Monday, 22 March 2010

বাংলাদেশ

তেঁতুলিয়া থেকে দক্ষিনে সুন্দর বন
সবুজের মায়ায় ঘিরে থাকে মন।
জাফলং থেকে টেকনাফ কুতুবদিয়া
নীল জলে ভাসে সাম্পান পাল তুলিয়া।
সোনালী সূর্য উকি দেয় রাঙ্গা মাটির পাহাড়ে

Monday, 15 March 2010

চঞ্চল বসন্ত

মন আমার দোদুল দোলে কৃষ্ণচূড়ার ডালে ডালে দোলে ওই চঞ্চল বসন্তে
ভ্রমরের গুঞ্জনে কোকিলের গানে গানে

Tuesday, 9 March 2010

কি করি আজ ভেবে না পাই

বিগত প্রায় মাস খানিক যাবত কি যে হয়েছে কিছু বুঝতে পারছি না। কিছুই লিখতে ইচ্ছে করে না। লিখা শুরু করলেই মনটা ভিন্ন কোন দিকে চলে যায়। হয়ত কোন ছবি এডিট করি আবার সেটা ছেড়ে কোন গান এডিট করি আবার সেটা

Monday, 8 March 2010

মাতাল বসন্ত

স্বর্ণালী সুন্দর এই দিন
কে বাজায় দূরে মধুর বীণ
ঘরে আমার এ মন রয়না
কেন চৈতী হাওয়া বয়না।।

Saturday, 6 March 2010

নিমগ্না

দূর পাহাড়ের পাশে
আকাশ হলো মেঘলা
একটু পরে নামল ধীরে
তুহিন মাখা বাদলা।

Friday, 5 March 2010

প্রাক –চর্যার যুগের বাংলা ভাষা ও আধুনিক কবিতার সম্পর্কে কিছু কথাঃ

লক্ষনীয়ঃ 
BuZZ এ কেন জানি প্রায়ই এরর দেখাচ্ছে। তাই মেইল করে দিলাম। আমার বক্তব্য! পারলে আপনাদের কেউ পোস্ট করে দিন:
লেখক সুশান্ত কর
যান্ত্রিক গোলযোগের কারনে তিনি নিজ ব্লগে প্রচার করতে পারেননি বলে এখানে তার অনুরোধের প্রেক্ষিতে প্রচার করে দিলাম। স্মৃতিকণা।

চিনলেননা তো ! তবে কে আর দিদিমার মায়ের নাম মনে রাখে বলুন। আমি অপেক্ষা করছিলাম গোপীদা লিখবেন কিছু। তিনি সম্প্রতি 'চর্যাপদ' নিয়ে বই লিখেছেন কিনা।
যাই হোক এর থেকেই বাংলা এসেছে। ওটা প্রাক-চর্যাপদ যুগের প্রাকৃত ভাষা, সম্ভবত সৌরসেনী। হাজার বছরের চে'ও বেশি পুরোনো আমাদের প্রাক-বাংলা ভাষা। 'প্রাকৃত পৈঙ্গল' নামের এক প্রাচীন সংকলনে এটি সংকলিত হয়েছিল।এর এক আধুনিক বাংলা অনুবাদ আমি করেছিলাম এরকমঃ
প্রিয়তম দূর দেশে
       দিগন্ত পার ।
ওড়না ওড়ালো এসে
       মেঘ বরষার ।।
মন দিয়ে পড়ুন আবার , দেখবেন এক ছোট্ট গল্প আছে এর মধ্যে। অনেক কথা বলেছেন কবি, অনেক কম বলে।
এর অনুকরণে আমি আরো লিখেছিলাম কিছুঃ
১)
কাশফুল ঝরে যায়;
      কপালের টিপ।
বাঁধা বেনী খুলে যায়
        নেভানো  প্রদীপ।
২)
'বউ কথা কও' পাখি
             ডাকিসনে আর
শিউলি ফোটেনা সখি
         ভাদো আশিনার
৩)
যে যদি মিনতি করে
           আঙটি ও হার;
দু'পা গেলে নদী বয়;
         কলসি দোয়ার।

 এবারে পড়ুন আমার বৈষ্ণব কবিতার যুগের ধাঁচে কবিতাঃ

তুই ছাড়া আর কার বা আমি
            নিলাম জাতি কুল;
কার প্রাণে বা বাজলো গিয়ে
          বাঁশি আমার ভুল!

