া যাচ্ছিল না। বারবার হাতের ডাইভিং নাইফ এবং রশির অস্তিত্ব ঠিক আছে কিনা পরখ করছিলাম। কিছু হলেই যাতে জাহাজে সংকেত পাঠাতে পারি নিজেকে সেই ভাবেই রেডি রাখছিলাম। যদিও জানি হাতে যে ছুড়ি আছে ওটা দিয়ে হাঙ্গর বা তেমন কোন সামুদ্রিক হিংস্র মহাশয়কে কাবু করা অন্তত আমার পক্ষে সম্ভব নয় তবুও হাতে রাখা। তবে মার্কি কি ভয় পাচ্ছিল না কি স্বাভাবিক ছিল তা আর জিজ্ঞাসা করিনি। আমি বুদ্ধি করে ওর পিছনেই থাকছি। এর মধ্যে জাহাজের তলা থেকে প্রায় দুইশত মিটার চলে এসেছি। আসার সময় জাহাজের নোঙ্গর দেখেছি। একটা শেওলা জড়ান বিশাল পাথরের ফাকে আট্‌কে আছে। &lt;br /&gt;এগিয়ে যাচ্ছি আর এই নতুন দেখা রূপনগরের রূপের শোভা দেখছি। এক সময় পাহাড়ের নিচে এসে পৌঁছলাম। এতক্ষণ আর কি দেখেছি? এখানে আরও সুন্দর। অসম্ভব রকমের সুন্দর। আমি নিশ্চিত করে বলতে পারি মাটির উপরে এমন কোন সাজানো বাগান নেই যা এখানকার চেয়ে সুন্দর। কিন্তু কথা হচ্ছে এই বাগানের মালী কোথায়? পানির উপর থেকে সূর্যের আলো এসে যেন সমস্ত বাগান আলোকিত করে রেখেছে। এখানেই এত সুন্দর তাহলে লিটল কুইন এবং লার্জ কুইনের নিচে বা বন্দর আব্বাসের পূর্ব দিকে সমুদ্রের পাড়ে যেখানে পাহাড় সাম্রাজ্য বিস্তার শেষ করে সাগরে মিশেছে সেখানে কেমন হবে? ভাবনার সাগরে ডুবে আবার কোথায় হারিয়ে গেলাম জানি না। হঠাৎ মার্কির সাথে ধাক্কা লেগে থেমে গেলাম। অক্সিজেনের মিটারের দিকে চেয়ে দেখি প্রেসার যথেষ্ট আছে। মার্কি দাঁড়িয়ে পরেছে। কি ব্যাপার? ও তখন সামনে একটু বাম দিকে দেখিয়ে দিল। দেখে আমার হৃৎপিণ্ড থেমে গেল শ্বাস নিতে ভুলে গেছি। বিশাল একটা কি যেন আশেপাশের সব কিছু নিতান্ত তাচ্ছিল্য ভরে মুখ হা করে এগিয়ে আসছে আর তার চার দিকে নানা আকৃতির নানা প্রজাতির মাছ ঘুর ঘুর করছে। কেউ কেউ আবার ওটার গায়ে জমা শেওলা ঠুক্‌রে ঠুক্‌রে খাচ্ছে। ওটা হাঙ্গর নয় চিনতে পেরেছি কারণ হাঙ্গর হলে এই এত গুলি মাছ ওর কাছে থাকার সাহস পেত না। প্রাণীটা&amp;nbsp; যে&amp;nbsp; হিংস্র নয় তা তার চলা ফেরা এবং তার সঙ্গীদের দেখেই বুঝতে পারছি। মাঝে মাঝে ওটা নিজেও আসে পাশের গাছ পালা, লতাপাতা মুখে দিয়ে এবং পাথর আর প্রবাল থেকে একটু আধটু শেওলা চেখে দেখার ভাব করছিল। ওটার আকার প্রায় পাঁচ ছয় মিটার ব্যাসের একটা গোলাকার চাকতির মত, পিছনে প্রায় তিন মিটার লম্বা চিকন লেজ, সামনের অর্ধেকটাই প্রায় মুখ আর পিঠে উপরে ত্রিকোণাকৃতির আইর মাছের মত একটা প্রায় দুই মিটার উচ্চতার কাটা, মুখের দুই পাশে চার পাঁচটা কুলার আকারের ফিনস। সারা গায়ে সবুজ শেওলা জমে রয়েছে আসল রঙ বোঝা যাচ্ছে না। দেখে ভয়ংকর দর্শন মনে হলেও মোটেও হিংস্র মনে হচ্ছে না। তবুও অচেনা মহাজন বলে মন থেকে ভয় দূর করতে পারছি না। কি করব?মার্কি ইশারা করে বোঝাল এখানেই চুপ করে দাঁড়িয়ে থাক, কোন নড়াচড়া করবে না। এমন বিকট এবং ভীষণ দর্শনের কোন প্রাণী দেখাতো দূরের কথা কোন দিন ছবিও দেখিনি। যাক, আমরা দুই জনেই চুপ করে নিশ্বাস প্রায় বন্ধ করে দাঁড়িয়ে রইলাম। শুধু মাত্র অক্সেজেনের বোতল থেকে শ্বাস নেয়ার পর বুদ বুদ বের হচ্ছে অথচ রূপনগরের মহাজন সে দিকে ভ্রুক্ষেপ না করেই আস্তে আস্তে আমাদের কয়েক মিটার সামনে দিয়ে যেমন গতিতে আসছিল তেমনি&amp;nbsp; গজেন্দ্র গতিতে তার হেলাফেলা ভাব নিয়ে চলে গেল । সামনে দিয়ে যাবার সময় লক্ষ করলাম উনার চোখ মাত্র একটা। মুখের সামনের দিকে একটু উপরে এবং গোলাকার পাতা সহ। মানে উনি চোখ বুজে ঘুমাতে পারেন। &lt;br /&gt;আমাদের ছেড়ে কিছু দূর যাবার পরেই মার্কির হাতে চিমটি দিয়ে ইশারা করে হাতের ঘড়ি দেখালাম&amp;nbsp; আধা ঘন্টার বেশি হয়ে গেছে। চল যথেষ্ট হয়েছে, আর না। রশিতে টান দিয়ে জাহাজে সংকেত পাঠিয়ে যে পথে এসেছিলাম সেই পথে যাবার জন্য উপরে ভেসে উঠলাম। আর আমাদের দেখা মাত্র জাহাজ থেকে যারা আমাদের পাহারায় ছিল ওরা রশি টেনে আমাদেরকে জাহাজে ফিরিয়ে নিয়ে এলো। ওই রূপ নগরের কথা আজও ভুলতে পারিনি। এখনও মনে হয় এইতো সেদিন দেখে এসেছি।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/6206436569761013193-1987353497257340773?l=smritikona.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://smritikona.blogspot.com/feeds/1987353497257340773/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://smritikona.blogspot.com/2011/06/blog-post.html#comment-form' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6206436569761013193/posts/default/1987353497257340773'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6206436569761013193/posts/default/1987353497257340773'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://smritikona.blogspot.com/2011/06/blog-post.html' title='সাগর তলে রূপনগর'/><author><name>Smritikona</name><uri>http://www.blogger.com/profile/06924676430610821189</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='30' height='32' src='http://3.bp.blogspot.com/_QBqxJNVAQsg/S4nDcZMyGtI/AAAAAAAAH5o/BcbLKNpvnQk/S220/Snow+self-2.jpg'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-6206436569761013193.post-5872424070425667212</id><published>2011-05-06T15:07:00.000+06:00</published><updated>2011-05-06T15:07:23.614+06:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='স্মৃতি কথা'/><title type='text'>হতাশ হাঙ্গর</title><content type='html'>&lt;div dir="ltr" style="text-align: left;" trbidi="on"&gt;আইরিশ সাগরে অক্টোবরের প্রথম থেকেই যেন শীত সাহেবের আক্রমন বেড়ে যায়। এপাড়ে ইংল্যান্ড, স্কটল্যান্ড আর ওপাড়ে আয়ারল্যান্ড। গুড়ি গুড়ি বৃষ্টি আবার তার সাথে ঝড়ো বাতাস কিংবা ঘন কুয়াশা। প্রায় সারাক্ষণ একটা না একটা প্রাকৃতিক এলোমেলো ভাব থাকবেই। মাঝে মাঝে এমন হয় যে রীতিমত জাহাজের ডেকের উপর দাঁড়িয়ে নিজের পায়ের জুতা পর্যন্ত দেখা যায় না এমন কুয়াশা। সাগরের পানি এবং পানিতে সাঁতরানো মাছ গুলি বাছাই করতে থারমাল গ্লোভস হাতে পরা থেকেও মনে হয় যেন হাত জমে বরফ হয়ে গেছে, কোন বোধ থাকে না। আর ডিসেম্বরে? সে তো এক ভয়ানক ব্যাপার। মনে হয় যেন সমস্ত সাগরের পানি বরফ হয়ে রয়েছে। এমন সময় সমুদ্রে মাছ ধরা হয় না বললেই চলে। তাই বলে কি আর ফিশিং ট্রলার গুলি বসে থাকবে? না, তেমন কোন সম্ভাবনা মোটেই নেই। &lt;br /&gt;&lt;br /&gt;১৯৮০ এর দশকের প্রথম দিকে রবার্টলি নামের যে ফিশিং ট্রলারে কাজ করি সেটা স্কটল্যান্ডের উত্তরে ওবান শহর থেকে আয়ারল্যান্ডের বেলফাস্ট এবং ইংল্যান্ডের ব্ল্যাকপুল কিংবা যদি সী স্ক্যানারে দেখা যায় সাগর তলে মাছের ঝাঁক মনের আনন্দে ঘুরে বেড়াচ্ছে তখন খুব বেশি হলে লিভারপুল পর্যন্ত আইরিশ সাগরের মধ্যেই মাছ ধরে বেড়াই। স্যালমন বা লাল স্যালমন পেলে সেটা হয় বাড়তি পাওনা। আমাদের সেফ পিটারের ওভেন যেন রেডি হয়েই থাকে কখন গ্রীল করবে। একটা বা দুইটা না মোটা মুটি ৮/১০ টা রেড স্যালমন গ্রীল না হলে যেন হয় না। জাল তুলে ফেরার পথে ব্ল্যাকপুলের একটু পশ্চিমে ‘আইল অফ মান’ দ্বিপে কয়েক ঘন্টার জন্য থেমে কিছু প্রয়োজনীয় জিনিষ পত্র নিয়ে নেই। এই ফাঁকে আবার ওই আইরিশরা যারা এ কয় দিন একটু গলা ভেজাবার জন্য পাবে যেতে পারেনি তারাও একটু সুযোগ পেয়ে জেটির কাছের একটা পাবে গিয়ে দুই এক পাইন্ট লাগার (আমাদের দেশে যাকে বিয়ার বলে) গিলে আসে। জাহাজে বসে গিললে নাকি কোন স্বাদ পায় না!! &lt;br /&gt;আমাদের কোম্পানির অফিস ওবান শহরে। এটা ছোট হলে কি হবে ভীষণ সুন্দর একটা টুরিস্ট শহর। সারা বছর এখানে পৃথিবীর এ প্রান্ত থেকে ও প্রান্তের নানা দেশের পর্যটকেরা আসছে যাচ্ছে, তবে শীত কালে কিছুটা কম। সারাটা শীতেই হয়ত ছাতা নয়ত রেইন কোট সাথে নিয়ে কি আর টুরিস্টরা বের হতে চায়?&lt;br /&gt;মাছ বোঝাই জাহাজ নিয়ে এসে জেটিতে ভিড়েই মাছ এবং সামুদ্রিক অন্যান্য শামুক, স্টার ফিশ ইত্যাদি সব আনলোড করে শুধু মাত্র জাহাজে ওয়াচ কিপিঙ্গের জন্য দুই চার জন থেকে বাকি সবাই নেমে যেতাম। গত টানা অন্তত এক মাস সাগর বাসের এক একঘেয়েমি কাটাতে নেমে যেতাম। ছোট্ট অথচ ওপাশে পাহাড় ঘেরা মনোরম প্রাকৃতিক দৃশ্যে সাজানো এই ওবান শহরের এখান থেকে ওখানে ঘুরে বেড়াতাম। সাধ মিটত না, অন্তত আমার কখন এক ঘেয়েমি আসেনি। প্রতিবার যখন এসেছি তখনি মনে হতো যেন এই প্রথম এসেছি। এর মধ্যে শহরের উত্তর দিকের সিভিক সেন্টারের টাউন হলে দেখে যেতাম কি নাটক হচ্ছে। মন মত কোন নাটক পেলে পঞ্চাশ পাউন্ড দিয়ে টিকেট করে ঢুকে পরতাম। শেক্সপিয়ারের নাটক গুলি ইংরেজরা যে ভাবে ফুটিয়ে তুলতে পারে তা মনে হয় আর কেউ পারে না। কাজেই এই লোভ সামলানো কোন বুদ্ধিমানের কাজ বলে মনে করতাম না। নাটক না হলেও অন্তত লাইব্রেরিতে গিয়ে ঘণ্টা খানিক ধরে স্থানিয় দুই একটা সংবাদ পত্রের হেডলাইন দেখে আবার জাহাজে ফিরে এসে খেয়ে দেয়ে শুয়ে পরতাম। বেশির ভাগ সময়ে বাইরেই বিশেষ করে গোটা তিনেক বাংলাদেশি রেস্টুরেন্ট আছে তার কোন একটাতে খেয়ে আসতাম। এখানে খেতে আসলে বারতি একটা বোনাস পেতাম। কিছুক্ষণ বাংলায় কথা বলার সুযোগ পেতাম। আমার সাথে যারা আছে তারা সবাই আইরিশ। আর এরা আইরিশ টানে যা ইংরেজি বলে তা প্রথম দিকে প্রায় কিছুই বুঝতাম না। তবে ওরা আমার কথা বুঝত। &lt;br /&gt;&lt;br /&gt;একবার নিকির সাথে চলে গিয়েছিলাম বৃটেনের সর্ব্বোচ্চ শহর ফোর্ট উইলিয়ামে। ওবান থেকে বাসে করে উত্তর দিকে প্রায় তিন ঘণ্টার পথ। বাস যখন পাহাড়ী পথ বেয়ে ধীরে ধীরে একে বেঁকে উপরে উঠছিল সে এক মায়া ভরা অপূর্ব দৃশ্য। চারদিকে পাহাড়ী উঁচু নিচু সবুজের তেপান্তর। কোথাও কুয়াশা কুয়াশা ঝাপসা আবার কোথাও ঝিকিমিকি রোদ্দুরের আলোছায়া। প্রকৃতি যে এমন সুন্দর হতে পারে তা এই স্কটল্যান্ডে না এলে দেখা কঠিন। এমনিতে এখানে জন সংখ্যা খুবই কম। অনেক দূরে দূরে পাহাড়ের ঢালু বেয়ে কিছু কিছু জন বসতির ছোঁয়া। দূর থেকে বাড়ির ছাদের লাল রঙের টালি গুলি চোখে পরার মত। ফোর্ট উইলিয়াম পৌঁছে মনে হলো কে যেন মনের মাধূরী মিশিয়ে অনন্ত কালের অলস সময় নিয়ে বসে বসে হাতে এঁকে সাজিয়ে রেখেছে। শহরের এক পাশে এসে যখন দাঁড়িয়ে সামনের দিকে দৃষ্টি মেলে দিলাম আহা! সে কি মন জুড়ানো ছবি! কত দূরে দেখা যাচ্ছে। চারদিকে নিঝুম নিস্তব্ধ, শুধু আঁকাবাঁকা এলো মেলো পাহাড়ী সবুজ আর সবুজ। দূরে ওই উত্তরে এবং পশ্চিমে পাহাড়ের ওপাশে নীল সাগর, দুই চারটা গাং চিল উড়ে বেড়াচ্ছে। চোখের পলক পরতে চায় না। মন প্রাণ চোখ সব এক সাথে বলে উঠেছিল বাকিটা জীবন এখানেই থেকে যাই। খেয়ে না খেয়ে শুধু এই প্রকৃতি দেখে দেখেই জীবন কাটিয়ে দেই।&lt;br /&gt;গরম কালে স্কটল্যান্ডের উত্তর প্রান্তের শহর ইনভার্নেস এর উত্তরে দেড় দুই শত মাইলের মধ্যে যখন যেখানে মাছের ঝাঁক বেশি থাকে ওই এলাকায় জাহাজের পিছনে জাল ফেলে ট্রলিং করতাম একটানা সপ্তাহ খানিক। দিনে অন্তত তিন চার বার জাল টেনে মাছ তুলে বাছাই, গ্রেডিং করে হোল্ডে সাজিয়ে রাখতাম। স্যালমন, রেড স্যালমন, ট্রাউট, কড, হোয়াইট ফিশ, চিংড়ি, লবস্টার, স্নিফার, হেরিং আরো কত ছোট বড় হাজার রকমের মাছের সাথে জেলি ফিশ, স্টারফিশ, কাঁকড়া, নানা জাতের ঝিনুক, শামুক, বাচ্চা হাঙ্গর, বাচ্চা অক্টোপাস্‌ সহ কত কি যে উঠত সে এক দেখার মত দৃশ্য। সমুদ্রের নিচে যে এত প্রাণী তা এই মাছের জাহাজে কাজ না করলে হয়ত কোন দিনই জানতাম না। এগুলির মধ্যে আবার যা মানুষের খাদ্য নয় সেগুলি পশু খাদ্য তৈরীর জন্য ব্যবহার হতো আর মানুষের খাদ্য যোগ্যগুলি আলাদা গ্রেডিং করতে করতে নাজেহাল অবস্থা। মানুষের খাদ্য বলতে আমাদের দেশে যা বোঝায় এখানে ঠিক তেমন না। এদের সুস্বাদু খাদ্য তালিকায় এক রকম ছোট ছোট মুসেল নামে ঝিনুক আছে যা বেশ দাম দিয়েই এরা কিনে বিশেষ করে ফ্রেঞ্চরা। অবশ্য আমাদের পিটার সামুদ্রিক সাদা কাঁকড়া দিয়ে যে কাটলেট বানাত তা প্রথম দিকে দেখে মোটামুটি নাক সিটকাতাম। কিন্তু এক দিন ওদের সাথে ডাইনিং টেবিলে এক সাথে খেতে বসে নানান পদের সস দিয়ে ওই কাঁকড়ার কাটলেট খাবার ভঙ্গি দেখে একটু মুখে দিয়েই রীতি মত আফসোস হল। এত দিন কেন খাইনি।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;সে যাই হোক, সাগরের এসব লিখলে কোন দিন শেষ হবে বলে মনে হয় না। আজ যে কথা বলতে এসেছি সেখানেই ফিরে আসি। এক বার ঝুর ঝুর করে স্নো পরা নীলচে সাদা ধবধবে ওবান হারবারে যখন রাজহাঁসেরা সাঁতরে বেড়াচ্ছিল তেমনি একটা দিনে আমরা ওবানের ছোট্ট হারবার থেকে আঁকাবাঁকা পাহাড়ী পথে এঁকেবেঁকে বের হয়ে প্রায় এক শ মাইল দূরে এসে জাল ফেলেছি। এখানে হারবার থেকে বের হয়েই জাল ফেলা যায় না কারণ পানির নিচে প্রচুর পাহাড়ী এবং এবরো থেবরো সাগর তল। জাল বেধে জাল ছেঁড়া সহ নানা রকম ঘটনা ঘটে যায় বলে নিরাপদ দূরত্বে এসে জাল ফেলতে হয়। বেশ পাঁচ ছয় দিন চলে গেল। জালে ভাল মাছ আসছে। আমাদের আইরিশ স্কিপার (ট্রলার ক্যাপটেন) সাম, আসল নাম স্যামুয়েল কিন্তু সবাই সহজ ভাবে সাম নামেই ডাকে। সে আবার আরো কিছু মাছ বেশি হলে জাল তুলে এক বারে লিভারপুল বা ব্ল্যাকপুল হারবারে পৌঁছে দিয়ে জাহাজ রেখে ফেরিতে পার হয়ে বেলফাস্টে তার বাড়ি যাবে এমন একটা আশা নিয়ে একটু দেরি করতে চাইছে।&lt;br /&gt;সেদিন সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত তিন বার জাল টানা হয়েছে এবং প্রচুর মাছ ধরা পরছে। সন্ধ্যার একটু আগে দিনের শেষ বারে জাল টানা হচ্ছে, জাল বোঝাই মাছ বোঝা যাচ্ছে। জাহাজের ইঞ্জিন থামিয়ে আস্তে আস্তে উইঞ্চে টেনে জাল কাছে আনা হচ্ছে। মাছ তোলার জন্য ক্রেন রেডি করে রাখা আছে। পাশের উইঞ্চের শব্দ শুনে বোঝা যাচ্ছে বেশ লোড হয়েছে। আইরিশ জেলে নাবিকেরা পিছনের ডেকে দাঁড়িয়ে মাছ দেখে সবাই মনের আনন্দে আইরিশ ভাষায় চিৎকার করে গান গাইছে। ওদের গান শুনে মনে হচ্ছিল যেন ভাটিয়ালি গাইছে তাই আমিও বাংলায় “ও রে নীল দরিয়া” শুরু করে দিলাম। জ়াল কাছে এসে পরেছে। পিছনে দেখছি কয়েকটা কাল হাঙ্গর লেজ দিয়ে বারি দিয়ে পানি ছিটিয়ে আবার ডুব দিচ্ছে। একটু পরেই ভেসে উঠে আবার লেজের বারি। এ আর এমন কিছু নতুন নয়। প্রায়ই জাল টানার সময় এমন দৃশ্য আমাদের গা সওয়া হয়ে গেছে। প্রথম দিকে একটু একটু ভয় পেতাম এ কথা স্বীকার করতে মোটেও লজ্জা পাচ্ছি না। আমাদের মধ্যে পন্টি ছিল একটু বেশি রকমের সাহসী। পারলে লাফ দিয়েই যেন জাল টেনে তুলে আনে এমন লাফালাফি করছিল। ওর চিৎকারই সবার কানে আসছিল। হঠাৎ করে কি মনে করে সম্ভবত আনন্দের আতিশয্যে জাহাজের রেলিঙ্গের উপরে উঠে নাচতে চেয়েছিল আর অমনিই ঝপাত করে পানিতে পরে গেল। হেই পন্টি!!! বলে সবাই এক সাথে চিৎকার। কিন্তু চিৎকার করে কি আর পন্টিকে তুলে আনা সম্ভব? নিচে তাকিয়ে আর পন্টিকে দেখছি না, তলিয়ে গেছে। সবাই জাহাজের রেলিং ধরে অসহায়ের মত নিচে তাকিয়ে আছে। একটু পরেই ও ভেষে উঠল। ওদিকে পিছনেই হাঙ্গরের ঝাঁক। কি হয়েছে? এমন করল কেন? কি হবে? কি হবে? এই শিগ্‌গির হিভিং লাইন (এক ধরনের রশি, যার এক মাথা কিনারায় বা পাশের অন্য জাহাজের সাথে ভিড়ার সময় ছুড়ে দেয়া হয় এবং ওরা ওটা ধরতে পারলে এ মাথার সাথে জাহাজ বাধার মোটা রশি টেনে নেয়ার জন্য বেঁধে দেয়া হয়) ফেল। লাইফ বয়া ফেল। তাড়াতাড়ি কর। এমনি হুলস্থূল ব্যাপার। কেও হিভিং লাইন খুঁজছে, কেউবা খুঁজছে লাইফ বয়া। এক হৈ চৈ ব্যাপার। হাতের কাছেই সব নির্দিষ্ট জায়গা মত রয়েছে কিন্তু কেউ খুঁজে পাচ্ছে না। &lt;br /&gt;সবার আগে লুইস একটা লাইফ বয়া পেয়ে পন্টির দিকে ছুড়ে ফেলল। কিন্তু ওটা ওর কাছে পৌঁছায়নি। এতক্ষণে ও হাঙ্গরেরা বুঝতে পারেনি যে ওদের এক মস্ত শিকার ওদের একটু সামনে হাবুডুবু খাচ্ছে। ওরা শুধু জালের ভিতরে থাকা মাছ খাবার পিছনেই ব্যর্থ দৌড় দৌড়াচ্ছিল। তবে হাঙ্গরের যেমন ঘ্রাণ শক্তি তাতে পন্টির গন্ধ ওদের কাছে পৌঁছে যেতে বেশী ক্ষণ লাগবে না। চেঁচামেচির শব্দ শুনে স্কিপার সাম দৌড়ে এসে পরিস্থিতি বুঝে তাড়াতাড়ি উইঞ্চ অফ করে নিজ হাতে একটা হিভিং লাইনের মাথায় একটা বয়া বেধে পন্টির দিকে তার সর্ব শক্তি দিয়ে ছুড়ে দিল। আর পন্টি দুই এক হাত এগিয়ে এসেই খপ করে বয়াটা ধরে ফেলল। এই এতক্ষণে সর্দার হাঙ্গর লাফ দিয়ে পন্টিকে উদ্দেশ্য করে ডুব দিয়েছে, সবাই এক সাথে দেখেছি। তার পিছনের সব হাঙ্গর একই কায়দায় লাফ দিয়ে ডুব দিয়েই সম্ভবত দৌড়। হাঙ্গরেরা কখনোই তার শিকার উপর থেকে ধরে না। ওরা আস্তে করে চুপি চুপি পানির নিচে দিয়ে এসে কামড়ে ধরে।&lt;br /&gt;হিভিং লাইনের মাথায় বাঁধা লাইফ বয়া ধরতে ধরতে পন্টি বেশ কয়েক গজ পিছিয়ে গেছে তবুও যেই কিনা পন্টি লাইফ বয়া ধরেছে আর অমনি হিভিং লাইন ধরে টেনে কাছে আনা হচ্ছে। লাফ দিয়ে ডুব দেয়ার পর থেকে হাঙ্গরদের আর দেখা যাচ্ছে না। বিষয়টা নিশ্চিত যে ওরা পন্টির গন্ধ পেয়েছে এবং কাছে আসতে আর মাত্র কয়েক মিনিটের বেশি লাগবে না। পন্টিকে একে বারে জাহাজের পিছনের ডেকের নিচ বরাবর আনা হয়েছে। এর মধ্যে কে যেন রশির তৈরী সিঁড়ি এনে নামিয়ে দিয়েছে। ওপর থেকে নানা জনের হাঁকডাক পন্টি সিঁড়ি ধরে উঠে আস, পন্টি তাড়াতাড়ি কর। ও জানেই না যে এক ঝাঁক হাঙ্গর ওর গন্ধ পেয়ে ওর দিকে ধেয়ে আসছে। তবে রক্ষা একটাই যে ওরা সোজা আসতে পারছে না। বিশাল জাল ঘুরে আসতে হচ্ছে। সিঁড়ির নিচের দিকটা সাগরের সমতলে পৌঁছে গেছে। পন্টি ওর লম্বা হাত বাড়িয়ে সিঁড়ির একটা ধাপ ধরে ফেলেছে। বলা যায় না, এখন হাঙ্গরের আক্রমণের ভয় এড়ানো যাবে না যদি কাছে এসে থাকে। পানির নিচে কিছু দেখা যাচ্ছে না। হ্যাঁ এইতো আর একটু উপরে, আর একটু হলেই পন্টি সিঁড়িতে উঠে দাঁড়াতে পারবে। সম্ভবত পায়ের জুতা ভারী হয়ে গেছে বলে পা টেনে আনতে পারছে না। হ্যাঁ এইতো পন্টি এক হাতে সিঁড়ির রশি ধরে আর একটু উপরে তুলে এক পা সিঁড়িতে তুলে দিয়েছে। মোটা মুটি দুই স্টেপ উপরে উঠে এসেছে এমন সময় পন্টির ঠিক নিচে সাগরের পানিতে তুমুল একটা তোলপাড় তুলে পানি ছিটিয়ে একটা হাঙ্গরের মাথা বের হলো। শিকার হাত ছাড়া হয়ে যাচ্ছে। ডলফিন যেমন মনের আনন্দে লাফিয়ে সমুদ্র পৃষ্ঠ থেকে বেশ খানিকটা উঠে আসে তেমনি করে মস্ত হা করা একটা বিশাল হাঙ্গরের মাথা এক লাফ দিয়ে পন্টির ডান পা কামড়ে ধরে ফেলেছে। ঘটনার আকস্মিকতায় পন্টি পরে যাই যাই ভাব। কিন্তু পন্টি সাহস না হারিয়ে বা ভয়ে কাবু না হয়ে এর মধ্যে সিঁড়ির রশি ধরে ওর শরীরের সমস্ত শক্তি দিয়ে ডান পা এক ঝারা দিয়ে বাম পা আর এক ধাপ তুলে এনেছে। ঝারি পেয়ে ডান পায়ের জুতা খুলে হাঙ্গরের মুখে আর আমাদের পন্টি খালি পা তুলে সিঁড়ির পরের ধাপে উঠে এক এক করে একেবারে জাহাজের কিনারা ধরে ফেলার আগেই ডেকে দাঁড়ানো দুই জনে ওকে ধরে টেনে ডেকে তুলে ফেলল। নিচে তাকিয়ে দেখি ওরা সবাই চলে এসে মুখ থেকে শিকার ছিনিয়ে নেয়ার আক্রোশে পানিতে প্রচণ্ড ঘূর্ণি ঝড় তুলে ফেলেছে। পন্টিও নিচে তাকিয়ে কিছুক্ষণ তামাশা দেখছিল।&lt;br /&gt;&lt;iframe align="left" frameborder="0" marginheight="0" marginwidth="0" scrolling="no" src="http://rcm.amazon.com/e/cm?t=kamas-20&amp;amp;o=1&amp;amp;p=8&amp;amp;l=bpl&amp;amp;asins=B00462PEN6&amp;amp;fc1=000000&amp;amp;IS2=1&amp;amp;lt1=_blank&amp;amp;m=amazon&amp;amp;lc1=0000FF&amp;amp;bc1=000000&amp;amp;bg1=FFFFFF&amp;amp;f=ifr" style="height: 245px; padding-right: 10px; padding-top: 5px; width: 131px;"&gt;&lt;/iframe&gt;&lt;br /&gt;ঘটনার তান্ডবে উইঞ্চ অন করার কথা ভুলেই গিয়েছিলাম সবাই। সাম আবার উইঞ্চের সুইচ অন করে বলল হে হে পন্টি, এত গুলি হাঙ্গরকে এমন হতাশ করে ওদের এত সুন্দর একটা ডিনার হতে দিলে না? দারুণ বাঁচা বেচে গেছ। এই নিক, যাও একটা শ্যাম্পেনের বোতল নিয়ে এসে পন্টির মঙ্গল কামনা করে ওকে শ্যাম্পেন দিয়ে গোসল দিয়ে দাও।&lt;/div&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/6206436569761013193-5872424070425667212?l=smritikona.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://smritikona.blogspot.com/feeds/5872424070425667212/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://smritikona.blogspot.com/2011/05/blog-post.html#comment-form' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6206436569761013193/posts/default/5872424070425667212'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6206436569761013193/posts/default/5872424070425667212'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://smritikona.blogspot.com/2011/05/blog-post.html' title='হতাশ হাঙ্গর'/><author><name>Smritikona</name><uri>http://www.blogger.com/profile/06924676430610821189</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='30' height='32' src='http://3.bp.blogspot.com/_QBqxJNVAQsg/S4nDcZMyGtI/AAAAAAAAH5o/BcbLKNpvnQk/S220/Snow+self-2.jpg'/></author><thr:total>0</thr:total><georss:featurename>Dhaka, Bangladesh</georss:featurename><georss:point>23.740094523515115 90.38517034375002</georss:point><georss:box>23.626853523515116 90.29095784375002 23.853335523515113 90.47938284375002</georss:box></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-6206436569761013193.post-193821786711818463</id><published>2011-04-27T22:16:00.006+06:00</published><updated>2011-04-27T22:16:00.579+06:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='রহস্য'/><title type='text'>শুধুই কাকতালীয় নাকি অন্য কিছু?</title><content type='html'>&lt;div dir="ltr" style="text-align: left;" trbidi="on"&gt;&lt;div class="separator" style="clear: both; text-align: center;"&gt;&lt;a href="http://4.bp.blogspot.com/-RtXrg11yYfg/Tbbwucy3KDI/AAAAAAAAIZ8/xP5DfM7ZUzg/s1600/Shudhui+ki+kaktalio.JPG" imageanchor="1" style="margin-left: 1em; margin-right: 1em;"&gt;&lt;img border="0" height="202" src="http://4.bp.blogspot.com/-RtXrg11yYfg/Tbbwucy3KDI/AAAAAAAAIZ8/xP5DfM7ZUzg/s320/Shudhui+ki+kaktalio.JPG" width="320" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ছোট বেলা থেকেই আরিফের টো টো করে ঘুরে বেড়াবার ইচ্ছেটা মনের মধ্যি খানে জাঁকিয়ে বসেছে। দিনের সাথে সাথে যে ওর দেহ মন আস্তে আস্তে ওর অজান্তেই বেড়ে উঠছে তার কিছুই টের পাচ্ছে বলে মনে হয় না। স্কুল থেকে কলেজ তারপর বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশুনার সাথে সাথে আরিফের ওই টো টো করে ঘুরে বেড়াবার সাধ পাল্লা দিয়ে বেড়েই চলেছে। এখন আর শুধু এলাকার চৌহদ্দির মধ্যে সীমিত নেই। নিজ শহর ঢাকা থেকে চট্টগ্রামের সমুদ্র পাড়, কক্সবাজার, মহেষখালী, সিলেটের জাফলং, মাধব কুন্ড, ছাতক, ওদিকে বাগেরহাট থেকে দক্ষিণে সুন্দরবন, বগুড়ার মহাস্থান গড় পর্যন্ত ছড়িয়ে গেছে তার এই ভবঘুরে অভ্যাস। &lt;br /&gt;&lt;br /&gt;বাড়িতে একা কি করবে?সাথের কোন ভাই বা বোন কেউ নেই। দুই বোন ছিল তাদের বিয়ে হয়ে শশুর বাড়ি চলে গেছে। একা বাড়িতে বসে থাকা আরিফের মত ছটফটে তরুনের পক্ষে মোটেই সম্ভব নয়। মা কিংবা বাবা কতক্ষণ আগলে রাখবেন? ঘরের বাইরে যে তাকে যেতেই হবে। না হলে মনে হয় এই বুঝি দমটা আটকে শ্বাস বন্ধ হয়ে এলো। বাইরের তেপান্তরের হাতছানি, শহরের নানা রঙের আলোর ঝলকানি তারপরে দূর গায়ের ওই স্বপ্ন ভরা সবুজের মায়া ভরা মিনতী, ধুলো মাখা রাঙ্গামাটির কাচা মেঠো পথের বুনো গন্ধ, বনের গাছের উচু ডালে ঘুঘুর বাসা কিছুতেই তাকে ঘরে স্বস্তি দিতে পারে না। &lt;br /&gt;আরিফের মহল্লায় একই সাথে বেড়ে উঠা এবং এক সাথে পড়া শুনার ফাঁকে নানা দুষ্টামি আর নানা কাজের সাথী রনি। যেখানেই গেছে, যেখানে যা করেছে তা এই দুই বাউন্ডুলে মিলে এক সাথেই করেছে। ওদের আর এখন কিছু মুখে বলতে হয় না। এক জন আর এক জনের মনের কথা ঠিক চেহারা দেখে বা নিতান্ত ইশারায় বুঝতে পারে। &lt;br /&gt;বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষাটা যে দিন শেষ হলো সেই দিন বিকেলে মা খুব আগ্রহ নিয়ে বলল- &lt;br /&gt;বাবা, আজ কিন্তু তুই কোথাও যাসনে, এ কয় দিন পরীক্ষা নিয়ে ব্যস্ত ছিলি বলে কিছু বলিনি। আজ তোকে নিয়ে আমরা সবাই বিউটির বাড়ি যাব। ড্রাইভারকে বলে রেখেছি। তোর বাবাও সময় মত চলে আসবে।&lt;br /&gt;আচ্ছা মা ঠিক আছে যাব। আমারও বড় আপুর জন্য মনটা কেমন করছে, কতদিন আপুটাও আসে না।&lt;br /&gt;কিন্তু এত সুন্দর করে বলে যেই খেয়ে দেয়ে একটু বাড়ির বাইরে বেড় হয়েছে আর দেখে রনি ওদের বাড়ির দিকেই আসছে।&lt;br /&gt;&lt;iframe align="left" frameborder="0" marginheight="0" marginwidth="0" scrolling="no" src="http://rcm.amazon.com/e/cm?t=kamas-20&amp;amp;o=1&amp;amp;p=8&amp;amp;l=bpl&amp;amp;asins=B002ATOSJ8&amp;amp;fc1=000000&amp;amp;IS2=1&amp;amp;lt1=_blank&amp;amp;m=amazon&amp;amp;lc1=0000FF&amp;amp;bc1=000000&amp;amp;bg1=FFFFFF&amp;amp;f=ifr" style="height: 245px; padding-right: 10px; padding-top: 5px; width: 131px;"&gt;&lt;/iframe&gt;&lt;br /&gt;কি রে আরিফ কোথায় যাচ্ছিস?&lt;br /&gt;না কোথাও যাচ্ছি না, তোকেই মনে মনে ভাবছিলাম। সন্ধ্যার পর মা বাবার সাথে বড় আপুর বাসায় যেতে হবে তুইও যাবি নাকি তাই বলতে চাইছিলাম।&lt;br /&gt;তুই কি ভাবছিস আমার মাথা গোল হয়ে গেছে?&lt;br /&gt;তার মানে?&lt;br /&gt;মানে আবার কি, তুই এত সুবোধ বালক কবে থেকে হলি নিজেকে জিজ্ঞেস করে দেখ!&lt;br /&gt;আহা কি ব্যাপার খুলে বলবিত!&lt;br /&gt;এই সারা জীবন ধরে পড়া শুনা করে পন্ডিত হয়ে আজ একটু স্বাধীন ভাবে ঘুরব বলে কত দিন ধরে বসে আছি আর উনি বলছে বড় আপুর বাসায় যাব! যা ভাগ বেকুব কোথাকার!&lt;br /&gt;কি করি বল মা বলছেন তাই ।&lt;br /&gt;আর আমি কি ভেবে রেখেছি জানিস?&lt;br /&gt;কি?&lt;br /&gt;আজ রাতে লং ড্রাইভে যাব!&lt;br /&gt;কোথায়?&lt;br /&gt;কোন দিক নেই। যে দিকে গাড়ির চাকা যেতে চায় সেই দিকেই যাব। এবার কিন্তু যাবার পথে আমি ড্রাইভ করব তুই আসবি ফেরার পথে।&lt;br /&gt;ও! তাহলে তো যেতেই হবে। দাঁড়া দেখি মাকে একটু ফাকি দেয়া যায় কিনা। আমি বাড়ি যাই তোকে সময় মত জানাব।&lt;br /&gt;চুপি চুপি বাড়িতে এসেই সোজা গ্যারেজে ঢুকে গাড়ির একটা স্পার্কিঙ্গ প্লাগের তার খুলে রেখে লক্ষী বালকের মত মায়ের কাছে বসে টিভি দেখছে। একটু পরেই বাবা এসে বলল- &lt;br /&gt;কি তোমরা রেডি হওনি?&lt;br /&gt;হ্যা এইতো হচ্ছি। বলেই আরিফের মা আরিফকে একটু তাগিদ দিয়ে নিজে পোষাক পাল্টাতে চলে গেল। ফিরে এসে দেখে আরিফ যেমন ছিল তেমনই বসে আছে।&lt;br /&gt;কি রে যাবি&amp;nbsp; না?&lt;br /&gt;না মা তোমরা যাও, আমার যেতে ইচ্ছে হচ্ছে না। আমি পরে এক দিন যাব।&lt;br /&gt;আরিফের বাবা বের হয়ে দেখে ড্রাইভার এগিয়ে আসছে। কি ব্যাপার মোতালেব, গাড়ি বের করেছ?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;স্যার, গাড়ি স্টার্ট নিচ্ছে না!&lt;br /&gt;স্টার্ট নিচ্ছে না মানে কি?&lt;br /&gt;হ্যা স্যার, অনেকক্ষণ চেষ্টা করলাম কিচ্ছু হচ্ছে না।&lt;br /&gt;আচ্ছা ঠিক আছে তুমি একটা ট্যাক্সি ডেকে আন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;বাবা আর মা বের হবার সাথে সাথে আরিফ বের হয়ে রনিকে খবর দিয়ে এলো। আব্বু আম্মু চলে গেছে কখন বের হবি?&lt;br /&gt;খেয়ে দেয়ে রাত নয় বা সারে নয়টার দিকে বের হই?&lt;br /&gt;হ্যা ঠিক আছে। আমি গাড়ি নিয়ে তোদের বাড়ির সামনে দিয়ে হর্ন বাজিয়ে সোজা সামনের রাস্তায় যেয়ে দাঁড়াব।&lt;br /&gt;কথা অনুযায়ী আরিফ গাড়ি নিয়ে রাস্তার পাশে দাঁড় করে ড্রাইভিং সিট থেকে বের হয়ে পাশের সিটে বসে রইল। একটু পরেই রনি এসে উঠে আরিফের হাত থেকে চাবিটা নিয়েই সোজা টঙ্গির দিকে চালিয়ে দিল। কিছু দূর গিয়ে বলল-&lt;br /&gt;চল দোস্ত আজ নবীনগরের দিকে যাই!&lt;br /&gt;চল, এর থেকে বেশি যেতে পারব না। তেল বেশি নেই আবার টেনশনে ছিলাম বলে মানি ব্যাগ ফেলে এসেছি।&lt;br /&gt;আরে আমার মানি ব্যাগও রেখে এসেছি! কি আশ্চর্য্য ব্যাপার?তা হলে যাব কেমনে?&lt;br /&gt;চল এমনিই যত দূর যেতে পারি, তেলের ইন্ডিকেটর অর্ধেক দেখালেই ব্যাক করবি। &lt;br /&gt;চল তাই করতে হবে আর কি।&lt;br /&gt;আশুলিয়া হয়ে পলাশ বাড়ির কাছে এসে একটা ছোট্ট ঘুন্টি ঘরের মত চায়ের দোকান দেখে রনি তার পাশে এসে গাড়ি থামিয়ে বলল চল একটু চা খেয়ে নিই।&lt;br /&gt;চা খাবি পয়সা পাবি কোথায়?&lt;br /&gt;বলিস কি, চায়ের পয়সাও নেই?&lt;br /&gt;বলছি কি?&lt;br /&gt;আচ্ছা চল।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;নবীনগরের তেরাস্তার মোড়ে এসে বায়ে ঢাকার পথে না গিয়ে রনি কেন যেন ডানে আরিচার দিকে গাড়ি ঘুড়িয়ে দিল। রাত প্রায় এগারটা বাজে। রাস্তায় নাইট কোচের সাথে অল্প কিছু গাড়ির চলাচল। বলতে গেলে ফাকা রাস্তা। কত স্পিডে চালাচ্ছে কেউ দেখছে না। ভিতরে নীরব, কারো মুখে কোন কথা নেই শুধু সামনে এগিয়ে চলছে তো চলছেই। কোথায় কত দূর এসেছে কেউ কিছুই বুঝতে পারেনি। হঠাৎ করে গাড়ি একটা ধাক্কা দিয়ে থেমে গেল। ড্যাশ বোর্ডে তাকিয়ে দেখে তেলের কাটা নেমে গেছে। গিয়ার নিউট্রাল করে হ্যান্ড ব্রেক চেপে দুই জনেই নেমে পাশে দাঁড়াল। &lt;br /&gt;রনিই এতক্ষণের নিরবতা ভাংল।&lt;br /&gt;এখন ফিরব কি ভাবে?&lt;br /&gt;কি জানি!&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;গাড়িটা লক করে দুই জনে একটু একটু করে হাটছে আর শীতের কনকনে বাতাসেও ঘামছে। কোথায় এসেছে কিছুই বুঝতে পারছে না। হাটতে হাটতে বেশ কিছুটা পথ এগিয়ে গেছে। কাউকে যে জিজ্ঞেস করবে রাস্তায় তেমন কাওকে দেখছে না। একটু পরে পরে এ দিক ওদিক থেকে শুধু রাতের কিছু বাস ট্রাক ঝড়ের বেগে আসছে আর যাচ্ছে। এই গতির গাড়ি থামিয়ে জিজ্ঞেস করা যায় না। রাত যতই অন্ধকার হোক অন্ধকারেরও নিজস্ব একটা আলো থাকে সেই আলোতে আশে পাশে কিছুই দেখা যাচ্ছে না। চারিদিকে নিঝুম নিস্তব্ধ। আশে পাশের কোন গ্রামের কোন বাড়িতে আলো দেখা যাচ্ছে না। আদৌ কোন গ্রাম বা বাড়ি আছে কিনা তাও বোঝা যাচ্ছে না। আসা যাওয়ার গাড়ির হেড লাইটেও কোন বাড়ি ঘরের ছায়া নেই। এর মধ্যে যত দূর হেটে এসেছে তাতে শুধু রাস্তার দুই পাশের ক্ষেতের সবুজ ছাড়া আর কিচ্ছু নেই। &lt;br /&gt;হঠাৎ ডান দিকের দুই জমির আল ধরে এক জনকে দেখল মেইন রোডের দিকে আসছে। গায়ে চাদর জড়ানো। মাথা সহ মুখের অধিকাংশই ঢেকে রেখেছে। লোকটাকে দেখে দুজনেই থমকে দাঁড়াল। ধীর শান্ত পায়ে এগিয়ে এসে বড় রাস্তায় উঠে ওরা যেখানে গাড়ি রেখে এসেছে তার উলটো দিকে যাচ্ছে। রাতের নিস্তব্ধতা ভেঙ্গে রনি ডেকে বলল-&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;এই যে ভাই একটু শোনেন!&lt;br /&gt;লোকটা সামনের দিকেই যাচ্ছিল। ওর ডাক শুনে মুখটা একটু ঘুড়িয়ে ওদের দিকে দেখল।&lt;br /&gt;আচ্ছা এটা কোন জায়গা?&lt;br /&gt;কোন উত্তর নেই। আচ্ছা আমরা একটা বিপদে পরেছি এখন কি করব, গাড়ির তেল দরকার। কোথায় পাব বলতে পারেন?