ঝাড় উপাড়ি ডালে মূলে
           কে ভাসালে সুর;
তোর পায়ের নুপূর চেনে
         সাত সমুদ্দূর !

এখন সখি, সুখ হলো তোর-
        কী দিয়ে নিই প্রাণ!
ভুলেই গেছে যমুনা যে সেই
আগের কলতান!
---
দেখুন এবারে এখানে খালিদদার সেই প্রথম কবিতার সুর পাচ্ছেন কিনা।
----
কিন্তু আমি আজকাল কবিতা লিখিনা। সত্যি বলতে ঐ যারা ইন্দিরাদিকে মধ্যযুগীয় বলে বিদ্রুপ করল কবিদের মধ্যে ওদের সংখ্যা এত্তো বেশি আর ওরা শক্তিতে এত্তো প্রবল যে আমার ঘেন্না ধরে গেল। আমি অবশ্যি হার মানবার পাত্র নই। কিন্তু আমার নিজেরই আগ্রহ গদ্যে বেড়ে গেল। কী আর করা।আমার সে দুঃখের কথা অরকুটের প্রফাইলে লেখা আছে।
এবারে 'মধ্য যুগ' শব্দটা আসলে ধার করা। আমাদের দেশে ইউরোপের মতো কোনো মধ্যযুগ কোনোদিন ছিল না। ইংরেজ গেছে , কিন্তু গোলামির মানসিকতা আমাদের যায়নি। তাই ওদের গোলামি করে ওদের থেকে ধার করা ধারণাতে জগত না দেখলে আমাদের অনেকে মধ্যযুগীয় বলে।

ইন্দিরাদি, আমি ঐ অরকুট গ্রুপে গিয়ে দেখেছি কে কি বলেছে। ওমন অসভ্যের মতো লিখত না যদি আপনি কবিতা নালিখে আমার মতো গদ্য লিখতেন। তখন বড়জোর আপনার সঙ্গে মতামত বিনিময় করত বা দ্বিমত পোষণ করত। এমন কাঁচা পণ্ডিতি কবিতা নিয়ে হয়। আমি ক'দিন আগে দেবেশ রায়ের একটা বই পড়েছি। ওখানে তিনি একজায়গাতে লিখেছেন, “কিছু দিন আগে কলকাতাতে এলেন কিউবার এক বিখ্যাত কবি। তিনি এক বৈঠকে, 'আমার কাছে ত আমার কোনো কবিতার বই নেই, নইলে পড়ে শোনাতাম দু'চারটে কবিতা,' বলতেই বেরিয়ে আসে বাঙালি শ্রোতাদের ভেতর থেকে তাঁর লেখা দু'দুটো কাব্যগ্রন্থ। সে কবিতো আমাদের আন্তর্জাতিকতায় হতবাক। দুনিয়ার এত খবর রাখতে গিয়ে নিজেদের খবর আমাদের বড় একটা রাখা হয় না,...।'

তিনি যেটি লেখেননি আমি লিখছি। মনে করুন, ওখানে অসমের বা ঊড়িষ্যার কোনো কবি গিয়ে ঐ কথা বলতেন। আমি নিশ্চিত ওখানে তাঁর একটাও কবিতা বেরুতো না। কারণ আধুনিক হবার দৌড়ে আমরা একটা 'ঊড়ো খৈ গোবিন্দায় নমঃ' তত্ব বের করেছি। যা কিছুতে পশ্চিমের গন্ধ আছে তাই আধুনিক। প্রাচ্যের সবকিছু পরিত্যাজ্য। উপেক্ষণীয়। আমরা কালিদাসের কথা বলি বটে কিন্তু কতজন বলুন জ্ঞানদাস, চণ্ডীদাস, বিদ্যাপতি, শাহ মুহম্মদ সগির, শৈয়দ আলাওলের কথা মনে রাখি। রাখিনা , কারণ ইংরেজি শিক্ষাতে জেনেছি ওরা আসার আগে যা কিছু ছিলো সব মধ্য যুগীয় এবং পরিত্যাজ্য।
'দেইখ্যা আইলাম তারে সই , দেইখ্যা আইলাম তারে।
একই অঙ্গে এতো রূপ নয়ানে না ধরে..." (জ্ঞানদাস)
           এমন লাইনকে যে মধ্যযুগীয় বলে তার গালে চপেটাঘাত করা উচিত!

কিন্তু বলে। মাইকেলের আগের প্রায় সব্বার নাম আমাদের ভুলিয়ে দেয়া হয়েছে বা ঠাকুর ঘরে পাঠিয়ে দেয়া হয়েছে। ওটা ইংরেজ প্রীতিতে প্ল্যান করে করা হয়েছিল । এনিয়েও দেবেশ রায়ের ঐ বইতে কিছু দারুণ কথা আছে। কিন্তু তিনি উপন্যাস প্রসঙ্গে লিখেছেন। আমি টুকে দিচ্ছিঃ

"উনিশ শতকের দ্বীতিয়ার্ধে শুরুতে আমাদের ইংরেজ পুরাণ তৈরি হয়ে গেছে, তার পৌরাণিক স্বতঃসিদ্ধ আমাদের দৈনন্দিন জীবনের অংশ। তাই বঙ্কিম যখন উপন্যাস লেখেন তিনি সেই পুরাণকেই পৌরাণিক মর্যাদায় অধিষ্ঠিত করেন। সেখানে সমবেত উৎসবের মেজাজে পুরাণ কে ভাঙা হয় না, ব্যক্তি গত অভিনিবেশে সমবেত ইচ্ছার সেই পুরাণকে গড়ে তোলা হয়। তাতে মহৎ মহত্তর হয়, তুচ্ছ তুচ্ছতর হয়--উভয়ের অন্তর্বর্তী পার্থক্য আরো নির্দিষ্ট হয়। মঙ্গল কাব্যের আসরে, কীর্তনের আখরে, এমনকি খেউড়ের রাত জাগা বাসরে--কাহিনীর অন্য এক বিবরণ তৈরি হয়ে ছিল সেই পনের শতকের বরিশাল-চট্টগ্রামে-এর বঙালে, রংপুর-কোচবিহারের পৌণ্ড্রবর্ধনে, মেদিনীপুরের সমতটে, রাঢ়ে, ষোল শতকের শান্তিপুর-নদীয়ায়, আঠার-উনিশ শতকের নতুন কলকাতায়। কিন্তু আমাদের আধুনিকতা সেই সব বিবরণের মধ্য উপন্যাসের কোনো উপকরণ  খোজেনি। ফলে, ইংরেজি উপন্যাসের একটি বাঁধা ছক আমাদের উপন্যাসের বাঁধাছক তৈরি হয়ে উঠল এবং আজ পর্যন্ত তাইই এক মাত্র ছক। ইংরেজি উপন্যাসের কিন্তু কোনো বাঁধা ছক ছিল না-- সেখানে উপন্যাস  হয়ে উঠেছিল প্রাক উপন্যাস কাহিনীর বিবরণ থেকেই, ...।

আমাদের পক্ষে তো ইংরেজি উপন্যাসের সেই উৎসকে বাংলায় নিয়ে আসা সম্ভব ছিল না, পরিবর্তে ইংরেজি উপন্যাসের একটিমাত্র ছককেই মাত্র আনা গেল। কিন্তু তাতাই জানা হয়ে গেল--এটাই  উপন্যাস, একমাত্র উপন্যাস......'দুর্গেশ নন্দিনী প্রার আগেই আমরা ইংরেজি উপন্যাস থেকে জেনেছি উপন্যাস কী... আমাদের কাহিনী ভালো লাগার আধুনিকতা আমাদের কাহিনী বিবরণের ঐতিহ্য থেকে সম্পূর্ণ , একেবারে বিচ্ছিন্ন হয়ে গেল।"
      