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;লোকটা হাতে ইশারা করে কাছে ডাকল। ওরা কি করবে না করবে কিছু বুঝে ওঠার আগেই ওদের অবচেতন পা গুলি ওই লোকটার দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। কাছাকাছি গিয়েও লোকটার মুখ ভাল করে বুঝতে পারল না, চাদরে ঢাকা। লোকটা চাদরের ভিতর থেকে দুই হাত বেড় করে রাস্তার উপর নামিয়ে রেখে হাতে ইশারা করে দেখাল নিয়ে যেতে।&amp;nbsp; লোকটা বোতল দুইটা নামিয়ে রেখেই যে দিকে যাচ্ছিল সেই দিকে এগিয়ে গেল এবার একটু জোড়ে হাঁটছে। পিছন থেকে ডেকে জিজ্ঞ্যেস করল এটা কোন জায়গা? আগের মত কোন জবাব নেই। ওরা দুই জনেই এক এক করে হাতে নিয়ে দেখল দুইটা বড় দুই লিটারের পানির বোতল ভরা। কি দিল এটা? লোকটা কোন কথা বলল না কেন? ভয়ে ভয়ে হাতে নিয়ে বোতলের মুখ খুলেই বুঝল এগুলি ভরা পেট্রোল। সন্দেহ হলো। আবার শুকে দেখে বুঝল, না ভিন্ন কিছু নয়, পরিষ্কার পেট্রোল। ওদের অবাক দৃষ্টি অন্ধকারের মধ্যেও একে অপরের দিকে এবং হঠাৎ আগত এই অচেনা রহস্যময় লোকটার পথের দিকে তাকাল। কিন্তু লোকটা ততক্ষণে আর নেই। এই অন্ধকারে যত দূর দেখা যাবার কথা তার আগেই নেই হয়ে গেছে।&lt;br /&gt;কি করি?&lt;br /&gt;চল গাড়িতে ভরে দেখ স্টার্ট হয় কিনা।&lt;br /&gt;&amp;nbsp;&lt;iframe align="left" frameborder="0" marginheight="0" marginwidth="0" scrolling="no" src="http://rcm.amazon.com/e/cm?t=kamas-20&amp;amp;o=1&amp;amp;p=8&amp;amp;l=bpl&amp;amp;asins=1590591089&amp;amp;fc1=000000&amp;amp;IS2=1&amp;amp;lt1=_blank&amp;amp;m=amazon&amp;amp;lc1=0000FF&amp;amp;bc1=000000&amp;amp;bg1=FFFFFF&amp;amp;f=ifr" style="height: 245px; padding-right: 10px; padding-top: 5px; width: 131px;"&gt;&lt;/iframe&gt;&lt;br /&gt;দুই জনে দুই বোতল হাতে নিয়ে ঠান্ডায় কাঁপতে কাঁপতে গাড়ির কাছে এসে বোতল খালি করে চার লিটার তেল ভরে হাতের খালি বোতলটা পিছনের সিটের নিচে ফেলে গাড়িতে বসে যেই চাবি ঘুরিয়েছে অমনি গাড়ি স্টার্ট। আর দেরী নয়। গাড়ি ঘুড়িয়ে যে পথে এসেছিল সেই পথে। প্রায় দেড় ঘন্টা চালাবার পর রাস্তার পাশের দোকানের সাইন বোর্ড দেখে চিনল এটা মানিকগঞ্জ। আবার সেই আগের মত একটু ঝাঁকুনি দিয়ে গাড়ি থেমে গেল। রাস্তার দুই পাশে&amp;nbsp; দুইটা পেট্রোল পাম্প। ওই এক পাম্পের লোকদের নিজেদের এই বিপদের কথা বলে আরিফ তার নিজের হাতের ঘড়ি খুলে বলল এই ঘড়িটা রেখে আমাদের ঢাকায় যাবার মত তেল দিন। কাল দুপুরের মধ্যে এসে টাকা দিয়ে ঘড়ি নিয়ে যাব। ঘড়িটা খোলার আগে দেখে এখন&amp;nbsp; রাত বারটা চুয়াল্লিশ মিনিট। দামি ঘড়িটা দেখে পথের মানুষকেও বিশ্বাস করে ট্যাঙ্ক ভরেই তেল দিয়ে দিল। তেল ভরে আরিফ নিজেই ড্রাইভ করে রাত তিনটা চৌদ্দ মিনিটে বাড়িতে এসে পৌঁছাল। সেই বোতলটা এখনও আরিফের বাড়ির গ্যারেজে পরে আছে। শুধু বোতলটা যে দিয়েছে তার কোন হদিস বা পরিচয় কিছুই পায়নি। পর দিন মানিকগঞ্জে যেয়ে পাম্পের টাকা দিয়ে ঘড়িটা নিয়ে গত রাতে যেখানে গাড়ি থেমে গিয়েছিল সেখান অবধি গিয়ে চিনতে পারল শিবালয়ের কাছাকাছি এক জায়গা কিন্তু এখানে ওই লোকের কোন সন্ধান পায়নি। এই লোকটা কে তার কোন কুল কিনারা আজ পর্যন্ত জানে না।&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/6206436569761013193-193821786711818463?l=smritikona.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://smritikona.blogspot.com/feeds/193821786711818463/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://smritikona.blogspot.com/2011/04/blog-post_27.html#comment-form' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6206436569761013193/posts/default/193821786711818463'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6206436569761013193/posts/default/193821786711818463'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://smritikona.blogspot.com/2011/04/blog-post_27.html' title='শুধুই কাকতালীয় নাকি অন্য কিছু?'/><author><name>Smritikona</name><uri>http://www.blogger.com/profile/06924676430610821189</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='30' height='32' src='http://3.bp.blogspot.com/_QBqxJNVAQsg/S4nDcZMyGtI/AAAAAAAAH5o/BcbLKNpvnQk/S220/Snow+self-2.jpg'/></author><media:thumbnail xmlns:media='http://search.yahoo.com/mrss/' url='http://4.bp.blogspot.com/-RtXrg11yYfg/Tbbwucy3KDI/AAAAAAAAIZ8/xP5DfM7ZUzg/s72-c/Shudhui+ki+kaktalio.JPG' height='72' width='72'/><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-6206436569761013193.post-4775528597397616767</id><published>2011-04-26T22:16:00.000+06:00</published><updated>2011-04-26T22:16:42.150+06:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='Adventure'/><title type='text'>সাগর সেচা প্রাণ</title><content type='html'>&lt;div dir="ltr" style="text-align: left;" trbidi="on"&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;div class="separator" style="clear: both; text-align: center;"&gt;&lt;a href="http://2.bp.blogspot.com/-B_HLe-g6RyU/Tbbvz6p8R0I/AAAAAAAAIZ4/NSzaF5CpCUg/s1600/Shagor+sheca+pran.jpg" imageanchor="1" style="margin-left: 1em; margin-right: 1em;"&gt;&lt;img border="0" height="313" src="http://2.bp.blogspot.com/-B_HLe-g6RyU/Tbbvz6p8R0I/AAAAAAAAIZ4/NSzaF5CpCUg/s320/Shagor+sheca+pran.jpg" width="320" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;br /&gt;গতকালের দেয়া সেইলিং অর্ডার অনুযায়ি আজ বিকেলে মাস্কাটে তেল আনলোড করে হিসেব নিকেশ বুঝিয়ে দিয়ে জাহাজে খাবার পানি এবং টুকিটাকি যা কিছু প্রয়োজন ছিল তা নেয়া হয়েছে। ব্যালাস্ট ট্যাঙ্ক ফুল লোডিং চলছে, বাকিটা চলতি পথেই দুই তিন ঘন্টার মধ্যে নেয়া হয়ে যাবে। সাগরের অবস্থা বেশ শান্ত। কোন অসুবিধা হবার সম্ভাবনা নেই। কাস্টম, ওমান ইমিগ্রেশন এবং মাস্কাট পোর্ট কন্ট্রোলের ছাড় পত্র নিয়ে সন্ধ্যার একটু আগে প্রায় সাড়ে ছয়টায় জাহাজ ইরানের আবাদান বন্দরের উদ্দেশ্যে ছেড়ে দিয়েছি। হারবার এলাকা থেকে বেড় হয়ে আরব্য উপসাগর দিয়ে ফুল এহেডে চলছে। একটু পরে নেভিগেশন লাইট জ্বালিয়ে দিলাম। সামনে আশে পাশে দুই একটা জাহাজ আসছে যাচ্ছে তাদের নেভিগেশন বাতি দেখা যাচ্ছে। রাডারে দেখা যাচ্ছে কেউ কেউ আবার আরো কিছু উত্তর দিয়ে আরব সাগরের দিকে যাচ্ছে। &lt;br /&gt;ব্রীজের পিছন দিকে চার্ট টেবিলের পাশে ইলেকট্রিক কেটলিতে দুই কাপ কাল কফি বানিয়ে স্টিয়ারিং করছিল ডেভিড ওকে এক কাপ দিয়ে আমার চিরাচরিত অভ্যাস মত ব্রীজের বাইরে সাইড লাইটের উপরে বসে রাতের নীল সাগরের বুকে খোলা আকাশের নীচে দিয়ে তরতর করে এগিয়ে চলছি। এই অভ্যাস এক দিনের নয়। যত দিন থেকে নাবিক জীবন চলছে বলতে গেলে সেই থেকে এক ভাবে চলছে। এক কাপ কাল কফি না হলে যেন ব্রীজে ডিউটি করা যায় না! &lt;br /&gt;&lt;br /&gt;রাত বারোটায় চীফ অফিসার লুইস এর ডিউটি। নিয়ম অনুযায়ী ঠিক পাঁচ মিনিট আগে লুইস ব্রীজে এলো। ওকে সব কিছু বুঝিয়ে দিয়ে চলে গেলাম ঘুমের ঘরে। এর পরে আবার সকাল আটটা থেকে ডিউটি। সকালের ডিউটিও নিয়ম মত দুপুর বারোটায় শেষ করে কেবিনে ফিরে এসেছি। গোসল করে দুপুরের লাঞ্চ করে একটু গড়িয়ে নেবার ইছে হলো। আরব দেশের জুন মাসের এই প্রচন্ড গরমে আমাদের দেশের আম কাঁঠাল পাকার গরমের কথা মনে এলো। কিন্তু মনে এলেই কি আর গাছের আম পেড়ে খাওয়া যায়? মনে মনে ভাবতে ভাবতে এয়ারকন্ডিশন রুমে কম্বল গায়ে শুয়ে পরেছিলাম, কখন যেন একটু ঝিমানি ভাব এসেছিল। স্বপ্নে দেখছিলাম গ্রামের বাড়িতে আম বাগানের ছায়ায় বসে আছি আর ছোট ভাই বোনেরা আধাপাকা আম পেড়ে এনে দিচ্ছে। মুখে দিতে যাব এমন সময় কাছেই কার চিৎকারের শব্দ কানে এলো। চিৎকার শুনে চাচাত বোন নীলাকে কার কি হলো দেখতে বললাম। হাতের আম হাতেই ধরা রয়েছে এখনও মুখে দেইনি। সঙ্গে সঙ্গে নীলা চ্যাচিয়ে বলল দাদা পারুল গাছ থেকে পরে গেছে! কি? বলার সাথে সাথেই ঘুম ভেঙ্গে দেখি জাহাজের কেবিনে শুয়ে আছি। এটা নিজের গ্রামের বাড়ির আম বাগান নয় আরব্য উপসাগরের উপর দিয়ে আমার জাহাজ ইরানের আবাদান বন্দরের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। &lt;br /&gt;&lt;br /&gt;সেই কবে দেশ ছেড়ে এসেছি আবার কবেই যে যাব?মনটা খারাপ হয়ে গেল। একটু শুয়ে রইলাম। হঠাৎ করে কেন যেন মুখে কোথা থেকে এক রাশ থু থু জমে গেল। ভীষণ অস্বস্তি লাগছে। উঠতে ইচ্ছে হচ্ছিল না কিন্তু মুখে থু থু নিয়েই বা শুয়ে থাকি কি করে? তাই বাধ্য হয়েই উঠে পোর্ট হোল (জাহাজের কেবিনের এক রকম গোল জানালা) খুলে মাথাটা বের করে থু থু ফেলছি হঠাৎ জাহাজের পিছন দিকে চোখ যেতেই নীল সাগরের বুকে কি যেন কাল একটা ফুট বলের মত দেখলাম। একটু চমকে উঠলাম! কি ব্যাপার, এখানে এটা কি? গতকাল মাস্কাট বন্দর ছেড়ে আসার পর প্রায় দুই শত নটিক্যাল মাইল চলে এসেছি এখানে এই সাগরের মাঝে এটা কি?একটু অস্বাভাবিক মনে হলো। নিতান্ত কৌতুহল নিয়ে দেখার জন্য কেবিন ছেড়ে বেরিয়ে জাহাজের পিছনে এসে দেখি কে একজন মানুষ। নিশ্চয় কেউ পরে গেছে! কে পরেছে?জাহাজ প্রায় বার নটিক্যাল মাইল বেগে সামনে এগিয়ে যাচ্ছে। আশে পাশে দুই শত মাইলের মধ্যে কোন কূল কিনারা নেই। &lt;br /&gt;&lt;br /&gt;জাহাজ থেকে মানুষ পরে গেলে যার নজরে আসে তাকে “ম্যান ওভার বোর্ড” বলে চিৎকার করতে হয়, এটাই নিয়ম। সেই অনুযায়ী চিৎকার করছি কিন্তু বুঝতে পারলাম আমার মুখ দিয়ে কোন শব্দ বের হচ্ছে না। আতঙ্কে ভয়ে আমি দিশাহারা। কি করব? কি করব?দৌড়ে ব্রীজে চলে গেলাম। আমার ওই উদ্ভ্রান্তের মত চেহারা দেখে ব্রীজে যারা ছিল তারা জিজ্ঞেস করছে, কি হয়েছে? কথা বলছ না কেন? আমি কিছুই বলতে পারছি না, আমার মুখ দিয়ে কোন শব্দ বের হচ্ছে না। তবে কি করতে হবে তা ভুলিনি। তারাতারি ইঞ্জিন রুম টেলিগ্রাম টেনে জাহাজের গতি থামিয়ে দিলাম এবং উইলিয়াম স্টিয়ারিং করছিল তাকে ধাক্কা দিয়ে সরিয়ে নিজের হাতে স্টিয়ারিং নিয়ে জাহাজটা সম্পূর্ণ ডান দিকে ঘুড়িয়ে দিয়ে ওকে টেনে ব্রীজের বাইরে এনে হাতের ইশারায় পিছনে যে মাথাটা দেখেছিলাম সেটা দেখিয়ে দিলাম। পিছনে সেকেন্ড অফিসার ম্যাক্স এসে দাড়িয়েছে। ম্যাক্স জিজ্ঞেস করল “হু ইজ দ্যাট”? বললাম চিনতে পারিনি। &lt;br /&gt;&lt;br /&gt;লোকটা এতক্ষণে বেশ পিছনে পরে গেছে। শান্ত সাগর বলে এখনও দেখা যাচ্ছে। একটু অশান্ত হলে আর দেখা যেত না। এবার উইলিয়াম এবং ম্যাক্সকে নিয়ে ব্রীজ থেকে নেমে মেইন ডেকে এলাম। এই খোলা সাগরে মাঝপথে হঠাৎ জাহাজ থেমে গেল কেন জানার জন্য প্রায় সবাই বাইরে চলে এসেছে। সবার মুখে প্রশ্নের ছায়া, কি হয়েছে? গত পরশু সকালে মাস্কাট আউটার এঙ্কারেজে ছিলাম তখন আমাদের রাবারের ডিঙ্গি বোট নিয়ে বন্ধুদের সাথে আড্ডা দেয়ার জন্য পাশে নোঙ্গর করা ‘প্যাসিফিক ম্যারিনারে’ গিয়েছিলাম। ফিরে এসে সেই ডিঙ্গি ক্রেন দিয়ে তুলে সুন্দর করে গুছিয়ে রেখে দিয়েছিলাম। তাতে পেট্রোল সহ সব কিছুই রেডি ছিল। &lt;br /&gt;এর মধ্যে জাহাজ ঘুড়ে থেমে গেছে। ওরা সহ ক্রেন দিয়ে ডিঙ্গিটা নামিয়ে আমি, ম্যাক্স আর উইলি এই তিন জন ডিঙ্গিতে নেমে এক টানে ডিঙ্গির ইঞ্জিন স্টার্ট করে ফুল স্পিডে এগিয়ে গেলাম। প্রায় সমুদ্র সমতলে নেমে এসেছি বলে আর ওই মাথা দেখা যাচ্ছে না। জাহাজের উপরে পিছন দিকের কোয়র্টার ডেকে যারা ছিল ওরা দেখিয়ে দিল ওই দিকে যাও। &lt;br /&gt;&lt;br /&gt;এগিয়ে গেলাম। অল্প একটু পরেই ওই লোককে দেখা গেল। তারাতারি আরো তারাতারি যেতে হবে। দ্রুত গতিতে শ্বাস বইছে, বুক ঢিব ঢিব করছে, জিহবা শুকিয়ে গেছে। কেউ কোন কথা বলতে পারছে না, সবাই চিন্তিত। ডিঙ্গির হ্যান্ডেলের থ্রটল ঘুড়িয়ে স্পীড বাড়াতে চাচ্ছি কিন্তু এর চেয়ে বেশি স্পীড নেই। কাছে চলে এসেছি। এইতো আর একটু। আর একটু। হ্যা আরো কাছে চলে এসেছি প্রায় ধরা যায়। ভেসে থাকার আপ্রাণ চেষ্টা করছে। এই এতক্ষণে চিনতে পারলাম। আমাদের জাহাজের টোপাস (ক্লিনার) ভারতের বিহার এলাকার অর্জুন। &lt;br /&gt;যাক, সাঁতার জানত বলে এই এতক্ষণ ভেসে থাকতে পেরেছে। আমি হলে কি করতাম? আমি তো সাঁতার জানি না! এ কথা মনে হতেই আর এক দফা আতঙ্ক এসে ভর করল। তবুও কাঁপা কাঁপা হাতে ডিঙ্গির স্পীড কমিয়ে আস্তে আস্তে কাছে এসে ওকে ধরা মাত্রই হাত পা ছেড়ে দিয়ে একেবারে সেন্সলেস। সমস্ত শরীর নোনা পানিতে ঠান্ডা বরফের মত হয়ে গেছে। সবাই মিলে টেনে ডিঙ্গিতে উঠিয়ে শুইয়ে দিলাম। এবার ডিঙ্গি ঘুড়িয়ে জাহাজে ফিরে এসে অর্জুনকে ওই ডিঙ্গিতে রেখেই ডিঙ্গি সহ আমাদের সবাইকে ক্রেন দিয়ে তুলে নিল। জাহাজে উঠে দেখি ক্যাপ্টেন, চীফ ইঞ্জিনিয়ার, চীফ অফিসার সহ সবাই ডেকে দাঁড়িয়ে রয়েছে। &lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ক্যাপটেন বলল ওর কাপড় বদলে তোয়ালে দিয়ে শরীর মুছিয়ে দিয়ে তারাতারি চিকিত্সা রুমে নিয়ে গরম কম্বল গায়ে দিয়ে দাও আমি আসছি। একটু পরে ক্যাপ্টেন এসে হিটার চালাতে বলল। রুমটা গরম হবার পর অর্জুন একটু মিট মিট করে তাকাল। পাশে থাকা সবাই যেন হাতে চাঁদ পেলাম। কি হয়েছে জিজ্ঞেস করলাম কিন্তু কোন কথা নেই। যেমন ছিল আবার তেমনি আসার দেহে পরে রইল। প্রায় আধা ঘন্টা পরে আবার মিট মিট করে তাকাল। বির বির করে প্রথম কথাটা বলল- ম্যায় মার গিয়া কিয়া (আমি কি মরে গেছি)? আরে না অর্জুন তুমি মরনি। এইতো আমরা সবাই তোমার পাশে। তুম লোগ কিয়া অবতার হ্যায়? না না, আমরা সবাই তোমার কলিগ। এবার নরে চরে উঠে বসল। ওকে উঠতে দেখে গ্যালি (কিচেন) থেকে ব্রান্ডি মেশানো গরম কাল কফি এনে দিলাম। তবুও ও বিশ্বাস করতে চাইছে না যে ও এখনো এই ধরনীর বুকে বেঁচে আছে। ক্যাপটেনের নির্দেশ মত আস্তে আস্তে ওকে বোঝাতে চাইলাম যে তুমি জাহাজ থেকে পরে যাবার পরই আমরা দেখতে পেয়ে সাথে সাথে ডিঙ্গি নিয়ে তোমাকে তুলে এনেছি, তুমি মরনি। সাগর সেচে আমরা তোমার প্রান ফিরে পেয়েছি। অর্জুন কাঁদবে না হাসবে না কি করবে কিছুই বুঝতে পারছে না। শুধু ফ্যাল ফ্যাল করে সবার মুখের দিকে দেখছে। এবার ওর মুখে কফির কাপটা তুলে বললাম একটু একটু খেয়ে নাও। &lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/6206436569761013193-4775528597397616767?l=smritikona.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://smritikona.blogspot.com/feeds/4775528597397616767/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://smritikona.blogspot.com/2011/04/blog-post_26.html#comment-form' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6206436569761013193/posts/default/4775528597397616767'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6206436569761013193/posts/default/4775528597397616767'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://smritikona.blogspot.com/2011/04/blog-post_26.html' title='সাগর সেচা প্রাণ'/><author><name>Smritikona</name><uri>http://www.blogger.com/profile/06924676430610821189</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='30' height='32' src='http://3.bp.blogspot.com/_QBqxJNVAQsg/S4nDcZMyGtI/AAAAAAAAH5o/BcbLKNpvnQk/S220/Snow+self-2.jpg'/></author><media:thumbnail xmlns:media='http://search.yahoo.com/mrss/' url='http://2.bp.blogspot.com/-B_HLe-g6RyU/Tbbvz6p8R0I/AAAAAAAAIZ4/NSzaF5CpCUg/s72-c/Shagor+sheca+pran.jpg' height='72' width='72'/><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-6206436569761013193.post-7109610468558618451</id><published>2011-04-21T15:29:00.000+06:00</published><updated>2011-04-21T15:29:22.589+06:00</updated><title type='text'>সোনার তরী: সোনালী আহ্বান : নীল নক্ষত্র</title><content type='html'>&lt;a href="http://sonartoree.blogspot.com/2011/04/blog-post_6971.html"&gt;সোনার তরী: সোনালী আহ্বান : নীল নক্ষত্র&lt;/a&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/6206436569761013193-7109610468558618451?l=smritikona.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='related' href='http://sonartoree.blogspot.com/2011/04/blog-post_6971.html' title='সোনার তরী: সোনালী আহ্বান : নীল নক্ষত্র'/><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://smritikona.blogspot.com/feeds/7109610468558618451/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://smritikona.blogspot.com/2011/04/blog-post_21.html#comment-form' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6206436569761013193/posts/default/7109610468558618451'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6206436569761013193/posts/default/7109610468558618451'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://smritikona.blogspot.com/2011/04/blog-post_21.html' title='সোনার তরী: সোনালী আহ্বান : নীল নক্ষত্র'/><author><name>Smritikona</name><uri>http://www.blogger.com/profile/06924676430610821189</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='30' height='32' src='http://3.bp.blogspot.com/_QBqxJNVAQsg/S4nDcZMyGtI/AAAAAAAAH5o/BcbLKNpvnQk/S220/Snow+self-2.jpg'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-6206436569761013193.post-982045148726281096</id><published>2011-04-14T00:36:00.000+06:00</published><updated>2011-04-14T00:36:24.354+06:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='শুভেচ্ছা'/><title type='text'>বৈশাখী শুভেচ্ছা-১৪১৮</title><content type='html'>&lt;div dir="ltr" style="text-align: left;" trbidi="on"&gt;&lt;div class="separator" style="clear: both; text-align: center;"&gt;&lt;a href="http://1.bp.blogspot.com/-wVYSj83TmxQ/TaXsegVO3II/AAAAAAAAIZw/0iLZC-KCaW4/s1600/Post+Picture-2.JPG" imageanchor="1" style="margin-left: 1em; margin-right: 1em;"&gt;&lt;img border="0" height="215" src="http://1.bp.blogspot.com/-wVYSj83TmxQ/TaXsegVO3II/AAAAAAAAIZw/0iLZC-KCaW4/s320/Post+Picture-2.JPG" width="320" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;br /&gt;&lt;b&gt;১-হৃদয়ে বৈশাখ&lt;/b&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;এসো বৈশাখ বাংলা মায়ের মাটির ঘরে&lt;br /&gt;মধুমতি নদীর তীরে,&lt;br /&gt;এসো বৈশাখ আমের ডালে পাখির গানে&lt;br /&gt;জারি সারি ভাটির টানে।&lt;br /&gt;কাল বৈশাখীর মাদল বাজে&lt;br /&gt;তোমার পায়ের নূপুর শুনে,&lt;br /&gt;বটের শাখায় হিজল তলে&lt;br /&gt;নতুন আশার জাল বুনে।&lt;br /&gt;কামার-কুমার চাষী ভাইয়ের&lt;br /&gt;সোনার বরন স্বপ্ন নিয়ে&lt;br /&gt;বসবে তোমার বরণ মেলা&lt;br /&gt;শ্যামলা মায়ের সবুজ বনে।&lt;br /&gt;&lt;iframe align="left" frameborder="0" marginheight="0" marginwidth="0" scrolling="no" src="http://rcm.amazon.com/e/cm?t=kamas-20&amp;amp;o=1&amp;amp;p=8&amp;amp;l=bpl&amp;amp;asins=B002Y5W9NK&amp;amp;fc1=000000&amp;amp;IS2=1&amp;amp;lt1=_blank&amp;amp;m=amazon&amp;amp;lc1=0000FF&amp;amp;bc1=000000&amp;amp;bg1=FFFFFF&amp;amp;f=ifr" style="height: 245px; padding-right: 10px; padding-top: 5px; width: 131px;"&gt;&lt;/iframe&gt;&lt;br /&gt;&lt;b&gt;২- এসো বৈশাখ&lt;/b&gt;&lt;br /&gt;সময়ের পালকি চড়ে&lt;br /&gt;এলোমেলো হাওয়ায় উড়ে&lt;br /&gt;এসো হে বৈশাখ&lt;br /&gt;এসো এই সুখের নীড়ে।&lt;br /&gt;চাষীর মনে জাগাও আশা&lt;br /&gt;একটু খানি ভালোবাসা।&lt;br /&gt;ঢালো সুধা হৃদয় ভরে&lt;br /&gt;এসো আজ নতুন করে।&lt;br /&gt;নতুন সুরের যাদু নিয়ে&lt;br /&gt;গায়ের বধূর মন ভরিয়ে&lt;br /&gt;পায়ে পায়ে এসো তুমি&lt;br /&gt;নেব তোমায় বরণ করে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;b&gt;৩- বৈশাখ&lt;/b&gt;&lt;br /&gt;বৈশাখ এসো বালুর চরে&lt;br /&gt;বৈশাখ এসো রূপ নগরে&lt;br /&gt;তোমায় আমি বরণ করি&lt;br /&gt;এসো আমার নতুন সখী।&lt;br /&gt;সাথে আনো ঝর জল&lt;br /&gt;নদী নালা যাক ডুবে&lt;br /&gt;দেশ মাটি ভরে যাক সবুজে&lt;br /&gt;বৌ কথা কও ডাকবে পাখি।&lt;br /&gt;খরতাপ মুছে দিয়ে&lt;br /&gt;পুরানো সব স্মৃতি ভুলে&lt;br /&gt;সুখের পায়রা নিয়ে এসো&lt;br /&gt;হাতে বেধে মিলন রাখী।&lt;br /&gt;আঁকা বাকা পথ ধরে&lt;br /&gt;জয় রথে মন ভরে&lt;br /&gt;নিয়ে এসো মধুর সুর&lt;br /&gt;কালবোশেখের ধুলি মাখি।&lt;br /&gt;&lt;iframe align="left" frameborder="0" marginheight="0" marginwidth="0" scrolling="no" src="http://rcm.amazon.com/e/cm?t=kamas-20&amp;amp;o=1&amp;amp;p=8&amp;amp;l=bpl&amp;amp;asins=0735625042&amp;amp;fc1=000000&amp;amp;IS2=1&amp;amp;lt1=_blank&amp;amp;m=amazon&amp;amp;lc1=0000FF&amp;amp;bc1=000000&amp;amp;bg1=FFFFFF&amp;amp;f=ifr" style="height: 245px; padding-right: 10px; padding-top: 5px; width: 131px;"&gt;&lt;/iframe&gt;&lt;br /&gt;&lt;b&gt;৪-বৈশাখী&lt;/b&gt;&lt;br /&gt;ও সখী আয়রে তোরা&lt;br /&gt;আয়রে সবাই বরণ করি&lt;br /&gt;নতুন বৈশাখী&lt;br /&gt;সে যে ফুল ফসলে ভরাবে&lt;br /&gt;এই সোনার ধরনী।&lt;br /&gt;গত বছর ফেলে আসা&lt;br /&gt;রাঙ্গা পথে চরণ ফেলে&lt;br /&gt;চুপি চুপি এলো আজ&lt;br /&gt;লাজুক নয়ন মেলে&lt;br /&gt;ও ভাই চমকে উঠি দেখে&lt;br /&gt;তাহার সুখের লাবনী।&lt;br /&gt;বাশের বাশী বাজিয়ে তারে&lt;br /&gt;গান শোনাব দাওয়ায় বসে&lt;br /&gt;বসতে সবাই দে না তারে&lt;br /&gt;বাংলা মায়ের কোলে&lt;br /&gt;ও ভাই পাল আজ&lt;br /&gt;ভাসবে গাঙ্গে সুখের তরণি।&lt;br /&gt;&lt;iframe align="left" frameborder="0" marginheight="0" marginwidth="0" scrolling="no" src="http://rcm.amazon.com/e/cm?t=kamas-20&amp;amp;o=1&amp;amp;p=8&amp;amp;l=bpl&amp;amp;asins=B001BCC0YA&amp;amp;fc1=000000&amp;amp;IS2=1&amp;amp;lt1=_blank&amp;amp;m=amazon&amp;amp;lc1=0000FF&amp;amp;bc1=000000&amp;amp;bg1=FFFFFF&amp;amp;f=ifr" style="height: 245px; padding-right: 10px; padding-top: 5px; width: 131px;"&gt;&lt;/iframe&gt;&lt;br /&gt;&lt;b&gt;৫-বৈশাখ বরণ&lt;/b&gt;&lt;br /&gt;সোনালী ডানা মেলে&lt;br /&gt;পুষ্প রথে উড়ে&lt;br /&gt;আজ বৈশাখ এলো দ্বারে।&lt;br /&gt;মুছে দিয়ে বেদনা কান্না&lt;br /&gt;খর তাপ দহনে&lt;br /&gt;গ্লানি দুঃখ অভিশাপ&lt;br /&gt;যা ছিল মনে&lt;br /&gt;সেই স্মৃতি গেল ঝরে।&lt;br /&gt;দেখা দিল রঙ্গীন স্বপ্ন&lt;br /&gt;সুন্দর সকালে&lt;br /&gt;মধুর সুরে&lt;br /&gt;মনের কথা বলতে&lt;br /&gt;সুখের বারতা এলো ঘরে।&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/6206436569761013193-982045148726281096?l=smritikona.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://smritikona.blogspot.com/feeds/982045148726281096/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://smritikona.blogspot.com/2011/04/blog-post_14.html#comment-form' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6206436569761013193/posts/default/982045148726281096'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6206436569761013193/posts/default/982045148726281096'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://smritikona.blogspot.com/2011/04/blog-post_14.html' title='বৈশাখী শুভেচ্ছা-১৪১৮'/><author><name>Smritikona</name><uri>http://www.blogger.com/profile/06924676430610821189</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='30' height='32' src='http://3.bp.blogspot.com/_QBqxJNVAQsg/S4nDcZMyGtI/AAAAAAAAH5o/BcbLKNpvnQk/S220/Snow+self-2.jpg'/></author><media:thumbnail xmlns:media='http://search.yahoo.com/mrss/' url='http://1.bp.blogspot.com/-wVYSj83TmxQ/TaXsegVO3II/AAAAAAAAIZw/0iLZC-KCaW4/s72-c/Post+Picture-2.JPG' height='72' width='72'/><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-6206436569761013193.post-6729154469001518187</id><published>2011-04-08T11:12:00.000+06:00</published><updated>2011-04-08T11:12:23.440+06:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='দেশ'/><title type='text'>আমার দেখা একাত্তরের কয়েক দিন</title><content type='html'>১৯৭০ সালের কথা বলছি যখন আমরা করাচি শহরে থাকি তখনকার কথা। বাবা চাকরী উপলক্ষে ওখানে থাকতেন আর আমরা কয়েক ভাই বোন স্কুলে পড়তাম। চারিদিকে ইলেকশনের ফলাফল নিয়ে নানা ধরনের নানা কথা বার্তা। আমার স্পস্ট মনে আছে ইলেকশনের কিছু দিন আগে শেখ মুজিবুর রহমান করাচী গিয়েছিলেন। নির্বাচনী প্রচারণার উদ্দেশ্য নিয়েই। আমার খুব ইচ্ছে হয়েছিল তাকে দেখার। বাবার সাথে দুই এক জন বাঙ্গালি প্রতিবেশি চাচাদের কথা বার্তায় জানতে পেলাম  কাছেই কোন এক পার্কে শেখ মুজিবরের ভাষণের ব্যবস্থা হয়েছে কাজেই তারা সবাই যাবেন। আমিও বাবাকে ধরে বসলাম “আমিও যাব”। যাবি? আচ্ছা ঠিক আছে নিয়ে যাব।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;তিন চার দিন পরে সত্যি করে বাবা সবার সাথে আমাকে নিয়েই ওই পার্কে গেলেন। দেখলাম, শুনলাম। সে কি আগুন ঝরা কথা! এর আগে কখন কাউকে এমন করে কথা বলতে শুনিনি। বেশ ভালই লাগল। মনযোগ দিয়েই শুনলাম। তার এই বক্তৃতা শুনেই হোক বা নিজে বাঙ্গালি বলেই হোক কেন যেন  জানি না জুলফিকার আলি ভুট্টো সাহেবকে মনে মনে ঘৃণা করতে শুরু করলাম।&lt;br /&gt;ইলেকশন হয়ে গেল। তদানিন্তন পাকিস্তানের দুই অংশে মিলিয়ে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে  শেখ মজিবর রহমান জয়ী হলেন। আমরা বাঙ্গালিরা খুউউব খুশি। বড়রা বলাবলি করছেন, যাক এবার তা হলে বাঙ্গালিরা দেশ শাসন করবে, এখন থেকে আর আমাদের এত কষ্ট থাকবে না। কিন্তু সবাই এত খুশি হলে কি হবে এই জয়ের খুশি বেশি দিন রইল না। আস্তে আস্তে চারিদিকে&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;কি সব উলটা পালটা কথা বার্তা কানে আসতে লাগল। ছোট বেলা থেকেই ওই উর্দু ভাষিদের সাথে থাকতে থাকতে ওদের সব কথা জলের মতই বুঝতে পারি বলতেও পারি। স্কুলে যাতায়াতের সময় বাসের জন্য অপেক্ষা করতে গিয়ে বাসস্ট্যান্ডে দাঁড়িয়ে, বাসে বসে বা যেখানেই যাই না কেন একটা আবোল তাবোল কথার ঢং বুঝতে পারছি। বড়রা সব কি ভেবেছিলেন আর কি হতে যাচ্ছে? এ সব কি শুনছি? সারা দিন বাইরে যা শুনি সন্ধ্যায় বাসায় ফিরে এসে মাকে তা বলতেই তার একটা নীরব চোখ রাঙ্গানি ভাব দেখে আর কিছু বলার সাহস পেতাম না। রাতে বাবা খুব মনযোগ দিয়ে বিবিসির খবর শুনতেন। মাঝে মাঝে প্রতিবেশি দুই এক জন বড়রাও এসে বাবার সাথে শুনতেন।&lt;br /&gt;&lt;iframe src="http://rcm.amazon.com/e/cm?t=kamas-20&amp;o=1&amp;p=8&amp;l=bpl&amp;asins=B00155YL6S&amp;fc1=000000&amp;IS2=1&amp;lt1=_blank&amp;m=amazon&amp;lc1=0000FF&amp;bc1=000000&amp;bg1=FFFFFF&amp;f=ifr" style="align:left;padding-top:5px;width:131px;height:245px;padding-right:10px;"align="left" scrolling="no" marginwidth="0" marginheight="0" frameborder="0"&gt;&lt;/iframe&gt;&lt;br /&gt;আস্তে আস্তে ওই পশ্চিম পাকিস্তানি খেলার সাথিরা কেমন যেন দূরে দূরে চলে যাচ্ছে। আগের মত কেউ কাছে আসে না। তেমন করে খেলায় ডাকে না। কেমন যেন একটা থমথমে ভাব। নিজেরা মানে যারা বাঙ্গালি তাদের সাথে যা কথা বার্তা একটু আধটু বলি আবার সন্ধ্যা হতে না হতেই বাসায় ফিরে আসি। এমনি করেই দিন যায়। ঢাকার রাজনীতির অবস্থা দিনে দিনে জটিল হচ্ছে শুনছি। বিবিসি, আকাশ বানী কলকাতা, ভয়েস অব আমেরিকা নানা দিক থেকে খবর জানছি কিন্তু পাকিস্তানি রেডিও বা টেলিভিশন দেশ বাসিকে শোনাচ্ছে ভিন্ন সংবাদ। ধীরে ধীরে মনে মনে নিজেকে যেন অনেক বড় হয়ে গেছি ভাবতে শুরু করলাম। এখন আর এই সে দিনের সেই আমি আর নেই। আমি এখন অনেক দায়িত্ববান বাঙ্গালি।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;চারিদিকের এই সব ভাব যখন চলছে তখন এক দিন দেখি পাশের ফ্ল্যাটের পাঞ্জাবী ভদ্রলোক আহমেদ সাহেব আব্বার সাথে কি যেন ফিস ফিস করে কথা বলছেন। এদের পরিবারের সাথে স্বাভাবিক ভাবেই দীর্ঘ দিন পাশাপাশি থাকার কারনে খুবই আন্তরিক ভাব ছিল। প্রায়ই বাঙ্গালি বাড়ি থেকে বড় মাছের তরকারির পেয়ালা ওই পাঞ্জাবী বাড়িতে যেত আবার ও বাড়ি থেকেও জগ ভর্তি লাচ্ছি কিংবা ঘি দিয়ে রান্না করা মুগের ডাল অথবা খাশীর মাংশের পেয়ালা এই বাঙ্গালি বাড়িতে আসত। এমনকি তারা যখন ছুটি ছাটায় পাঞ্জাব থেকে বেড়িয়ে আসতেন তার পর দিনই দেখা যেত পাঞ্জাবের ঘি, ভুট্টার আটা বা এমন নানা কিছুর স্বাদ বাঙ্গালি বাড়ির সবাই ঘরে বসেই পেয়ে যেত। তা সেদিন ওই পাঞ্জাবী চাচার ওমন ফিসফিসানি শুনে একটু কাছে গিয়ে দাঁড়ালাম। কানে এলো চাচা বলছে আমজাদ সাহাব আপ জালদি ঢাকা চালে যাইয়ে, ইহা কুছ খাতরা হোয়গা এয়সা মালুম হোরায়। আমার নাম ধরে বলল অন্তত ওদের সবাইকে পাঠিয়ে দিন এখানে আর এখন নিরাপদ নয়। আপনারা এখানে সংখ্যায় কম কিছু করতে পারবেন না। আমিই বা কত টুক করতে পারব? বাবাও তার কথা মেনে নিলেন। বললেন দেখি ছুটির দরখাস্ত করতে হবে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;এক দিন মা বলছেন, তোমার বাবা ছুটি নিয়েছেন আমরা ঢাকায় যাচ্ছি। শুনে ভীষন খুশি। ঢাকা যাব মুক্তি সেনা হব, দেশের কাজ করব, দেশ স্বাধীন করব মনে কত স্বপ্ন। কবে যাব? এইতো কয়েক দিনের মধ্যেই। তি্ন চার দিন পর বাবা পি আই এ থেকে করাচি-ঢাকার পাঁচটা টিকেট নিয়ে এলেন, বাবা আর মা দুই জন আর আমরা তিন ভাই বোনের। আগামী ২১শে মার্চ ফ্লাইট।  মা আর বাবা বাধা ছাদা, গোছগাছ করায় ব্যস্ত। আর আমরা দুই ভাই দিন গোনায় ব্যস্ত। ছোট বোনটার কোন বিকার নেই কারন ও তখন মায়ের কোলে বসে আরামে ফিডার খেয়ে, ভাবনা হীন দিন যাপন করে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;হঠাত্ ১৭ই মার্চ  এক টেলিগ্রাম দিয়ে গেল পিওন। আমি তখন ইংরেজি পড়তে পারি। তারাতারি খুলে দেখেই মাথায় কেমন একটা ঘুর্ণির মত বোধ হলো। মাকে নিয়ে দেখালাম। পি আই এ থেকে পাঠিয়েছে। কোন আনন্দ সংবাদ নয়। লিখেছেঃ অনির্বার্য্ কারন বশত অনির্দিষ্ট কালের জন্য আপনাদের ফ্লাইট স্থগিত করা হয়েছে। আশা আকাঙ্খা, স্বপ্ন সব ধুলিসাত্। বাবা অফিস থেকে ফিরে এসে শুনে তারও মন খারাপ। কিছু করার নেই। মেনে নিতেই হবে। সাথে সাথে বাবা পাশের পাঞ্জাবি আহমেদ চাচাকে জানালেন। উনি ফ্লাইট কনফার্ম না হওয়া পর্যন্ত নিরাপত্তার জন্য কিছু পরামর্শ দিলেন। আমাকে রাস্তা ঘাটে অহেতুক চলাফেরা করতে বা কারো সাথে অপ্রয়োজনে কথা কাটাকাটি না করতে বললেন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আসলে এই সব রেগুলার ফ্লাইট বাতিল করে পাকিস্তান সরকার প্লেন ভরে সৈন্য পাঠাচ্ছে। ২৫শে মার্চে চরম রাতের পরে যুদ্ধ শুরু হয়ে গেল। মুক্তি বাহিনীদের হাতে পাকিস্তানিরা জাহান্নামে যেতে শুরু করল। সেগুলিকে আবার পাকিস্তান হয়ে জাহান্নামে যেতে হবে বলে তাদের মরদেহ নিজ নিজ আত্মীয় স্বজনদের কাছে ফিরতি ফ্লাইটে পাঠিয়ে দিচ্ছে। ওগুলি করাচিতে পৌছার পর থেকেই করাচি শহরের চেহারা সম্পূর্ণ বদলে গেল। হবারই কথা। ওদের যখন ইস্ট পাকিস্তানে পাঠিয়েছিল তখন উর্ধ্বতন কর্তারা বলেছিল যে ওখানে সব কাফের রয়েছে কাজেই তোমাদের মিশন হচ্ছে এই সব কাফেরদের হত্যা করা। ওরা এসে দেখে সকাল সন্ধ্যা সহ সারা দেশে নিয়মিত আজান হচ্ছে, সাধারন নাগরিকেরা নিয়মিত জামাতে যাচ্ছে। কাফের কোথায়? আবার কিছু আছে যারা মনের উল্লাসে কর্তার হুকুম তামিল করতে গিয়ে যা করেছে সে সবাই জানেন। আমিও জানি যদিও নিজ চোখে দেখিনি। যাক এখানে ও কথা লিখছি না। এখানে যা লিখছি তা অনেকেই জানেন না। তা ওই যারা মনের উল্লাসে কাফের মারতে এসেছিল তাদের মরদেহ পেয়ে আত্মীয় স্বজনেরা মহা আনন্দ নিয়েই বাঙ্গালি নিধন যজ্ঞে ঝাপিয়ে পরল। নেমে এলো নির্যাতনের বিশেষ প্রক্রিয়া।