উদ্ধৃতি দীর্ঘ হবার জন্যে দুঃখিত। আমি কফি হাউসে উদ্দীপনা গোস্বামীর এক কবিতা অনুবাদে রেখেছি। আমি কিছু মিশিং শব্দ লেখিকার মতোই রেখে দিয়েছি।দেখবেন 'অভ্র' লিখেছে শব্দগুলো ওর ভালো লাগেনি। এমনিতে অভ্র আমার অনুরাগী। কিন্তু সে ঐ কথা লিখেছে, কেননা ওভাবেই আমরা ভাবতে অভ্যস্থ।  যদি ওগুলো ইংরেজি হতো? বাব্বা! কোনো সংশয় কারো থাকতো না। ইন্দিরাদি,  আপনি একটু এমনি এমনি লিখে দিন আপনি স্পেনের রাম শ্যামের উত্তরাধুনিকতার দ্বারা  অনুপ্রাণিত হয়ে লিখেছেন, ব্যস আপনার ভক্ত সংখ্যা বেড়ে যাবে!ঃ)

মধু ক্ষন

নীল সাগর তীরে
এই মায়াবি রাতের আধার
চুপি চুপি আমায় ডেকে যায়।

"কোন একদিন" কবিতা নিয়ে আলোচনা

এই কবিতাটা নিয়ে গুগল বাজে কিছু আলাপ আলোচনা এখানে তুলে দিলাম।

5 people liked this  - Aero River, Md. Khalid Umar and 3 others, মাল্যবান........ কত কী করার আছে বাকী, Dr. Hifzur R. Siddique and Gopi Kanta Ghosh
paramita prajna - thakbe kichu,jabe kichu,
thakbe hashi kanna,
nayan mele dekhleo,
mone kichui dhorbena.
hattogoler itpathorer kallolinite
aj o duto kokil more udash korlo je......2 Mar
Sushanta Kar - ধন্যবাদ পারমিতাদি! কিন্তু এর লেখক আমি নই। খালিদ ওমর , বাংলাদেশের লেখক! দারুণ লিখেছেন খালিদ'দা!2 Mar
Gopi Kanta Ghosh - Thakbe...onno bhabe...2 Mar
Md. Khalid Umar - আপনাদের সবাইকে অনেক অনেক ধন্যবাদ। আমিও কিন্তু তাই বলেছি সবই থাকবে, শুধু যা থাকবে না তা হচ্ছে এই সব দেখার মত নয়ন আর মায়া ভেজা কোমল এক টুকরা হৃদয়।
চারিদিকে সব কিছু কেমন যেন তোলপাড় চলছে তাই ভয় হয় যদি এসব হারিয়ে যায় তাহলে বাঙ্গালি বাঁচবে কি নিয়ে?Edit2 Mar
Dr. Hifzur R. Siddique - Ekta durdanto kabita.. thanks to Mr. Khalid. Arr as usual amar Sushanta Da... Jar joneye amora kato kichu jante pari.... thanks for uploading this nice poem....4 Mar
Md. Khalid Umar - ধন্যবাদ ডঃহিফজুর; এটা অনেক দিন আগে লিখেছিলাম, আমার মেঝ মেয়ে সুর করে এটা নিয়মিত গাইত ওর খুব প্রিয় ছিল এই কবিতাটা।
আশা করি আবার দেখা হবে। সুশান্তর জন্যও অনেক অনেক ধন্যবাদ।Edit4 Mar
Sushanta Kar - ধন্যবাদ হিফজুর!4 Mar
Indira Mukerjee - তবুও পড়ে থাকবে তখন পোড়ো গাঁয়ের স্মৃতি,
কিছু কথা, কিছু ব্যথা, কিছু রীতিনীতি
তবুও সেথায় থাকবে পড়ে আমার তোমার বাড়ি,
থাকবো আমি থাকবে তুমি গাঁয়ের সাথে আড়ি,
দুপুরবেলা আম পড়বে ছুট্টে যাবো সেথা
আসবে নাকো পল্লীবালা কুড়োতে আম যেথা,
কুবোপাখির পিছু নেব তবুও আমি ছুটে,
মা যে আমার আসবে নাকো আমার পিছু হেঁটে,
তবু আমার গাঁয়ের সোনা, ঝরাপাতায় নিপাট বোনা
কাঠবেড়ালির দুষ্টুমি আর পাখির আনাগোনা
তবু আমার তোমার গাঁয়ের সেই তো আসল সোনা4 Mar
Md. Khalid Umar - ইন্দিরা'দির উদ্দ্যেশ্যেঃ
আমার গায়ে আমার দেশে আছে যত সোনা
হাতে হাতে যায় না তারে গোনা।
সোনা ছেড়ে মেকি নিয়ে রইব কেন পরে
সবাই এসো মেলে দিই তাই বিশ্ব জুড়ে।
হতাশায় মোর জ্বেলেছ একটু খানি আলো
অটুট হয়ে থাকুক তাই এতেই যেন ভাল।Edit4 Mar
Sushanta Kar - বেশ জমেছে!চালিয়ে যান!4 Mar
Sushanta Kar - বলুন তো দেখি এটা কোন ভাষার কবিতা
সো মঝু কন্তা
দূর দিগন্তা।
পাউস আয়ে
চেলু দুলায়।।4 Mar
Dr. Hifzur R. Siddique - I think its a chitagongi language4 Mar
Sushanta Kar - ভাবতে থাকো!4 Mar
Dr. Hifzur R. Siddique - na hole nawakalir basha4 Mar
Sushanta Kar - ভাবতে থাকো!4 Mar
Indira Mukerjee - kintu orkut e ekta community bolche amar kabita naki moddhyo jugiyo>>.kabitar abar jug ache? tara to eke aporke nakol kore ...apni orkut e Kabita kichu katha elomelo te join korun ar amar sathe likhte thakun plzz..ar coffehouser adday o likhchi...apnio likhun amar sathe.. amake help o korben ... shekhaben o bandhur moto ... bhalo thakben !!06:54
Gopi Kanta Ghosh - Kobita ke somoy te banda jaye na...Kalidas ekhono notun...06:57
Sushanta Kar - আমি দেখছি! আপাতত আপনি ওদের জিজ্ঞেস করুন 'মধ্যযুগ' কথাটার মানে কী? ধারণাটা কোত্থেকে পেল? প্রাচীন যুগীয় কেন বলল না। তার মানে কি আপনার কবিতা এক ধাপ এগিয়ে আছে?10:51
paramita prajna - ha ha ha --madhyajugio----prachin jugio--- tao abar kobitar?
bolche jara
baluk tara
baluk taha
pran chaye jaha.
miche samoy kharcha
keno karo britha?
lekho nijer mato
shacchonde, anonde,niyom bhenge, praner madhurje.........11:17
Md. Khalid Umar - ধন্যবাদ ইন্দিরা দিদি,
আপনার মতাদর্শের সাথে আমার হুবহু মিল রয়েছে, আপনি যদি মধ্য যুগীয় হন তাহলে আমি আদ্দি কালের। গোপি কান্ত ঘোষের কথায় আমিও বলি কালিদাশ কি কখনো পুরাতন হবে?সে অনন্ত কাল নতুন থেকে বাংলাকে টেনে নিতে থাকবে। যেখানে কালিদাশ আছে সে বাংলা হারিয়ে যাবার কোন ভয় নেই।

আমার মতে পৃথিবীর যে কোন সাহিত্যের চেয়ে আমাদের বাংলা সাহিত্য অনেক উপরে। কেন যে আজকাল এই আধুনিকতার নামে তা হারাতে চাইছে বুঝি না। মনে খুব কষ্ট হয় এই সব দেখে। কাউকে কিছু বলতেও পারি না। কিছু কথা কিছু গল্প লিখে যাই আপন মনে পাছে লোকে কিছু বলে ভয়ে রেখে দিই গোপনে। সুশান্ত যে কেন তা টেনে বের করে সবার সামনে হাজির করলো কিছু বুঝলাম না।