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;এক দিন রাতে বাবা আমার দাদির নামে মানি ওর্ডার করার জন্য কিছু টাকা দিলেন। স্কুল বন্ধ তাই সকালে উঠে নাশতা খেয়ে এলাকার পোস্ট অফিসে গিয়ে কিউতে দাঁড়ালাম। কিউ যখন কাউন্টারের কাছে এগিয়ে গেল তখন কাউন্টার ক্লার্ক আমার মানি ওর্ডার ফর্মে ইস্ট পাকিস্তানের ঠিকানা দেখে ছুড়ে ফেলে দিয়ে একটা গালি দিল। আমিও রক্তের উষ্ণতার জোয়ারে কিছুক্ষণ বাদানুবাদ করলাম। দেখলাম আমার পক্ষে কয়েক জন এগিয়ে এলো। বলল কেনরে ভাই টাকা পাঠাবে না কেন?এতো একই দেশ। পাঠিয়ে দাও। যাই হোক শেষ পর্যন্ত টাকাটা নিয়ে একটা রশীদ দিয়ে দিল।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;কয়েক মাস ধরে অস্ত্র সহ জীবিত সৈন্য আসে আবার মরা, আধ মরা, ভাঙ্গাচোরা সৈন্য ফিরতি ফ্লাইটে ফেরত যায়। ভারত সরকার তার দেশের উপর দিয়ে পাকিস্তানি প্লেন যাতায়াত নিষিদ্ধ করে দিল। এখন কলম্বোর দক্ষিণ দিয়ে ঘুরে প্লেন আসে যায়।  এই ভাবে যখন ওদের সৈন্য আনা হোল তখন জুন মাসের শেষ দিকে আবার এক টেলিগ্রামে জানাল ফ্লাইট চালু হয়েছে তোমরা অফিসে এসে টিকেট রি কনফার্ম করে নাও। দেরি না করে বাবা টেলিগ্রাম এবং টিকেট নিয়ে অফিসে গিয়ে জুলাই মাসের ১০ তারিখে রাত ১১টায় আমাদের ফ্লাইট কনফার্ম করে এলেন। বাধাছাদা প্রায় সব করাই ছিল আবার নতুন করে কিছু করে রেডি হলাম। বাবার কাছে নগদ কিছু টাকা ছিল। এখন কথা হচ্ছে এই টাকা কি করে নেয়া যায়? যদি কাস্টমে চেক করে পায় তাহলে যদি নিতে না দেয় তো সর্বনাশ হয়ে যাবে। একেবারে খালি হাতে দেশে ফিরতে হবে। মা বুদ্ধি করে বোনের দুধ নেয়ার জন্য যে ফ্লাস্ক ছিল সেটা থেকে ভিতরে টিউব খুলে চতুর্দিকে টাকা পেঁচিয়ে আবার ভিতরে ভরে প্যাচ দিয়ে আটকে দিলেন। মোটামুটি রক্ষা পাবে এমন একটা আশা। মার গয়না টয়না যা ছিল তা কোন রকম লুকিয়ে নেয়া হলো।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আমরা জুলাই মাসের ১০ তারিখে রাতে একটা টেক্সি ডেকে  এত দিনের বসবাস করা অনেক চেনা করাচি শহর ছেড়ে শুভক্ষণে করাচি  এয়ারপোর্টের দিকে রওয়ানা হলাম। যে শহরে কেটেছে নিজের শৈশব, কৈশর তার প্রতি কোন টান অনুভব করিনি। কেমন যেন পর হয়ে গেল এই এত চেনা এত সুখ দঃখের স্মৃতি, সব কিছু পিছনে ফেলে টেক্সি এগিয়ে চলেছে। আমার সে রাতের কথা আজও এত দিন পরে স্পস্ট মনে আছে। একটি বারের জন্যেও পিছনে ফিরে তাকাইনি, আমার মা, বাবা বা ছোট ভাই কেউ না।&lt;br /&gt;এয়ারপোর্টে টিকেট চেক ইন হলো, সিকিউরিটি চেক হলো এবার বোর্ডিং। বোর্ডিংয়ের ঠিক আগে কোথা থেকে যেন কাস্টম এসে সামনে দাঁড়াল। বাবা জিজ্ঞেস করল কি ব্যাপার? আমরা একটু চেক করব। চেকতো আগেই করেছে, এখন আবার কি? ওটা ছিল সিকিউরিটি চেক আর আমরা করব ভিন্ন চেক। আচ্ছা ঠিক আছে কর। প্রথমেই মায়ের হাতের ব্যগ। খুলে দেখেই ঠিক ওই ফ্লাক্স। ওটা হাতে নিয়ে নারা চারা করে আর জিজ্ঞেস করে এটায় কি? মা বলল কোলে বাচ্চা দেখছ না ওর দুধ। এ কথায় ওই কাস্টম খুশি হতে পারল না। তার পাশে দাঁড়ান বসের হাতে দিল। বসও একটু নারা চারা করে এদিক ওদিক ঘুড়িয়ে দেখে মার হাতে দিয়ে দিল।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;যাক এ যাত্রা বাচা গেল। প্লেনে উঠে বসলাম। আড়াই ঘন্টার পথ ঘুড়ে কলম্বো হয়ে সাড়ে ছয় ঘন্টায় ১৯৭১ সালের ১১ জুলাই ঢাকা এয়ারপোর্টে নামার আগে প্লেনের জানালা দিয়ে দেখি নিচে পাকি সৈন্যরা নানান ভঙ্গিতে নানান অস্ত্র নিয়ে রানওয়ে ঘিরে রেখেছে। প্লেন ল্যান্ড করার পর ভিতরে এসে দেখি মিলিটারি গিজ গিজ করছে।  আর সব কিছুই নিরাপদে পেরিয়ে এসে আবার সেই কাস্টম এবং সেই মায়ের ব্যাগের ফ্লাক্স। এখানেও এক নজর দেখেই ফেরত দিয়ে চক দিয়ে লাগেজে ওকে চিহ্ন দিয়ে দিল। আমরা বের হয়ে দেখি বাইরে মেঝ মামা অপেক্ষা করছেন। মালামাল নিয়ে মামার গাড়িতে উঠিয়ে চলে এলাম মামার ধানমন্ডির বাসায়। ওখানে দুই তিন দিন থেকে একেবারে গ্রামের বাড়ি।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;(এর পরের কাহিনী ভিন্ন উপন্যাসে বিস্তারিত লিখেছি বলে এখানে আর লিখলাম না।)&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/6206436569761013193-6729154469001518187?l=smritikona.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://smritikona.blogspot.com/feeds/6729154469001518187/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://smritikona.blogspot.com/2011/04/blog-post.html#comment-form' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6206436569761013193/posts/default/6729154469001518187'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6206436569761013193/posts/default/6729154469001518187'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://smritikona.blogspot.com/2011/04/blog-post.html' title='আমার দেখা একাত্তরের কয়েক দিন'/><author><name>নীল নক্ষত্র</name><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='30' height='32' src='http://4.bp.blogspot.com/-bVx-BtBxn3k/TbL1fBUvgTI/AAAAAAAAAUo/nwp3Imj3g5M/s220/Amar%2Bblog%2Bicon.jpg'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-6206436569761013193.post-3826336593833457509</id><published>2011-03-28T16:45:00.000+06:00</published><updated>2011-03-28T16:45:25.217+06:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='poems'/><title type='text'>শ্রান্ত নিশি</title><content type='html'>পৃথিবীকে ঢেকে দেয় আধার আঁচলে&lt;br /&gt;নীলাকাশ সাজে প্রিয়তমার কাজলে।&lt;br /&gt;বিষন্ন মলিন জোনাকী নিভু নিভু ক্লান্ত&lt;br /&gt;শত কোটি নক্ষত্র উজ্জ্বল অনন্ত।&lt;br /&gt;দীপ জ্বালে তারা শত সহস্র&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;নগরীর বুকে জ্বলে দীপ্তি শিখা অজস্র,&lt;br /&gt;ঝিলিমিলি রঙ ছড়িয়ে নিশি শ্রান্ত&lt;br /&gt;মধুর বিধুর চিত্রে জনতা দিক ভ্রান্ত।&lt;br /&gt;মায়াবী সাঁঝে কোলাহলে ভাসে মহাবিশ্ব&lt;br /&gt;আবেশে বিভোর থাকে ধুম কেতু শিষ্য।&lt;br /&gt;মরীচিকা অনামিকা রূপসী হয় জীবন্ত&lt;br /&gt;কুহেলিকা রাজপথ মাড়িয়ে চলে পান্থ।&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/6206436569761013193-3826336593833457509?l=smritikona.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://smritikona.blogspot.com/feeds/3826336593833457509/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://smritikona.blogspot.com/2011/03/blog-post_28.html#comment-form' title='1 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6206436569761013193/posts/default/3826336593833457509'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6206436569761013193/posts/default/3826336593833457509'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://smritikona.blogspot.com/2011/03/blog-post_28.html' title='শ্রান্ত নিশি'/><author><name>নীল নক্ষত্র</name><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='30' height='32' src='http://4.bp.blogspot.com/-bVx-BtBxn3k/TbL1fBUvgTI/AAAAAAAAAUo/nwp3Imj3g5M/s220/Amar%2Bblog%2Bicon.jpg'/></author><thr:total>1</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-6206436569761013193.post-4543289348263616536</id><published>2011-03-26T08:33:00.001+06:00</published><updated>2011-03-26T10:44:56.095+06:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='Swadhinota'/><title type='text'>স্বাধীনতা  সরোবর</title><content type='html'>&lt;div class="separator" style="clear: both; text-align: center;"&gt;&lt;a href="http://4.bp.blogspot.com/-1s6mMU4G9-k/TY1QNnb-vcI/AAAAAAAAAUU/sESevZpw-wI/s1600/Prokriti%2B%252824%2529.JPG" imageanchor="1" style="margin-left:1em; margin-right:1em"&gt;&lt;img border="0" height="238" width="320" src="http://4.bp.blogspot.com/-1s6mMU4G9-k/TY1QNnb-vcI/AAAAAAAAAUU/sESevZpw-wI/s320/Prokriti%2B%252824%2529.JPG" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;b&gt;বাংলার রূপ&lt;/b&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;মেঘনা যমুনা পদ্মার সঙ্গমে&lt;br /&gt;দেখেছি বাংলার রূপ&lt;br /&gt;নীল শাড়ী পরা গায়ের বধু&lt;br /&gt;জ্বালায় সুগন্ধি ধূপ&lt;br /&gt;সাঁঝের বেলা দেখো মাটির ঘরে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;মেঘনা নদীর মোহনায় দুপুরে&lt;br /&gt;রেখেছে ঘিরে বালুচরে মেঘের ছায়ায়&lt;br /&gt;ঢেউ জাগে ঝিকিমিকি উত্তাল সাগরে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;এখানে পাখি ডাকে নদীর তীরে&lt;br /&gt;দামাল ছেলে মাখে পথের ধুলা&lt;br /&gt;সাম্পান মাঝী গান গেয়ে ভীড়ে&lt;br /&gt;কভু যায় কি তাকে ভুলা।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;নীলিমা সুদূর সীমানায়&lt;br /&gt;সোনালী সূর্য উকি দেয়&lt;br /&gt;রাঙ্গা মাটির ওই পাহাড়ে&lt;br /&gt;কত না হাজার ফুল ফুটে থাকে আহারে।।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;div class="separator" style="clear: both; text-align: center;"&gt;&lt;a href="http://4.bp.blogspot.com/--JFBLZXpSCU/TY1PkfJXuFI/AAAAAAAAAUM/V6HCHa9yFrY/s1600/IMAG0485%2B-%2BCopy.JPG" imageanchor="1" style="margin-left:1em; margin-right:1em"&gt;&lt;img border="0" height="240" width="320" src="http://4.bp.blogspot.com/--JFBLZXpSCU/TY1PkfJXuFI/AAAAAAAAAUM/V6HCHa9yFrY/s320/IMAG0485%2B-%2BCopy.JPG" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;b&gt;এই তো আমার বাংলা&lt;/b&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;বাংলার রূপ আমি খুজে পেয়েছি&lt;br /&gt;চোখ জুড়ানো সবুজ বনে&lt;br /&gt;স্বর্ণলতা দোলে কুঞ্জবনে পাখির গানে&lt;br /&gt;প্রভাতে সুর্য উঠে গায়ের বাঁকে রক্ত লাল।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;বটের ছায়ায় রাখালি বাশী বাজে ওই দূরে&lt;br /&gt;জীবন পেয়েছি গানের সুরে&lt;br /&gt;নদীর বাঁকে ভেসে যায় মাঝি তুলে পাল।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;চৈতি দুপুরে চাতক পাখি&lt;br /&gt;গগনে চেয়ে থাকে মেলে আখি&lt;br /&gt;কল্পনা জাল বুনে গায়ের বধু&lt;br /&gt;আখির কোনে লয়ে হৃদয় মধু।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;মেঠো পথের পাড়ে নীলিমার প্রান্ত ছুয়ে&lt;br /&gt;সবুজ বনানী থাকে আকাশ পানে চেয়ে&lt;br /&gt;চঞ্চল বসন্ত ছড়ায় শিমুল পলাশের লাল।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;div class="separator" style="clear: both; text-align: center;"&gt;&lt;a href="http://2.bp.blogspot.com/-Qudz9QB_pnQ/TY1OfKzWH1I/AAAAAAAAAUE/AO7bI0uc4c8/s1600/Ei%2Bamar%2Bdesh.JPG" imageanchor="1" style="margin-left:1em; margin-right:1em"&gt;&lt;img border="0" height="240" width="320" src="http://2.bp.blogspot.com/-Qudz9QB_pnQ/TY1OfKzWH1I/AAAAAAAAAUE/AO7bI0uc4c8/s320/Ei%2Bamar%2Bdesh.JPG" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;b&gt;শ্বেতপদ্ম&lt;/b&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;নিশিদিন পরে মনে&lt;br /&gt;তাল নারকেল সুপারি বনে&lt;br /&gt;অনুরাগে ডাকে আকাশ ধরনী&lt;br /&gt;হেমন্ত ছড়ায় শিশির মাখা চাঁদনী&lt;br /&gt;দিঘীর জলে ঝিকিমিকি ঢেউ করে ছোটাছুটি।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;সারিতে সাজানো আমড়া পেয়ারা মটর সুটি&lt;br /&gt;আল ধরে চলে ছোট্ট শিশু গুটিগুটি&lt;br /&gt;কোয়েলা কোকিলা কাজরী গায় শোনে বনানী&lt;br /&gt;কি মায়া ছড়ালো পাথের ধারে শিরিষ মেহগিনি।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;হর্তুকি হিজল হরিদ্রা বনের হাতছানি&lt;br /&gt;দেখে জুড়ায় আমার এ শূণ্য বুক খানি।&lt;br /&gt;জীবনটা হয় যেখানে শ্বেত পদ্ম কবিতা&lt;br /&gt;সে দেশের মাটি যে আমার মনমিতা।&lt;br /&gt;&lt;a imageanchor="1" target="_blank"  href="http://www.amazon.com/Kindle-Wireless-Reader-Wifi-Graphite/dp/B002Y27P3M?ie=UTF8&amp;tag=kamas-20&amp;link_code=bil&amp;camp=213689&amp;creative=392969"&gt;&lt;img alt="Kindle Wireless Reading Device, Wi-Fi, Graphite, 6&amp;#34; Display with New E Ink Pearl Technology" src="http://ws.amazon.com/widgets/q?MarketPlace=US&amp;ServiceVersion=20070822&amp;ID=AsinImage&amp;WS=1&amp;Format=_SL160_&amp;ASIN=B002Y27P3M&amp;tag=kamas-20" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;img src="http://www.assoc-amazon.com/e/ir?t=kamas-20&amp;l=bil&amp;camp=213689&amp;creative=392969&amp;o=1&amp;a=B002Y27P3M" width="1" height="1" border="0" alt="" style="border:none !important; margin:0px !important; padding: 0px !important" /&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/6206436569761013193-4543289348263616536?l=smritikona.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://smritikona.blogspot.com/feeds/4543289348263616536/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://smritikona.blogspot.com/2011/03/blog-post.html#comment-form' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6206436569761013193/posts/default/4543289348263616536'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6206436569761013193/posts/default/4543289348263616536'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://smritikona.blogspot.com/2011/03/blog-post.html' title='স্বাধীনতা  সরোবর'/><author><name>নীল নক্ষত্র</name><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='30' height='32' src='http://4.bp.blogspot.com/-bVx-BtBxn3k/TbL1fBUvgTI/AAAAAAAAAUo/nwp3Imj3g5M/s220/Amar%2Bblog%2Bicon.jpg'/></author><media:thumbnail xmlns:media='http://search.yahoo.com/mrss/' url='http://4.bp.blogspot.com/-1s6mMU4G9-k/TY1QNnb-vcI/AAAAAAAAAUU/sESevZpw-wI/s72-c/Prokriti%2B%252824%2529.JPG' height='72' width='72'/><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-6206436569761013193.post-2260762755051427784</id><published>2010-09-13T17:28:00.000+06:00</published><updated>2010-09-13T17:28:56.459+06:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='poems'/><title type='text'>নেই যেখানে ইতি</title><content type='html'>&lt;div class="separator" style="clear: both; text-align: center;"&gt;&lt;a href="http://2.bp.blogspot.com/_QBqxJNVAQsg/TI4KQXvMZPI/AAAAAAAAIVI/sCkvs9GCWbQ/s1600/IMAG0329+-+Copy.JPG" imageanchor="1" style="margin-left: 1em; margin-right: 1em;"&gt;&lt;img border="0" height="240" src="http://2.bp.blogspot.com/_QBqxJNVAQsg/TI4KQXvMZPI/AAAAAAAAIVI/sCkvs9GCWbQ/s320/IMAG0329+-+Copy.JPG" width="320" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp; [ছবি দুইটি আমার মেয়ের তোলা বিগত শীতে আমাদের গ্রাম]&lt;br /&gt;এখনও ইচ্ছে করে কোন পূর্ণিমা রাতে&lt;br /&gt;রবি ঠাকুরের জোসনা ভেজা পথে&lt;br /&gt;রজনী গন্ধ্যা সুবাস নিয়ে&lt;br /&gt;মানসীর স্বপ্ন রাঙ্গা হাতে হাত রেখে&lt;br /&gt;চলে যাই অনেক দূরে-&lt;br /&gt;যেখানে জল আসবে না চোখে&lt;br /&gt;আর থাকবে না সুকান্তর ঝলসানো রুটি।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;এখনও ইচ্ছে করে ঝর ঝর বাদল দিনে&lt;br /&gt;সুকুমার ছন্দে পায়ে পায়ে হারিয়ে যাই&lt;br /&gt;মেঠো পথ প্রান্তরে,&lt;br /&gt;নয়ত যেখানে থরে থরে সাজানো&lt;br /&gt;সরষে ফুলের পাশে হলুদ আঁচলে বিছানো মায়া ঘিরে&lt;br /&gt;জসিম উদ্দিনের মটর সুটি।&lt;br /&gt;&lt;div class="separator" style="clear: both; text-align: center;"&gt;&lt;a href="http://2.bp.blogspot.com/_QBqxJNVAQsg/TI4KXzi-G-I/AAAAAAAAIVQ/ARA7zj91_w8/s1600/IMAG0358+-+Copy.JPG" imageanchor="1" style="margin-left: 1em; margin-right: 1em;"&gt;&lt;img border="0" src="http://2.bp.blogspot.com/_QBqxJNVAQsg/TI4KXzi-G-I/AAAAAAAAIVQ/ARA7zj91_w8/s320/IMAG0358+-+Copy.JPG" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;br /&gt;এখনও ইচ্ছে করে শিমুল পলাশের ফাগ মেখে&lt;br /&gt;জোনাকী প্রদীপ হাতে নিয়ে বসন্ত রাতে&lt;br /&gt;জয়নুলের ছবি হয়ে&lt;br /&gt;জীবনান্দের ধানসিড়ি নদীর বুকে পাল তুলে&lt;br /&gt;স্বপ্নের দেশে যাই ছুটি।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;iframe align="left" frameborder="0" marginheight="0" marginwidth="0" scrolling="no" src="http://rcm.amazon.com/e/cm?t=kamas-20&amp;amp;o=1&amp;amp;p=8&amp;amp;l=bpl&amp;amp;asins=B002Y27P3M&amp;amp;fc1=000000&amp;amp;IS2=1&amp;amp;lt1=_blank&amp;amp;m=amazon&amp;amp;lc1=0000FF&amp;amp;bc1=000000&amp;amp;bg1=FFFFFF&amp;amp;f=ifr" style="height: 245px; padding-right: 10px; padding-top: 5px; width: 131px;"&gt;&lt;/iframe&gt;দূরন্ত ইচ্ছে গুলো রেখেছি বেধে।&lt;br /&gt;চক্ষুহীন ঘুণে ধরা সমাজে নিষেধের বেড়া&lt;br /&gt;ভেঙ্গে পারে না মেলতে ডানা দূর নীলিমায়,&lt;br /&gt;শুধু গুমরে ফিরে অন্ধ নীল কারাগারে।&lt;br /&gt;তাই ইচ্ছে করে শিকল ভেঙ্গে&lt;br /&gt;হৃদয় হীণ সমাজের অন্ধ শাসন ভেঙ্গে&lt;br /&gt;নজরুলের বিদ্রোহী আগুন জ্বেলে&lt;br /&gt;ছিনিয়ে আনি প্রিয়তমার&lt;br /&gt;মেহেদী রাঙ্গা হাত দুটি।।&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/6206436569761013193-2260762755051427784?l=smritikona.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://smritikona.blogspot.com/feeds/2260762755051427784/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://smritikona.blogspot.com/2010/09/blog-post_13.html#comment-form' title='2 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6206436569761013193/posts/default/2260762755051427784'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6206436569761013193/posts/default/2260762755051427784'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://smritikona.blogspot.com/2010/09/blog-post_13.html' title='নেই যেখানে ইতি'/><author><name>Smritikona</name><uri>http://www.blogger.com/profile/06924676430610821189</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='30' height='32' src='http://3.bp.blogspot.com/_QBqxJNVAQsg/S4nDcZMyGtI/AAAAAAAAH5o/BcbLKNpvnQk/S220/Snow+self-2.jpg'/></author><media:thumbnail xmlns:media='http://search.yahoo.com/mrss/' url='http://2.bp.blogspot.com/_QBqxJNVAQsg/TI4KQXvMZPI/AAAAAAAAIVI/sCkvs9GCWbQ/s72-c/IMAG0329+-+Copy.JPG' height='72' width='72'/><thr:total>2</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-6206436569761013193.post-4692952869648849615</id><published>2010-09-09T19:27:00.000+06:00</published><updated>2010-09-09T19:27:00.923+06:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='Festival'/><title type='text'>সে দিনের ঈদ গুলি</title><content type='html'>আমার ছেলেবেলার ঈদ নির্দিষ্ট কোন শহর বা এলাকায় কাটেনি। বাবা সরকারি চাকরি করতেন বলে তাকে বিভিন্ন সময় দেশে বিদেশের নানা যায়গায় থাকতে হয়েছে। এই সুবাদে মানিকগঞ্জের ঝিটকার পাশে আমাদের নিজ গ্রামে নিজ বংশের আত্মীয় স্বজনের সাথে এমনকি ধামরাইর পাশেই নানা বাড়িতেও কয়েক বার ঈদ করার সুযোগ পেয়েছি। এ সময়ে নামাজ সেরে ফেরার পথে পূর্ব পুরুষদের কবরের পাশে দাঁড়িয়ে কবর জিয়ারতের অভ্যেসটা তখন বাবার কাছেই শিখেছিলাম।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;iframe src="http://rcm.amazon.com/e/cm?t=kamas-20&amp;o=1&amp;p=8&amp;l=bpl&amp;asins=B00329CJ6Y&amp;fc1=000000&amp;IS2=1&amp;lt1=_blank&amp;m=amazon&amp;lc1=0000FF&amp;bc1=000000&amp;bg1=FFFFFF&amp;f=ifr" style="align:left;padding-top:5px;width:131px;height:245px;padding-right:10px;"align="left" scrolling="no" marginwidth="0" marginheight="0" frameborder="0"&gt;&lt;/iframe&gt;তখনকার ঈদ এবং আজকালের ঈদের মধ্যে কোথায় যেন একটু ভিন্নতা লক্ষ করি। তখন ছিল নিছক অনাবিল আনন্দের ঈদ আর আজকাল কেমন যেন পোশাকি একটা অনুষ্ঠানের মত মনে হয়। তখন আমরা যে আনন্দ পেয়েছি তা আজ কাল ছেলে মেয়েরা পায় কিনা বলতে পারব না। তবে এমনও হতে পারে যে আজকাল ঈদের বা অন্য যে কোন আনন্দের সঙ্গা ও বদলে গেছে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;তখন আমার বাবা এমন কোন চাকরী করতেন না যে তিনি প্রতি ঈদেই নতুন জামা কাপড় দিতে পেরেছেন। পুরনো যা আছে দেখেছি মা তাই সুন্দর করে ধুয়ে কয়লার ইস্ত্রি দিয়ে ইস্ত্রি করে তুলে রাখতেন নামাজ পরতে যাবার সময় গায়ে দেবার জন্য। এবং এ নিয়ে আমাদের কখনো মাথা ঘামাতে হবে এমন করে ভাবতে শিখিনি। শীত কালে ঈদ হলে সকালে ঘুম থেকে উঠে দেখতাম গোসলের জন্য মা পানি গরম করে রেখেছেন। আগেই কিনে আনা সুগন্ধি সাবান নিয়ে বাবা আমাদের ভাই বোনদের একে একে নিয়ে বাথ রুমে ঢুকতেন আর ডলে ডলে গরম পানি সুগন্ধি সাবান দিয়ে গোসল করিয়ে দিতেন। গোসল হলে মা আবার ওই সব কাপড় গায়ে দিয়ে আতর মেখে দিতেন। &lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ওই সময়ে আমাদের ঈদের আনন্দ শুরু হতো রোজার শুরু যেদিন হতো সে দিন থেকেই। বাড়িতে মায়ের কোন সাহায্যকারী ছিল না এমনকি আমার কোন বড় বোনও ছিল না তাই মাকে সাহায্য করতে হতো আমাকেই। অন্যান্য ভাই বোনেরা বেশ ছোটই ছিল। পেয়াজ রসুন ছেলা বা এটা ওটা ধুয়ে দেয়ার কাজটা আমি বেশ আগ্রহ নিয়েই করে দিতাম।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;তখন আবার এখনকার মত চাকুরী জীবী দের উত্সব ভাতা বলে কিছু ছিল না যা দিয়ে ঈদের বাড়তি খরচ মেটাতে পারতেন। তখন যা পেতেন তা হচ্ছে যে মাসে ঈদ হচ্ছে সেই মাসের বা তার পরের মাসের অগ্রীম বেতন। যাই হোক বাবাকে দেখেছি যে বছর আমাদের জন্য নতুন জামা জুতা কিনবেন তখন দাম বেড়ে যাবার আগেই রোজার শুরুতে আমাদের সাথে নিয়ে বাজার থেকে কাপড় কিনে আনতেন আর তাই কেটে মা নিজে সেলাই করে নিতেন। মেশিনে সুতা লাগিয়ে দেয়া বা কোন সেলাই ভুল হলে তা খুলে দেয়ার কাজটা মা আমাকে দিয়েই করাতেন। ফলে যা হবার তাই হোল। আমি নিজেও এক সময় মার মত কেমন করে যেন কাপড় চোপর কাটি কুটি থেকে সেলাই করা সব শিখে ফেললাম। মা যখন ফিতা ধরে গায়ের মাপ নিতেন তখন থেকেই নতুন কাপড়ের গন্ধ মাখা একটা রোমাঞ্চ অনুভব করেছি। আবার কিছুটা সেলাই করে গায়ের সাথে মিলিয়ে মা দেখে নিতেন সেই তখন থেকেই অস্থিরতায় থাকতাম কখন সেলাই শেষ হয়ে জামাটা আমার গায়ে লেগে যাবে। যে দিন মায়ের সেলাই, বোতাম লাগান, বোতামের ঘর কাটা সব শেষ করে গায়ে দিয়ে পরখ করতেন ইস তখন যে কি আনন্দ পেতাম তা আজ এই বার্ধক্যের প্রথম প্রান্তে এসে এখনও ভুলতে পারি না। সেলাইর প্রতিটা ফোঁড়ে মায়ের স্নেহ আর যত্নের ছোঁয়ার কি কোন তুলনা হয়? মায়ের নিজে সদ্য তৈরী করা জামা বা প্যান্ট ঠিক ভাবে গায়ে লেগে গেছে দেখে মায়ের মুখের মধুর তৃপ্তি মাখা মৃদু হাসিটা আজও ভুলতে পারি না। &lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;iframe src="http://rcm.amazon.com/e/cm?t=kamas-20&amp;o=1&amp;p=8&amp;l=bpl&amp;asins=B001OMCTR0&amp;fc1=000000&amp;IS2=1&amp;lt1=_blank&amp;m=amazon&amp;lc1=0000FF&amp;bc1=000000&amp;bg1=FFFFFF&amp;f=ifr" style="align:left;padding-top:5px;width:131px;height:245px;padding-right:10px;"align="left" scrolling="no" marginwidth="0" marginheight="0" frameborder="0"&gt;&lt;/iframe&gt;মার ঐ শিক্ষা থেকে আমিও আমার মেয়েদের জন্য এই ব্যবস্থা করেছি। আমার স্ত্রীও এমনি করে নিজের সন্তানদের জন্য নিজে হাতে পোষাক বানিয়ে দিত যখন ওরা ছোট ছিল। কাপড় সেলাই হলে তাতে নানা রকম হাতে কাজ করা এমব্রয়ডারি বা ফেব্রিক পেইন্ট দিয়ে আবার এক ধাপ সাজ সজ্জা দেখতে বেশ লাগত। সেই রেশ ধরে আমার মেয়েরা সেদিন বলছিল আব্বু যতই যা কিনে দাও না কেন সেই যে তুমি আর মা মিলে আমাদের জামা কাপড় বানিয়ে দিতে সে গুলি গায়ে দিয়ে যে আনন্দ পেতাম আজকাল এত দামের এই সব কাপড় গায়ে দিয়েও আর তেমন আনন্দ লাগে না। মেঝ মেয়ের এই কথা শুনে বড় এবং ছোট মেয়ে এক সাথে তাল মিলিয়ে বলে উঠেছিল হ্যা আব্বু মেঝ ঠিক বলেছে!! শুনে কেন যেন আমার চোখ দুটি ভিজে এসেছিল সাথে সাথে ওদের তিন বোনকেই বুকে জড়িয়ে নিয়েছিলাম। &lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আজকাল দেখি যুগের পরিবর্তনে বাবা মা ছেলে মেয়েদের সাথে নিয়ে তৈরী পোষাকের দোকান ঘুরে ঘুরে নামি দামি কোম্পানির লেবেল আটা পছন্দের কাপড় বেছে চড়া দামে কিনছে। এতে আর যাই হোক মায়ের ছোয়া মাখা মমতার স্পর্শ কি পায় আজকের এই ছেলে মেয়েরা?আনন্দের প্রথম পশলার ঘাটতি তো এখানেই থেকে যাচ্ছে। এ কথা ভাবার সুযোগ কি হয় যে ঈদের আনন্দের প্রথম অনুভব মায়ের স্পর্শ আমার সাথেই আমার গায়ে লেগে রয়েছে?নাকি দামী ফ্যাশন কোম্পানির লেবেল লাগানো পোষাক মায়ের বিকল্প স্বাদ দিতে পেরেছে জানি না।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;এর পর আসছি খাবার দাবারে। রোজার শুরু থেকেই মাকে দেখতাম সামান্য একটু করে ময়দা মেখে হাতে নিয়ে চিমটি কেটে দুই আঙ্গুলে ডলে জিরার আকারে এক রকম সেমাই বানাতেন আমাদের মানিকগঞ্জের ভাষায় এই সেমাইর নাম যব দানা। অবসরে বেশ কয়েক দিন ধরে বানিয়ে জমা করে রোদে শুকিয়ে কাচের বয়াম ভরে রেখে দিতেন। ঈদের দিন সকালে এই যব দানা ঘিয়ে একটু ভেজে সেমাইর মত কি করে যেন রান্না করতেন আমার খুবই প্রিয় সেমাই ছিল এটা। সারা রোজা ভরে পাড়া প্রতিবেশীদের বাড়িতে ইফতার বিলি করতেন আর সেই ইফতার সাজান খঞ্চা বা ট্রে সুন্দর করে মায়ের হাতে কাজ করা একটা পর্দা দিয়ে ঢেকে আমার হাতে দিয়ে বলে দিতেন যা এটা ওদের বাড়ি দিয়ে আয়। এ ভাবে এক এক করে এলাকার প্রতিটা বাড়িতেই দেয়া হতো। মাঝে মাঝে এর মধ্যে আমার বিশেষ বন্ধুর বাড়িতে একটু  আগে বা একটু বিশেষ আয়োজন করে দেয়ার জন্য আমি আবার বায়না ধরতাম। আবার ওই সব বাড়ি থেকেও একেক দিন বা কোন দিন এক সাথে কয়েক বাড়ি থেকেও ইফতার আসত।&lt;br /&gt;আবার বাবার কলিগ বা বন্ধুদের বাবা ইফতার করার জন্য দাওয়াত করতেন তাদের বাড়ি যেতাম। আমাদের বাসায় ও তারা আসতেন। এই দিন গুলিতে ছিল আনন্দের আর এক মাত্রা। তবে একটু দূরে কোথাও হলে তারাবীর নামাজে উপস্থিত থাকতে পারবেন না বলে বাবা দূরে কোথাও যেতে চাইতেন না। &lt;br /&gt;&lt;br /&gt;রোজার শেষ দিনে ইফতারি করেই বের হতাম বাসার বাইরে বন্ধুদের সাথে চাঁদ দেখতে। চাঁদ দেখা গেলে সে কি আনন্দ চিতকার উল্লাস! চিতকার করতে করতেই বাসায় আসতাম, “মা মা চাঁদ দেখেছি, কাল ঈদ হবে” কই দেখি বলে মা বাবাও বের হতেন। চাঁদ দেখেই বাবা ব্যাগ নিয়ে বের হতেন বাজারে যাবার সময় সাথে আমার হাত ধরে নিয়ে যেতেন। মাংশ, চাউল, সেমাই, বাদাম ইত্যাদি নানা কিছু যা যা মা একটা লিস্টে লিখে দিয়েছেন তাই দেখে লিস্টের সাথে মিলিয়ে বাবা এক এক করে কিনে নিতেন। ফিরে এসে দেখতাম সারা মহল্লায় মশলা বাটার ধুম। তখন আবার এখনকার মত ঘরে ঘরে ফ্রিজ নামক ঠান্ডা আলমারি ছিল না। আদা, রসুন সহ নানা মশলার গন্ধে বাসায় ঈদ শুরু হয়ে যেত তখন থেকেই। অনেক রাত অবধি মা নানা পদ রান্না করে রাখতেন। আমিও পাশে বসে থাকতাম। মা কে এটা ওটা এগিয়ে দিতাম কিংবা অন্তত ছোট ভাই বোনকে সামলাতাম। রান্নার মাঝে একটা চামচে করে একটু ঝোল বা মাংশের টুকরা উঠিয়ে আমার দিকে বারিয়ে দিতেন, দেখতো লবন হয়েছে না কি? সে যে কি আনন্দ তা কি আর শুধু ভাষায় প্রকাশ করা যায়? এ যে শুধুই অনুভবের, একান্ত হৃদয়ের গভীরের অনুভুতি। মায়ের হাস্যোজ্জ্বল মুখে বিন্দু বিন্দু ঘামের ঝিলি মিলি কি আর কিছুতে পাওয়া যায়? সে যে এক স্বর্গীয় আনন্দ।&lt;br /&gt;ঈদের সকালে সেমাই, ক্ষীর বা পায়েস বা ফিরনি আর গোরুর মাংস এবং খিচুড়ি। নামাজ পরে এসে দেখতাম মা সব রান্না বান্না শেষ করে গোসল করে নতুন শাড়ী থাকলে তাই পরে থাকতেন। এসেই আগে মায়ের পা ছুঁয়ে সালাম করে বাবাকে সালাম করতাম পরে বাবার সাথে ভাইয়ের সাথে কোলা কুলি। এবার বাবা কিছু টাকা দিতেন সারা দিন ধরে ইচ্ছে মত খরচ করার জন্য। নামাজের মাঠে সবার সাথেই কোলাকুলি করে এসেছি। &lt;br /&gt;&lt;br /&gt;নামাজ সেরে এসে আবার পোলাও মাংশ এবং কোর্মা খেয়ে বের হতাম। মহল্লায় সব বাসায় চাচীদেরকে সালাম করতে গিয়ে সেখানেও কিছু খেতে হতো। সারাটা দিনই বন্ধুদের সাথে ঘোরাঘুরি এটা ওটা দেখা। দিনের শেষে ক্লান্ত হয়ে চোখে ঘুমের রেশ নিয়ে বাসায় ফিরে এলে মায়ের এক পশলা মিষ্টি বকুনি হজম করে বাথরুমে ভরা বালতিতে দাঁড়িয়ে হাত মুখ ধুয়ে এসে মায়ের আচল দিয়ে হাত মুখ মুছতাম। মা আবার আর এক দফা বকে রাতের খাবার আয়োজন করতেন। রাতে সাধারনত বিরিয়ানি হতো।  এই ছিল আমাদের বাড়ির ঈদের খাবারের রেওয়াজ যা এখনো আমার স্ত্রী টিকিয়ে রেখেছেন।&lt;br /&gt;সারা দিন বাসায় কে এলো বা মা বাবা কোথায় গেছেন কিছুই জানতাম না। বাবা, ছোট ভাই বোন সবাই মিলে খেয়ে দেয়ে সাথে সাথেই এত কাঙ্খিত মহা আনন্দের ঈদের সমাপ্তি ঘটিয়ে বিছানায় শুয়ে পরতাম। সারা দিনের ফিরিস্তি ভাবতে ভাবতে কখন যে ঘুমিয়ে পরতাম কিছুই টের পেতাম না।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আজ এই জীবন সায়াহ্নে এসে ভাবি আহা অমন ঈদ যদি আমাদের ছেলে মেয়েরা দেখতে পেত!!&lt;br /&gt;জীবনে যে কত দেশের কত শহরে ঈদ করেছি সে অনেকের কাছে বিস্ময় বলে মনে হবে। এর মধ্যে একটা মজার ঘটনা বলি। ঈদের আগের দিন জাহাজ দুবাই এসেছে, দুবাই সমুদ্র বন্দরের গেটের বাইরে এসে দেখি কাছেই ঈদ গাহ। বন্ধুরা সিদ্ধান্ত নিলাম কাল তা হলে এখানে ঈদের নামাজ পড়ব। সকালে উঠে যথারীতি গোসল করে কাপড় চোপর পরে চলে এলাম মাঠে কিন্তু কোন প্রাণীর চিহ্ন নেই, নেই, নেই। কি ব্যাপার? অনেকক্ষণ দাঁড়িয়ে থেকে মহসীন বলল চল গেটের সিকিউরিটিকে জিজ্ঞেস করে দেখি কখন জামাত হবে। সিকিউরিটি বির দর্পে জানাল আরে তোমরা কোন দেশ থেকে এসেছ? জামাত তো ফজরের নামাজের পরেই হয়ে গেছে এখানে ঈদের নামাজ পড়তে চাইলে কোরবানির ঈদ পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে যাও যাও জাহাজে ফিরে যাও। সবাই মনে একটু দুঃখ নিয়ে জাহাজে ফিরে এসেছিলাম। এছাড়া করাচী, বাহরাইন, ইরান, অক্সফোর্ড, গ্লস্টার, বার্মিংহাম, লেস্টার, লন্ডন, কার্ডিফ, নিউক্যাসেল, চট্টগ্রাম, খুলনা, মংলা, ঢাকা অন্তত এই শহর গুলিতে ঈদ করেছি বলে মনে পরছে। এবার প্রায় ১০ বছর পর আবার ঢাকায় ঈদ করব ইনশাল্লাহ.&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/6206436569761013193-4692952869648849615?l=smritikona.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://smritikona.blogspot.com/feeds/4692952869648849615/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://smritikona.blogspot.com/2010/09/blog-post.html#comment-form' title='2 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6206436569761013193/posts/default/4692952869648849615'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6206436569761013193/posts/default/4692952869648849615'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://smritikona.blogspot.com/2010/09/blog-post.html' title='সে দিনের ঈদ গুলি'/><author><name>Smritikona</name><uri>http://www.blogger.com/profile/06924676430610821189</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='30' height='32' src='http://3.bp.blogspot.com/_QBqxJNVAQsg/S4nDcZMyGtI/AAAAAAAAH5o/BcbLKNpvnQk/S220/Snow+self-2.jpg'/></author><thr:total>2</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-6206436569761013193.post-8565362268527220517</id><published>2010-07-16T10:53:00.000+06:00</published><updated>2010-07-16T10:53:14.529+06:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='Songs'/><title type='text'>আমার গানের মালা-৩/পল্লী গীতি</title><content type='html'>&lt;i&gt;&lt;b&gt;পল্লী গিতি&lt;/b&gt;&lt;br /&gt;সুর ও কন্ঠঃ খন্দকার মনসুর আহমেদ&lt;br /&gt;তালঃ কাহারবা&lt;br /&gt;&lt;/i&gt;&lt;br /&gt;&lt;iframe src="http://rcm.amazon.com/e/cm?t=kamas-20&amp;o=1&amp;p=8&amp;l=bpl&amp;asins=B002PAR0AQ&amp;fc1=000000&amp;IS2=1&amp;lt1=_blank&amp;m=amazon&amp;lc1=0000FF&amp;bc1=000000&amp;bg1=FFFFFF&amp;f=ifr" style="align:left;padding-top:5px;width:131px;height:245px;padding-right:10px;"align="left" scrolling="no" marginwidth="0" marginheight="0" frameborder="0"&gt;&lt;/iframe&gt;কও নারে মন মেঘের দিনে&lt;br /&gt;শাওন রাইতে গহিন বনে&lt;br /&gt;তারে আমি কোথায় খুঁইজা পাই।।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;সে যে আর আসে না ঘরে আমার&lt;br /&gt;মন যে কেমন করে&lt;br /&gt;কোথায় তারে খুঁইজা বেড়াই&lt;br /&gt;কেমনে তারে দেখা পাই।।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;গেল বারে কইল মোরে&lt;br /&gt;আসবে ফাগুন মাসে&lt;br /&gt;যে ফাগুনে বসবে মেলা&lt;br /&gt;আমার বাড়ির পাশে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;শাওনের ওই মেঘের মত&lt;br /&gt;আমার আউলা হইল ভাবনা যত&lt;br /&gt;আইসা মনে ধরে সখী&lt;br /&gt;কও না করি কি উপায়।।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;b&gt;&lt;a href="http://www.muziboo.com/neelnokkhotro/music/polleegeeti/"&gt;আপলোড করা গানটি এখানে ক্লিক করে শোনা যাবে।&lt;/a&gt;&lt;/b&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/6206436569761013193-8565362268527220517?l=smritikona.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://smritikona.blogspot.com/feeds/8565362268527220517/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://smritikona.blogspot.com/2010/07/blog-post_16.html#comment-form' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6206436569761013193/posts/default/8565362268527220517'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6206436569761013193/posts/default/8565362268527220517'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://smritikona.blogspot.com/2010/07/blog-post_16.html' title='আমার গানের মালা-৩/পল্লী গীতি'/><author><name>নীল নক্ষত্র</name><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='30' height='32' src='http://4.bp.blogspot.com/-bVx-BtBxn3k/TbL1fBUvgTI/AAAAAAAAAUo/nwp3Imj3g5M/s220/Amar%2Bblog%2Bicon.jpg'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-6206436569761013193.post-8079064267273080176</id><published>2010-07-10T15:32:00.004+06:00</published><updated>2010-07-10T15:54:19.754+06:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='Songs'/><title type='text'>আমার গানের মালা-২</title><content type='html'>&lt;meta content="text/html; charset=utf-8" http-equiv="Content-Type"&gt;&lt;/meta&gt;&lt;meta content="Word.Document" name="ProgId"&gt;&lt;/meta&gt;&lt;meta content="Microsoft Word 11" name="Generator"&gt;&lt;/meta&gt;&lt;meta content="Microsoft Word 11" name="Originator"&gt;&lt;/meta&gt;&lt;link href="file:///C:%5CUsers%5CHOME%5CAppData%5CLocal%5CTemp%5Cmsohtml1%5C01%5Cclip_filelist.xml" rel="File-List"&gt;&lt;/link&gt;&lt;style&gt;&lt;!-- /* Font Definitions */ @font-face	{font-family:Vrinda;	panose-1:1 1 6 0 1 1 1 1 1 1;	mso-font-charset:0;	mso-generic-font-family:auto;	mso-font-pitch:variable;	mso-font-signature:65539 0 0 0 1 0;}@font-face	{font-family:Calibri;	panose-1:2 15 5 2 2 2 4 3 2 4;	mso-font-charset:0;	mso-generic-font-family:swiss;	mso-font-pitch:variable;	mso-font-signature:-1610611985 1073750139 0 0 159 0;} /* Style Definitions */ p.MsoNormal, li.MsoNormal, div.MsoNormal	{mso-style-parent:"";	margin-top:0cm;	margin-right:0cm;	margin-bottom:10.0pt;	margin-left:0cm;	line-height:115%;	mso-pagination:widow-orphan;	font-size:11.0pt;	font-family:Calibri;	mso-fareast-font-family:"Times New Roman";	mso-bidi-font-family:Vrinda;	mso-fareast-language:EN-US;}@page Section1	{size:612.0pt 792.0pt;	margin:72.0pt 90.0pt 72.0pt 90.0pt;	mso-header-margin:36.0pt;	mso-footer-margin:36.0pt;	mso-paper-source:0;}div.Section1	{page:Section1;}--&gt;&lt;/style&gt;  &lt;br /&gt;&lt;div class="MsoNormal"&gt;&lt;b&gt;&lt;span lang="EN-US" style="font-family: Vrinda; font-size: 14pt; line-height: 115%;"&gt;&lt;iframe align="left" frameborder="0" marginheight="0" marginwidth="0" scrolling="no" src="http://rcm.amazon.com/e/cm?t=kamas-20&amp;amp;o=1&amp;amp;p=8&amp;amp;l=bpl&amp;amp;asins=B002VPE1B6&amp;amp;fc1=000000&amp;amp;IS2=1&amp;amp;lt1=_blank&amp;amp;m=amazon&amp;amp;lc1=0000FF&amp;amp;bc1=000000&amp;amp;bg1=FFFFFF&amp;amp;f=ifr" style="height: 245px; padding-right: 10px; padding-top: 5px; width: 131px;"&gt;&lt;/iframe&gt;চাদ জেগে ছিল&lt;/span&gt;&lt;/b&gt;&lt;/div&gt;&lt;div class="MsoNormal"&gt;&lt;b&gt;&lt;span lang="EN-US" style="font-family: Vrinda; font-size: 14pt; line-height: 115%;"&gt;সুর এবং কণ্ঠঃ শতদল হালদার &lt;/span&gt;&lt;/b&gt;&lt;/div&gt;&lt;div class="MsoNormal"&gt;&lt;b&gt;&lt;span lang="EN-US" style="font-family: Vrinda; font-size: 14pt; line-height: 115%;"&gt;তালঃ কাহারবা&lt;o:p&gt;&lt;/o:p&gt;&lt;/span&gt;&lt;/b&gt;&lt;/div&gt;&lt;br /&gt;চাঁদ জেগে ছিল দ্বীপ জ্বেলেছিল তারা&lt;br /&gt;আমিও ছিলাম সাথে বসে তন্দ্রা হারা&lt;br /&gt;প্রেমের গান গেয়ে তোমার পথ চেয়ে।।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;নিভে যাওয়া দিনের শেষে সাগর তীরে&lt;br /&gt;গানের সুর  গিয়েছি ভুলে কথার ভিড়ে&lt;br /&gt;হৃদয়ে জেগেছিল ঢেউ তোমায় পেয়ে।।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;মিছে কেন খুঁজে এই চঞ্চল মন&lt;br /&gt;আবার আসবে কখন সেই মধু ক্ষণ&lt;br /&gt;অন্ত বিহীন ভালবাসার সিঁড়ি বেয়ে।।&lt;br /&gt;&lt;span lang="EN-US" style="font-family: Vrinda; font-size: 14pt; line-height: 115%;"&gt;&lt;o:p&gt;&lt;/o:p&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;div class="MsoNormal"&gt;&lt;b&gt;&lt;span style="font-family: Vrinda; font-size: 14pt; line-height: 115%;"&gt;&lt;o:p&gt;&lt;a href="http://www.muziboo.com/neelnokkhotro/music/adhunik-2/"&gt;আপলোড করা গানটি এখানে ক্লিক করে শুনতে পাবেন&lt;/a&gt; &lt;/o:p&gt;&lt;/span&gt;&lt;/b&gt;&lt;/div&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/6206436569761013193-8079064267273080176?l=smritikona.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://smritikona.blogspot.com/feeds/8079064267273080176/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://smritikona.blogspot.com/2010/07/blog-post_10.html#comment-form' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6206436569761013193/posts/default/8079064267273080176'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6206436569761013193/posts/default/8079064267273080176'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://smritikona.blogspot.com/2010/07/blog-post_10.html' title='আমার গানের মালা-২'/><author><name>Smritikona</name><uri>http://www.blogger.com/profile/06924676430610821189</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='30' height='32' src='http://3.bp.blogspot.com/_QBqxJNVAQsg/S4nDcZMyGtI/AAAAAAAAH5o/BcbLKNpvnQk/S220/Snow+self-2.jpg'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-6206436569761013193.post-3224053390352408131</id><published>2010-07-08T15:33:00.003+06:00</published><updated>2010-07-08T15:33:10.676+06:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='Songs'/><title type='text'>আমার গানের মালা-১</title><content type='html'>&lt;meta content="text/html; charset=utf-8" http-equiv="Content-Type"&gt;&lt;/meta&gt;&lt;meta content="Word.Document" name="ProgId"&gt;&lt;/meta&gt;&lt;meta content="Microsoft Word 11" name="Generator"&gt;&lt;/meta&gt;&lt;meta content="Microsoft Word 11" name="Originator"&gt;&lt;/meta&gt;&lt;link href="file:///C:%5CUsers%5CHOME%5CAppData%5CLocal%5CTemp%5Cmsohtml1%5C04%5Cclip_filelist.xml" rel="File-List"&gt;&lt;/link&gt;&lt;style&gt;&lt;!-- /* Font Definitions */ @font-face	{font-family:Vrinda;	panose-1:1 1 6 0 1 1 1 1 1 1;	mso-font-charset:0;	mso-generic-font-family:auto;	mso-font-pitch:variable;	mso-font-signature:65539 0 0 0 1 0;} /* Style Definitions */ p.MsoNormal, li.MsoNormal, div.MsoNormal	{mso-style-parent:"";	margin:0cm;	margin-bottom:.0001pt;	mso-pagination:widow-orphan;	font-size:12.0pt;	font-family:"Times New Roman";	mso-fareast-font-family:"Times New Roman";}@page Section1	{size:595.3pt 841.9pt;	margin:72.0pt 90.0pt 72.0pt 90.0pt;	mso-header-margin:35.4pt;	mso-footer-margin:35.4pt;	mso-paper-source:0;}div.Section1	{page:Section1;} &lt;/style&gt;&lt;div class="MsoNormal"&gt;&lt;span lang="EN-US" style="font-family: Vrinda;"&gt;সুপ্রিয় পাঠক পাঠিকাদের কাছে আজ “আমার গানের মালা নামে” এই ধারাবাহিক গানেরপোস্টিং শুরু করতে যাচ্ছি জানি না কার কাছে কেমন লাগবে। অনেক দিন আগে নিতান্তখেয়ালের বসে এই গানের কথাগুলি লিখেছিলাম। ঠিক আমার মত করেই আমার এক খেয়ালি মনেরবন্ধু এই লেখা দেখে মনে মনে কি যেন ভাবত আর গুন গুন করত। প্রথমে বুঝতে পারিনি। একদিন হঠাত করে ঝড়ের মত বাসায় ঢুকে বলল দেখি হারমোনিয়ামটা দেখি, বলে নিজেইহারমোনিয়াম টেনে নিয়ে গাইতে শুরু করে দিল। আমি হঠাত করেই আবিষ্কার করলাম এগুলিআমারই লেখা যা কিনা এত দিন খাতার সাদা কাগজে কালির আচড়ের মদ্ধ্যে সীমিত ছিল আজ যেনপ্রান পেয়ে শতদলের কণ্ঠে &amp;nbsp;&amp;nbsp;জেগে উঠেছে। নিজেরলেখা কিছু প্রলাপ এমন সুরের সাথে গাইছে শুনে কিছুটা অবাক মেশান আনন্দ পেলাম। সেইথেকে শূরু হল। &lt;o:p&gt;&lt;/o:p&gt;&lt;/span&gt;&lt;/div&gt;&lt;div class="MsoNormal"&gt;&lt;span lang="EN-US" style="font-family: Vrinda;"&gt;উপযুক্ত কোন বাদ্যযন্ত্র নেই, উপযুক্ত রেকর্ডিং ব্যবস্থা ছাড়া নিজের ঘরেবসে ক্যাসেট প্লেয়ার দিয়ে ধরে রাখলাম। এ যাবত একাই শুনেছি, কয়েক দিন থেকে ভাবছিলামএকা একা না শুনে সবাইকে নিয়ে শুনি। তাই সম্প্রতি ডিজিটাল ফর্মেটে রূপান্তর করেআপলোড করে আপনাদের কাছে পৌছে দিলাম। সবার ভাল লাগবে না জানি তবুও কার কেমন লেগেছেজানতে পেলে আনন্দের মাত্রাটা একটু স্বতস্ফুর্ত হবে আশা করি।&lt;o:p&gt;&lt;/o:p&gt;&lt;/span&gt;&lt;/div&gt;&lt;div class="MsoNormal"&gt;&lt;/div&gt;&lt;div class="MsoNormal"&gt;&lt;b&gt;&lt;span style="font-family: Vrinda; font-size: 14pt;"&gt;&lt;iframe align="left" frameborder="0" marginheight="0" marginwidth="0" scrolling="no" src="http://rcm.amazon.com/e/cm?t=kamas-20&amp;amp;o=1&amp;amp;p=8&amp;amp;l=bpl&amp;amp;asins=B0015T963C&amp;amp;fc1=000000&amp;amp;IS2=1&amp;amp;lt1=_blank&amp;amp;m=amazon&amp;amp;lc1=0000FF&amp;amp;bc1=000000&amp;amp;bg1=FFFFFF&amp;amp;f=ifr" style="height: 245px; padding-right: 10px; padding-top: 5px; width: 131px;"&gt;&lt;/iframe&gt;বৃষ্টির গান&lt;o:p&gt;&lt;/o:p&gt;&lt;/span&gt;&lt;/b&gt;&lt;/div&gt;&lt;div class="MsoNormal"&gt;&lt;i&gt;&lt;span style="font-family: Vrinda; font-size: 14pt;"&gt;কথাঃ নীল নক্ষত্র&lt;o:p&gt;&lt;/o:p&gt;&lt;/span&gt;&lt;/i&gt;&lt;/div&gt;&lt;div class="MsoNormal"&gt;&lt;i&gt;&lt;span style="font-family: Vrinda; font-size: 14pt;"&gt;সুর এবং কণ্ঠঃ শতদল হালদার&lt;o:p&gt;&lt;/o:p&gt;&lt;/span&gt;&lt;/i&gt;&lt;/div&gt;&lt;div class="MsoNormal"&gt;&lt;i&gt;&lt;span style="font-family: Vrinda; font-size: 14pt;"&gt;তালঃ ঝুমুর&lt;o:p&gt;&lt;/o:p&gt;&lt;/span&gt;&lt;/i&gt;&lt;/div&gt;&lt;div class="MsoNormal"&gt;&lt;/div&gt;&lt;div class="MsoNormal"&gt;&lt;span style="font-family: Vrinda; font-size: 14pt;"&gt;ওগো বৃষ্টিওগো বৃষ্টি&lt;o:p&gt;&lt;/o:p&gt;&lt;/span&gt;&lt;/div&gt;&lt;div class="MsoNormal"&gt;&lt;span style="font-family: Vrinda; font-size: 14pt;"&gt;মেলে দিয়েছিদৃষ্টি&lt;o:p&gt;&lt;/o:p&gt;&lt;/span&gt;&lt;/div&gt;&lt;div class="MsoNormal"&gt;&lt;span style="font-family: Vrinda; font-size: 14pt;"&gt;কখন তুমি আসবে&lt;o:p&gt;&lt;/o:p&gt;&lt;/span&gt;&lt;/div&gt;&lt;div class="MsoNormal"&gt;&lt;span style="font-family: Vrinda; font-size: 14pt;"&gt;পৃথিবী জলেভাষবে।।&lt;o:p&gt;&lt;/o:p&gt;&lt;/span&gt;&lt;/div&gt;&lt;div class="MsoNormal"&gt;&lt;/div&gt;&lt;div class="MsoNormal"&gt;&lt;span style="font-family: Vrinda; font-size: 14pt;"&gt;কত কথা বলবভেবেছি&lt;o:p&gt;&lt;/o:p&gt;&lt;/span&gt;&lt;/div&gt;&lt;div class="MsoNormal"&gt;&lt;span style="font-family: Vrinda; font-size: 14pt;"&gt;পথ পানে চেয়েআছি&lt;o:p&gt;&lt;/o:p&gt;&lt;/span&gt;&lt;/div&gt;&lt;div class="MsoNormal"&gt;&lt;span style="font-family: Vrinda; font-size: 14pt;"&gt;তোমার সাথে সেযে আসবে&lt;o:p&gt;&lt;/o:p&gt;&lt;/span&gt;&lt;/div&gt;&lt;div class="MsoNormal"&gt;&lt;span style="font-family: Vrinda; font-size: 14pt;"&gt;তোমার মত আমায়ভাল বাসবে।।&lt;o:p&gt;&lt;/o:p&gt;&lt;/span&gt;&lt;/div&gt;&lt;div class="MsoNormal"&gt;&lt;/div&gt;&lt;div class="MsoNormal"&gt;&lt;span style="font-family: Vrinda; font-size: 14pt;"&gt;বসে আছি দুয়ারখুলে&lt;o:p&gt;&lt;/o:p&gt;&lt;/span&gt;&lt;/div&gt;&lt;div class="MsoNormal"&gt;&lt;span style="font-family: Vrinda; font-size: 14pt;"&gt;যদি এসে আমায়সে বলে&lt;o:p&gt;&lt;/o:p&gt;&lt;/span&gt;&lt;/div&gt;&lt;div class="MsoNormal"&gt;&lt;span style="font-family: Vrinda; font-size: 14pt;"&gt;শেফালী বনেবসে থাকবে&lt;o:p&gt;&lt;/o:p&gt;&lt;/span&gt;&lt;/div&gt;&lt;div class="MsoNormal"&gt;&lt;span style="font-family: Vrinda; font-size: 14pt;"&gt;চলার পথে আমায়মনে রাখবে।।&lt;a href="http://www.blogger.com/post-create.do" name="_GoBack"&gt;&lt;/a&gt; &lt;b&gt;&amp;nbsp;&lt;/b&gt;&lt;/span&gt;&lt;/div&gt;&lt;div class="MsoNormal"&gt;&lt;span style="font-family: Vrinda; font-size: 14pt;"&gt;&lt;b&gt;&lt;a href="http://www.muziboo.com/neelnokkhotro/music/adhunik-1/%20"&gt;এখানে ক্লিক করে আপলোড করা গানটি শোনা যাবে। &lt;/a&gt;&lt;o:p&gt;&lt;/o:p&gt;&lt;/b&gt;&lt;/span&gt;&lt;/div&gt;&lt;div class="MsoNormal"&gt;&lt;/div&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/6206436569761013193-3224053390352408131?l=smritikona.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://smritikona.blogspot.com/feeds/3224053390352408131/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://smritikona.blogspot.com/2010/07/blog-post.html#comment-form' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6206436569761013193/posts/default/3224053390352408131'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6206436569761013193/posts/default/3224053390352408131'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://smritikona.blogspot.com/2010/07/blog-post.html' title='আমার গানের মালা-১'/><author><name>নীল নক্ষত্র</name><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='30' height='32' src='http://4.bp.blogspot.com/-bVx-BtBxn3k/TbL1fBUvgTI/AAAAAAAAAUo/nwp3Imj3g5M/s220/Amar%2Bblog%2Bicon.jpg'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-6206436569761013193.post-1147703322905648167</id><published>2010-05-16T18:10:00.000+06:00</published><updated>2010-05-16T18:10:46.773+06:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='বাংলা'/><title type='text'>অভ্র, বাংলা  পড়া লেখার একটি অনন্য উদ্ভাবন</title><content type='html'>আমার সেঝ ভাই এর পাঠানো একটা চিঠি এখানে তুলে দিলাম।&lt;br /&gt;সুপ্রিয় বন্ধুরা আমার, &lt;br /&gt;আমি '৭১ দেখিনি। অনুভব করিনি মুক্তির সেদিনের অপরিসীম আনন্দ। তবে তার কিছুটা অনুভব করতে পেরেছি যেদিন আমি আজকের প্রযুক্তি 'কম্পিউটার'-এ আমার প্রানের বাংলা ভাষা খুব সহজে ব্যবহার করতে পেরেছি আমার-ই ইচ্ছামতন। এ এক নবতর মুক্তি। আমার কাছে এটি, প্রযুক্তির জটিলতা থেকে বাংলা ভাষার মুক্তি। 'অভ্র' সম্ভব করেছে এই কাজটি। &lt;br /&gt;&lt;br /&gt;তাদের কাছে কৃতজ্ঞতা প্রকাশের পাশাপাশি, আমি এই মুক্তির আনন্দ ছড়িয়ে দিতে চাই আমার সব চেনা-জানা কাছের সব মানুষের মাঝে। &lt;br /&gt;&lt;br /&gt;এই 'অভ্র'-র পিছু নিয়েছে নব্যকালের অশুভ শক্তি। আসুন, আমরা সবাই মিলে 'অভ্র' বেশী বেশী করে ব্যবহার করে, এর ব্যবহারকারীর সংখ্যা বাড়িয়ে, এর উচিৎ জবাব দিই। অভ্র পাবেন &lt;a href="http://www.omicronlab.com/avro-keyboard-download.html"&gt;এখান থেকেঃ&lt;/a&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;প্রাণঢালা শুভেচ্ছে সবাইকে। &lt;br /&gt;&lt;br /&gt;M Morshed Akhtar &lt;br /&gt;&lt;br /&gt;Dear All my friends, &lt;br /&gt;&lt;br /&gt;I didn't see the '71, neither felt the FREEDOM of '71. But I felt a bit of it, when could use Bengali in my Computer very easily. To me, this is the freedom of Bengali language from the complexity of technology. 'AVRO' is the name who made it sooo easy to use Bengali in Computer.&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;I do pay my gratitude to AVRO. At the same time, request you to use it and invite all others in your contacts to use it, if want. &lt;br /&gt;&lt;br /&gt;You can get AVRO from here, which is free to use:  http://www.omicronlab.com/avro-keyboard-download.html&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;PLEASE ACCEPT MY KINDEST APOLOGY IF THIS MAIL APPEARS TO YOU IN ANY INAPPROPRIATE MANNER. &lt;br /&gt;&lt;br /&gt;Kind regards, &lt;br /&gt;&lt;br /&gt;M Morshed Akhtar&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/6206436569761013193-1147703322905648167?l=smritikona.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://smritikona.blogspot.com/feeds/1147703322905648167/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://smritikona.blogspot.com/2010/05/blog-post.html#comment-form' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6206436569761013193/posts/default/1147703322905648167'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6206436569761013193/posts/default/1147703322905648167'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://smritikona.blogspot.com/2010/05/blog-post.html' title='অভ্র, বাংলা  পড়া লেখার একটি অনন্য উদ্ভাবন'/><author><name>Smritikona</name><uri>http://www.blogger.com/profile/06924676430610821189</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='30' height='32' src='http://3.bp.blogspot.com/_QBqxJNVAQsg/S4nDcZMyGtI/AAAAAAAAH5o/BcbLKNpvnQk/S220/Snow+self-2.jpg'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-6206436569761013193.post-2660137048034405728</id><published>2010-05-14T03:51:00.003+06:00</published><updated>2010-05-14T04:19:14.643+06:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='Picture'/><title type='text'>Forest of Dean</title><content type='html'>নিউক্যাসেল থেকে গ্লস্টার আসার পর ভীষন ব্যস্ততার মধ্যে কেটে গেল প্রায় সপ্তাহ দুয়েক। সাউথ ওয়েলস এর সোয়ানসী, কার্ডিফ, ব্রিজেন্ড এবং লন্ডন দৌড়া দৌড়ি করে নাজেহাল হবার অবস্থা। শেষ পর্যন্ত কাজ সেরে যখন গ্লস্টারে সেঝ ভাইর বাসায় এলাম তখন ওরা বলল চলেন ফরেস্ট থেকে বেরিয়ে আসি। এর আগে আমাদের সুন্দর বনে যেতে হয়েছে অনেক বার সেই সুবাদে সুন্দর বন দেখেছি একে বারে গভীর ভাবে এমনকি এক বার প্রায় মামার হাতে পরার অবস্থা হয়েছিল। ভাগ্য ক্রমে বেচে গেছি। তা ছাড়া অন্য কোন বনে জঙ্গলে যাবার সুযোগ হয়নি। তাই আনন্দের সাথে ছোট ভাই এর প্রস্তাবে রাজী হয়ে গেলাম। চল দেখে আসি। &lt;br /&gt;&lt;br /&gt;যথারীতি পর দিন শনিবার ওর বৌ বেশ পরিমান খাবার এবং নানা রকমের পানীয় নিয়ে প্রস্তুত হলো। আমরা দুই ভাই আমাদের ক্যেমেরা চার্জ করে অতিরিক্ত ব্যাটারি নিয়ে পথে নেমে গেলাম। রাতে ওর দুই বন্ধুকেও জানাল দাদা এসেছে চল সবাই মিলে ফরেস্ট অফ ডীন থেকে ঘুরে আস, ওরাও বেশ আগ্রহ নিয়ে সকালে এসেই হাজির। ওর আবার গাড়ি নেই, যেতে হবে বাসে। গ্লস্টার বাস স্ট্যান্ডের কাছেই বাসা। একটু পায়ে হেটে স্ট্যান্ডে এসে ৩০ নম্বর বাসে চেপে বসলাম। &lt;br /&gt;&lt;br /&gt;প্রায় ৩০০ একরের এই বনে অনেক হরিণ আছে কিন্তু দুর্ভাগ্য ক্রমে আমাদের ক্যামেরায় ধরা দেয়ার জন্য তাদের কেউ এগিয়ে আসেনি। আরো আছে প্রায় তিন একর জমিতে ড্যাফোডিলের বাগান কিন্তু সারা দিন ঘুরে আমরা সেখানে পৌছাতে পারিনি। তবুও প্রকৃতির এই অকৃত্রিম সৌন্দর্য দেখে অবাক হয়েছি। কি ভাবে যে এমন যত্ন করে রেখেছে তা না দেখলে বিশ্বাস করা কঠিন। এর ভিতরে যা কিছু স্থাপনা যেমন, বিশ্রামাগার, টয়লেট, খাবার দোকান, বাঁদরের পাঠশালা (ছোটদের খেলার জায়গা), অফিস এগুলি সব কাঠের তৈরী।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;তা এই বন ভোজনে সঙ্গি না করতে পারলে কি হবে যা দেখেছি তার কিছু নমুনা সবাইকে না দেখালে শান্তি পাচ্ছিলাম না। দেখে কেমন লেগেছে জানাতে ভুলবেন না কিন্তু। ৫ মিনিট ৩৫ সেকেন্ডের স্থির চিত্রে নির্মিত এই মুভিতে ৫৫টি ছবি রয়েছে।&lt;br /&gt;&lt;meta content="text/html; charset=utf-8" http-equiv="Content-Type"&gt;&lt;/meta&gt;&lt;meta content="Word.Document" name="ProgId"&gt;&lt;/meta&gt;&lt;meta content="Microsoft Word 14" name="Generator"&gt;&lt;/meta&gt;&lt;meta content="Microsoft Word 14" name="Originator"&gt;&lt;/meta&gt;&lt;link href="file:///C:%5CUsers%5CTKTANI%7E1%5CAppData%5CLocal%5CTemp%5Cmsohtmlclip1%5C01%5Cclip_filelist.xml" rel="File-List"&gt;&lt;/link&gt;&lt;link href="file:///C:%5CUsers%5CTKTANI%7E1%5CAppData%5CLocal%5CTemp%5Cmsohtmlclip1%5C01%5Cclip_themedata.thmx" rel="themeData"&gt;&lt;/link&gt;&lt;link href="file:///C:%5CUsers%5CTKTANI%7E1%5CAppData%5CLocal%5CTemp%5Cmsohtmlclip1%5C01%5Cclip_colorschememapping.xml" rel="colorSchemeMapping"&gt;&lt;/link&gt;&lt;style&gt;&lt;!-- /* Font Definitions */ @font-face	{font-family:Calibri;	panose-1:2 15 5 2 2 2 4 3 2 4;	mso-font-charset:0;	mso-generic-font-family:swiss;	mso-font-pitch:variable;	mso-font-signature:-520092929 1073786111 9 0 415 0;} /* Style Definitions */ p.MsoNormal, li.MsoNormal, div.MsoNormal	{mso-style-unhide:no;	mso-style-qformat:yes;	mso-style-parent:"";	margin-top:0cm;	margin-right:0cm;	margin-bottom:10.0pt;	margin-left:0cm;	line-height:115%;	mso-pagination:widow-orphan;	font-size:11.0pt;	font-family:"Calibri","sans-serif";	mso-ascii-font-family:Calibri;	mso-ascii-theme-font:minor-latin;	mso-fareast-font-family:Calibri;	mso-fareast-theme-font:minor-latin;	mso-hansi-font-family:Calibri;	mso-hansi-theme-font:minor-latin;	mso-bidi-font-family:"Times New Roman";	mso-bidi-theme-font:minor-bidi;	mso-fareast-language:EN-US;}p.MsoHeader, li.MsoHeader, div.MsoHeader	{mso-style-priority:99;	mso-style-link:"Header Char";	margin:0cm;	margin-bottom:.0001pt;	mso-pagination:widow-orphan;	tab-stops:center 225.65pt right 451.3pt;	font-size:11.0pt;	font-family:"Calibri","sans-serif";	mso-ascii-font-family:Calibri;	mso-ascii-theme-font:minor-latin;	mso-fareast-font-family:Calibri;	mso-fareast-theme-font:minor-latin;	mso-hansi-font-family:Calibri;	mso-hansi-theme-font:minor-latin;	mso-bidi-font-family:"Times New Roman";	mso-bidi-theme-font:minor-bidi;	mso-fareast-language:EN-US;}span.HeaderChar	{mso-style-name:"Header Char";	mso-style-priority:99;	mso-style-unhide:no;	mso-style-locked:yes;	mso-style-link:Header;}.MsoChpDefault	{mso-style-type:export-only;	mso-default-props:yes;	font-family:"Calibri","sans-serif";	mso-ascii-font-family:Calibri;	mso-ascii-theme-font:minor-latin;	mso-fareast-font-family:Calibri;	mso-fareast-theme-font:minor-latin;	mso-hansi-font-family:Calibri;	mso-hansi-theme-font:minor-latin;	mso-bidi-font-family:"Times New Roman";	mso-bidi-theme-font:minor-bidi;	mso-fareast-language:EN-US;}.MsoPapDefault	{mso-style-type:export-only;	margin-bottom:10.0pt;	line-height:115%;}@page WordSection1	{size:595.3pt 841.9pt;	margin:72.0pt 72.0pt 72.0pt 72.0pt;	mso-header-margin:35.4pt;	mso-footer-margin:35.4pt;	mso-paper-source:0;}div.WordSection1	{page:WordSection1;}--&gt;&lt;/style&gt;  &lt;br /&gt;&lt;div class="MsoNormal"&gt;&lt;object height="344" width="425"&gt;&lt;param name="movie"value="http://www.youtube.com/v/17zn-wri7vs&amp;amp;hl=en&amp;amp;fs=1"&gt;&lt;/param&gt;&lt;paramname="allowFullScreen" value="true"&gt;&lt;/param&gt;&lt;paramname="allowscriptaccess"value="always"&gt;&lt;/param&gt;&lt;embedsrc="http://www.youtube.com/v/17zn-wri7vs&amp;amp;hl=en&amp;amp;fs=1"type="application/x-shockwave-flash" allowscriptaccess="always"allowfullscreen="true" width="425"height="344"&gt;&lt;/embed&gt;&lt;/object&gt;&lt;o:p&gt;&lt;/o:p&gt;&lt;/div&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/6206436569761013193-2660137048034405728?l=smritikona.