বর্তমানে যা চলছে "যুগান্ত সৃষ্টির নামে আপনাকে ভুলে কি যেন রচিতে চাই বুঝি না মনের দোদুল দোলে", তাই নয় কি? আমি এখন সুদূর পথের অচিন রথের যাত্রী, আমি কিইবা আর লিখতে পারি! তবুও চেষ্টা করি আমার নীল নক্ষত্র এবং স্মৃতিকণা ব্লগে এগুলি রেখে যেতে। স্মৃতি কণায় women's galaxy নামে ডান পাশের বার এ আপনার কৃষ্ণ কলির রান্নাঘর থেকে কবিতার ঝুলি সোনার তরী সবার লিঙ্ক আছে। ওটাকে আমার লিঙ্ক ভান্ডার বলতে পারেন তবে ওটাকে সচল রাখার জন্য মাঝে মাঝে দুই একটা লেখা দিতে হয় তাই দেই।

এই লেখা গুলি কোথা থেকে আসছে আমিই বা কোথায় লিখছি কিছুই বুঝতে পারছি না। সুশান্ত অবশ্য আমাকে অর্কুটে ভর্তি করে দিয়েছিল কিন্তু সে যে কোথায় কি ভাবে যেতে হয় পথ ভুলে গেছি। ওখানে যাবার পথ খুঁজে পাচ্ছি না। তাছাড়া আপনি ওখানে এবং কফি হাউজের আড্ডায় লিখতে বলেছেন কিন্তু দিদি, আমি যা জানি তাতে কফি হাউজের আড্ডা, সচলায়তন, সামহোয়ার ইন, আমার ব্লগ এগুলি সবই সম্ভ্রান্ত নাগরিকদের জন্য ওখানে আমার মত রিক্ত নিস্ব প্রবেশ পত্র পাবেই বা কেন!

শেখাতে বলেছেন! আমি আর কি শেখাব বিশ্ব জোরা পাঠশালা থেকে যে এখনো আমার শিক্ষাই শেষ হয়নি, তবে বন্ধুত্ব! হ্যা, এটা অকৃত্রিম ভাবেই পাবেন সে কথা নিশ্চিত করে বলতে পারি। এ বিষয়ে স্নেহাস্পদ সুশান্ত ভাল ভাবেই জানে।

এইতো, আপনিও ভাল থাকুন, সবাই ভাল থাকুন।
সবার জন্যই আমার ভালবাসা, আবার বারবার দেখা হবে এই টুকু আশা।Edit11:21
Md. Khalid Umar - ধন্যবাদ পারমিতা দিদি
ইন্দিরা দিদির জবাব লিখার সময় আপনার লেখাটা ইন বক্সে এসেছিল বলে দেখতে পাইনি এখন দেখলাম।
বলছে যারা বলুক তারা
আপন মনে দিশা হারা,
কি যে আছে কলি যুগে
কি যে আছে মধ্য যুগে
কি যে আছে আদ্দি যুগে
এমন করে ভাবে কি তারা?

ঠিক এই নিয়েই আমার অনেক দিন হ্যা তা প্রায় ১৬/১৭ বছর আগের একটা লেখা আছে দেখি আজ সেটা স্মৃতি কণা ব্লগে দিয়ে দিব।

ভাল থাকুন সুস্থ থাকুন, বাংলার সেবা করুন। সামান্য এই আশাবাদ, তার সাথে অল্প কিছু ধন্যবাদ।Edit11:46
Aero River - চট করে এত সুন্দর করে কবিতা লিখতে যারা পারে, তাদেরকে কি বলবো? স্বভাবকবি নাকি অন্তর্যামী?11:46
Md. Khalid Umar - না না এরো, এ তোমার অতিশয়োক্তি। স্বভাব কবির সাথে আমাদের তুলনা করতে নেই, তারা হলেন স্বয়ং ঈশ্বর প্রদত্ত। ঈশ্বর আমাদের জন্যই তাদের পাঠিয়েছেন।Edit11:51
Aero River - মানুষই ঈশ্বর, মানুষই দেবতা, মানুষই কবি, মানুষই দানব। ঈশ্বর সবাইকে পাঠান, কেউ নিজেকে চিনতে পারে, কেউ আবার পায় না। যারা পায়না, তারা সারা জীবন নিজেকে খুঁজে ফেরে, পরশপাথরের দেখা পায় না। আর যারা নিজেকে চেনে, তারা জানেন জীবনের মানে, অর্থ এবং গন্তব্য।11:55
paramita prajna - nijer vasha
moner katha
mile jetha------
juger bera
kathaye setha?