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://smritikona.blogspot.com/feeds/2660137048034405728/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://smritikona.blogspot.com/2010/05/forest-of-deanwmv.html#comment-form' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6206436569761013193/posts/default/2660137048034405728'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6206436569761013193/posts/default/2660137048034405728'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://smritikona.blogspot.com/2010/05/forest-of-deanwmv.html' title='Forest of Dean'/><author><name>Smritikona</name><uri>http://www.blogger.com/profile/06924676430610821189</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='30' height='32' src='http://3.bp.blogspot.com/_QBqxJNVAQsg/S4nDcZMyGtI/AAAAAAAAH5o/BcbLKNpvnQk/S220/Snow+self-2.jpg'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-6206436569761013193.post-5405759386156719332</id><published>2010-04-18T00:55:00.001+06:00</published><updated>2010-04-18T00:59:36.069+06:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='অসম'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='বাংলা বানান'/><title type='text'>। যারা বানান ভুল করে তাদের পক্ষে দু’এক কলম ।</title><content type='html'>&lt;div class="separator" style="clear: both; text-align: center;"&gt;&lt;/div&gt;&lt;div class="separator" style="clear: both; text-align: center;"&gt;&lt;a href="http://4.bp.blogspot.com/_Y7NPfnwUYj8/S8oDWHM-FxI/AAAAAAAACag/SHDi-P2-X0o/s1600/Bangla%20academi.JPG" imageanchor="1" style="margin-left: 1em; margin-right: 1em;"&gt;&lt;img border="0" height="378" src="http://4.bp.blogspot.com/_Y7NPfnwUYj8/S8oDWHM-FxI/AAAAAAAACag/SHDi-P2-X0o/s400/Bangla%20academi.JPG" width="400" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;div class="separator" style="clear: both; text-align: center;"&gt;&lt;/div&gt;&lt;div class="separator" style="clear: both; text-align: center;"&gt;&lt;/div&gt;&lt;div class="separator" style="clear: both; text-align: center;"&gt;&lt;a href="http://3.bp.blogspot.com/_Y7NPfnwUYj8/S8oDsJKeI1I/AAAAAAAACak/LNDyCD8hm3M/s1600/Bangla%20academi%2002.JPG" imageanchor="1" style="margin-left: 1em; margin-right: 1em;"&gt;&lt;img border="0" height="320" src="http://3.bp.blogspot.com/_Y7NPfnwUYj8/S8oDsJKeI1I/AAAAAAAACak/LNDyCD8hm3M/s320/Bangla%20academi%2002.JPG" width="195" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp; লেখকঃসুশান্ত কর&lt;br /&gt;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp; বানান আমরা প্রায় সবাই কখনো না কখনো ভুল করি। আমরা বাক্যের গঠনেও ভুল করি। ক্রিয়া –সর্বনামের, সাধু-চলিতের ব্যবহারে আমাদের ভুল কখনো বা রীতিমতো কৌতুক নক্সার বিষয় হতে পারে। সে ঐ পর্যন্তই। সচরাচর তা নিয়ে কেউ বিশেষ চোখ রাঙায় না। কিন্তু বানান ভুল? কিছু স্ব-ঘোষিত মাস্টার মশাই সারাক্ষণ বেত হাতে দাঁড়িয়ে থাকেন, যেন ভুল করলেই বলবেন---দেখি , হাত তোল! মাতৃভাষা পালটে ফেলেও রক্ষে নেই। সব ভাষারই ঘোষিত মাস্টার মশাইরা’ খুব রাগ করেন, এ নিয়ে আমি দীর্ঘদিন ভাববার চেষ্টা করেছি। এ রীতিমত গবেষণার বিষয়&amp;nbsp; হতে পারে। সে গবেষণা করিনি, তবে মনে হয়েছে—বাক্য ভুল নিয়ে হৈচৈ করবার জন্যে যে পরিমাণ ‘মাস্টার-ডিগ্রী’র দরকার&amp;nbsp; আমাদের বেশিরভাগেরই সে পরিমাণ নেই। সে যাক, আমরাও খুব জ্ঞানী গুণী নই, তাই আপাতত বানান নিয়েই বলব। উদ্দেশ্য , বেত-হাতে কড়া মাস্টার মশাইদের মার থেকে আমাদের স্বগোত্রীয় ছাত্রদের তথা অর্ধক্ষম লেখকদের রক্ষা করতে কিছু টিপস দেয়া।&lt;br /&gt;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp; তার আগে কিছু কথা বলে নেয়া জরুরি। বানান ভুল নিয়ে ভয় করবার এক্কেবারেই কিছু নেই। মাস্টারমশায়ের বেতের ভয়ে যারা সুবোধ বালকের মতো পড়তে বসে, তারা ছাত্র ভালো হতে পারে, এদেশের শিক্ষা ব্যবস্থার অগ্রগতির ইতিহাসে সে সব ছাত্রদের অবদান প্রায় শূন্য। সে সব কথা নিয়ে আমরা অন্যত্র কোনো এক সময় তর্ক করব। কিন্তু ভাষার অগ্রগতির ইতিহাসে&amp;nbsp; এ কথা একশ পাঁচ আনা সত্যি। পানিনি প্রণম্য ব্যক্তি। মারাত্মক ব্যাকরণ লিখেছিলেন। যাতে কেউ ভাষার ব্যবহারে ভুল না করে তার জন্যে পরবর্তী গুরুদেবেরা তাঁদের আশ্রমে বারো বছর শুধু ব্যাকরণ পড়াবার ব্যবস্থা রেখেছিলেন। তাঁরা এরকম এক মহান ‘আবিষ্কার’ও করেছিলেন যে কোনো ভাষাকে গণ ব্যবহারের জন্য মুক্ত করে দিলে সে আর ‘অক্ষয়’ থাকে না। তাই ব্রাহ্মণ আর ক্ষত্রিয় পুরুষ বাদ দিয়ে—আর সমস্ত লিঙ্গ বর্ণে ‘সংস্কৃতে’র ব্যবহার নিষিদ্ধ করে রেখেছিলেন। তাতে হলোটা কী? সংস্কৃত যেমন ছিল এখনো প্রায় তেমনি আছে বটে । তার ক্ষয় হয়েছে অন্য দিকে । যাদের জন্য ভাষা তারা তার ব্যবহার ছেড়ে দিয়েছে। ব্যবহারিক জীবনে তার আধিপত্য প্রথমে ‘ফারসি’ পরে ‘ইংরাজি’র এবং অতি অবশ্যই নব্য ভারতীয় ভাষাগুলোর প্রত্যাহ্বানের মুখে পড়ে এখন কেবল ‘ঠাকুর ঘরে’ তার প্রাণটা কোনোক্রমে বাঁচিয়ে রেখেছে। ‘বৈদিক আর্য’ ভাষার ভুল ব্যবহারে চিন্তিত হয়ে পানিনি-পতঞ্জলি-কাত্যায়নেরা ব্যাকরণের কড়া শাসন কায়েম করে সে ভাষার থেকেই সংস্কৃতের জন্ম দিলেন। অন্যদিকে প্রাকৃতজনেরা প্রাকৃত উপায়ে পাওয়া প্রাকৃত ভাষা ‘বৈদিকে’র ভুল ব্যবহার করতে করতে , করতে করতে আর পাল্টাতে পাল্টাতে আজকের বাংলা পর্যন্ত পৌঁছে গেলেন। লোকে যদি ভুলই না করত&amp;nbsp; তবে কি আর ‘আহ মরি বাংলা ভাষা’র জন্ম হতো !&amp;nbsp;&amp;nbsp; &lt;br /&gt;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp; সুতরাং ভাষার ভুল ব্যবহার তেমন কোনো গুরুতর অপরাধ নয়। বরং এক পুণ্য কর্ম, এতে ভাষার আয়ু বাড়ে। প্রখ্যাত ভাষাতাত্বিক মুহম্মদ শহীদুল্লাহ লিখেছিলেন, “পাঁচকোটি বাঙালির অধিকাংশই বানান ভুল করে।”&amp;nbsp; তখন সংখ্যাটা পাঁচকোটিই ছিল। এখন প্রায় পঁচিশ কোটি বাঙালি&amp;nbsp; হবে। যারা বানান ভুল করে তাদেরও সংখ্যা সমানুপাতে বেড়েছে বৈ কমেছে বলে কোনো খবর পাওয়া যায় নি। স্কুলের মাস্টার মশাইএর বেত যে তার পরিমাণ কিছু কম করতে পেরেছে, তাতো মনে হয় না। বরং মাস্টার মশাইরাও কী রকম ভুল করেন তার নজির আমাদের অসমে প্রচলিত ‘উচ্চতর মাধ্যমিক বাংলা সাহিত্য সংকলন’ নামের পাঠ্য বইটি। সম্প্রতি সোমা আচার্য নামে এক শিক্ষিকা যুগশঙ্খে এ নিয়ে এক দীর্ঘ প্রবন্ধ লিখেছেন। দৈনিক যুগশঙ্খের মতো অসমের জনপ্রিয় কাগজও যে কত ভুল করে কিম্বা ব্যতিক্রমী ব্যবহার করে সুযোগ পেলেই আমি সেগুলো টুকে রাখি। তার কিছু এখানে তুলে দিলে মন্দ হবে না।&amp;nbsp; &lt;br /&gt;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp; ২৩ জানুয়ারি,১০ এ প্রথম পৃষ্ঠাতে শিরোনাম ‘বরণের দিনেই অন্তর্দ্বন্দ্বের সুর, গড়হাজির সাংসদরা’ হওয়া উচিত ছিল ‘গরহাজির’। এমন ‘র’এর জায়গাতে ‘ড়’ কিম্বা তার বিপরীত ব্যবহারতো আখছার চোখে পড়ে। কিন্তু স্থানীয় উপভাষা&amp;nbsp; বা অসমিয়া সহ অন্যভাষার প্রভাবে ভাষা কী রূপ নিচ্ছে তার উদাহরণ বেশ চিত্তাকর্ষক। যেমন ধরুনঃ ৩০ মার্চ,১০ যুগশঙ্খের তৃতীয় পৃষ্ঠাতে&amp;nbsp; ‘ফন্সেকা আত্মীয় সম্পর্কে তথ্য দিলে পুরস্কার দেবে শ্রীলঙ্কা পুলিশ’ এই সংবাদের একজায়গাতে আছে,”তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ। অবৈধ প্রতিরক্ষা চুক্তি থেকে তিলক রত্নের কোম্পানী অনেক অর্থ কামিয়েছে।‘ , ‘অনেক অর্থ তিলকরত্নে কামিয়েছেন বলে অভিযোগ।’ শুদ্ধ বাংলাতে হওয়া&amp;nbsp; উচিত ছিল ‘উপার্জন করেছেন’। উপার্জন অর্থে ‘কামাই’ শব্দের ব্যবহার সিলেটি-কাছাড়িতে আছে। লেখক তাই দিব্বি কাগজে চালিয়ে দিয়েছেন।&amp;nbsp; অসমিয়া প্রভাবের নজির এই কথাগুলোঃ ৩ ডিসেম্বর,০৯এ “পরেশ বরুয়া ছাড়া ফলপ্রসূ হবে না শান্তি আলোচনা” এই শিরোনামাতে সংবাদে লেখা হয়েছেঃ ১)কিন্তু পরেশ অবিহনে শান্তি আলোচনা অনুষ্ঠিত করলে ফল বিপরীত হতে পারে। ২) মুকুল মহন্ত বলেছেন আলোচনার প্রতি আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হওয়ার ক্ষেত্রে পিসিজি পূর্ণ সহযোগ করবে। প্রথম বাক্যের ‘অবিহনে’ এবং দ্বিতীয় বাক্যের ‘সহযোগ করবে’ অসমিয়া থেকে সরাসরি অনুবাদে চলে এসছে। অথচ শুদ্ধ ও প্রচলিত বাংলাতে হওয়া উচিত ছিল ‘ছাড়াই’ এবং ‘সহযোগিতা করবে’। হিন্দির প্রভাবে ভাষার পরিবর্তনতো আজকাল সবেতেই জলভাতের মতো কথা। ৫ডিসেম্বরে ,০৯&amp;nbsp; যুগশঙ্খের তৃতীয় পৃষ্ঠাতে সংবাদ শিরোনাম “মেজাজ হারালেও প্রণবজীর দক্ষতা মানতেই হবেঃ সুষমা’ এই সংবাদে লেখা হয়েছেঃ ইতিমধ্যে সিপিএমের বৃন্দা কারাতের সঙ্গেও তিনি কড়াভাবে পেশ হয়েছেন । ‘প্রণবজী’টা নাহয় মানা গেল, ‘নেতাজী’ যখন আছেন তিনিও থাকতে পারেন। ‘পেশ হয়েছেন’টা কোন দেশের বাংলা? আরো মজার নজির এই সংবাদঃ ১০ফেব্রুয়ারি,’ ১০ তারিখের যুগশঙ্খের&amp;nbsp; পাঁচ পৃষ্ঠার এক সংবাদে লিখেছেঃ ‘দুষ্প্রাপ্য হুদু চড়াইয়ের অস্বাভাবিক মৃত্যু’ এই শিরোনামের সংবাদ শুরু হয়েছে এই বলে,” দু’দুটি দুষ্প্রাপ্য হুদু পাখির অস্বাভাবিক মৃত্যুতে এলাকার মানুষ চিন্তিত হয়ে পড়েছেন...।”&amp;nbsp; চড়াই বাংলাতে এক বিশেষ পাখি ইংরেজিতে যাকে Sparrow বলে। সব পাখিকে ‘চরাই’ বলে অসমিয়াতে। নিশ্চিত যে এখানে তার প্রভাব পড়েছে। শুধু তাই নয়, হুদু হচ্ছে সেই পেঁচা পাখি যে ডাকলে বা যাকে দেখলে অমঙ্গল হয়। বাংলাতে এই অপবাদ আছে ‘লক্ষীপেঁচা’র । হতে পারে হুদু ঐ লক্ষীপেঁচাই। সাংবাদিকটির সে জিজ্ঞাসা নিয়ে ভাববার সময় ছিলনা হয়তো, কলমের ডগাতে যা এসছে লেখে ফেলেছেন। কিন্তু এরকম ভুলই যে একটি সল্প পরিচিত জনগোষ্ঠীর কাছে কতটা অপমানজনক হতে পারে তার নজির এই সংবাদঃ ২০ জানুয়ারি, ১০ তারিখের যুগশঙ্খে&amp;nbsp; ‘এনএসসিএন (আই এম)-এর মদতেই উত্তর কাছেড়ে জঙ্গি তৎপরতা’ শীর্ষক সংবাদে এক জায়গাতে লেখা হয়েছে “ এই জঙ্গি তৎপরতায় এনএসসিএন (আই এম)- ছাড়াও হোমার পিপল কনভেনশনও (এইচপিচি) জড়িত।” ইংরেজি Hmar এই সংবাদে হয়েছে ‘হোমার’ । হওয়া উচিৎ ‘মাড়’ । বাঙালিরা যে শুধু নিজের জাতি ও ভাষা সম্পর্কেই কতটা অজ্ঞ তাই নয়&amp;nbsp; পূর্বোত্তরের&amp;nbsp; অন্য জনগোষ্ঠিদের সম্পর্কে কত অজ্ঞ, এটা একটা নজির। অথচ কাছাড়, উত্তর কাছাড়ে মাড়েরা&amp;nbsp; বেশ সুপরিচিত জনগোষ্ঠী।&lt;br /&gt;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp; এই লেখকেরা যখন বাংলাতে স্কুলপাঠ্য বই লেখার বরাত পান তখন সেখানেও তাঁরা এমন ‘ভাষা বদলের’ সুমহান কীর্তি&amp;nbsp; অনায়াসে করে ফেলেন। সেই বই বরাক উপত্যকাতে পৌঁছুলে যখন কেউ কেউ ‘অসমিয়া আগ্রাসনে’র নজির দেখে পথে নেমে প্রতিবাদের ধ্বজা তুলেন তখন আমার ভীষণ হাসি পায়। একেই বলে উদোর পিন্ডি বুধোর ঘাড়ে। হয়, সেই বাঙালি লেখকদের কাজের আন্তরিকতা নিয়ে প্রশ্ন তুলুন নতুবা এসব পরিবর্তনকে অসমের মতো বহুভাষিক রাজ্যে এক স্বাভাবিক স্বাস্থ্যের লক্ষণ বলে গ্রহণ করুন। বস্তুত ব্রহ্মপুত্র উপত্যকার বহু কবি লেখকেরা সে কাজটাই সজ্ঞানে করে চলেছেন। যেমন প্রখ্যাত ঐতিহাসিক ও কবি অমলেন্দু গুহের এক কবিতার ক'টি পংক্তি এরকম,&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp; "...সাদা ধবধবে লুইতের পার কাছিমেরা ডিম পাড়ে/আমার ভায়ের মুখে চমকায় মিতালির ভালোবাসা,/দিঘলিদিঘির কোণটায় বসে গান গায় বারে বারে,/ও মোর অসম দেশ মরমিয়া, আ মরি বাংলা ভাষা।..." এতে '&amp;nbsp; লুইত, দিঘলি,মরমিয়া'&amp;nbsp; এমন কি 'মোর' শব্দটিও অসমিয়াই, কেননা শব্দটি এখন আর বাংলাতে কেউ লেখে না।&lt;br /&gt;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp; এগুলোকে স্বাস্থ্যের লক্ষণ বললে কারো&amp;nbsp; কারো গোঁসা চড়তে পারে।&amp;nbsp; তাই&amp;nbsp; আরো কিছু প্রতিষ্ঠিত&amp;nbsp; নজির তুলে ধরলে ভালো হবে। আমরা সবাই জানি ২১ ফেব্রুয়ারি দিনটি ‘আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস’। এর পেছনে বাংলা ভাষা নিয়ে লড়াইয়ের এক বড় যোগদান রয়েছে। অথচ কেউ কোনোদিন প্রশ্ন করিনি যে পদগুচ্ছটির প্রথম ‘আন্তর্জাতিক’ শব্দটিই সঠিক কিনা। ইংরাজি International এর নকলে শব্দটিকে যে চালিয়ে গেছি তাই নয়, তারই অনুকরণে আবার আন্তঃসম্প্রদায়, আন্তঃমহাবিদ্যালয় ইত্যাদি শব্দও তৈরি করে নিয়েছি। শুদ্ধ অর্থে শব্দটি হওয়া উচিত ছিল ‘সর্বজাতিক’ । মাস্টার মশাইরা ভুল লেখেন এবং লিখতে বলেন এরকম আরো কিছু বিখ্যাত শব্দ হলোঃ জীবনী, প্রাগৈতিহাসিক, সমসাময়িক, বার্ষিকী, মণ্ডলী, শতাব্দী ইত্যাদি। সুতরাং আমাদের পরামর্শ হলো—ছাত্ররা ইচ্ছে মতো ভুল বানান, ভুল ভাষা লিখে যেতে পারে। ভুল করবার সাহস না করতে পারলে কে আর কবে শুদ্ধটা রপ্ত করতে পেরেছে?&amp;nbsp; এ নিয়ে অহেতুক রাতের ঘুম বারোটা বাজাবার কারণ দেখি না।&lt;br /&gt;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp; কেউ কেউ যে আমাদের সে ঘুমে ব্যাঘাত ঘটান তার অনেক সঙ্গত কারণ আছে বটে, কিন্তু একটা কারণতো এই যে তাঁদের সংস্কৃতের ঐতিহ্য সূত্রে পাওয়া পণ্ডিতি অভিমান প্রচণ্ড। দুই সহস্রাধিক বছর সংস্কৃত ব্যাকরণের শাসনে থেকে আমাদেরও সেই শাসন-রোগে পেয়ে বসে আছে। একেতো সংস্কৃত ব্যাকরণের নকলে বাংলা ব্যাকরণ টিকিয়ে রেখে দিব্যি ছাত্র পড়াচ্ছি। তায় আবার অন্যত্র নীরব থাকলেও বানান ভুল করলেই সেই নকল মোটা-ব্যাকরণ মাথায় ছূঁড়ে মারবার জন্যে সংস্কৃতায়িত হাত আমাদের নিসপিস করে। বিদ্যাসাগর যখন বাংলা বর্ণমালা থেকে ঋৃ ( দীর্ঘ ঋ) আর ৯৯ (দীর্ঘ ৯) কে বাদ দিয়েছিলেন তখনো সে পণ্ডিতদের হাত কম নিশপিশ করেনি। ভাগ্যিস! তিনি তাতে বিচলিত হননি।&lt;br /&gt;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp; তা, ভুল করা যেতেই পারে। কিন্তু মুস্কিল হলো, পঁচিশ কোটি বাঙালি যদি পঁচিশ কোটি রকমের বাংলা লিখতে শুরু করে তা হলেতো হয়েই গেল। সে ভাষা নিয়ে আর কাজ কী? কেউতো আর কারো কথা বুঝবে না যে যার নিজের সাতকাহন লিখে যাবে, পড়বার কেউ থাকবে না। ভাগ্যিস! বাস্তবে এরকমটা হয় না। ভাষা তার আপন সামঞ্জস্য নিজেই অনেকটা বাঁচিয়ে রাখে। অথবা বোধহয় বলা ভালো ব্যক্তি মানুষ ভাষার ব্যবহারের বিশৃঙ্খলা বাড়ালেও সমষ্টি মানুষ একটা শৃঙ্খলা নিয়েই আসে। বিচিত্র সব কারক কাজ করে তার পেছনে। তবুও রবীন্দ্রনাথ লিখেছিলেন, “এমন একটা অনুশাসন দরকার যাতে প্রকৃত বাংলার লিখনে বানানের সাম্য সর্বত্র রক্ষিত হতে পারে।” আমরাও তাঁর এ পরামর্শে দ্বিরুক্তি করি না। নিজের ঘরে যা হোক একটা কিছু ডাল-ভাতে রোজকার খাবার চলে যায়। কিন্তু ঘরে দু’জন অতিথি এলেই মাছ-মাংস কিছু একটা ভালো ব্যবস্থা করতে হয়। আর ‘বিয়াপার’ কিছু হলেতো কথাই নেই। সেদিন পাচক থেকে শুরু করে রান্নার উপকরণ, পদের রূপ রস গন্ধ স্বাদ সবই মোটের উপর সর্বমান্য হওয়া চাই। হয় না, কিন্তু চেষ্টাটা সেরকমই থাকা চাই। অনুশাসনটা অতিথি সেবার জন্য হওয়া চাই। সে অনুশাসন যদি গায়ে পড়ে খাবারকে রক্ষা করবার দায় নিতে চায় তবে আর হয়েই গেল। অতিথি অভুক্ত থাকাটা আর কেউ আটকাতে পারবে না। ভাষা ব্যবহারের কথাও তাই।&lt;br /&gt;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp; সংস্কৃত স্বতন্ত্র ভাষাই নয়। ব্যাকরণ প্রভুর নির্দেশে সে ওঠ বস করে। বাংলা সচল –স্বতন্ত্র ভাষা, ব্যাকরণকে সে বরং কখনো সখনো কাজে সহায় হবে বলে অনুচরের মতো কাজে লাগায়। লোকে যখন ‘গাড়ি’ চড়ে ‘বাড়ি’ যাবার কথা বলে তখন অনুশাসন তাদের ‘গাড়ী’ করতে ‘বাড়ী’ বয়ে নিয়ে যেতে চাইলেই মুস্কিল। সুজ্যি যখন পূব আকাশে পাড়ি জমায়, পাখি যখন দিনের প্রথম গানটি গেয়ে উঠে তখন ‘সুজ্যি’ নয় ‘সূর্য’; পূব নয় ‘পূর্ব নয় ‘পূর্ব্ব’ ; পাখি নয় ‘পাখী’ এসব মরা কথার কড়া সুর শুনতে কারই বা ভালো লাগে অনুশাসনের বুড়ো ঠাকুরদাকে তখন সবিনয়ে বলা যেতেই পারে , “মহাশয়, বৃদ্ধ হইয়াছেন। আপাততঃ বিশ্রাম গ্রহণ করিলে আপনার এবং আমাদের উভয় পক্ষের স্বাস্থ্যর পক্ষে তাহা অতীব সুখের বিষয় বলিয়া বিবেচিত হইবে।” এ প্রসঙ্গে রবীন্দ্রনাথের এক উক্তি মনে পড়ছেঃ “সংস্কৃত সব্দ বাংলায় অনেক আছে, এবং চিরদিনই থাকিবেই—সেখানে সংকৃতের রূপ ও প্রকৃতি আমাদের মানিতেই হইবে—কিন্তু যেখানে বাংলা শব্দ বাংলাই সেখানেও শাসন যদি আমরা টানিয়া আনি, তবে রাস্তা যে পুলিশ আছে ঘরের ব্যবস্থার জন্যেও তাহার গুঁতো ডাকিয়া আনার মতো হয়। সংস্কৃতে কর্ণ লিখিবার সময় মূর্ধণ্য ণ ব্যবহার করিতে আমরা বাধ্য, কিন্তু কান লিখিবার বেলাও যদি সংস্কৃত অভিধানের&amp;nbsp; কানমলা খাইতে হয় তবে এ পীড়ন সহিব কেন?”&lt;br /&gt;&amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp;&amp;nbsp; রবীন্দ্রনাথের অনুরোধে অনুশাসন তৈরির একটা শুরুয়াত ত্রিশের দশকে করেছিল কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়।শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় তখন উপাচার্য ছিলেন। বিশ্ববিদ্যালয় একটা সমিতি তৈরি করেছিল। আর সে সমিতি কেবল অ-তৎসম শব্দগুলোর বানান রীতি নির্দেশিকা স্থির করে একটি পুস্তিকা ১৯৩৬এর মে মাসে বের করেছিল। পরবর্তী জুন মাসের মধ্যে সে পুস্তিকার তৃতীয় সংস্করণও বেরিয়ে গেছিল। কিন্তু হলে হবে কি? বানান পণ্ডিতেরা কখনো নির্বিরোধ কিছু মেনেছেন কি? সে সমিতি কিছু বিকল্প বানান প্রস্তাবও দিয়েছিল। তাতে এতো প্রবল ঝড় উঠেছিল যে বহুদিন এরপর আর কেউ তেমন চেষ্টা করবার মতো উৎসাহ জোটাতে পারেন নি। স্বাধীন বাংলাদেশে কিছু হয়ে থাকলে আমরা তেমন খবর জানি না। সাতের দশকের শেষে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় দ্বিতীয় আরেক বানান সংস্কার সমিতি তৈরি করেছিল। কিন্তু সেটি তার কাজ করেই উঠতে পারেনি। শেষে আশির দশকের মাঝামাঝি পশ্চিম বঙ্গ বাংলা আকাদেমি একটি ‘বানান সংস্কার উপ-সমিতি’ গঠন করে। তার পরামর্শ সবাই মেনে নেয় নি। আনন্দ বাজার পত্রিকাও তাদের নিজেদের মতো করে এক প্রয়াস করেছিল। সে দু’টির মধ্যে বহু ঐক্য থাকলেও অনৈক্যও কম নেই কিছু। রবীন্দ্রনাথের সেই ‘সর্বত্র সাম্য রক্ষা’ করবার মতো অনুশাসন এখনো গড়া যায় নি। কোনোদিন যাবেও না। ‘বিশৃঙ্খলার তত্ব’ যারা বোঝেন তাঁরা এ নিয়ে কোনো গোঁ ধরেনো না আর। এখনকার শিক্ষিত জন মোটা মোটি এই দুই উদ্যোগের দ্বারাই কমবেশি প্রভাবিত । অধিকাংশই আকাদেমির বানান বিধি অনুসরণ করে থাকেন। বিধি মাত্রেই অনুসরণ করা খুবই কঠিন। ‘আইন জানি না’ বললে আদালত শোনে না বটে, তবু বাস্তব এই যে লোকে আইনের বিষয়ে খুবই কম জানে। ধর্মবিধি যাতে লোকে ভুলে না যায় তার জন্য দৈনন্দিন ধর্মগ্রন্থ পাঠের প্রস্তাব প্রায় সব ধর্মেই আছে। যারা সে নির্দেশ অনুসরণ করে তারা যে কী রকম বিধির বাঁধনে ধর্মকেই ফেলে সে আমরা হররোজ দেখে আসছি। সুতরাং বিধি মুখস্থ&amp;nbsp; করবার পরামর্শ আমরা কিছুতেই দেব না। এ হলো আমাদের প্রথম টিপ।&lt;br /&gt;&amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp;&amp;nbsp; রবীন্দ্রনাথ ছাড়াও সুনীতি চট্টপাধ্যায় থেকে রামেশ্বর শ্ব হয়ে পবিত্র সরকারদের মতো ভারত বিখ্যাত ভাষাবিদদের গেল এক শতাব্দি জোড়া সাধনার একটা লাভ হয়েছে এই যে আমরা একটা কথা সহজ করে বুঝে গেছি—বাংলা এতো মিষ্টি ভাষা কেন সে প্রশ্ন যদি কেউ করে, তার প্রশ্নের জবাবটা জেনে গেছি। মেদ কমালে কাকেই বা মিষ্টি না দেখায়! সংস্কৃত একটি মেদবহুল ভাষা, বাংলা তার উল্টোটা। ছিল না, এরকমটা ছিল না। তারও মেদ প্রচুর ছিল। রীতিমতো ঘাম ঝরিয়ে মেদ কমাতে হয়েছে, আর এখনো সে চেষ্টাতে তার কোনো কার্পণ্য নেই। যিনি এই কথাটি না বুঝবেন, তিনি বাংলা ভাষার মর্ম কথাটিই বুঝবেন না। ‘অদ্য বিকাল তিন ঘটিকায় বিদ্যালয় প্রাঙ্গনে এক মহতী সভা অনুষ্ঠিত হইবে... ।’&amp;nbsp; এধরণের বাংলা উনিশ শতকে শিক্ষিত লোকেরাই গড়ে তুলেছিলেন, কিন্তু একুশ শতকে কেবল অশিক্ষিত লোকেই ব্যবহার করে যার ভাষাটির মর্মধর্মের সম্পর্কে কোনো সাধারণ জ্ঞানই নেই।&lt;br /&gt;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp; মেদ ঝরাবার চেষ্টাতে আকাদেমি বাংলা লিপিকে নিয়েও পড়েছিল। আর খুব ভালো কাজ করেছিল। কী অদ্ভূৎ না, আমরা বর্ণমালাতে ঋ-র পর ৯, য-এর পর ব পড়ে এসছি, অথচ ব্যবহার বিশেষ করিনি। কখনো প্রশ্ন করিনি ণ, ঞ, য, ঢ়, ষ এগুলোর উচ্চারণ কী রকম? এগুলো বর্ণমালাতে আছে কী করতে? আর যুক্তাক্ষর ক্ষ, ঙ্গ, হু, হ্ম, ণ্ড, ত্থ, ক্র,ত্রু, রূ, গু, শু-ইত্যাদির কী চেহারা! এগুলোর মানেটা কী?&amp;nbsp; অথচ ঠিক করে না লিখতে পারবার জন্যে মাস্টার মশায়ের কতনা বেতের মার নীরবে সহ্য করে গেছি! হলহেড সাহেব ছাত্রদের জন্য বাংলার প্রথম যে ব্যাকরণ লিখেছিলেন&amp;nbsp; সেটি ছাপবার বেলা বাংলা প্রাচীন পুথির আদর্শে উইলকিনসন সাহেব পঞ্চানন কর্মকারের হাত দিয়ে লিপিগুলো তৈরি করে দিয়েছিলেন। সেই লিপি এখনো চলছে। রাজা রামমোহন রায় তাঁর গৌড়ীয় ব্যাকরণে সেই তখনই (১৮৩৩) এগুলোর যৌক্তিকতা&amp;nbsp; নিয়ে সংশয় জানিয়ে রেখেছিলেন। সেই লিপি শতাব্দি ধরে এই কিম্ভূতকিমাকার যুক্তাক্ষরগুলো বেমালুম চলে আসছে। কিছু কিছু অবশ্য আমাদের অভ্যাসে এতো দৃঢ়মূল হয়ে গেছে যে চট জলদি স্বভাব পালটানো মুসকিল আছে। যেমনঃ ক্ষ না&amp;nbsp; লিখে /ক্ ষ/, হ্ম না লিখে /হ্ ম/&amp;nbsp; লেখার সমস্যা আছে। কিন্তু ক্র না লিখে ক-এর নিচে র-ফলা&amp;nbsp; , ত্রু না লিখে ত-এর নিচে র-ফলা এবং তাতে উ-কার কিম্বা , গুরু না লিখে গ এবং র-এর নিচে উ-কার&amp;nbsp; (&amp;nbsp; ইউনিকোডে ঠিক নতুন প্রস্তাবটা লিখে দেখানো যাচ্ছে না&amp;nbsp; বলে দুঃখিত। )&amp;nbsp;&amp;nbsp; লিখলে শেখা এবং বোঝা দুটোই কী সহজ হয়ে যায় না? এগুলো আজকাল চলছে। এবং চলবে। হুজুগের মতো সহজে বিদেয় নেবে না। এরকম মেদ ঝরাবার কাজে নিজেকে ব্যস্ত করলে বাংলা ভাষা ও বানান এমনি এমনি শুদ্ধ আর মিস্টি হতে থাকবে—এ হলো আমাদের দ্বিতীয় টিপ।&lt;br /&gt;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp; শুদ্ধবাদিরা অবশ্য তাতে প্রচন্ড রাগ করবেন, তাদের সে রাগে গুরুত্ব না দিলেই হলো। শুদ্ধবাদিরা অবশ্যি পণ্ডিত মানুষ। কিন্তু পণ্ডিতেরা আর প্রগতি আনলেন কবে? তারাতো কেবল ঐতিহ্য আর পরম্পরা বিপন্ন হবার আতংকে কাল কাটিয়ে গেলেন। ভাগ্যিস, প্রমথ&amp;nbsp; চৌধুরী রবীন্দ্রনাথের মতো বলবানকে সঙ্গে পেয়েছিলেন! নইলে সাধু বাংলাকে বিদায় জানাবার যেরকম প্রয়াস তিনি করেছিলেন, সাধুরা তাঁর প্রাণ বিপন্ন করে তুলতেন। এখনো অসমের বিদ্যালয়গুলো বাংলা প্রশ্নপত্রে সেই সাধুরা অক্ষয় গৌরবে বিরাজ করেন। কাল যত ‘কলি’ হয় তাঁরা ততই কল্কি আসার অপেক্ষাতে সতর্ক আর বিনিদ্র রজনী যাপন করেন! আমরা না সাধু পুরুষ, না শুদ্ধ মানুষ। শুদ্ধ বানান লেখার কথা বলবার মানে যদি এই হয় যে পুরোণো মেদ বহুল ভাষাকে রক্ষা করা, আমরা তার মধ্যে নেই। বরং বলব, চলুন, আমরা ভুল করি। বেশ করি। ভালো করি। চলুন, মেদ আমরা মেদ ঝরাই। ভাষাকে সহজ করি, সরল করি। যত আবর্জনা, সব বিদেয় করি।&lt;br /&gt;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp; আমাদের জটিলতা কোথায় হয়? কোথায় আমরা দিশা হারাই। সব বানানে আমরা জট পাকাই না। ‘আম’ লিখতে গেলে খুব অন্যমনস্ক না হলে&amp;nbsp; কেউ আমরা ‘জাম’ লিখি না। আমাদের সমস্যা হলো ‘সমষ্যা’লিখব কিনা তাই নিয়ে। ‘ভুল’ লিখতে গিয়ে ‘ভূল’ লিখে ফেলি। “বই পরা শেস করে জামা পড়ে ঘড় থেকে বেড়িয়ে বাজার হয়ে এক বন্ধুর বারি দিব্যি বেরিয়ে আশি। টেড়ও পাই না কোথাও একটা বর গণ্ডগোল হয়ে গেছে।” সমোচ্চারিত বা প্রায় সমোচ্চারিত ধ্বনি হলেই সব কেমন তালগোল পাকিয়ে যায়। এছাড়াও জট পাকায় যদি শব্দে যুক্তাক্ষর থাকে। আর যুক্তাক্ষরগুলোই জোর গলায় মেদ ঝরানোর সাক্ষর যোগায়। সপ্ত=সাত, ভক্ত=ভাত হলো বলেই না ভাষা বাংলা জন্মালো। যেখানে তা হলো না, সেখানেও বানানে মূলের বর্ণগুলো অক্ষত থেকেও উচ্চারণে রইল না। বানানে ‘লক্ষণ’ থাকলেও উচ্চারণ আমরা ‘লোক্খন’ করি। আর শেষের অ-স্বরটির ব্যবহার বাংলাতে প্রায় নেই বললেই চলে। ‘বিশ্ব’কে উচ্চারণে আমরা ‘বিশশ’ করে ফেলি। ‘বিস্ময়’কে করি ‘বিশশয়’। এরকম গণ্ডগোলের জন্যে ‘সান্ত্বনা’ লিখতে গিয়ে প্রায়ই আমরা ‘সান্তনা’ বা ‘শান্তনা’ লিখে ফেলি। এগুলো মূলত সংস্কৃত থেকে হুবহু বাংলাতে আসা তৎসম শব্দ নিয়ে হওয়া সমস্যা। এ সমস্যা আছে আর থাকবেও। কারণ, একেতো সংস্কৃত ব্যাকরণ নির্দেশিত ভাষা। দ্বিতীয়তঃ তার উপর একা বাঙালির কোনো অধিকার নেই। সেগুলোতে আমাদের ব্যাকরণের মার সহ্য করতেই হবে। তথাপি, যেগুলো বাংলাতে বহুল ব্যবহৃত হচ্ছে সেগুলোতে রবীন্দ্রনাথের পরেও অনেকেই কাঁচি চালাবার পরামর্শ দিচ্ছেন। যেমন আজকালঃ&lt;br /&gt;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp; ১)তদ্ভবতেতো বটেই, তৎসমতেও রেফের পর ব্যঞ্জন বর্ণের দ্বিত্ব হয় না। অর্থাৎ ‘পূর্ব্ব, অর্চ্চনা, কর্ত্তা, কর্ম্ম, ধর্ম্ম ; ইত্যাদি লেখার দায় নেই। সোজা ‘পূর্ব,অর্চনা, কর্তা ‘ ইত্যাদি লিখলেই হল।&lt;br /&gt;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp; ২) (ক) যুক্তাক্ষরে নাসিক্য ধ্বনির ব্যবহারে সংস্কৃত এক মজার নিয়ম ছিল। পরের ধ্বনিটি যে বর্গের আগের নাসিক্য ধ্বনিটি সাধারণত সেই বর্গের হতো। যেমনঃ গঙ্গা, পঞ্চম, কণ্টক, সম্মন্ধ ইত্যাদি। বাংলাতেও প্রায় তাই আছে।&lt;br /&gt;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp; (খ)&amp;nbsp; কিন্তু ‘ঙ’ আর ‘ম’ এর জায়গাতে হামলা চালিয়ে ‘ং’ তার সাম্রাজ্যের অনেকটাই বিস্তার ঘটিয়েছে। এবং&amp;nbsp; মার্কিন সাম্রাজ্যবাদিদের মত এখন অব্দি থামবার নাম করছে না। বিদ্যাসাগর মশাই লিখতেন ‘বাঙ্গালা’ । আমরা তাকে কত সহজ আর মিষ্টি করে ‘বাংলা’ করে ফেলেছি। কার সাহস, আমাদের ব্যাকরণে ভুল দেখায়? সন্ধিতে ‘ম’কারের জায়গাতে ‘ং’এর বিকল্প বিধান সংস্কৃতেই ছিল। যেমনঃ ভয়ংকর, সংগম&amp;nbsp; বানানগুলো চলত। বিশ্ববিদ্যালয় তার অনুসরণে অলংকার, সংগীত, সংঘ লিখবার বিধান&amp;nbsp; অনেক আগেই দিয়েছিল। আর এতো দিনে আমরা অভ্যস্তও হয়ে গেছি।&lt;br /&gt;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp; (গ) সন্ধি ছাড়া অন্যত্র তৎসম শব্দের বানানে ‘ঙ’বাদ দেবার বিধান কেউ দেননি। কিন্তু আমাদের মতো ব্যাকরণ না মানা অল্প-শিক্ষিতেরা এতো দুর্দণ্ড প্রতাপে ‘ং’র ব্যবহার চালিয়ে অংক,সংগ , গংগা, বাংলা, মংগল, লিখে গেলাম যে প্রবোধচন্দ্র সেনের মতো কেউ কেউ আমাদের পক্ষে দাঁড়িয়ে বললেন, ভালোই হলো ‘এতে ভ্রান্তি কম হবে এবং যুক্তাক্ষরের ব্যবহারও কিছু কম হবে।’ এরকমই হয়, সাধারণে আগে ভাষা পাল্টায়, পণ্ডিতেরা পরে তা নিয়ে মত দাঁড় করান।&lt;br /&gt;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp; (ঘ) কিছু বানানে অবশ্যি আমরা এতোতাই অব্যস্ত যে ‘ং’কে সেখানে নাক গলাতে দিতে রুচিতে বাঁধে। অম্বর,কম্বল,ডিম্ব, সম্বল—এগুলো এখনো পাল্টায়নি।&lt;br /&gt;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp; (ঙ) আবার ‘ং’ –এর সংগে স্বর যুক্ত করতে না পারার একটা সমস্যা আছে । সেখানে ‘ঙ’ রেখে দেয়াটাই বুদ্ধিমানের কাজ। যেমনঃ ‘বাংলা’—কিন্তু ‘বাঙালি’ ।‘বাঙালি’র মতো কিছু শব্দে ‘ঙ্গ’-এর ‘গ’ ধ্বনিটি একেবারেই খসে পড়াটাও লক্ষ্য করবার মতো।&lt;br /&gt;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp; ৩. সংগে স্বরধ্বনি নিয়ে তৈরি যুক্তাক্ষরগুলোকে আমরা প্রায়ই যুক্তাক্ষর বলি না। বোধহয় পদান্ত স্বরকে ঝেড়ে ফেলবার আমাদের এক অন্তর্লীন প্রবণতা আছে, তাই। কিন্তু ,’ তুমি গাছ থেকে নাম।’ আর ‘তুই গাছ তেকে নাম।’--এই বাক্যে ‘নাম’ শব্দের উচ্চারণ আর অর্থ কোনতাই এক নয়। শেষেরটিতে ম-এর পরে পদান্ত অ-টি নেই। সে আমরা অভ্যাস বশে বুঝে যাই । কোথাও বুঝবার সমস্যা হলে, বিশেষ করে যদি স্বল্প পরিচিত বিদেশী শব্দ হয় একটা হস (্&amp;nbsp; ) চিহ্ন দিয়ে দেওয়া হয়। যেমনঃ তখ্ ত, জেম্ স বণ্ড্ ইত্যাদি । অন্যত্র এর ব্যবহার জট পাকায় বৈ কমায় না। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় অ-সংস্কৃত শব্দে শুধু হস (্) বাদ দেবার পরামর্শ দিয়েছিলেন। কিন্তু লোকে তৎসমতেও তা আজকাল ব্যবহার করছে না। আকাদেমি বলে দিয়েছেন, “শব্দান্তে হস্ চিহ্ন দেওয়ার প্রয়োজন নেই। ‘বিদ্বান্’ না লিখে ‘বিদ্বান’ লেখাই সংগত।”&lt;br /&gt;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp; ৪. ব্যঞ্জনের সাথে যুক্ত ‘ই,ঈ,উ,ঊ’কারের ব্যবহার অত্যন্ত পীড়াদায়ক। কোথায় যে কোনটা বসবে তা সারা জীবনেও স্থির করা সমস্যা হয়ে দাঁড়ায়।&lt;br /&gt;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp; (ক) আকাদেমি বলছেন, তদ্ভব শব্দে প্রায় সর্বত্র দীর্ঘ ধ্বনি দুটোকে (ঈ,ঊ) বাদ দেয়াই বুদ্ধিমানের কাজ। পাখি, বাড়ি, শাড়ি, উনিশ, উর্বর, কুমির, শ্রেণি চলবে। পাখী , বাড়ী, ঊনিশ ইত্যাদি না লিখলেও চলবে।&lt;br /&gt;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp; (খ) দেশ জাতি লিঙ্গ বোঝাতে ‘ঈ’ –কার লাগবেই এমন যুক্তির পক্ষেও আকাদেমি কোনো সমর্থণ পাননি। তারা তাই জাপানি,বাঙালি, ইংরাজি, আরবি লিখবার পরামর্শ দিয়েছেন।&lt;br /&gt;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp; (গ) উপযোগিতা, প্রতিযোগিতা, স্বামীস্ত্রী ইত্যাদি বানান লিখতে গিয়ে প্রায়ই আমাদের এক বিচিত্র অভিজ্ঞতা হয়। মূল শব্দগুলো তৎসম আর সেগুলোর শেষে ‘ঈ’-কার যুক্ত হয় । উপযোগী, প্রতিযোগী, স্বামী ইত্যাদি। কিন্তু প্রত্যয়যুক্ত হলেই বা অন্যে শব্দের সাথে সন্ধি হলেই ‘ই’কার এসে জুড়ে বসে। রবীন্দ্রনাথ পর্যন্ত অনেকেই এ নিয়ম পাল্টাবার কথা ভাবেন নি। আমরা প্রায়ই উপযোগীতা, প্রতিযোগীতা, মনস্বীতা মন্ত্রীসভা&amp;nbsp; লিখবার মতো ভুল করেই বসি। এগুলোর উৎপাত খুব কম নয়। বাংলাতে এমন শব্দ সংখ্যা&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp; প্রচুর ।মূল শব্দের ঈ-কারতো পাল্টানো যাবে না। তাই আকাদেমির প্রস্তাব , “ সংস্কৃত –ইন প্রত্যয়যুক্ত পদের শেষে যে দীর্ঘ ‘ঈ’-কার হয় তা ভিন্ন প্রত্যয়যোগে বা সমাসনির্মাণেও হ্রস্ব –কার হবে না, দীর্ঘ ঈ-কারই থাকবে।” এতে শব্দগুলোর বদ্ধ আর স্বতন্ত্র রূপের মধ্যে বৈষাদৃশ্য থাকবে না, জটিলতাও কমবে। সুতরাং নির্বিকার প্রতিযোগীতা, মন্ত্রীসভা, স্বামীস্ত্রী লেখা যাবে।&lt;br /&gt;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp; (ঘ) অর্থ যেখানে পালটে যাবে সেখানে সরলীকরণের কোনো নীতিই খাটবে না কূল আর কুল-কে এক করা যাবে না। তেমনি আর কী—এর মধ্যে তালগোল পাকানো যাবে না।&lt;br /&gt;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp; (ঙ) অভ্যাসে আটকালেও কখনো কখনো চাইলেও দীর্ঘ স্বরকে বাদ দেয়া যায় না ‘জিবন’ লিখলে সত্যি ‘জীবন’ নিয়ে টানাটানি পড়ে যেতে পারে।&lt;br /&gt;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp; ৫. খুবই নীরবে, বেশ ভালো রকমই মুস্কিলে ফেলে ‘অ’-কার ‘ও’কারের ব্যবহার। “ছেলেটি বড় ভাল, মেয়েটি কী কালগো!” এরকম কথা বললে নারীবাদিরা রাগ করতে পারে , বানানবাদিরা রাগ করবার খুব একটা উদাহরণ নেই। কিন্তু করা উচিত। আমার অভিমত তোমার মত নয়—এবাক্যটার অর্থ কী দাঁড়ালো?&amp;nbsp; এরকম গণ্ডগোল এড়াবার জন্যে&amp;nbsp; শব্দগুলোর যেটির উচ্চারণে পদান্ত ‘অ’-কার আছে তার শেষে স্পষ্ট করেই ‘ও’কার দিয়ে দেওয়াই ভালো। সে অনুযায়ী ছেলেটি ভালো (ভাল –কপাল), মেয়েটি কালো (কাল –সময়), তোমার মতো (মত –অভিমত, চিন্তাধারা) করে ফেলাই সমীচীন। বানান পাল্টালে অর্থ পাল্টে যায় এরকম আর কিছু শব্দ বিশেষ করেই মনে রাখতে হয়।&lt;br /&gt;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp; ৬. বাংলা তদ্ভব উচ্চারণে য-এর ব্যবহার নেই। বানানেও প্রায় হয়ই না। এই কথাতা স্পষ্ট জেনে নেওয়া ভালো।&lt;br /&gt;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp; (ক) সংস্কৃত 'যা'-এর মতো ধাতু থেকে উৎপন্ন কিছু শব্দ আর যখন, যেমন এর মতো অব্যয় ক’টিতেই ‘য’ তার অস্তিত্ব টিকিয়ে রেখেছে। তা নইলে আমরা যুগল-কে জোড়, যাতৃ-কে জা, কার্য্য-কে কাজ বানিয়ে ‘জ’-কার নিয়ে এসে সহজ করে রেখেছি।&lt;br /&gt;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp; (খ) খুব বাধ্য না হলে ‘য’-ফলার ব্যবহারও অক্ষত রাখিনি। বিশেষ করে পদান্ত ‘য’-এর পর আবার য-ফলাতো আমাদের কাছে অসহ্য মনে হয়েছে। তাই আজকাল আমরা নির্বিকার কার্য্যও আর লিখিনা। কার্য, সূর্য, ভট্টাচার্য ইত্যাদি লিখে চলেছি।&lt;br /&gt;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp; ৭. এরকম বাংলাতে ‘ণ’ একটি উপদ্রবী ধ্বনি। এর উচ্চারণ কেউ জানে না। অন্য মূর্ধণ্য ধ্বনির সঙ্গেই এর যৎ সামান্য কিছু উচ্চারণ বেরোয়। ন-এর স্বতন্ত্র উচ্চারণ আছে। &lt;br /&gt;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp; (ক) সুতরাং সর্বত্র ‘ন’-এর ব্যবহারে কাজ চলে যায়। রাণী না লিখে রানি লিখলে তার আভিজাত্য মোটেও খাটো হয়ে যায় না।&lt;br /&gt;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp; (খ) অনেকেতো ঘুণ্টি, ঠাণ্ডা, লণ্ঠন না লিখে ঘুন্টি,ঠান্ডা, লন্ঠন লিখবার পরামর্শ দিয়ে থাকেন। আমরাও তাতে আপত্তি করবার কারণ দেখি না।&lt;br /&gt;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp; (গ) ভারতীয় আর্য ভাষাতে মূর্ধণ্য ধ্বনিগুলো অনেক পরের সংযোজন ।সম্ভবতঃ দ্রাবিড় ভাষার প্রভাবে। কিন্তু তার পর এতো জাঁকিয়ে বসেছে যে সবসময়ই এক স্বতন্ত্র মর্যাদার আব্দার নিয়ে এসে হাজির হয়। বাংলাতেও বিশুদ্ধ মূর্ধণ্য ধ্বনি নেই। এগুলো উত্তর দন্ত মূলীয়। সে যাই হোক মূর্ধণ্য ধ্বনির যোগে তৈরি প্রচুর তৎসম শব্দ বাংলাতে প্রচলিত আছে। সুতরাং এর অত্যাচার সহ্য করা ছাড়া উপায় নেই।&lt;br /&gt;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp; (অ) এ নিয়ে একটি সহজ নিয়ম অবশ্য বহুল প্রচলিত আছে আর&amp;nbsp; আমরা সবাই জানিও। তা এই&amp;nbsp; যে, পরে অন্য মূর্ধণ্য বর্ণ থাকলে বা আগে ‘ঋ,র , ষ ‘ থাকলে নাসিক্য ধ্বনিটি ‘ণ’ হয়।&amp;nbsp; যেমনঃ ঋণ, পরিমাণ,তৃণ, কণ্টক ইত্যাদি। বাদ বাকি নিয়মগুলো বেশ জটিল। একটু কষ্ট করে মনে রাখলেই মান বাঁচানো সহজ হবে।&lt;br /&gt;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp; (আ) পর-,পার-, উত্তর-,চান্দ্র-,নার-,নারা- এবং রাম- শব্দের পরের ‘অয়ন’ শব্দে ‘ন’—‘ণ’ হয়ে যায়। যেমনঃ রামায়ণ, নারায়ণ ইত্যাদি। অন্যত্র যা ছিল তাই থাকে। যেমনঃ রবীন্দ্রায়ন, মূল্যায়ন।&lt;br /&gt;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp; (ই)&amp;nbsp; সে রকমই প্র, পূর্ব, অপর পুরসর্গের পর ‘অহ্ন’ শব্দের ‘ন’ –‘ণ’ হবে। প্রাহ্ণ, পূর্বাহ্ণ, অপরাহ্ণ। কিন্তু মধ্যাহ্ন, সায়াহ্ন। সময় বোঝাবার এই শব্দগুলোর ব্যবহার আজকাল অতি অল্প,তাই রক্ষে।&lt;br /&gt;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp; (ঈ) ত্রিনয়ন, দুর্নাম, এরকম কিছু সমাসবদ্ধ পদের পূর্ব পদে ‘ঋ,র,ষ’ থাকলেও উত্তর পদে ‘ণ’ হবে না।&lt;br /&gt;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp; ৮. শিস দেয়াটা খুব ভালো গুণ নয়। মেয়েদের সামনেতো কস্মিন কালেও নয়। এই শিস ধ্বনি কেবল মেয়েদেরই উত্যক্ত করে না, ভাষাকেও বড় বিপাকে ফেলে। বাংলাতে এক ‘শ’ছাড়া আর কারো কোনো স্বতন্ত্র উচ্চারন নেই। ‘সার’ আর ‘ষাঢ়’ না লিখে ‘শার’ লিখলে উচ্চারণে কোনো গোল হবে না। দন্ত্য ধ্বনির সাথে ‘স’ আর মূর্ধণ্য ধ্বনির সাথে ‘ষ’এর কিছু উচ্চারণ শুধু কতকগুলো যুক্তাক্ষরে আছে। সেগুলোও বেশির ভাগ তৎসম। যেমনঃ স্মৃতি ,কষ্ট, ইত্যাদি। তার জন্যে অন্যত্র যেমনটি হয়েছে এখানেও সর্বত্র ‘শ’এর ব্যবহার করলে কাজ সহজ হয়ে পড়ত। কিন্তু অভ্যাস বলেও একটা কথা আছে। যে শব্দগুলো বহুল প্রচলিত তার বানান হঠাৎ পাল্টে ফেললে নিজেক কেমন বোকা বোকা মনে হয়। তাই ‘স,ষ’ বহাল তবিয়তে রাজ করতে পারছে।&lt;br /&gt;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp; (ক) মূলতঃ শিস ধ্বনি তিনটি থাকা শব্দের বানানেই তৎসম শব্দের রীতি দু’একটি ছোটখাটো ব্যতক্রম বাদ দিলে ( মনুষ্য-মিনসে, শ্রদ্ধা-সাধ ) তদ্ভতেও থেকে গেছে। যেমনঃ মশক—মশা, পিতুঃস্বসা—পিসি, শস্য—শাঁস, সর্ষপ—সরিষা ইত্যাদি।&lt;br /&gt;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp; (খ) তা হলে সমস্যা রইল বিদেশি শব্দে। সেগুলোতে সাধারণত মূলের উচ্চারণ অনুসরণ করা হয়। আর তাই পুলিশ, পেনসিল, শয়তান, পোশাক, জিনিস, এরকম বানানই প্রচলিত। এসবে মোটের উপর আমরা অভ্যস্ত।&lt;br /&gt;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp; (গ) কিন্তু বিদেশি শব্দগুলোর মূলের উচ্চারণ আমরা জানব কী করে? বিদেশি ভাষাতে যেগুলো তেমন শোনা যায় না, অথচ বাংলাতে বহুল প্রচলিত সেগুলো বাংলার স্বাভাবিক প্রবণতা অনুসারে ‘শ’ উচ্চারিত হয়। এবং বানানে একটা বিভ্রান্তি থেকেই যায়। তাই সহর, সয়তান, পুলিস বানানগুলোকেও দিব্বি ভিসা বাড়িয়ে ঠাই দিতে হয়। অর্থাৎ অভ্যাসই এই ক্ষেত্রে বিধিবদ্ধ নিয়ম।&lt;br /&gt;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp; (ঘ) আকাদেমি এ জটিলতার কথাও মনে রেখেছেন। এক সহজ নিয়মে তাঁর একেও সরল করে দিয়েছেন। ইঊরোপিয় শব্দের সাথে আমাদের যোগ সমকালীন, এ কথা মনে রেখে বোধহয় তাঁরা উচ্চারণ অনুযায়ী বানান তথা কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্রহণ করা প্রতিবর্ণীকরণ নীতি মেনে নিয়েছেন। আরবি-ফারসি মূল শব্দের বেলা তাঁরা বলেছেন, মূলে শিস ধ্বনি তিনটির যেটিই থাকুক না কেন বাংলা বানানে সর্বত্র ‘শ’ ব্যবহৃত হবে। যেমনঃ মাশুল, হিশেব, শাদা ইত্যাদি। প্রচলিত নাম শব্দে ‘স’কে রাখবার পরামর্শ দিয়েছেন। যেমনঃ ইসলাম, মুসলমান, সুফি, সোফিয়া ইত্যাদি।&lt;br /&gt;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp; ৯. ‘র,ড়,ঢ়’ নিয়েও একই রকম সমস্যা আছে। তবে ষাঢ়, আষাঢ়-এর মতো দু’একটি শব্দ ছাড়া ‘ঢ়’ এর&amp;nbsp; ব্যবহার নেইই প্রায়। শব্দক’টা মনে রাখলেই হলো। জায়গা দখল নিয়ে জোর লড়াই করে অন্য দু’টি। দু’টোরই&amp;nbsp; জোর বড় কম নয়। এ ক্ষেত্রে অর্থ মনে রাখলেই কাজ চলে যায়। আগে উল্লেখ করা বাক্য-“বই পরা শেস করে জামা পড়ে ঘড় থেকে বেড়িয়ে বাজার হয়ে এক বন্ধুর বারি দিব্যি বেরিয়ে আশি। টেড়ও পাই না কোথাও একটা বর গণ্ডগোল হয়ে গেছে।” এরকম লিখলে মহাভারত অশুদ্ধ হয় না অবশ্য। আমাদের অসমের বাংলা সংবাদ পত্র গুলো যে আখছার এমন লিখে তার নজির আগেই দিয়েছি। কিন্তু এরকম বাক্য পড়ে অনেকেই কিছু বুঝে উঠতে পারবে না। তাই পাঠকের কথা মনে রাখলে একটু সুবিধে হয় কথাটা এই মাত্র। বাক্যটির শুদ্ধ রূপ হবে—“ বই পড়া&amp;nbsp; শেষ করে জামা পরে ঘর থেকে বেরিয়ে বাজার হয়ে এক বন্ধুর বাড়ি দিব্যি বেরিয়ে আসি। টেরও পাই না কোথাও একটা বড় গণ্ডগোল হয়ে গেছে।” প্রায় সমোচ্চারিত শব্দগুলোর&amp;nbsp; তালিকা মনে রাখা এসব শব্দের জটিলতা এড়াবার কোনো উপায় নেই।&lt;br /&gt;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp; ১০. বাংলা বর্ণমালাতে দু’টো ‘ব’ কেন আছে এ কৌতুহল অনেকেরই মনে আছে। এ নিয়ে অসমিয়া হিন্দিতে কোনো সমস্যা নেই । তাদের অন্তস্থ-ব এর স্বতন্ত্র ব্যবহার আছে। লিপিতেও বর্ণ দু’টি আলাদা। যেমন অসমিয়াতে ‘ব’ আর ‘ৱ’ । বাংলাতে সর্বত্র বর্গীয়-ব । কিছু তৎসম শব্দের যুক্তাক্ষরে অন্তস্থ-ব এর ব্যবহার আছে, সেগুলোও লিপিসাম্যের জন্যে বোঝা মুস্কিল হয়। ত্বক,স্বাধীনতা, স্বামী, বিল্ব এরকম কিছু শব্দ। ‘বিল্ব’ শব্দের অসমিয়াতে উচ্চারণ শুনেছি অনেকটা ‘বিল্ ব’র মতো বাংলাতে বেশির ভাগ যুক্তাক্ষর সমীভূত হয়। এখানেও তার ব্যতিক্রম হয় না। ‘বিল্ব’ উচ্চারিত হয়’ বিল্ল’ । অথবা দ্বিতীয় ব্যঞ্জন একটা রেশ রেখে যায়, স্পষ্ট উচ্চারিত হয় না , সেখানে উচ্চারণে একটা জোর পড়ে মাত্র। উচ্চারিত হয় , “&amp;nbsp; ' সাধিনতা, ' তক,&amp;nbsp; ' সামি ইত্যাদি। এসব শব্দের বানান মনে রাখা বেশ একটু কঠিন বটে। অভ্যাসের উপর নির্ভর করা ছাড়া উপায় নেই।&lt;br /&gt;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp; এ পর্যন্ত এসে আমরা বানান সমস্যা নিয়ে সব কথা বললাম বলে দাবি করব না, কিন্তু যে যায়গাগুলো আমাদের বেশি বিভ্রান্ত করে সে নিয়ে কাজ চালিয়ে দেবার মতো কথা বলেছি বলে দাবি করতেই পারি। আগে দু’টো টিপস দিয়েই রেখেছি। এবার আরো চারটি মাত্র সূত্রে ( বা টিপস) আমাদের কথাগুলোকে গুটিয়ে আনতে পারি।&lt;br /&gt;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp; (ক) সংস্কৃত তথা শব্দে বানানের ব্যাকরণ সিদ্ধ নিয়ম মনে রাখার আমাদের এক বাধ্যবাধকতা আছে। নিয়ম মুখস্থ&amp;nbsp; করে এ সব মনে রাখবার উপায় নেই। অনবরত লিখে ভুল-শুদ্ধের দ্বান্দ্বিকতার মধ্যে দিয়ে যাওয়া ছাড়া আর অন্য কোনো উপায় নেই।&lt;br /&gt;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp; (খ) সংস্কৃত তথা তৎসম শব্দো যদি বহুল প্রচলিত হয় তবে অনেক ক্ষেত্রেই এবং অবশ্যই অন্য সমস্ত অ-সংস্কৃত (তদ্ভব, দেশি, বিদেশি,) শব্দের বানানে সাধারণত সমোচ্চারিত ধ্বনিগুলোর মধ্যে বহুল ব্যবহৃত ধ্বনিটির বর্ণই (ই-কার, উ-কার, জ ইত্যাদি) ব্যবহৃত হবে।&lt;br /&gt;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp; (গ) সরলী করণের এই নিয়মটি খাটবে না যদি অর্থ পাল্টে যায়। তীর অর্থে ‘কূল’ শব্দটিকে রাখতেই হবে, ‘কুল’ করে ফেললে তার অর্থ হয়ে যাবে বংশ। ‘নদীর পাড়’ আর ‘নদী পার’ কথা দু’টোর মধ্যে তফাৎ রাখতেই হবে। রঙ্গ-কে রং করে ফেললে সত্যি সত্যি রঙ্গ হয়ে যাবে।&lt;br /&gt;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp; (ঘ) অভ্যাস কথাটা যখন বানান সম্পর্কে ব্যবহার করব তখন বুঝতে হবে সমগ্র জাতির অভ্যাসের কথা বলা হচ্ছে। একটা জাতির অভ্যাসও কালে কালে পাল্টায়। কিন্তু ধাঁ করে দিন কয়েকের মধ্যে পাল্টাতে হলে সে আমাদের মতো সাধারণ মানুষের কাজ নয়। তার জন্যে রবীন্দ্রনাথের মতো বিরাট ব্যক্তিত্বের অথবা জনপ্রিয় সংবাদপত্রের প্রয়াসের দরকার পড়ে। যতদূর জানি, অভ্যাসের বশে ‘শ্রেণী’ শব্দটি অনেকদিন পাল্টাতে চাইছিল না। আকাদেমি প্রস্তাব করেছিল। আনন্দবাজার পত্রিকাগোষ্ঠী তাকেও ‘শ্রেণি’ করে তুলেছিল। অসমের বাংলা দৈনিক ও টিভিগুলো ‘নিবন্ধন’ অর্থে ‘পঞ্জিয়ন’কে প্রচলিত করে ছাড়বেই যেন মনে হচ্ছে। সে অবশ্যি নতুন শব্দ আমদানির কথা। আমাদের মতো সাধারণ ঘরের বৌরা যেমন মন না চাইলেও কপালে এক আধটু সিঁদুর ছুঁইয়ে রাখেন, অভ্যাসে বাঁধা পড়া বানানগুলো ব্যবহার করার একটা অভ্যাস তেমনি না থাকলে গড়ে নেয়া ছাড়া গত্যন্তর নেই।&lt;br /&gt;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp; &lt;b&gt;ছাত্রদের জন্যে আরেকটি অর্থাৎ সপ্তম কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ টিপস দিয়ে রাখতে পারিঃ&amp;nbsp;&lt;/b&gt; তাতে&amp;nbsp; পরীক্ষাতে অন্ততঃ ১০ (দশ) গ্রেস মার্ক্স&amp;nbsp; পাওয়া যেতে পারে। কিন্তু ভয় হয় ছাত্ররা তা অনুসরণ করবে কিনা তাই নিয়ে। একটা&amp;nbsp; দুটো বই অবশ্যই সারা জীবন সংগে রাখতে হবে, যদি জটিল বিশেষ করে তৎসম শব্দগুলো অহেতুক ভুল করে মানহানি না করতে হয়। বই দুটোর কথা কোনো সিলেবাসে লেখে না। একটির কথাতো কখনোই লেখে না। ছাত্ররা আমাদের বুদ্ধিমান; তারা সিলেবাসের বাইরে বই প্রায় পড়েই না। সিলেবাসেরো ‘বাজে’ বই পড়ে একেবারে সময় নষ্ট করে না। সোজা নোটের সন্ধানে বাজারে যায়। তা, এই দু’টোর নোটও পাওয়া যায় না। পরীক্ষাতেও তার থেকে কমন প্রশ্ন আসে না। তাই খুব কম ছাত্র বই দুটো সংগ্রহ করে পৈত্রিক অর্থের অপচয় করে। অল্পবুদ্ধিরা বুঝে গেছে আমরা ‘অভিধান’ আর ব্যাকরণ’ বইএর কথা বলছি। বুদ্ধিমানদের সুবিধের জন্যে বলে রাখি বানান কিংবা বাক্যের গঠন ‘টুকলিফাই’ করবার জন্যে এ দুটো&amp;nbsp; খুব কাজের বই। যত খুশি নকল করো কেউ তার জন্যে ‘ভেরিফাই’ করে কানমলা দেবে না। আর যদি ‘আকাদেমি বানান অভিধান’ রাখতে পারো তবে তো কোনো কথাই নেই! বহু মাস্টার মশাইর তর্জনও ঠাণ্ডা করা একেবারেই সহজ হয়ে যাবে। চাই কি তারাও আবার বানানের ক্লাস নাম লেখাতে পারেন! আমি নিজে সে ক্লাসের এখনো ফেল করা ছাত্র কিন্তু! কাউকে ভয় করি না, দিব্বি ভুল করি!&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: xx-small;"&gt;&lt;i&gt;(প্রবন্ধটি লিখতে গিয়ে&amp;nbsp; সংসদ প্রকাশিত রমেন ভট্টাচার্যের 'বাংলা বানান নিয়ম ও অনিয়ম' থেকে কিছুটা সাহায্য নিয়েছি। লিখেছিলাম বছর দুই আগে আমাদের&amp;nbsp; তিনসুকিয়া কলেজের (অসম, ভারত)&amp;nbsp; বাংলা বিভাগীয় পত্রিকা 'আশা'র জন্যে। সেটিকেই একটু সম্পাদনা ও সংযোজন করে এখানে তুলে দিলাম)&lt;/i&gt;&lt;/span&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/6206436569761013193-5405759386156719332?l=smritikona.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://smritikona.blogspot.com/feeds/5405759386156719332/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://smritikona.blogspot.com/2010/04/blog-post_18.html#comment-form' title='2 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6206436569761013193/posts/default/5405759386156719332'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6206436569761013193/posts/default/5405759386156719332'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://smritikona.blogspot.com/2010/04/blog-post_18.html' title='। যারা বানান ভুল করে তাদের পক্ষে দু’এক কলম ।'/><author><name>Sushanta Kar</name><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='32' height='32' src='//lh5.googleusercontent.com/-RSkN85Tj8Q8/AAAAAAAAAAI/AAAAAAAAAAA/UwZz3jjXg1k/s512-c/photo.jpg'/></author><media:thumbnail xmlns:media='http://search.yahoo.com/mrss/' url='http://4.bp.blogspot.com/_Y7NPfnwUYj8/S8oDWHM-FxI/AAAAAAAACag/SHDi-P2-X0o/s72-c/Bangla%20academi.JPG' height='72' width='72'/><thr:total>2</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-6206436569761013193.post-6044819833095165363</id><published>2010-04-03T13:32:00.000+06:00</published><updated>2010-04-03T13:32:29.878+06:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='Picture'/><title type='text'>আমি বন ফুল …………………</title><content type='html'>প্রকৃতির সৌন্দর্যের সেরা সৌন্দর্য ফুল এতে কোন সন্দেহ আছে বলে আমার মনে হয় না। নারী, পুরুষ, শিশু, কিশোর, কিশোরী, তরুণী, তরুণ, যুবক বৃদ্ধ সবাই ফুল ভাল বাসে। কেউ কম কেউ বেশী। খোঁপায় একটা যেমন তেমন ফুল গুঁজে অনেকেই সেজে থাকেন। অনেকেই ঘরের ফুল দানিতে সাজিয়ে রাখতেও ভালবাসেন। বাগান করা একটি বিশেষ শখের বিষয় এমন কি অনেকেই নিতান্ত অসুস্থ থেকেও নিজ হাতে গড়া বাগানের পরিচর্যা করেন। যাদের বাগান করার মত যথেষ্ঠ জায়গা নেই তারা অন্তত টবে করে কিছু ফুল লাগাতে ভালবাসেন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;তবে সারা বিশ্বে কিন্তু এমন সব ফুল রয়েছে যা আমরা কোন দিন তাকিয়ে দেখি না। বনের মাঝে নয়ত ঝোপে ঝারে অনাদরে অযত্নে অবহেলায় ফুটে থাকে, সেগুলি না পায় কারো ভালবাসা না তাদের নাম কেউ জানে। বিলাতের বিভিন্ন জায়গায় পথে প্রান্তরে ঘুরতে গিয়ে আমি এমন কিছু ফুল দেখেছি(গোলাপ সহ) যেগুলির সৌন্দর্যে মুগ্ধ হয়ে আমার হাত ফোনে তাদের ছবি তুলে জমিয়ে রেখেছি। অবসরে যখন কিছুই ভাল লাগে না তখন এই ছবি গুলি দেখে অশান্ত বিক্ষিপ্ত মনে কিছুটা হলেও শীতল ভাব আসে। আমার মনে হয় এগুলি আপনার কাছেও ভাল লাগবে। স্টিল ছবিতে নির্মিত মোট ৫ মিনিট ১২ সেকেন্ডের এই মুভিতে ৭০ টি ছবি রয়েছে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;(ছবি গুলি আপলোড করার জন্য অতিরিক্ত কমপ্রেস করতে হয়েছে বলে মান ঠিক রাখতে পারিনি এজন্য দুঃখিত)&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;object height="344" width="425"&gt;&lt;param name="movie" value="http://www.youtube.com/v/Cpc0sNgMrxI&amp;amp;hl=en&amp;amp;fs=1"&gt;&lt;/param&gt;&lt;param name="allowFullScreen" value="true"&gt;&lt;/param&gt;&lt;param name="allowscriptaccess" value="always"&gt;&lt;/param&gt;&lt;embed src="http://www.youtube.com/v/Cpc0sNgMrxI&amp;amp;hl=en&amp;amp;fs=1" type="application/x-shockwave-flash" allowscriptaccess="always" allowfullscreen="true" width="425" height="344"&gt;&lt;/embed&gt;&lt;/object&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/6206436569761013193-6044819833095165363?l=smritikona.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://smritikona.blogspot.com/feeds/6044819833095165363/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://smritikona.blogspot.com/2010/04/blog-post.html#comment-form' title='2 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6206436569761013193/posts/default/6044819833095165363'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6206436569761013193/posts/default/6044819833095165363'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://smritikona.blogspot.com/2010/04/blog-post.html' title='আমি বন ফুল …………………'/><author><name>Smritikona</name><uri>http://www.blogger.com/profile/06924676430610821189</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='30' height='32' src='http://3.bp.blogspot.com/_QBqxJNVAQsg/S4nDcZMyGtI/AAAAAAAAH5o/BcbLKNpvnQk/S220/Snow+self-2.jpg'/></author><thr:total>2</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-6206436569761013193.post-1712527133908923502</id><published>2010-03-22T08:50:00.002+06:00</published><updated>2010-03-22T08:50:51.535+06:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='poems'/><title type='text'>বাংলাদেশ</title><content type='html'>তেঁতুলিয়া থেকে দক্ষিনে সুন্দর বন&lt;br /&gt;সবুজের মায়ায় ঘিরে থাকে মন।&lt;br /&gt;জাফলং থেকে টেকনাফ কুতুবদিয়া&lt;br /&gt;নীল জলে ভাসে সাম্পান পাল তুলিয়া।&lt;br /&gt;সোনালী সূর্য উকি দেয় রাঙ্গা মাটির পাহাড়ে&lt;br /&gt;ঊর্মিমালা দোলে বঙ্গোপসাগর।&lt;br /&gt;হাতিয়া, সন্দ্বীপ, নিঝুম দ্বীপ&lt;br /&gt;ঘরে ঘরে জ্বালে গায়ের বধু সন্ধ্যা প্রদীপ।&lt;br /&gt;আঁকাবাঁকা বিনুনি গেঁথেছে মালা&lt;br /&gt;এই মাটিতে হাজার নদীনালা।&lt;br /&gt;তিতাস, তুরাগ, সুরমা, রূপসা, মেঘনা&lt;br /&gt;কুশিয়ারা, কর্ণফুলি, কপোতাক্ষ, পদ্মা, যমুনা।&lt;br /&gt;ফিরে ফিরে আসে কাল বৈশাখী&lt;br /&gt;শীত বসন্তে আসে মৌসুমী পাখি।&lt;br /&gt;কাজরী গায় ময়না টিয়া খঞ্জনা&lt;br /&gt;দোয়েল, কোয়েল, কোকিল চন্দনা।&lt;br /&gt;গায়ের পথে খেলে শিশু বানিয়ে কানের দুল&lt;br /&gt;শাপলা-শালুক, শিমুল, পলাশ, কচুরী, পদ্মফুল।&lt;br /&gt;করেছে ধন্য বরেণ্য কবি শিল্পী&lt;br /&gt;ছবি একেঁছেন মনের মত, লিখেছেন পাণ্ডুলিপি।&lt;br /&gt;রবীন্দ্রনাথ, নজরুল, জসীম উদ্দিন,&lt;br /&gt;কায়কোবাদ, কামরুল হাসান, জয়নুল আবেদিন।&lt;br /&gt;প্রতিদিন শুকতারা জাগে সন্ধ্যা কাশে &lt;br /&gt;রাখালী স্বপ্ন জ্বালে দীপ শিখা,&lt;br /&gt;কাগজে কালির আঁচড়ে যায় না লিখা।&lt;br /&gt;যার কথা আকাশ খাতায় লিখে হয় না শেষ&lt;br /&gt;সে যে সোনায় সোহাগে মেশা আমার বাংলাদেশ।&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/6206436569761013193-1712527133908923502?l=smritikona.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://smritikona.blogspot.com/feeds/1712527133908923502/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://smritikona.blogspot.com/2010/03/blog-post_22.html#comment-form' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6206436569761013193/posts/default/1712527133908923502'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6206436569761013193/posts/default/1712527133908923502'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://smritikona.blogspot.com/2010/03/blog-post_22.html' title='বাংলাদেশ'/><author><name>Smritikona</name><uri>http://www.blogger.com/profile/06924676430610821189</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='30' height='32' src='http://3.bp.blogspot.com/_QBqxJNVAQsg/S4nDcZMyGtI/AAAAAAAAH5o/BcbLKNpvnQk/S220/Snow+self-2.jpg'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-6206436569761013193.post-2822257361123611308</id><published>2010-03-15T04:26:00.002+06:00</published><updated>2010-03-15T04:30:28.854+06:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='poems'/><title type='text'>চঞ্চল বসন্ত</title><content type='html'>মন আমার দোদুল দোলে কৃষ্ণচূড়ার ডালে ডালে দোলে ওই চঞ্চল বসন্তে&lt;br /&gt;ভ্রমরের গুঞ্জনে কোকিলের গানে গানে&lt;br /&gt;ভুলায়ে আপন ভোলা দখিনা দেয় যে দোলা মৌ বনেরই প্রান্তে।।&lt;br /&gt;রিনি ঝিনি কাকন বাজে গোধূলির রঙ্গিন সাঁঝে&lt;br /&gt;কে আমায় মাতাল হৃদয় যে হারাল নুপুরেরই ছন্দে&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/6206436569761013193-2822257361123611308?l=smritikona.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://smritikona.blogspot.com/feeds/2822257361123611308/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://smritikona.blogspot.com/2010/03/blog-post_15.html#comment-form' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6206436569761013193/posts/default/2822257361123611308'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6206436569761013193/posts/default/2822257361123611308'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://smritikona.blogspot.com/2010/03/blog-post_15.html' title='চঞ্চল বসন্ত'/><author><name>নীল নক্ষত্র</name><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='30' height='32' src='http://4.bp.blogspot.com/-bVx-BtBxn3k/TbL1fBUvgTI/AAAAAAAAAUo/nwp3Imj3g5M/s220/Amar%2Bblog%2Bicon.jpg'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-6206436569761013193.post-8906996581675621972</id><published>2010-03-09T00:47:00.002+06:00</published><updated>2010-03-15T04:35:26.821+06:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='Life'/><title type='text'>কি করি আজ ভেবে না পাই</title><content type='html'>বিগত প্রায় মাস খানিক যাবত কি যে হয়েছে কিছু বুঝতে পারছি না। কিছুই লিখতে ইচ্ছে করে না। লিখা শুরু করলেই মনটা ভিন্ন কোন দিকে চলে যায়। হয়ত কোন ছবি এডিট করি আবার সেটা ছেড়ে কোন গান এডিট করি আবার সেটা ছেড়ে কাউকে একটা চিঠি লিখলাম কিছুক্ষণ আবার সেটা শেষ না করেই অন্য কিছুতে মন চলে গেল। হয়তোবা ওয়েব থেকে ওয়েবে উদ্দেশ্য হিন ভাবে এলেমেলো পায়চারি করে আবার কোথা থেকে কোথায় যাই কি করি কিছুই ঠিক নেই। এক্কে বারে অকাজের, কোন দিকে যা কোন কাজেই আসে না শুধু শুধু সময় নষ্ট করা। &lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;iframe align="left" frameborder="0" marginheight="0" marginwidth="0" scrolling="no" src="http://rcm.amazon.com/e/cm?t=kamas-20&amp;amp;o=1&amp;amp;p=8&amp;amp;l=bpl&amp;amp;asins=0470385499&amp;amp;fc1=000000&amp;amp;IS2=1&amp;amp;lt1=_blank&amp;amp;m=amazon&amp;amp;lc1=0000FF&amp;amp;bc1=000000&amp;amp;bg1=FFFFFF&amp;amp;f=ifr" style="height: 245px; padding-right: 10px; padding-top: 5px; width: 131px;"&gt;&lt;/iframe&gt;কি হয়েছে?নিজেকে প্রশ্ন করি কিন্তু কোন জবাব পাই না। কি হলে এমন হয়?না তাতেও কোন জবাব নেই। এদিকে কত লেখা লেখির কাজ পরে রয়েছে। জানছি দেখছি, বুঝছি এগুলি আমাকেই করতে হবে কিন্তু ওই যা হবার তাই। পাতা খুলে বসে কোন মতে বিষয়টা লিখা হতে না হতেই মন হঠাত্ করে জানালা দিয়ে বাইরে লাফ দিয়ে চলে যায়। আচ্ছা ঠিক আছে যাবি যা, তা একটু বলে কয়ে গেলে কি হয়?না তা হবে না। এদিকে কী বোর্ডের ওই যে ওই কীটা যার নাম জানি না যেটা দিয়ে ক্যাপ লক করে তার নিচের টা। ওই কীতে সাঙ্ঘাতিক ভাবে ডিস্টার্ব করছে। “শালিক” লিখতে চেয়ে চেপে যাই লেখা শেষ করে দেখি “সালিক” হয়ে রয়েছে। লিখে গেলাম দীর্ঘ ঈ কার দিয়ে হয়ে যায় হ্রস্ব ই কার, লিখি ট হয়ে যায় ত কি যে বিরক্তিকর। কী চেপে যাই কিন্তু লেখা ওই রকম হয়। আমার কি দোষ?আমি তো চেপেছি, ওঠেনি কেন?আবার পুরো লেখা মেরামত কর। এমনিতেই লিখতে মন চায় না তারপর আবার উটকো ঝামেলা কত ক্ষন সহ্য করা যায়?লেখা বাদ দিয়ে চলে গেলাম মেইল দেখতে, অথচ এই একটু আগে মেইল দেখে গেলাম, আমি কি এমন কোন বিখ্যাত অজগর সাপ না কি কোন নাচুনে বুড়ো যে মানুষে আমার কাছে মিনিটে হাজার দুই মেইল পাঠাবে, আমার একটা বাণী পাবার জন্য না খেয়ে মেইল বক্স খুলে বসে থাকবে?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;এই যে মনে হল সেদিন কোথায় যেন দেখলাম তাসলিমা নাসরিনকে নিয়ে ভারতের এক বিখ্যাত লেখিকা কি সব লিখেছে, পড়িনি, পরার মত প্রবৃত্তি হয়নি। আরে কোথায় অরুন্ধতী রায় আর কোথায় তাসলিমা, আগরতলা আর চৌকির তলার সাথে যার তুলনা করা যায়। মনে হয় অরুন্ধতী রায়ের ইদানিং কাজকর্ম কিছু কমে গেছে না হলে আমার মত মতি বিভ্রাট ঘটেছে তা না হলে লেখার মত আর কাওকে পেল না! এটা নিয়ে ভাবলাম কয়েক দিন। যে কিনা নারী হয়ে নারীর মর্যাদা রাখতে পারেনি নারীকে ঘৃণ্য পর্যায়ে নিয়ে গেছে, যাকে নারী বলে মেনে নিতে মন চায় না তার জন্য এত কি! এ ও কিছু ভেবে পেলাম না। তাকে ভদ্র মহিলা বলতে ইচ্ছা করে না কিন্তু নিজের মনে কলুষতা প্রবেশ করতে দিতে চাই না তাই বলা। আরে বাবা ভাল ছাত্রী ছিলে ভাল ডাক্তারী করছিলে তাই করতে। ডাক্তারি করেও নারী অধিকার আন্দোলন করা সম্ভব। তা না করে রাতারাতি বিখ্যাত হবার জন্য এমন সব কাজকর্ম করে বসল যে শেষ পর্যন্ত দেশ ছেড়ে পালিয়ে জীবন বাচাতে হোল। কেনরে বাবা কুপথে যাবার এমন কি প্রয়োজন ছিল। নিজেকে বিকিয়ে সন্মানিত নারী জাতির কলঙ্ক ছড়াল যে এই এমন একটা চরিত্রের জন্য অমন মানুষের হাতে কলম ধরা!! কি জানি এ আবার কোন ধারা। যাক আমার মাথায় এখন গোল চলছে বলে হয়ত এমন করে ভাবছি। কই এত দিনত ভাবিনি। &lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আমার প্রিয় গান “সাম্যের গান গাই, আমার চক্ষে পুরুষ রমনী কোন ভেদা ভেদ নাই” যে নারী না হলে এই শ্যামল পৃথিবী বিরান হয়ে যেত, যে নারী না হলে কোন কালেই কোন পুরুষের তরবারি জয়ী হতে পারত না, যে নারী আপন মহিমায় চির দিন সম্মানের সর্বোচ্চ শিখরে অধিষ্ঠিত বলে জেনে এসেছি, যে নারীর সেবা দিয়ে মমতা দিয়ে মরুতে গড়েছে পুষ্প বিতান, যে নারীর গর্ভে জন্মেছি, যে নারীর বুকে পৃথিবীর সকল প্রাণীর খাদ্য ভান্ডার সঞ্চিত রয়েছে, যে নারী সর্ব সেরা সম্বোধন ‘মা’ নামে পরিচিত, প্রায় অধিকাংশ ভাষায় এই মা সম্বোধনে ম অক্ষর জড়িত, যে নারীর কষ্টে নিজে কষ্ট পেয়েছি। পুরুষ শাসিত সমাজে নারীর প্রতি নির্যাতনে ধিক্কার দিয়েছি। এইতো কিছু দিন আগে লন্ডনে এবং তুরস্কে মা বাবা এবং পরিবারের অন্যান্য সব সদস্য মিলে তাদের পরিবারের মর্যাদা রক্ষার জন্য এক মেয়েকে জবাই করেছে এবং আর এক মেয়েকে হাত পা বেধে জীবিত মাটিতে পুতে রেখেছে এই সংবাদ জানার পর থেকে এখনো আমি চমকে উঠি সেই আমি কিনা আজ এই লিখে ফেললাম! না এ বিষয়ে আর না।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;যাকগে, যে যাই করুক তাতে তার পূর্ণ স্বাধীনতা রয়েছে ও নিয়ে আমার মাথা ঘামাবার মত এত সময় বা ইছা কোনোটাই নেই। আমার নিজের কি হয়েছে তাই বুঝতে পারছি না। এই গবেষনা করতেই ৫/৭টা লেবরেটরি খুলে ফেলেছি। হয়, মাঝে মাঝে আমার এমন হয় আবার দূরে কোথাও থেকে কদিন ঘুরে এলে সব ঠিক হয়ে যায়। এইতো কিছু দিন আগে গ্লস্টারে ভাইয়ের বাসায় থেকে এলাম বেশ কয়েক দিন। এখন আবার যাই কোথায়, কিছুই ভেবে পাচ্ছি না, ছুটিও পাবার উপায় নেই। এক মহা ঝামেলায় পরলাম। ভাবনার আয়নাতে খুঁজেও কিছু পাচ্ছি না, ধুলো জমে ঝাপসা হয়ে গেছে ভেবে মুছে নিলাম তবুও কিছু পেলাম না। &lt;br /&gt;&lt;br /&gt;এর মধ্যে মেইল পেলাম বিশিষ্ট ব্লগ লেখিকা ব্লগ জগতে বিচরন কারি সকলের প্রিয় ব্যক্তিত্ব ফ্লোরেন্স রিয়া এক দুর্ঘটনায় কোমরের হাড়ে ফ্র্যাকচার হয়ে বিছানায় আশ্রয় নিয়েছে। মেইলটা পেয়ে মনটা আরো বেশি চঞ্চল হয়ে গেল। কি করি, তাকে কিছু সান্ত্বনা জানিয়ে এবং সাবধানে থাকার অনুরোধ জানিয়ে একটা মেইল পাঠিয়ে দিলাম। আবার জিন্নাতুল হাসানের একটা মেইলে জানলাম তার ব্লগ বাংলাদেশের অধিক পঠিত ব্লগের মধ্যে ৯৫তম স্থানে অবস্থান করছে। জেনে জিন্নাতকে অভিনন্দন বার্তা দিয়ে মেইল পাঠালাম। আমি আগামী জুন মাসের আগে লন্ডন যেতে পারব না কাজেই তুমি আমার এখানে আস মিষ্টি খাইয়ে দিই, নয়ত বল ডাকে পাঠিয়ে দিই, যদিও আমার এখানে লন্ডনের মত ভাল মানের মিষ্টি নেই।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;কি সব আবোল তাবোল বকছি কোথা থেকে কোথায় যাচ্ছি তাই না?তবে আমার যত দূর বিশ্বাস হেমায়েতপুর বা রাঁচিতে যেতে হবে না। এইতো এই হোল আমার মনের অবস্থা। কি করি আজ ভেবে না পাই পথ হারিয়ে কোন বনে যাই, সারাক্ষণ ঠাকুর দাদার এই কথাটা গুন গুন করি। যদি এ লেখা কেউ পড়ে দেখেন তাহলে দয়া করে উত্তরণের একটা পথ জানাতে পারেন। সাদরে গৃহিত হবে সাথে উপহার হিসেবে কয়েক লক্ষ বা দাবী অনুযায়ী ধন্যবাদ দেয়া হবে।&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/6206436569761013193-8906996581675621972?l=smritikona.