juger bivajone biggya jara
kato sahityo rochilo tara!!
comment dite sabai pare
bhalo bolte bathya lage!!11:57
Md. Khalid Umar - সুশান্ত,
তোমার ওই ছত্র দুটি বাংলা দেশের কোন আঞ্চলিক ভাষা নয়, এ ব্যাপারে আমি নিশ্চিত। কোন ভাষা বলেই ফেল, শুধু শুধু হাই প্রেসার বারাবার কি দরকার?ও! আমাদের পাশেই ডাক্তার হিফজুর রয়েছে কাজেই প্রেশারের ভয় আর নেই। না কি বল?Edit12:00
paramita prajna - shilet ba shaotal!12:03
28 more comments
paramita prajna - athoba cha baganer ------

kono option charchina-- asif shushanto byapok ek khana prize rekheche!!!12:04
Md. Khalid Umar - সিলেটের নয় তবে সাঁওতাল বা চা বাগানের যেটা বলেছেন মনে হয় তেমন কিছু হবে! ওই ভাষা আমি কখনো শুনি নি। বাংলাদেশ ছোট্ট দেশ, আমি এখানকার সব এলাকায় গিয়েছি, প্রায় সব আঞ্চলিক ভাষা শুনেছি এক সময় বলতেও পারতাম এখন ভুলে গেছি, শুধু সাঁওতাল এলাকায় যাবার সুযোগ হয়নি।Edit12:12
Md. Khalid Umar - পারমিতা দিদি,
উপরে যে লিখেছি অনেক দিন আগের লেখা একটা কবিতা আজ পোস্ট করে দিব, এখন খুঁজে দেখি তা কয়েক দিন আগেই দিয়ে দিয়েছি, "প্রলাপ" নামে অথচ দেখেন দিব্যি ভুলে গেছি, লিঙ্কটা হচ্ছে http://smritikona.blogspot.com/2010/02/b

Noodles Pakora/ নুডলস পাকোড়া

যা যা প্রয়োজন
১, ২০০ গ্রাম নুডলস
২, একটা পিয়াজ কুচি
৩, ৫/৬ টা কাচামরিচ কুচি
৪, অল্প ধনে পাতা কুচি
৫, একটা ডিম অথবা ১ টেবিল চামচ কর্ণ ফ্লাওয়ার
৬, ১ টেবিল চামচ টালা শুকনা মরিচ গুড়া
৭, ১/৪ চা চামচ জিরা গুড়া
৮, ১/২ চা চামচ ধনিয়া গুড়া
৯, ১/২ চা চামচ মরিচ গুড়া
১০, সামান্য টেস্টিং সল্ট
১১, ডুবো তেলে ভাজার জন্য যথেষ্ট রান্নার তেল

কি ভাবে বানাবেন:

১, নুডলস সেদ্ধ করে পানি ঝাড়িয়ে নিন
২, সবকিছু মিশিয়ে মাখিয়ে নিন
৩, আপনার পছন্দ মত সাইজের বল বানিয়ে নিন, হাতে লেগে গেলে একটু তেল মেখে নিবেন
৪, ফ্রাই প্যানে তেল গরম হলে একটা একটা করে বল দিন তবে একসাথে ৭/৮ টার বেশি না
৫, মাঝে মাঝে দুই একবার উলটে দিন, বাদামি রঙ হলে তুলে আলগা তেল টেনে নেয়ার জন্য একটা টিসু পেপারের উপর রাখুন
৬, চাটনি বা সস সহ চা অথবা পানীয়ের সাথে গরম গরম পরিবেশন করুন

Pakora/বেসনের পাকোড়া

যা যা প্রয়োজন
 ১, ২০০ গ্রাম বেসন
২, ১টা পিয়াজ কুচি
৩, ৬/৭টা কাচামরিচ কুচি
৪, অল্প কিছু ধনে পাতা কুচি
৫, এক চিমটি হলুদ গুড়া
৬, ১/৪ চা চামচ জিরা গুড়া
৭, ১/২ চা চামচ ধনে গুড়া
৮, ১/২ চা চামচ শুকনা মরিচ গুড়া
৯, ১/৪ চা চামচ লবন
১০, এক কাপ পানি
১১, একটা ডিম
১২, ভাজার জন্য রান্নার তেল