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://smritikona.blogspot.com/feeds/8906996581675621972/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://smritikona.blogspot.com/2010/03/blog-post_09.html#comment-form' title='2 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6206436569761013193/posts/default/8906996581675621972'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6206436569761013193/posts/default/8906996581675621972'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://smritikona.blogspot.com/2010/03/blog-post_09.html' title='কি করি আজ ভেবে না পাই'/><author><name>Smritikona</name><uri>http://www.blogger.com/profile/06924676430610821189</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='30' height='32' src='http://3.bp.blogspot.com/_QBqxJNVAQsg/S4nDcZMyGtI/AAAAAAAAH5o/BcbLKNpvnQk/S220/Snow+self-2.jpg'/></author><thr:total>2</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-6206436569761013193.post-4863465516226306293</id><published>2010-03-08T09:57:00.000+06:00</published><updated>2010-03-08T09:57:30.919+06:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='poems'/><title type='text'>মাতাল বসন্ত</title><content type='html'>&lt;iframe align="left" frameborder="0" marginheight="0" marginwidth="0" scrolling="no" src="http://rcm.amazon.com/e/cm?t=kamas-20&amp;amp;o=1&amp;amp;p=8&amp;amp;l=bpl&amp;amp;asins=B000P6G6T8&amp;amp;fc1=000000&amp;amp;IS2=1&amp;amp;lt1=_blank&amp;amp;m=amazon&amp;amp;lc1=0000FF&amp;amp;bc1=000000&amp;amp;bg1=FFFFFF&amp;amp;f=ifr" style="height: 245px; padding-right: 10px; padding-top: 5px; width: 131px;"&gt;&lt;/iframe&gt;স্বর্ণালী সুন্দর এই দিন &lt;br /&gt;কে বাজায় দূরে মধুর বীণ&lt;br /&gt;ঘরে আমার এ মন রয়না &lt;br /&gt;কেন চৈতী হাওয়া বয়না।।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আমি যে হারিয়ে যেতে চাই &lt;br /&gt;এ লগন কোথায় খুঁজে পাই&lt;br /&gt;দখিনা বাতাস বলে দেয় না &lt;br /&gt;কেন যে তাকে পাওয়া যায় না।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;হারিয়ে যাবার এই দিন &lt;br /&gt;সুর জাগাল মনে রঙ্গীন&lt;br /&gt;বসন্ত বাঁধনে বাধা বল্লরী &lt;br /&gt;মাতাল সুরভি ছড়ালো মাধুরী।।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;বন ফুলে রেখেছে দুয়ার খুলে &lt;br /&gt;নদী কূলে উথলে হৃদয় দুলে&lt;br /&gt;ব্যাকুল এ মন ধরে বায়না &lt;br /&gt;একেলা কেন যে প্রানে সয়না।।&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/6206436569761013193-4863465516226306293?l=smritikona.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://smritikona.blogspot.com/feeds/4863465516226306293/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://smritikona.blogspot.com/2010/03/blog-post_08.html#comment-form' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6206436569761013193/posts/default/4863465516226306293'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6206436569761013193/posts/default/4863465516226306293'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://smritikona.blogspot.com/2010/03/blog-post_08.html' title='মাতাল বসন্ত'/><author><name>Smritikona</name><uri>http://www.blogger.com/profile/06924676430610821189</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='30' height='32' src='http://3.bp.blogspot.com/_QBqxJNVAQsg/S4nDcZMyGtI/AAAAAAAAH5o/BcbLKNpvnQk/S220/Snow+self-2.jpg'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-6206436569761013193.post-5124130593101457651</id><published>2010-03-06T10:35:00.000+06:00</published><updated>2010-03-06T10:35:55.145+06:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='poems'/><title type='text'>নিমগ্না</title><content type='html'>&lt;iframe align="left" frameborder="0" marginheight="0" marginwidth="0" scrolling="no" src="http://rcm.amazon.com/e/cm?t=kamas-20&amp;amp;o=1&amp;amp;p=8&amp;amp;l=bpl&amp;amp;asins=B001F5H9VW&amp;amp;fc1=000000&amp;amp;IS2=1&amp;amp;lt1=_blank&amp;amp;m=amazon&amp;amp;lc1=0000FF&amp;amp;bc1=000000&amp;amp;bg1=FFFFFF&amp;amp;f=ifr" style="height: 245px; padding-right: 10px; padding-top: 5px; width: 131px;"&gt;&lt;/iframe&gt;দূর পাহাড়ের পাশে &lt;br /&gt;আকাশ হলো মেঘলা&lt;br /&gt;একটু পরে নামল ধীরে &lt;br /&gt;তুহিন মাখা বাদলা।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;এমন দিনে পথের পরে &lt;br /&gt;কে চলে গো একলা,&lt;br /&gt;বৃষ্টি নামে রিম ঝিমিয়ে &lt;br /&gt;পথ চলে সে গুন গুনিয়ে,&lt;br /&gt;একা একা যায় সে কোথায় &lt;br /&gt;খানিক আচল উড়িয়ে মাথায়,&lt;br /&gt;কলসী নিয়ে কাঁখে &lt;br /&gt;যায় কি নদীর ঘাটে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;বৃষ্টি ভেজা পথের ধারে এদিক ওদিক চায় &lt;br /&gt;মন যে তার উড়িয়ে নিল পাগলা হাওয়ায়।&lt;br /&gt;সবুজ মাঠে শারীতে মিশে &lt;br /&gt;মনটা ভরেছে হিমেল বাতাসে,&lt;br /&gt;কখনও ভাবেনি পিছনে দেখেনি &lt;br /&gt;আকাশ কাল মেঘে ছেয়ে গেছে ঢেকে।&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/6206436569761013193-5124130593101457651?l=smritikona.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://smritikona.blogspot.com/feeds/5124130593101457651/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://smritikona.blogspot.com/2010/03/blog-post_06.html#comment-form' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6206436569761013193/posts/default/5124130593101457651'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6206436569761013193/posts/default/5124130593101457651'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://smritikona.blogspot.com/2010/03/blog-post_06.html' title='নিমগ্না'/><author><name>Smritikona</name><uri>http://www.blogger.com/profile/06924676430610821189</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='30' height='32' src='http://3.bp.blogspot.com/_QBqxJNVAQsg/S4nDcZMyGtI/AAAAAAAAH5o/BcbLKNpvnQk/S220/Snow+self-2.jpg'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-6206436569761013193.post-1494485774435579818</id><published>2010-03-05T20:25:00.006+06:00</published><updated>2010-03-15T04:36:11.354+06:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='বাংলা সাহিত্য'/><title type='text'>প্রাক –চর্যার যুগের বাংলা ভাষা ও আধুনিক কবিতার সম্পর্কে কিছু কথাঃ</title><content type='html'>&lt;b&gt;লক্ষনীয়ঃ&amp;nbsp;&lt;/b&gt;&lt;br /&gt;BuZZ এ কেন জানি প্রায়ই এরর দেখাচ্ছে। তাই মেইল করে দিলাম। আমার বক্তব্য!  পারলে আপনাদের কেউ পোস্ট করে দিন:&lt;br /&gt;&lt;b&gt;লেখক&lt;/b&gt;&lt;a href="http://sushantakar40.blogspot.com/"&gt;&lt;b&gt;ঃ&lt;/b&gt; সুশান্ত কর&lt;/a&gt;&lt;br /&gt;যান্ত্রিক গোলযোগের কারনে তিনি নিজ ব্লগে প্রচার করতে পারেননি বলে এখানে তার অনুরোধের প্রেক্ষিতে প্রচার করে দিলাম। &lt;b&gt;স্মৃতিকণা।&lt;/b&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;চিনলেননা তো ! তবে কে আর দিদিমার মায়ের নাম মনে রাখে বলুন। আমি অপেক্ষা করছিলাম গোপীদা লিখবেন কিছু। তিনি সম্প্রতি 'চর্যাপদ' নিয়ে বই লিখেছেন কিনা।&lt;br /&gt;যাই হোক এর থেকেই বাংলা এসেছে। ওটা প্রাক-চর্যাপদ যুগের প্রাকৃত ভাষা, সম্ভবত সৌরসেনী। হাজার বছরের চে'ও বেশি পুরোনো আমাদের প্রাক-বাংলা ভাষা। 'প্রাকৃত পৈঙ্গল' নামের এক প্রাচীন সংকলনে এটি সংকলিত হয়েছিল।এর এক আধুনিক বাংলা অনুবাদ আমি করেছিলাম এরকমঃ&lt;br /&gt;প্রিয়তম দূর দেশে&lt;br /&gt;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp; দিগন্ত পার ।&lt;br /&gt;ওড়না ওড়ালো এসে &lt;br /&gt;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp; মেঘ বরষার ।।&lt;br /&gt;মন দিয়ে পড়ুন আবার , দেখবেন এক ছোট্ট গল্প আছে এর মধ্যে। অনেক কথা বলেছেন কবি, অনেক কম বলে।&lt;br /&gt;এর অনুকরণে আমি আরো লিখেছিলাম কিছুঃ&lt;br /&gt;১)&lt;br /&gt;কাশফুল ঝরে যায়;&lt;br /&gt;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp; কপালের টিপ।&lt;br /&gt;বাঁধা বেনী খুলে যায়&lt;br /&gt;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp; নেভানো&amp;nbsp; প্রদীপ।&lt;br /&gt;২)&lt;br /&gt;'বউ কথা কও' পাখি &lt;br /&gt;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp; ডাকিসনে আর&lt;br /&gt;শিউলি ফোটেনা সখি&lt;br /&gt;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp; ভাদো আশিনার&lt;br /&gt;৩) &lt;br /&gt;যে যদি মিনতি করে &lt;br /&gt;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp; আঙটি ও হার;&lt;br /&gt;দু'পা গেলে নদী বয়;&lt;br /&gt;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp; কলসি দোয়ার।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&amp;nbsp;এবারে পড়ুন আমার বৈষ্ণব কবিতার যুগের ধাঁচে কবিতাঃ&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;তুই ছাড়া আর কার বা আমি &lt;br /&gt;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp; নিলাম জাতি কুল;&lt;br /&gt;কার প্রাণে বা বাজলো গিয়ে&lt;br /&gt;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp; বাঁশি আমার ভুল!&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ঝাড় উপাড়ি ডালে মূলে &lt;br /&gt;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp; কে ভাসালে সুর;&lt;br /&gt;তোর পায়ের নুপূর চেনে&lt;br /&gt;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp; সাত সমুদ্দূর !&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;এখন সখি, সুখ হলো তোর-&lt;br /&gt;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp; কী দিয়ে নিই প্রাণ!&lt;br /&gt;ভুলেই গেছে যমুনা যে সেই &lt;br /&gt;আগের কলতান!&lt;br /&gt;---&lt;br /&gt;দেখুন এবারে এখানে খালিদদার সেই প্রথম কবিতার সুর পাচ্ছেন কিনা।&lt;br /&gt;----&lt;br /&gt;কিন্তু আমি আজকাল কবিতা লিখিনা। সত্যি বলতে ঐ যারা ইন্দিরাদিকে মধ্যযুগীয় বলে বিদ্রুপ করল কবিদের মধ্যে ওদের সংখ্যা এত্তো বেশি আর ওরা শক্তিতে এত্তো প্রবল যে আমার ঘেন্না ধরে গেল। আমি অবশ্যি হার মানবার পাত্র নই। কিন্তু আমার নিজেরই আগ্রহ গদ্যে বেড়ে গেল। কী আর করা।আমার সে দুঃখের কথা অরকুটের প্রফাইলে লেখা আছে। &lt;br /&gt;এবারে 'মধ্য যুগ' শব্দটা আসলে ধার করা। আমাদের দেশে ইউরোপের মতো কোনো মধ্যযুগ কোনোদিন ছিল না। ইংরেজ গেছে , কিন্তু গোলামির মানসিকতা আমাদের যায়নি। তাই ওদের গোলামি করে ওদের থেকে ধার করা ধারণাতে জগত না দেখলে আমাদের অনেকে মধ্যযুগীয় বলে। &lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ইন্দিরাদি, আমি ঐ অরকুট গ্রুপে গিয়ে দেখেছি কে কি বলেছে। ওমন অসভ্যের মতো লিখত না যদি আপনি কবিতা নালিখে আমার মতো গদ্য লিখতেন। তখন বড়জোর আপনার সঙ্গে মতামত বিনিময় করত বা দ্বিমত পোষণ করত। এমন কাঁচা পণ্ডিতি কবিতা নিয়ে হয়। আমি ক'দিন আগে দেবেশ রায়ের একটা বই পড়েছি। ওখানে তিনি একজায়গাতে লিখেছেন, “কিছু দিন আগে কলকাতাতে এলেন কিউবার এক বিখ্যাত কবি। তিনি এক বৈঠকে, 'আমার কাছে ত আমার কোনো কবিতার বই নেই, নইলে পড়ে শোনাতাম দু'চারটে কবিতা,' বলতেই বেরিয়ে আসে বাঙালি শ্রোতাদের ভেতর থেকে তাঁর লেখা দু'দুটো কাব্যগ্রন্থ। সে কবিতো আমাদের আন্তর্জাতিকতায় হতবাক। দুনিয়ার এত খবর রাখতে গিয়ে নিজেদের খবর আমাদের বড় একটা রাখা হয় না,...।'&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;তিনি যেটি লেখেননি আমি লিখছি। মনে করুন, ওখানে অসমের বা ঊড়িষ্যার কোনো কবি গিয়ে ঐ কথা বলতেন। আমি নিশ্চিত ওখানে তাঁর একটাও কবিতা বেরুতো না। কারণ আধুনিক হবার দৌড়ে আমরা একটা 'ঊড়ো খৈ গোবিন্দায় নমঃ' তত্ব বের করেছি। যা কিছুতে পশ্চিমের গন্ধ আছে তাই আধুনিক। প্রাচ্যের সবকিছু পরিত্যাজ্য। উপেক্ষণীয়। আমরা কালিদাসের কথা বলি বটে কিন্তু কতজন বলুন জ্ঞানদাস, চণ্ডীদাস, বিদ্যাপতি, শাহ মুহম্মদ সগির, শৈয়দ আলাওলের কথা মনে রাখি। রাখিনা , কারণ ইংরেজি শিক্ষাতে জেনেছি ওরা আসার আগে যা কিছু ছিলো সব মধ্য যুগীয় এবং পরিত্যাজ্য। &lt;br /&gt;'দেইখ্যা আইলাম তারে সই , দেইখ্যা আইলাম তারে।&lt;br /&gt;একই অঙ্গে এতো রূপ নয়ানে না ধরে..." (জ্ঞানদাস)&lt;br /&gt;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp; এমন লাইনকে যে মধ্যযুগীয় বলে তার গালে চপেটাঘাত করা উচিত!&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;কিন্তু বলে। মাইকেলের আগের প্রায় সব্বার নাম আমাদের ভুলিয়ে দেয়া হয়েছে বা ঠাকুর ঘরে পাঠিয়ে দেয়া হয়েছে। ওটা ইংরেজ প্রীতিতে প্ল্যান করে করা হয়েছিল । এনিয়েও দেবেশ রায়ের ঐ বইতে কিছু দারুণ কথা আছে। কিন্তু তিনি উপন্যাস প্রসঙ্গে লিখেছেন। আমি টুকে দিচ্ছিঃ&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;"উনিশ শতকের দ্বীতিয়ার্ধে শুরুতে আমাদের ইংরেজ পুরাণ তৈরি হয়ে গেছে, তার পৌরাণিক স্বতঃসিদ্ধ আমাদের দৈনন্দিন জীবনের অংশ। তাই বঙ্কিম যখন উপন্যাস লেখেন তিনি সেই পুরাণকেই পৌরাণিক মর্যাদায় অধিষ্ঠিত করেন। সেখানে সমবেত উৎসবের মেজাজে পুরাণ কে ভাঙা হয় না, ব্যক্তি গত অভিনিবেশে সমবেত ইচ্ছার সেই পুরাণকে গড়ে তোলা হয়। তাতে মহৎ মহত্তর হয়, তুচ্ছ তুচ্ছতর হয়--উভয়ের অন্তর্বর্তী পার্থক্য আরো নির্দিষ্ট হয়। মঙ্গল কাব্যের আসরে, কীর্তনের আখরে, এমনকি খেউড়ের রাত জাগা বাসরে--কাহিনীর অন্য এক বিবরণ তৈরি হয়ে ছিল সেই পনের শতকের বরিশাল-চট্টগ্রামে-এর বঙালে, রংপুর-কোচবিহারের পৌণ্ড্রবর্ধনে, মেদিনীপুরের সমতটে, রাঢ়ে, ষোল শতকের শান্তিপুর-নদীয়ায়, আঠার-উনিশ শতকের নতুন কলকাতায়। কিন্তু আমাদের আধুনিকতা সেই সব বিবরণের মধ্য উপন্যাসের কোনো উপকরণ&amp;nbsp; খোজেনি। ফলে, ইংরেজি উপন্যাসের একটি বাঁধা ছক আমাদের উপন্যাসের বাঁধাছক তৈরি হয়ে উঠল এবং আজ পর্যন্ত তাইই এক মাত্র ছক। ইংরেজি উপন্যাসের কিন্তু কোনো বাঁধা ছক ছিল না-- সেখানে উপন্যাস&amp;nbsp; হয়ে উঠেছিল প্রাক উপন্যাস কাহিনীর বিবরণ থেকেই, ...।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আমাদের পক্ষে তো ইংরেজি উপন্যাসের সেই উৎসকে বাংলায় নিয়ে আসা সম্ভব ছিল না, পরিবর্তে ইংরেজি উপন্যাসের একটিমাত্র ছককেই মাত্র আনা গেল। কিন্তু তাতাই জানা হয়ে গেল--এটাই&amp;nbsp; উপন্যাস, একমাত্র উপন্যাস......'দুর্গেশ নন্দিনী প্রার আগেই আমরা ইংরেজি উপন্যাস থেকে জেনেছি উপন্যাস কী... আমাদের কাহিনী ভালো লাগার আধুনিকতা আমাদের কাহিনী বিবরণের ঐতিহ্য থেকে সম্পূর্ণ , একেবারে বিচ্ছিন্ন হয়ে গেল।"&lt;br /&gt;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&lt;br /&gt;উদ্ধৃতি দীর্ঘ হবার জন্যে দুঃখিত। আমি কফি হাউসে উদ্দীপনা গোস্বামীর এক কবিতা অনুবাদে রেখেছি। আমি কিছু মিশিং শব্দ লেখিকার মতোই রেখে দিয়েছি।দেখবেন 'অভ্র' লিখেছে শব্দগুলো ওর ভালো লাগেনি। এমনিতে অভ্র আমার অনুরাগী। কিন্তু সে ঐ কথা লিখেছে, কেননা ওভাবেই আমরা ভাবতে অভ্যস্থ।&amp;nbsp; যদি ওগুলো ইংরেজি হতো? বাব্বা! কোনো সংশয় কারো থাকতো না। ইন্দিরাদি,&amp;nbsp; আপনি একটু এমনি এমনি লিখে দিন আপনি স্পেনের রাম শ্যামের উত্তরাধুনিকতার দ্বারা&amp;nbsp; অনুপ্রাণিত হয়ে লিখেছেন, ব্যস আপনার ভক্ত সংখ্যা বেড়ে যাবে!ঃ)&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/6206436569761013193-1494485774435579818?l=smritikona.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://smritikona.blogspot.com/feeds/1494485774435579818/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://smritikona.blogspot.com/2010/03/blog-post_4772.html#comment-form' title='2 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6206436569761013193/posts/default/1494485774435579818'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6206436569761013193/posts/default/1494485774435579818'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://smritikona.blogspot.com/2010/03/blog-post_4772.html' title='প্রাক –চর্যার যুগের বাংলা ভাষা ও আধুনিক কবিতার সম্পর্কে কিছু কথাঃ'/><author><name>Smritikona</name><uri>http://www.blogger.com/profile/06924676430610821189</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='30' height='32' src='http://3.bp.blogspot.com/_QBqxJNVAQsg/S4nDcZMyGtI/AAAAAAAAH5o/BcbLKNpvnQk/S220/Snow+self-2.jpg'/></author><thr:total>2</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-6206436569761013193.post-2424933905236229501</id><published>2010-03-05T19:41:00.000+06:00</published><updated>2010-03-05T19:41:01.556+06:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='poems'/><title type='text'>মধু ক্ষন</title><content type='html'>&lt;iframe align="left" frameborder="0" marginheight="0" marginwidth="0" scrolling="no" src="http://rcm.amazon.com/e/cm?t=kamas-20&amp;amp;o=1&amp;amp;p=8&amp;amp;l=bpl&amp;amp;asins=B00164D5R4&amp;amp;fc1=000000&amp;amp;IS2=1&amp;amp;lt1=_blank&amp;amp;m=amazon&amp;amp;lc1=0000FF&amp;amp;bc1=000000&amp;amp;bg1=FFFFFF&amp;amp;f=ifr" style="height: 245px; padding-right: 10px; padding-top: 5px; width: 131px;"&gt;&lt;/iframe&gt;নীল নীল সাগর তীরে&lt;br /&gt;এই মায়াবি রাতের আধার&lt;br /&gt;চুপি চুপি আমায় ডেকে যায়।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;এই ঘুম ঘুম নিশি রাতে&lt;br /&gt;উদাসী বালুকা বেলায়&lt;br /&gt;ঝিরি ঝিরি হাওয়া&lt;br /&gt;গুন গুন গান গেয়ে&lt;br /&gt;যেন হৃদয়ে দোলা দিয়ে যায়।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ওই দূর দিগন্ত পাড়ে &lt;br /&gt;মিলন বাসর সাজানো&lt;br /&gt;তারার মিটি মিটি&lt;br /&gt;ঢেউ এর কানা কানি&lt;br /&gt;যেন স্বপ্নের দেশে নিয়ে যায়।&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/6206436569761013193-2424933905236229501?l=smritikona.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://smritikona.blogspot.com/feeds/2424933905236229501/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://smritikona.blogspot.com/2010/03/blog-post_05.html#comment-form' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6206436569761013193/posts/default/2424933905236229501'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6206436569761013193/posts/default/2424933905236229501'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://smritikona.blogspot.com/2010/03/blog-post_05.html' title='মধু ক্ষন'/><author><name>Smritikona</name><uri>http://www.blogger.com/profile/06924676430610821189</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='30' height='32' src='http://3.bp.blogspot.com/_QBqxJNVAQsg/S4nDcZMyGtI/AAAAAAAAH5o/BcbLKNpvnQk/S220/Snow+self-2.jpg'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-6206436569761013193.post-920231553480633681</id><published>2010-03-05T07:30:00.003+06:00</published><updated>2010-03-15T04:36:52.097+06:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='Comments'/><title type='text'>"কোন একদিন"  কবিতা নিয়ে আলোচনা</title><content type='html'>&lt;i&gt;&lt;b&gt;এই কবিতাটা নিয়ে গুগল বাজে কিছু আলাপ আলোচনা এখানে তুলে দিলাম।&lt;/b&gt;&lt;/i&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;5 people liked this&amp;nbsp; - Aero River, Md. Khalid Umar and 3 others, মাল্যবান........ কত কী করার আছে বাকী, Dr. Hifzur R. Siddique and Gopi Kanta Ghosh&lt;br /&gt;paramita prajna - thakbe kichu,jabe kichu,&lt;br /&gt;thakbe hashi kanna,&lt;br /&gt;nayan mele dekhleo,&lt;br /&gt;mone kichui dhorbena.&lt;br /&gt;hattogoler itpathorer kallolinite&lt;br /&gt;aj o duto kokil more udash korlo je......2 Mar&lt;br /&gt;Sushanta Kar - ধন্যবাদ পারমিতাদি! কিন্তু এর লেখক আমি নই। খালিদ ওমর , বাংলাদেশের লেখক! দারুণ লিখেছেন খালিদ'দা!2 Mar&lt;br /&gt;Gopi Kanta Ghosh - Thakbe...onno bhabe...2 Mar&lt;br /&gt;Md. Khalid Umar - আপনাদের সবাইকে অনেক অনেক ধন্যবাদ। আমিও কিন্তু তাই বলেছি সবই থাকবে, শুধু যা থাকবে না তা হচ্ছে এই সব দেখার মত নয়ন আর মায়া ভেজা কোমল এক টুকরা হৃদয়।&lt;br /&gt;চারিদিকে সব কিছু কেমন যেন তোলপাড় চলছে তাই ভয় হয় যদি এসব হারিয়ে যায় তাহলে বাঙ্গালি বাঁচবে কি নিয়ে?Edit2 Mar&lt;br /&gt;Dr. Hifzur R. Siddique - Ekta durdanto kabita.. thanks to Mr. Khalid. Arr as usual amar Sushanta Da... Jar joneye amora kato kichu jante pari.... thanks for uploading this nice poem....4 Mar&lt;br /&gt;Md. Khalid Umar - ধন্যবাদ ডঃহিফজুর; এটা অনেক দিন আগে লিখেছিলাম, আমার মেঝ মেয়ে সুর করে এটা নিয়মিত গাইত ওর খুব প্রিয় ছিল এই কবিতাটা।&lt;br /&gt;আশা করি আবার দেখা হবে। সুশান্তর জন্যও অনেক অনেক ধন্যবাদ।Edit4 Mar&lt;br /&gt;Sushanta Kar - ধন্যবাদ হিফজুর!4 Mar&lt;br /&gt;Indira Mukerjee - তবুও পড়ে থাকবে তখন পোড়ো গাঁয়ের স্মৃতি,&lt;br /&gt;কিছু কথা, কিছু ব্যথা, কিছু রীতিনীতি&lt;br /&gt;তবুও সেথায় থাকবে পড়ে আমার তোমার বাড়ি,&lt;br /&gt;থাকবো আমি থাকবে তুমি গাঁয়ের সাথে আড়ি,&lt;br /&gt;দুপুরবেলা আম পড়বে ছুট্টে যাবো সেথা&lt;br /&gt;আসবে নাকো পল্লীবালা কুড়োতে আম যেথা,&lt;br /&gt;কুবোপাখির পিছু নেব তবুও আমি ছুটে,&lt;br /&gt;মা যে আমার আসবে নাকো আমার পিছু হেঁটে,&lt;br /&gt;তবু আমার গাঁয়ের সোনা, ঝরাপাতায় নিপাট বোনা&lt;br /&gt;কাঠবেড়ালির দুষ্টুমি আর পাখির আনাগোনা&lt;br /&gt;তবু আমার তোমার গাঁয়ের সেই তো আসল সোনা4 Mar&lt;br /&gt;Md. Khalid Umar - ইন্দিরা'দির উদ্দ্যেশ্যেঃ&lt;br /&gt;আমার গায়ে আমার দেশে আছে যত সোনা&lt;br /&gt;হাতে হাতে যায় না তারে গোনা।&lt;br /&gt;সোনা ছেড়ে মেকি নিয়ে রইব কেন পরে&lt;br /&gt;সবাই এসো মেলে দিই তাই বিশ্ব জুড়ে।&lt;br /&gt;হতাশায় মোর জ্বেলেছ একটু খানি আলো&lt;br /&gt;অটুট হয়ে থাকুক তাই এতেই যেন ভাল।Edit4 Mar&lt;br /&gt;Sushanta Kar - বেশ জমেছে!চালিয়ে যান!4 Mar&lt;br /&gt;Sushanta Kar - বলুন তো দেখি এটা কোন ভাষার কবিতা&lt;br /&gt;সো মঝু কন্তা&lt;br /&gt;দূর দিগন্তা।&lt;br /&gt;পাউস আয়ে&lt;br /&gt;চেলু দুলায়।।4 Mar&lt;br /&gt;Dr. Hifzur R. Siddique - I think its a chitagongi language4 Mar&lt;br /&gt;Sushanta Kar - ভাবতে থাকো!4 Mar&lt;br /&gt;Dr. Hifzur R. Siddique - na hole nawakalir basha4 Mar&lt;br /&gt;Sushanta Kar - ভাবতে থাকো!4 Mar&lt;br /&gt;Indira Mukerjee - kintu orkut e ekta community bolche amar kabita naki moddhyo jugiyo&amp;gt;&amp;gt;.kabitar abar jug ache? tara to eke aporke nakol kore ...apni orkut e Kabita kichu katha elomelo te join korun ar amar sathe likhte thakun plzz..ar coffehouser adday o likhchi...apnio likhun amar sathe.. amake help o korben ... shekhaben o bandhur moto ... bhalo thakben !!06:54&lt;br /&gt;Gopi Kanta Ghosh - Kobita ke somoy te banda jaye na...Kalidas ekhono notun...06:57&lt;br /&gt;Sushanta Kar - আমি দেখছি! আপাতত আপনি ওদের জিজ্ঞেস করুন 'মধ্যযুগ' কথাটার মানে কী? ধারণাটা কোত্থেকে পেল? প্রাচীন যুগীয় কেন বলল না। তার মানে কি আপনার কবিতা এক ধাপ এগিয়ে আছে?10:51&lt;br /&gt;paramita prajna - ha ha ha --madhyajugio----prachin jugio--- tao abar kobitar?&lt;br /&gt;bolche jara&lt;br /&gt;baluk tara&lt;br /&gt;baluk taha&lt;br /&gt;pran chaye jaha.&lt;br /&gt;miche samoy kharcha&lt;br /&gt;keno karo britha?&lt;br /&gt;lekho nijer mato&lt;br /&gt;shacchonde, anonde,niyom bhenge, praner madhurje.........11:17&lt;br /&gt;Md. Khalid Umar - ধন্যবাদ ইন্দিরা দিদি,&lt;br /&gt;আপনার মতাদর্শের সাথে আমার হুবহু মিল রয়েছে, আপনি যদি মধ্য যুগীয় হন তাহলে আমি আদ্দি কালের। গোপি কান্ত ঘোষের কথায় আমিও বলি কালিদাশ কি কখনো পুরাতন হবে?সে অনন্ত কাল নতুন থেকে বাংলাকে টেনে নিতে থাকবে। যেখানে কালিদাশ আছে সে বাংলা হারিয়ে যাবার কোন ভয় নেই।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আমার মতে পৃথিবীর যে কোন সাহিত্যের চেয়ে আমাদের বাংলা সাহিত্য অনেক উপরে। কেন যে আজকাল এই আধুনিকতার নামে তা হারাতে চাইছে বুঝি না। মনে খুব কষ্ট হয় এই সব দেখে। কাউকে কিছু বলতেও পারি না। কিছু কথা কিছু গল্প লিখে যাই আপন মনে পাছে লোকে কিছু বলে ভয়ে রেখে দিই গোপনে। সুশান্ত যে কেন তা টেনে বের করে সবার সামনে হাজির করলো কিছু বুঝলাম না।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;বর্তমানে যা চলছে "যুগান্ত সৃষ্টির নামে আপনাকে ভুলে কি যেন রচিতে চাই বুঝি না মনের দোদুল দোলে", তাই নয় কি? আমি এখন সুদূর পথের অচিন রথের যাত্রী, আমি কিইবা আর লিখতে পারি! তবুও চেষ্টা করি আমার নীল নক্ষত্র এবং স্মৃতিকণা ব্লগে এগুলি রেখে যেতে। স্মৃতি কণায় women's galaxy নামে ডান পাশের বার এ আপনার কৃষ্ণ কলির রান্নাঘর থেকে কবিতার ঝুলি সোনার তরী সবার লিঙ্ক আছে। ওটাকে আমার লিঙ্ক ভান্ডার বলতে পারেন তবে ওটাকে সচল রাখার জন্য মাঝে মাঝে দুই একটা লেখা দিতে হয় তাই দেই।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;এই লেখা গুলি কোথা থেকে আসছে আমিই বা কোথায় লিখছি কিছুই বুঝতে পারছি না। সুশান্ত অবশ্য আমাকে অর্কুটে ভর্তি করে দিয়েছিল কিন্তু সে যে কোথায় কি ভাবে যেতে হয় পথ ভুলে গেছি। ওখানে যাবার পথ খুঁজে পাচ্ছি না। তাছাড়া আপনি ওখানে এবং কফি হাউজের আড্ডায় লিখতে বলেছেন কিন্তু দিদি, আমি যা জানি তাতে কফি হাউজের আড্ডা, সচলায়তন, সামহোয়ার ইন, আমার ব্লগ এগুলি সবই সম্ভ্রান্ত নাগরিকদের জন্য ওখানে আমার মত রিক্ত নিস্ব প্রবেশ পত্র পাবেই বা কেন!&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;শেখাতে বলেছেন! আমি আর কি শেখাব বিশ্ব জোরা পাঠশালা থেকে যে এখনো আমার শিক্ষাই শেষ হয়নি, তবে বন্ধুত্ব! হ্যা, এটা অকৃত্রিম ভাবেই পাবেন সে কথা নিশ্চিত করে বলতে পারি। এ বিষয়ে স্নেহাস্পদ সুশান্ত ভাল ভাবেই জানে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;এইতো, আপনিও ভাল থাকুন, সবাই ভাল থাকুন।&lt;br /&gt;সবার জন্যই আমার ভালবাসা, আবার বারবার দেখা হবে এই টুকু আশা।Edit11:21&lt;br /&gt;Md. Khalid Umar - ধন্যবাদ পারমিতা দিদি&lt;br /&gt;ইন্দিরা দিদির জবাব লিখার সময় আপনার লেখাটা ইন বক্সে এসেছিল বলে দেখতে পাইনি এখন দেখলাম।&lt;br /&gt;বলছে যারা বলুক তারা&lt;br /&gt;আপন মনে দিশা হারা,&lt;br /&gt;কি যে আছে কলি যুগে&lt;br /&gt;কি যে আছে মধ্য যুগে&lt;br /&gt;কি যে আছে আদ্দি যুগে&lt;br /&gt;এমন করে ভাবে কি তারা?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ঠিক এই নিয়েই আমার অনেক দিন হ্যা তা প্রায় ১৬/১৭ বছর আগের একটা লেখা আছে দেখি আজ সেটা স্মৃতি কণা ব্লগে দিয়ে দিব।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ভাল থাকুন সুস্থ থাকুন, বাংলার সেবা করুন। সামান্য এই আশাবাদ, তার সাথে অল্প কিছু ধন্যবাদ।Edit11:46&lt;br /&gt;Aero River - চট করে এত সুন্দর করে কবিতা লিখতে যারা পারে, তাদেরকে কি বলবো? স্বভাবকবি নাকি অন্তর্যামী?11:46&lt;br /&gt;Md. Khalid Umar - না না এরো, এ তোমার অতিশয়োক্তি। স্বভাব কবির সাথে আমাদের তুলনা করতে নেই, তারা হলেন স্বয়ং ঈশ্বর প্রদত্ত। ঈশ্বর আমাদের জন্যই তাদের পাঠিয়েছেন।Edit11:51&lt;br /&gt;Aero River - মানুষই ঈশ্বর, মানুষই দেবতা, মানুষই কবি, মানুষই দানব। ঈশ্বর সবাইকে পাঠান, কেউ নিজেকে চিনতে পারে, কেউ আবার পায় না। যারা পায়না, তারা সারা জীবন নিজেকে খুঁজে ফেরে, পরশপাথরের দেখা পায় না। আর যারা নিজেকে চেনে, তারা জানেন জীবনের মানে, অর্থ এবং গন্তব্য।11:55&lt;br /&gt;paramita prajna - nijer vasha&lt;br /&gt;moner katha&lt;br /&gt;mile jetha------&lt;br /&gt;juger bera&lt;br /&gt;kathaye setha?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;juger bivajone biggya jara&lt;br /&gt;kato sahityo rochilo tara!!&lt;br /&gt;comment dite sabai pare&lt;br /&gt;bhalo bolte bathya lage!!11:57&lt;br /&gt;Md. Khalid Umar - সুশান্ত,&lt;br /&gt;তোমার ওই ছত্র দুটি বাংলা দেশের কোন আঞ্চলিক ভাষা নয়, এ ব্যাপারে আমি নিশ্চিত। কোন ভাষা বলেই ফেল, শুধু শুধু হাই প্রেসার বারাবার কি দরকার?ও! আমাদের পাশেই ডাক্তার হিফজুর রয়েছে কাজেই প্রেশারের ভয় আর নেই। না কি বল?Edit12:00&lt;br /&gt;paramita prajna - shilet ba shaotal!12:03&lt;br /&gt;28 more comments&lt;br /&gt;paramita prajna - athoba cha baganer ------&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;kono option charchina-- asif shushanto byapok ek khana prize rekheche!!!12:04&lt;br /&gt;Md. Khalid Umar - সিলেটের নয় তবে সাঁওতাল বা চা বাগানের যেটা বলেছেন মনে হয় তেমন কিছু হবে! ওই ভাষা আমি কখনো শুনি নি। বাংলাদেশ ছোট্ট দেশ, আমি এখানকার সব এলাকায় গিয়েছি, প্রায় সব আঞ্চলিক ভাষা শুনেছি এক সময় বলতেও পারতাম এখন ভুলে গেছি, শুধু সাঁওতাল এলাকায় যাবার সুযোগ হয়নি।Edit12:12&lt;br /&gt;Md. Khalid Umar - পারমিতা দিদি,&lt;br /&gt;উপরে যে লিখেছি অনেক দিন আগের লেখা একটা কবিতা আজ পোস্ট করে দিব, এখন খুঁজে দেখি তা কয়েক দিন আগেই দিয়ে দিয়েছি, "প্রলাপ" নামে অথচ দেখেন দিব্যি ভুলে গেছি, লিঙ্কটা হচ্ছে http://smritikona.blogspot.com/2010/02/b&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/6206436569761013193-920231553480633681?l=smritikona.