কি ভাবে বানাবেন
১, ডিম ফিটে নিয়ে সব কিছু মিশিয়ে পেস্ট বানিয়ে নিন
২, কড়াইতে তেল গরম দিন
৩, তেল গরম হলে জ্বাল কমিয়ে মাঝারি আঁচে আনুন
৪, টেবিল চামচের এক চামচ গরম তেলে ছেড়ে দেখুন, যদি মনে করেন পেস্ট ঘন হয়েছে তাহলে আরো সামান্য একটু পানি মিশিয়ে নিন, আর পাতলা হয়েছে মনে হলে আরো একটু বেসন মিশিয়ে গুলে নিন
৫, এক এক করে ফ্রাই প্যানে ছেড়ে দিন তবে এক সাথে ৬/৭ টার বেশি দিবেন না
৬, মাঝে মাঝে উলটে দিয়ে বাদামি রঙ করে ভেজে একটা টিস্যু পেপারের উপরে তুলে রাখুন
৭, চাটনি বা সস সহ গরম গরম বিকেলের চা বা কোন পানীয়ের সাথে পরিবেশন করুন
দ্রষ্টব্য এর সাথে চিংড়ি কুচি/কুচি করে কাটা পালং, পুঁই বা কলমি শাক/আলু/বেগুন এগুলোও দিতে পারেন

Thursday, 4 March 2010

Easy Prawn cutlet/চিংড়ি মাছের কাটলেট

উপকরনঃ
১। খোসা ছাড়ান চিংড়ি মাছঃ ২৫০গ্রাম
২। পিয়াজ কুচিঃ ৩ টেবিল চামচ, খুব মিহি করে কুচি করবেন
৩। আদা পেস্টঃ ১/২ চা চামচ
৪। রসুন পেস্টঃ ১/৪ চা চামচ
৫। কাচা মরিচ কুচিঃ ১ টেবিল চামচ
৬। গোল মরিচ গুড়াঃ ১/২ চা চামচ
৭। ধনে পাতা কুচিঃ প্রয়োজন মত
৮। ডিমঃ ১টি
৯। ব্রেড ক্রাম্বঃ প্রয়োজন মত
১০। কর্ণ ফ্লাওয়ারঃ ১ টেবিল চামচ
১১। সয়া সসঃ ১ চা চামচ
১২। লবনঃ ১ চা চামচ
১৩। স্বাদ লবনঃ সামান্য
১৪। লেবুর রসঃ ১/২ চা চামচ
১৫। ভাজার জন্য তেলঃ প্রয়োজন মত
 
কি ভাবে বানাবেনঃ
১। চিংড়ি মাছ কুচি করে কেটে নিন
২। ২ টেবিল চামচ ব্রেড ক্রাম্ব এবং ডিম সহ সব উপকরণ এক সাথে মিশিয়ে মাখিয়ে নিন, বেশি পাতলা হলে আরো কিছু ব্রেড ক্রাম্ব মিশিয়ে নিন
৩। আপনার পছন্দ মত ডিজাইন করে কাটলেট বানিয়ে একটা প্লেটে তেল মেখে কাটলেট গুলি নামিয়ে রাখুন
৪। কড়াই বা ফ্রাই প্যানে তেল গড়ম হলে একটা একটা করে ব্রেড ক্রাম্ব মেখে ডুবো তেলে বাদামী রঙ করে ভেজে একটা শুকনো প্লেটে টিস্যু পেপার বিছিয়ে তাতে নামিয়ে রাখুন।
৫। টমাটো কেচাপ, চিলি সস বা আপনার বানানো যে কোন চাটনি দিয়ে গরম গরম পরিবেশন করুন

Tuesday, 2 March 2010

কোন একদিন

শতেক বছর পরে দেশে গাও গেরাম আর থাকবে না
বৌ কথা কও সুরে পাখি সকাল সাঁঝে ডাকবে না।