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://smritikona.blogspot.com/feeds/920231553480633681/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://smritikona.blogspot.com/2010/03/blog-post_679.html#comment-form' title='3 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6206436569761013193/posts/default/920231553480633681'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6206436569761013193/posts/default/920231553480633681'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://smritikona.blogspot.com/2010/03/blog-post_679.html' title='&quot;কোন একদিন&quot;  কবিতা নিয়ে আলোচনা'/><author><name>Smritikona</name><uri>http://www.blogger.com/profile/06924676430610821189</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='30' height='32' src='http://3.bp.blogspot.com/_QBqxJNVAQsg/S4nDcZMyGtI/AAAAAAAAH5o/BcbLKNpvnQk/S220/Snow+self-2.jpg'/></author><thr:total>3</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-6206436569761013193.post-4383414210731193034</id><published>2010-03-02T11:34:00.001+06:00</published><updated>2010-03-02T11:39:31.643+06:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='poems'/><title type='text'>কোন একদিন</title><content type='html'>&lt;iframe align="left" frameborder="0" marginheight="0" marginwidth="0" scrolling="no" src="http://rcm.amazon.com/e/cm?t=kamas-20&amp;amp;o=1&amp;amp;p=8&amp;amp;l=bpl&amp;amp;asins=1449968465&amp;amp;fc1=000000&amp;amp;IS2=1&amp;amp;lt1=_blank&amp;amp;m=amazon&amp;amp;lc1=0000FF&amp;amp;bc1=000000&amp;amp;bg1=FFFFFF&amp;amp;f=ifr" style="height: 245px; padding-right: 10px; padding-top: 5px; width: 131px;"&gt;&lt;/iframe&gt;শতেক বছর পরে দেশে গাও গেরাম আর থাকবে না&lt;br /&gt;বৌ কথা কও সুরে পাখি সকাল সাঁঝে ডাকবে না।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;বিজলী বাতি কেড়ে নিবে চাঁদের হাসি তারার মেলা&lt;br /&gt;কলসী কাঁখে জল ভরিতে আসবে না আর পল্লী বালা,&lt;br /&gt;মাটির প্রদীপ জ্বেলে কেহ পথ চেয়ে আর থাকবে না।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;লতায় ঘেরা সবুজ বনে ছোট্ট পাখি হলদে ফুল&lt;br /&gt;ঝিলের জলে শাপলা শালুক শান্ত দিঘী নদীর কূল,&lt;br /&gt;থাকবে সবই এই দেশেতে চোখ মেলে কেও দেখবে না।&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/6206436569761013193-4383414210731193034?l=smritikona.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://smritikona.blogspot.com/feeds/4383414210731193034/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://smritikona.blogspot.com/2010/03/blog-post.html#comment-form' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6206436569761013193/posts/default/4383414210731193034'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6206436569761013193/posts/default/4383414210731193034'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://smritikona.blogspot.com/2010/03/blog-post.html' title='কোন একদিন'/><author><name>Smritikona</name><uri>http://www.blogger.com/profile/06924676430610821189</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='30' height='32' src='http://3.bp.blogspot.com/_QBqxJNVAQsg/S4nDcZMyGtI/AAAAAAAAH5o/BcbLKNpvnQk/S220/Snow+self-2.jpg'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-6206436569761013193.post-6724745192421376170</id><published>2010-02-22T06:36:00.001+06:00</published><updated>2010-03-15T04:40:18.546+06:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='২১শে ফেব্রুয়ারি'/><title type='text'>আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উদযাপন</title><content type='html'>স্থানঃ ওয়াইডেন স্কুল মিলনায়তন&lt;br /&gt;গ্লস্টার, ইংল্যান্ড, যুক্তরাজ্য।&lt;br /&gt;সময়ঃ ১২৩০, ২১শে ফেব্রুয়ারি,২০১০&lt;br /&gt;প্রযোজনা এবং উপস্থাপনা সানজিদা সামসু সোমা, সাকিনা চৌধুরি এবং মোর্শেদ আখতার বাদল।&lt;br /&gt;সহযোগিতা টমি রিচেস, গ্রামার স্কুল এবং ওয়াইডেন প্রাইমারি স্কুল, গ্লস্টার।&lt;br /&gt;সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের জন্য অংশ গ্রহন কারীদের প্রস্তুতি এবং মহড়া পরিচালন করেছেন সানজিদা সামসু সোমা। এই সব অংশ গ্রহন কারিরা তাদের ক্ষুদ্র জীবনে এ ধরনের কোন অনুষ্ঠানে যোগ দেয় নি এমনকি তারা বাংলা পড়া লেখা বা কথা বলা কোনোটাই জানে না।&lt;br /&gt;সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান উপস্থাপন করেছেন সানজিদা সামসু সোমা।&lt;br /&gt;&lt;div class="separator" style="clear: both; text-align: center;"&gt;&lt;a href="http://1.bp.blogspot.com/_QBqxJNVAQsg/S4HQIsefs7I/AAAAAAAAH4s/IGRGpUnA3Mw/s1600-h/DSCF6261.JPG" imageanchor="1" style="margin-left: 1em; margin-right: 1em;"&gt;&lt;img border="0" src="http://1.bp.blogspot.com/_QBqxJNVAQsg/S4HQIsefs7I/AAAAAAAAH4s/IGRGpUnA3Mw/s320/DSCF6261.JPG" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;এই শহরে বেশ কিছু তথা কথিত বাঙ্গালি বাস করলেও অনুষ্ঠানে তেমন কোন দর্শক উপস্থিত ছিল না এমনকি এ সম্পর্কে কোন আগ্রহ প্রেরণা বা মন্তব্য বা ভবিষ্যতের জন্য কোন সহযোগিতার আশ্বাস বানী পাওয়া যায় নি। টমি রিচেস এর প্রতিনিধি হিসেবে জ্যাকি এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিল।&lt;br /&gt;এই দিনের উৎপত্তি এবং তাৎপর্য পাঠ করে জনাব মোর্শেদ আখতার বাদলঃ এটি নিম্নে দেয়া হলোঃ এর নিচে রয়েছে কিছু ছবিঃ &lt;br /&gt;&lt;br /&gt;২১শে ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস। ১৯৯৯ সালে UNESCO এ দিনটিকে ‘আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস’ হিসেবে ঘোষনা করেছে। ২০০০ সাল থেকে প্রতি বছর UNESCO সদর দপ্তর সহ সকল সদস্য রাষ্ট্রে দিনটি পালন করা হয়। জাতিসংঘ-ও একে স্বিকৃতি দিয়েছে। &lt;br /&gt;&lt;br /&gt;বাংলাদেশের ‘শহীদ দিবস’ বা ‘ভাষা আন্দোলন’ দিবসটিকে আন্তর্জাতিক সম্মান দিতে-ই UNESCO বিশেষভাবে এ দিনটিকে বেছে নেয় ‘আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা’ হিসেবে। ১৯৫২ সাল থেকেই বাংলাদেশে দিনটি বিশেষ মর্যাদার সাথে স্মরন করছে। বাংলাদেশে এটি জাতীয় দিবস হিসেবে পালিত হয়ে আসছে, বাংলাভাষাকে বাঁচিয়ে রাখতে যাঁরা রুখে দাঁড়িয়েছিলেন, জীবন দিয়েছেন নিঃস্বার্থভাবে তাঁদেরকে শ্রধ্বা জানাতে।  &lt;br /&gt;বাংলা ভাষায় ২১শে বলতে ২১শে ফেব্রুয়ারি-কেই বোঝায় সাধারন ভাবে। গভীর শ্রদ্বা আর মমতায় স্মরন করা হয় ‘৫২-র এ দিনটিতে বাংলা ভাষার জন্য যারা জীবন দিয়েছিলেন তাদেরকে। &lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;b&gt;যা ঘটেছিল ’৫২-র এই দিনটিতে&lt;/b&gt;&lt;br /&gt;১৯৫০-৫২ সালে সেসময়কার পূর্ব পাকিস্তানের জনগন বিদ্রোহ করে শাসকদের অন্যায় সিদ্বান্তের প্রতিবাদ জানিয়ে। নানা অজুহাতে তারা নানা রকম বৈষম্যমূলক আচরন  করতে থাকে দীর্ঘদিন ধরে। পরিস্থিতি চরম আকার নেয় যখন তখনকার পশ্চিম পাকিস্তানের শাসক গভর্নর ঘোষনা করে যে, ‘উর্দু এবং উর্দু-ই হবে সারা পাকিস্তানের জাতীয় ভাষা’। এর পরপর-ই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ সহ সমস্ত ছাত্র সমাজ বিভাগীয় ধর্মঘট পালনের সীধ্বান্ত নেয় ভাষার ব্যাপারে সমধিকারের দাবীতে। এতে সতঃস্ফুর্ত অংশগ্রহন করে সমাজের নানা স্তরের মানুষ। শাসকগোষ্ঠী ভয় পেয়ে ১৪৪ ধারা বা কার্ফু জারী করে, যার সাধারন মানে হল সমস্ত মিটিং বা জনসমাবেশ নিষিধ্ব। কিন্তূ ছাত্র সমাজ এই ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করে বিভিন্ন দিক থেকে একে একে জড়ো হতে থাকে মিছিলের উদ্দেশ্যে। পুলিশ আরো ভয় পেয়ে ঘাবড়িয়ে যায়। গুলি ছোঁড়ে  সমাবেশের উপর। রক্তাক্ত হয় ঢাকার রাজপথ। সাথে সাথে মারা যায় সালাম, বরকত, রফিক, জব্বার সহ আর অনেকে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;এই যে আন্দোলন, রক্ত ঝরা ইতিহাস বাংলাভাষার – এটিই ‘ভাষা আন্দোলন’ হিশাবে পরিচিত। আর এ দিনটি পরিচিতি পায় ‘শহীদ দিবস’ হিসাবে। &lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;b&gt;শহীদ মিনারঃ &lt;/b&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;এই আন্দোলনে মৃত্যুবরনকারীদের কথা মনে রেখে ২৩শে ফেব্রু, ’৫২ কোনো এক সাহসী প্রান ‘শহীদ মিনার’-এর ভিত্তি গেঁথে যায় ঠিক ঘটনার স্থানটিতে। কিন্তু ২৬ তারিখে পুলিশ তা ভেঙ্গে ফেলে। স্থায়ী শহীদ মিনারের নকশা করেন প্রখ্যাত ভাস্কর হামিদুর রহমান। বিশেস এ নকশাটি প্রকাশ করছে মা তার সন্তানদেরকে আগলে রাখছেন পরম মমতায়। &lt;br /&gt;&lt;br /&gt;দিনটি গভীর মমতায় আর শ্রধ্বায় স্মরন করা হয় বাংলাদেশ সহ ভারতের বিশেস কিছু স্থানে। প্রতি বছর ২১শের প্রথম প্রহর থেকে-ই লাখো মানুষ জড়ো হয় শহীদ মিনারের বেদীতে খালি পায়ে, ফুল হাতে তাদের সমস্ত শ্রধ্বা জানাতে। পরনে থাকে শোক প্রকাশের সাদা-কাল পোষাক। &lt;br /&gt;&lt;br /&gt;দিনটি সরকারী ছুটি-র দিন। ‘বাংলা একাডেমী’-র আয়জন মাস ব্যাপী বই মেলা, নানা সংগঠনের সাহিত্য প্রতিযোগীতা আর জাতীয় সাহিত্য পুরষ্কার ঘোষনা – সবই ‘একুশে উদযাপনের অন্তর্গত। &lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;div class="separator" style="clear: both; text-align: center;"&gt;&lt;a href="http://1.bp.blogspot.com/_QBqxJNVAQsg/S4HQS3iChZI/AAAAAAAAH48/DGhAmjx21Pg/s1600-h/Reshmi+%26+Manoshi.JPG" imageanchor="1" style="margin-left: 1em; margin-right: 1em;"&gt;&lt;img border="0" src="http://1.bp.blogspot.com/_QBqxJNVAQsg/S4HQS3iChZI/AAAAAAAAH48/DGhAmjx21Pg/s320/Reshmi+%26+Manoshi.JPG" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;a href="http://4.bp.blogspot.com/_QBqxJNVAQsg/S4HQVHmUDXI/AAAAAAAAH5E/m8_Of25-Ffg/s1600-h/Tafdil+Morshed.JPG" imageanchor="1" style="margin-left: 1em; margin-right: 1em;"&gt;&lt;img border="0" src="http://4.bp.blogspot.com/_QBqxJNVAQsg/S4HQVHmUDXI/AAAAAAAAH5E/m8_Of25-Ffg/s320/Tafdil+Morshed.JPG" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;a href="http://3.bp.blogspot.com/_QBqxJNVAQsg/S4HQP7qcriI/AAAAAAAAH40/IsA3Fv5B6cQ/s1600-h/DSCF6209.JPG" imageanchor="1" style="margin-left: 1em; margin-right: 1em;"&gt;&lt;img border="0" src="http://3.bp.blogspot.com/_QBqxJNVAQsg/S4HQP7qcriI/AAAAAAAAH40/IsA3Fv5B6cQ/s320/DSCF6209.JPG" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;a href="http://4.bp.blogspot.com/_QBqxJNVAQsg/S4HQYRET-TI/AAAAAAAAH5M/3FWqp354ciI/s1600-h/Delwar+Jalal+Shafi+1.JPG" imageanchor="1" style="margin-left: 1em; margin-right: 1em;"&gt;&lt;img border="0" src="http://4.bp.blogspot.com/_QBqxJNVAQsg/S4HQYRET-TI/AAAAAAAAH5M/3FWqp354ciI/s320/Delwar+Jalal+Shafi+1.JPG" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;a href="http://4.bp.blogspot.com/_QBqxJNVAQsg/S4HQbJ6guZI/AAAAAAAAH5U/DszF10ZzL2w/s1600-h/Shanjida+Shamsu.JPG" imageanchor="1" style="margin-left: 1em; margin-right: 1em;"&gt;&lt;img border="0" src="http://4.bp.blogspot.com/_QBqxJNVAQsg/S4HQbJ6guZI/AAAAAAAAH5U/DszF10ZzL2w/s320/Shanjida+Shamsu.JPG" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;ভাষা আন্দলনের মাঝ দিয়েই বপন করা হয়েছিল স্বাধীনতা আন্দলনের বীজ। সে তো আরেক ইতিহাস, যেখানে শহীদ হয়েছেন ৩০ লাখ মানুষ। আমাদের পরবর্তী আলচোনায় থাকবে সে প্রসঙ্গ। &lt;br /&gt;&lt;div class="separator" style="clear: both; text-align: center;"&gt;&lt;a href="http://1.bp.blogspot.com/_QBqxJNVAQsg/S4HQIsefs7I/AAAAAAAAH4s/IGRGpUnA3Mw/s1600-h/DSCF6261.JPG" imageanchor="1" style="margin-left: 1em; margin-right: 1em;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/6206436569761013193-6724745192421376170?l=smritikona.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://smritikona.blogspot.com/feeds/6724745192421376170/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://smritikona.blogspot.com/2010/02/blog-post_22.html#comment-form' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6206436569761013193/posts/default/6724745192421376170'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6206436569761013193/posts/default/6724745192421376170'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://smritikona.blogspot.com/2010/02/blog-post_22.html' title='আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উদযাপন'/><author><name>Smritikona</name><uri>http://www.blogger.com/profile/06924676430610821189</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='30' height='32' src='http://3.bp.blogspot.com/_QBqxJNVAQsg/S4nDcZMyGtI/AAAAAAAAH5o/BcbLKNpvnQk/S220/Snow+self-2.jpg'/></author><media:thumbnail xmlns:media='http://search.yahoo.com/mrss/' url='http://1.bp.blogspot.com/_QBqxJNVAQsg/S4HQIsefs7I/AAAAAAAAH4s/IGRGpUnA3Mw/s72-c/DSCF6261.JPG' height='72' width='72'/><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-6206436569761013193.post-690090100650490946</id><published>2010-02-20T16:11:00.001+06:00</published><updated>2010-03-15T04:44:39.096+06:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='Guest post'/><title type='text'>গুগল হোস্টিং ব্যবহারে সাবধানতা অবলম্বন করুন</title><content type='html'>&lt;div class="separator" style="clear: both; text-align: center;"&gt;&lt;a href="http://1.bp.blogspot.com/_QBqxJNVAQsg/S3-03VueRDI/AAAAAAAAH4Y/g6kiWcWdKJk/s1600-h/Diet+for+diabetic.png" imageanchor="1" style="margin-left: 1em; margin-right: 1em;"&gt; &lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;meta content="text/html; charset=utf-8" http-equiv="Content-Type"&gt;&lt;/meta&gt;&lt;meta content="Word.Document" name="ProgId"&gt;&lt;/meta&gt;&lt;meta content="Microsoft Word 12" name="Generator"&gt;&lt;/meta&gt;&lt;meta content="Microsoft Word 12" name="Originator"&gt;&lt;/meta&gt;&lt;style&gt;&lt;!-- /* Font Definitions */ @font-face	{font-family:Mangal;	panose-1:2 4 5 3 5 2 3 3 2 2;	mso-font-charset:0;	mso-generic-font-family:roman;	mso-font-pitch:variable;	mso-font-signature:32771 0 0 0 1 0;}@font-face	{font-family:Vrinda;	panose-1:2 11 5 2 4 2 4 2 2 3;	mso-font-charset:0;	mso-generic-font-family:swiss;	mso-font-pitch:variable;	mso-font-signature:65539 0 0 0 1 0;}@font-face	{font-family:"Cambria Math";	panose-1:2 4 5 3 5 4 6 3 2 4;	mso-font-charset:1;	mso-generic-font-family:roman;	mso-font-format:other;	mso-font-pitch:variable;	mso-font-signature:0 0 0 0 0 0;}@font-face	{font-family:Calibri;	panose-1:2 15 5 2 2 2 4 3 2 4;	mso-font-charset:0;	mso-generic-font-family:swiss;	mso-font-pitch:variable;	mso-font-signature:-520092929 1073786111 9 0 415 0;} /* Style Definitions */ p.MsoNormal, li.MsoNormal, div.MsoNormal	{mso-style-unhide:no;	mso-style-qformat:yes;	mso-style-parent:"";	margin-top:0cm;	margin-right:0cm;	margin-bottom:10.0pt;	margin-left:0cm;	line-height:115%;	mso-pagination:widow-orphan;	font-size:11.0pt;	font-family:"Calibri","sans-serif";	mso-ascii-font-family:Calibri;	mso-ascii-theme-font:minor-latin;	mso-fareast-font-family:Calibri;	mso-fareast-theme-font:minor-latin;	mso-hansi-font-family:Calibri;	mso-hansi-theme-font:minor-latin;	mso-bidi-font-family:Vrinda;	mso-bidi-theme-font:minor-bidi;	mso-fareast-language:EN-US;	mso-bidi-language:AR-SA;}h1	{mso-style-priority:9;	mso-style-unhide:no;	mso-style-qformat:yes;	mso-style-link:"Heading 1 Char";	mso-margin-top-alt:auto;	margin-right:0cm;	mso-margin-bottom-alt:auto;	margin-left:0cm;	mso-pagination:widow-orphan;	mso-outline-level:1;	font-size:24.0pt;	font-family:"Times New Roman","serif";	mso-fareast-font-family:"Times New Roman";	mso-bidi-language:AR-SA;}span.Heading1Char	{mso-style-name:"Heading 1 Char";	mso-style-priority:9;	mso-style-unhide:no;	mso-style-locked:yes;	mso-style-link:"Heading 1";	mso-ansi-font-size:24.0pt;	mso-bidi-font-size:24.0pt;	font-family:"Times New Roman","serif";	mso-ascii-font-family:"Times New Roman";	mso-fareast-font-family:"Times New Roman";	mso-hansi-font-family:"Times New Roman";	mso-bidi-font-family:"Times New Roman";	mso-font-kerning:18.0pt;	mso-fareast-language:EN-GB;	font-weight:bold;}.MsoChpDefault	{mso-style-type:export-only;	mso-default-props:yes;	mso-bidi-font-size:11.0pt;	mso-ascii-font-family:Calibri;	mso-ascii-theme-font:minor-latin;	mso-fareast-font-family:Calibri;	mso-fareast-theme-font:minor-latin;	mso-hansi-font-family:Calibri;	mso-hansi-theme-font:minor-latin;	mso-bidi-font-family:Vrinda;	mso-bidi-theme-font:minor-bidi;	mso-fareast-language:EN-US;	mso-bidi-language:AR-SA;}.MsoPapDefault	{mso-style-type:export-only;	margin-bottom:10.0pt;	line-height:115%;}@page Section1	{size:612.0pt 792.0pt;	margin:72.0pt 72.0pt 72.0pt 72.0pt;	mso-header-margin:36.0pt;	mso-footer-margin:36.0pt;	mso-paper-source:0;}div.Section1	{page:Section1;}--&gt;&lt;/style&gt;&lt;span lang="BN" style="font-family: &amp;quot;Vrinda&amp;quot;,&amp;quot;sans-serif&amp;quot;; font-size: 14pt; font-weight: normal;"&gt;গুগল হোস্টিং দিয়ে যারা নিজস্ব ডোমেইন হোস্ট করেছেন তারা সতর্ক থাকুন। এ ব্যাপারে আমার নিজের অভিজ্ঞ্যতার কথা জানাচ্ছিঃ &lt;/span&gt;&lt;span lang="BN" style="font-family: &amp;quot;Vrinda&amp;quot;,&amp;quot;sans-serif&amp;quot;; font-size: 14pt; font-weight: normal;"&gt;গুগলের ব্লগ হোস্টিং দিয়ে &lt;/span&gt;&lt;span lang="BN" style="font-family: &amp;quot;Vrinda&amp;quot;,&amp;quot;sans-serif&amp;quot;; font-size: 14pt; font-weight: normal;"&gt;আমার একটি ডোমেইনের সাব ডোমেইন দিয়ে &lt;/span&gt;&lt;span lang="EN-US" style="font-family: &amp;quot;Vrinda&amp;quot;,&amp;quot;sans-serif&amp;quot;; font-size: 14pt; font-weight: normal;"&gt;Diet for &lt;/span&gt;&lt;span style="font-family: &amp;quot;Vrinda&amp;quot;,&amp;quot;sans-serif&amp;quot;; font-size: 14pt; font-weight: normal;"&gt;diabetic &lt;/span&gt;&lt;span lang="BN" style="font-family: &amp;quot;Vrinda&amp;quot;,&amp;quot;sans-serif&amp;quot;; font-size: 14pt; font-weight: normal;"&gt;নামে একটি সাইট ওপেন করেছিলাম। মাত্র কয়েক দিন হয়েছে বলে বেশি কিছু পোস্টিং দেয়া হয়নি। ১০&lt;/span&gt;&lt;span style="font-family: &amp;quot;Vrinda&amp;quot;,&amp;quot;sans-serif&amp;quot;; font-size: 14pt; font-weight: normal;"&gt;/&lt;/span&gt;&lt;span lang="BN" style="font-family: &amp;quot;Vrinda&amp;quot;,&amp;quot;sans-serif&amp;quot;; font-size: 14pt; font-weight: normal;"&gt;১২ টা &lt;/span&gt;&lt;span lang="BN" style="font-family: &amp;quot;Vrinda&amp;quot;,&amp;quot;sans-serif&amp;quot;; font-size: 14pt; font-weight: normal;"&gt;পরীক্ষা মুলক &lt;/span&gt;&lt;span lang="BN" style="font-family: &amp;quot;Vrinda&amp;quot;,&amp;quot;sans-serif&amp;quot;; font-size: 14pt; font-weight: normal;"&gt;পোস্টিং দিয়েছি। নতুন অবস্থা বলে কয়েকটা পোস্টিং এর লেবেল সঠিক হয়নি। বিগত ১৭ তারিখে ওগুলি একটা একটা করে ঠিক করে ড্যাশ বোর্ডে ফিরে এসে দেখার জন্য ভিউ ব্লগে ক্লিক করেছি কিন্তু সাইট ওপেন না হয়ে আমাকে বললো যে &lt;/span&gt;&lt;span style="font-family: &amp;quot;Vrinda&amp;quot;,&amp;quot;sans-serif&amp;quot;; font-size: 14pt; font-weight: normal;"&gt;url &lt;/span&gt;&lt;span lang="BN" style="font-family: &amp;quot;Vrinda&amp;quot;,&amp;quot;sans-serif&amp;quot;; font-size: 14pt; font-weight: normal;"&gt;পাওয়া যাচ্ছে না। আমি ড্যাশ বোর্ডে লক্ষ্য করলাম ওই ব্লগের নিচে &lt;/span&gt;&lt;span style="font-family: &amp;quot;Vrinda&amp;quot;,&amp;quot;sans-serif&amp;quot;; font-size: 14pt; font-weight: normal;"&gt;restore blog &lt;/span&gt;&lt;span lang="BN" style="font-family: &amp;quot;Vrinda&amp;quot;,&amp;quot;sans-serif&amp;quot;; font-size: 14pt; font-weight: normal;"&gt;লেখা দেখাচ্ছে। আচ্ছা বেশ&lt;/span&gt;&lt;span style="font-family: &amp;quot;Vrinda&amp;quot;,&amp;quot;sans-serif&amp;quot;; font-size: 14pt; font-weight: normal;"&gt;, &lt;/span&gt;&lt;span lang="BN" style="font-family: &amp;quot;Vrinda&amp;quot;,&amp;quot;sans-serif&amp;quot;; font-size: 14pt; font-weight: normal;"&gt;রিস্টোরে ক্লিক করে নতুন পেজ এল তাতে কিছু ক্যপচা পুরন করতে দিল&lt;/span&gt;&lt;span lang="EN-US" style="font-family: &amp;quot;Vrinda&amp;quot;,&amp;quot;sans-serif&amp;quot;; font-size: 14pt; font-weight: normal;"&gt;, &lt;/span&gt;&lt;span lang="BN" style="font-family: &amp;quot;Vrinda&amp;quot;,&amp;quot;sans-serif&amp;quot;; font-size: 14pt; font-weight: normal;"&gt;পুরন করে সাবমিট করার পর একটা পেজ এল তাতে রোবটের দোষ দেখিয়ে ক্ষমা চেয়ে কিছুক্ষন অপেক্ষা করতে বলল।&lt;/span&gt;&lt;span lang="EN-US" style="font-family: &amp;quot;Vrinda&amp;quot;,&amp;quot;sans-serif&amp;quot;; font-size: 14pt; font-weight: normal;"&gt;&lt;o:p&gt;&lt;/o:p&gt;&lt;/span&gt;  &lt;br /&gt;&lt;h1&gt;&lt;span lang="BN" style="font-family: &amp;quot;Vrinda&amp;quot;,&amp;quot;sans-serif&amp;quot;; font-size: 14pt; font-weight: normal;"&gt;ছবি দিয়ে দিলামঃ&lt;/span&gt;&lt;/h1&gt;&lt;div class="separator" style="clear: both; text-align: center;"&gt;&lt;a href="http://1.bp.blogspot.com/_QBqxJNVAQsg/S3-03VueRDI/AAAAAAAAH4Y/g6kiWcWdKJk/s1600-h/Diet+for+diabetic.png" imageanchor="1" style="margin-left: 1em; margin-right: 1em;"&gt;&lt;img border="0" src="http://1.bp.blogspot.com/_QBqxJNVAQsg/S3-03VueRDI/AAAAAAAAH4Y/g6kiWcWdKJk/s320/Diet+for+diabetic.png" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;h1&gt;&lt;span lang="BN" style="font-family: &amp;quot;Vrinda&amp;quot;,&amp;quot;sans-serif&amp;quot;; font-size: 14pt; font-weight: normal;"&gt;&amp;nbsp;&lt;/span&gt;&lt;span lang="BN" style="font-family: &amp;quot;Vrinda&amp;quot;,&amp;quot;sans-serif&amp;quot;; font-size: 14pt; font-weight: normal;"&gt;&lt;o:p&gt;&lt;/o:p&gt;বেশ&lt;/span&gt;&lt;span lang="EN-US" style="font-family: &amp;quot;Vrinda&amp;quot;,&amp;quot;sans-serif&amp;quot;; font-size: 14pt; font-weight: normal;"&gt;, &lt;/span&gt;&lt;span lang="BN" style="font-family: &amp;quot;Vrinda&amp;quot;,&amp;quot;sans-serif&amp;quot;; font-size: 14pt; font-weight: normal;"&gt;অপেক্ষা করে প্রায় ঘন্টা খানিক পরে মেইল ওপেন করে দেখি গুগল নো রিপ্লাই থেকে একটা মেইল পাঠিয়েছে। ওতে লেখা&lt;/span&gt;&lt;span lang="EN-US" style="font-family: &amp;quot;Vrinda&amp;quot;,&amp;quot;sans-serif&amp;quot;; font-size: 14pt; font-weight: normal;"&gt;, &lt;/span&gt;&lt;span lang="BN" style="font-family: &amp;quot;Vrinda&amp;quot;,&amp;quot;sans-serif&amp;quot;; font-size: 14pt; font-weight: normal;"&gt;তারা রোবটের সংকেতের প্রেক্ষিতে নিজেরা পরীক্ষা করে দেখেছে যে এটা স্পাম ব্লগ তাই ডিলিট করে দিয়েছে&lt;/span&gt;&lt;span lang="EN-US" style="font-family: &amp;quot;Vrinda&amp;quot;,&amp;quot;sans-serif&amp;quot;; font-size: 14pt; font-weight: normal;"&gt;,&lt;/span&gt;&lt;span lang="BN" style="font-family: &amp;quot;Vrinda&amp;quot;,&amp;quot;sans-serif&amp;quot;; font-size: 14pt; font-weight: normal;"&gt; এমনকি আমি যে সাব ডোমেইন রিলিজ করে নিব সে উপায়ও নেই অর্থাৎ ওই ব্লগের কন্ট্রোল প্যানেলে ঢুকার পথ ব্লক। &lt;/span&gt;&lt;span lang="EN-US" style="font-family: &amp;quot;Vrinda&amp;quot;,&amp;quot;sans-serif&amp;quot;; font-size: 14pt; font-weight: normal;"&gt;&lt;o:p&gt;&lt;/o:p&gt;&lt;/span&gt;&lt;/h1&gt;&lt;h1&gt;&lt;span lang="BN" style="font-family: &amp;quot;Vrinda&amp;quot;,&amp;quot;sans-serif&amp;quot;; font-size: 14pt; font-weight: normal;"&gt;এটা না হয় ধরে নিলাম একটা সাব ডোমেইন যা একে বারে নতুন এবং এতে তেমন কোন গুরুত্ব পূর্ণ কিছু পোস্টিং দেয়া হয়ে উঠেনি। আমার আরো ৮৬টা সাব ডোমেইন রয়েছে তা দিয়ে এরকম আরো খোলা যাবে। এখন কথা হচ্ছে যদি এটা মুল ডোমেইন হত বা পুরাতন এবং পরিচিত কোন সাব ডোমেইন হত তাহলে আমি কি করতাম&lt;/span&gt;&lt;span lang="EN-US" style="font-family: &amp;quot;Vrinda&amp;quot;,&amp;quot;sans-serif&amp;quot;; font-size: 14pt; font-weight: normal;"&gt;?&lt;/span&gt;&lt;span lang="BN" style="font-family: &amp;quot;Vrinda&amp;quot;,&amp;quot;sans-serif&amp;quot;; font-size: 14pt; font-weight: normal;"&gt;মুল ডোমেইন হলে মাঠে মারা যাওয়া ছারা আর কোন উপায় ছিল &lt;/span&gt;&lt;span lang="BN" style="font-family: &amp;quot;Vrinda&amp;quot;,&amp;quot;sans-serif&amp;quot;; font-size: 14pt; font-weight: normal;"&gt;না। &lt;/span&gt;&lt;span lang="BN" style="font-family: &amp;quot;Vrinda&amp;quot;,&amp;quot;sans-serif&amp;quot;; font-size: 14pt; font-weight: normal;"&gt;এখানে লক্ষ করুন যে &lt;/span&gt;&lt;span lang="BN" style="font-family: &amp;quot;Vrinda&amp;quot;,&amp;quot;sans-serif&amp;quot;; font-size: 14pt; font-weight: normal;"&gt;আমি একটু সাবধান হবার সুযোগ পাইনি&lt;/span&gt;&lt;span lang="HI" style="font-family: &amp;quot;Mangal&amp;quot;,&amp;quot;serif&amp;quot;; font-size: 14pt; font-weight: normal;"&gt;।&lt;/span&gt;&lt;span lang="HI" style="font-family: &amp;quot;Vrinda&amp;quot;,&amp;quot;sans-serif&amp;quot;; font-size: 14pt; font-weight: normal;"&gt; &lt;/span&gt;&lt;span lang="BN" style="font-family: &amp;quot;Vrinda&amp;quot;,&amp;quot;sans-serif&amp;quot;; font-size: 14pt; font-weight: normal;"&gt;ওদিকে কয়েক দিন আগে &lt;/span&gt;&lt;span lang="EN-US" style="font-family: &amp;quot;Vrinda&amp;quot;,&amp;quot;sans-serif&amp;quot;; font-size: 14pt; font-weight: normal;"&gt;“&lt;/span&gt;&lt;span lang="BN" style="font-family: &amp;quot;Vrinda&amp;quot;,&amp;quot;sans-serif&amp;quot;; font-size: 14pt; font-weight: normal;"&gt;আকাশ প্রদীপ&lt;/span&gt;&lt;span lang="EN-US" style="font-family: &amp;quot;Vrinda&amp;quot;,&amp;quot;sans-serif&amp;quot;; font-size: 14pt; font-weight: normal;"&gt;”&lt;/span&gt;&lt;span lang="BN" style="font-family: &amp;quot;Vrinda&amp;quot;,&amp;quot;sans-serif&amp;quot;; font-size: 14pt; font-weight: normal;"&gt; নিয়ে ওয়ার্ডপ্রেস কি করেছে তা হয়ত অনেকেই দেখেছেন&lt;/span&gt;&lt;span lang="EN-US" style="font-family: &amp;quot;Vrinda&amp;quot;,&amp;quot;sans-serif&amp;quot;; font-size: 14pt; font-weight: normal;"&gt;, &lt;/span&gt;&lt;span lang="BN" style="font-family: &amp;quot;Vrinda&amp;quot;,&amp;quot;sans-serif&amp;quot;; font-size: 14pt; font-weight: normal;"&gt;যার ফলে ফ্লোরেন্স আন্টিকে ওটা ছেড়ে আসতে হয়েছে। একটা ব্লগ সম্পূর্ন করে &lt;/span&gt;&lt;span lang="BN" style="font-family: &amp;quot;Vrinda&amp;quot;,&amp;quot;sans-serif&amp;quot;; font-size: 14pt; font-weight: normal;"&gt;সাজিয়ে গুছিয়ে &lt;/span&gt;&lt;span lang="BN" style="font-family: &amp;quot;Vrinda&amp;quot;,&amp;quot;sans-serif&amp;quot;; font-size: 14pt; font-weight: normal;"&gt;নিতে কি পরিমান পরিশ্রম হয় তা আপনারা সবাই জানেন।&lt;/span&gt;&lt;span style="font-family: &amp;quot;Vrinda&amp;quot;,&amp;quot;sans-serif&amp;quot;; font-size: 14pt; font-weight: normal;"&gt;&lt;o:p&gt;&lt;/o:p&gt;&lt;/span&gt;&lt;/h1&gt;&lt;h1&gt;&lt;span lang="BN" style="font-family: &amp;quot;Vrinda&amp;quot;,&amp;quot;sans-serif&amp;quot;; font-size: 14pt; font-weight: normal;"&gt;কাজেই ফ্রি হোস্টিং পেয়ে খরচ করে কেনা ডোমেইন হোস্টিং করতে হলে &lt;/span&gt;&lt;span lang="BN" style="font-family: &amp;quot;Vrinda&amp;quot;,&amp;quot;sans-serif&amp;quot;; font-size: 14pt; font-weight: normal;"&gt;যথেস্ট সতর্ক হয়ে করুন&lt;/span&gt;&lt;span lang="HI" style="font-family: &amp;quot;Mangal&amp;quot;,&amp;quot;serif&amp;quot;; font-size: 14pt; font-weight: normal;"&gt;। &lt;/span&gt;&lt;span lang="BN" style="font-family: &amp;quot;Vrinda&amp;quot;,&amp;quot;sans-serif&amp;quot;; font-size: 14pt; font-weight: normal;"&gt;যা যা পোস্টিং দিচ্ছেন সেগুলির ব্যাক আপ রাখুন এবং কি হলে ব্লগ ডিলিট বা কন্ট্রোল প্যেনেল ব্লক করতে পারে তা ভাল করে জেনে নিন&lt;/span&gt;&lt;span lang="HI" style="font-family: &amp;quot;Mangal&amp;quot;,&amp;quot;serif&amp;quot;; font-size: 14pt; font-weight: normal;"&gt;।&lt;/span&gt;&lt;span
